নোয়াখালী
অগ্নাশয় ক্যান্সারে আক্রান্ত কলেজশিক্ষক সাজু বাঁচতে চান
সফিকুল ইসলাম পেশায় সরকারি কলেজের শিক্ষক। পরোপকারী, সদাহাস্যোজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত মানুষটি নিজ গ্রামের মানুষের কাছে সাজু নামেই পরিচিত। সাহস ও অনুপ্রেরণা দিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় সাজু স্যার। তবে শিক্ষার্থীদের প্রিয় সেই ‘সাজু স্যার’ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
অগ্নাশয়ের (প্যানক্রিয়াস) চতুর্থ ধাপের ক্যান্সারে আক্রান্ত সাজুর ব্যয়বহুল চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ লাখ টাকা। অর্থাভাবে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তিনি। তাই প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ দেশবাসীর কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন এই শিক্ষক।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার বাসিন্দা সফিকুল ইসলাম সাজু ৩৫তম বিসিএসের মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি কবিরহাট সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। দুই সন্তানের জনক সাজু দীর্ঘদিন ধরে একজন পরোপকারী, সদাহাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে তিনি এলাকায় ‘সাজু স্যার’ নামে পরিচিতি পেয়েছেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অগ্নাশয়ে ক্যান্সার ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রোগটি ইতোমধ্যে চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আপাতত দেশে কেমোথেরাপি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত ভারত অথবা থাইল্যান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। সেখানে চিকিৎসা বাবদ আনুমানিক ৫৫ থেকে ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে, যা তার পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়।
এ অবস্থায় সহকর্মী, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সমাজের বিত্তবান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবার। সবার সম্মিলিত সহায়তায় তিনি সুস্থ হয়ে আবারও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফিরে আসবেন—এমন প্রত্যাশা তাদের।
সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:
হিসাবের নাম: মো. সফিকুল ইসলাম
ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক, কালামুন্সি বাজার শাখা, কবিরহাট, নোয়াখালী
হিসাব নম্বর: ৩৮১২১০১০২৬৭২
রাউটিং নম্বর: ২০০৭৫১২৭০
বিকাশ/নগদ (ব্যক্তিগত): ০১৭০১৩০০৫০০
৮ দিন আগে
ইতালিতে নোয়াখালীর একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা
ইতালির রোমে নিজ বাসায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নিহতরা সবাই নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা।
শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে রাজধানী রোমের পার্শ্ববর্তী এলাকা কাসালোত্তির ভিয়া মন্তিলিওর একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহতরা হলেন— কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৪৫), তার স্ত্রী আরজু বেগম (৪০) এবং তাদের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা (৫)।
এ ঘটনায় ছেলে আমির হোসেন অয়ন (২০) আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের আত্মীয় আফনান হোসেন নাইম জানান, শুক্রবার ইতালির স্থানীয় সময় রাত ৮টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত বাবুলের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায়। সে সময় ঘরে থাকা বাবুল, তার স্ত্রী ও মেয়েকে লক্ষ্য করে তারা ছুরিকাঘাত করে। ঐ মুহূর্তে ছেলে অয়ন বাইরে থেকে ঘরে ফিরছিলেন। কক্ষে প্রবেশ করার সময় বিষয়টি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা অয়নকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে অয়নের চিৎকারে আশপাশের লোকজন বের হয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বাবুলসহ চারজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং অয়নকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
নিহত কামাল উদ্দিনের বাবা সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার ছেলে পরিবারের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল করার জন্য বছর ১৫ আগে ইতালি পাড়ি জমান। দেড় বছর আগে বাবুল দেশে আসেন এবং তার স্ত্রী, এবং ছেলেমেয়েকে তার সঙ্গে ইতালি নিয়ে যান।
তিনি আরও জানান, বছরখানেক আগে তার গ্রামের বাড়িতে বসতঘরের সামনে লাল বাহিনী পরিচয়ে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। সেখানে লক্ষাধিক টাকা চাঁদার দাবি করা হয়। চাঁদা পরিশোধ না করলে কামালকে হত্যা ও তার পরিবারের ক্ষতি করার হুমকির কথা উল্লেখ করা হয় চিরকুটে। এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি কোম্পানিগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তিনি সুনিশ্চিত করে এই মুহূর্তে কাউকে দায়ী করেননি এবং অন্যকোনো ধারণাও পোষণ করছেন না।
এ হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে নিহতের গ্রামের পরিবার, বাড়িসহ স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে দাবি করা হয়েছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিহতদের মরদেহ দেশে ফেরত আনাসহ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে তাদের শাস্তি দেওয়া হোক।
রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হতাহতদের পরিবার ও সেখানকার বাঙালি কমিউনিটির সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে কাজ করছে।
১৯ দিন আগে
মেঘনার ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
নোয়াখালীর সূবর্ণচর ও হাতিয়া অঞ্চলের মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। জনগণের স্বার্থে এবং স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে আগামী অর্থবছর থেকেই ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার (১৭ মে) নোয়াখালীর সুবর্ণচরে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙন কবলিত মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে কাটাখালি বাজার ও আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র প্রত্যক্ষ করে মন্ত্রী বলেন, চোখের সামনেই মানুষের বসতভিটা, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জনগণের পাশে থাকা এবং তাদের জানমাল রক্ষা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে এসেছি।
বর্ষা মৌসুম ও অতিপ্লাবনের হাত থেকে স্থানীয়দের রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের কথা জানিয়ে পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, সামনে বর্ষা মৌসুম থাকায় ভাঙন প্রতিরোধে আমরা ইতোমধ্যে ‘ইমার্জেন্সি ওয়ার্ক’ হাতে নিয়েছি। এছাড়া আরও দুই-তিনটি পয়েন্টে দ্রুত জরুরি কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, নদীর অপর প্রান্তে উড়িরচর, স্বর্ণদ্বীপ ও ভাসানচরসহ পুরো হাতিয়া নদীভাঙন এলাকার দিকে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে। সেখানে অনেকগুলো প্রকল্প চলমান। তবে সুবর্ণচরের এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি একটি স্থায়ী বাঁধের। যেখানে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে আমরা টেকসই বা পার্মানেন্ট (স্থায়ী) কাজের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। স্টাডি (গবেষণা) প্রতিবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই স্থায়ী কাজগুলো সমাপ্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
বর্তমান সরকারের তিন মাসের কাজের মূল্যায়ন করে তিনি বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করেছি এবং ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরোদমে কাজ শুরু হয়েছে। এই তিন মাসে প্রতিটি খাতে কীভাবে উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আমরা জনগণের স্বার্থে, জনগণের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এটিএম মোশাররফ হোসেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর চৌধুরী আলো, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশীদ আজাদ।
এ ছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
৬০ দিন আগে
নোয়াখালীতে স্কুলশিক্ষার্থী হত্যা মামলায় কোচিং শিক্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নোয়াখালী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া হোসেন অদিতা (১৪) হত্যা মামলায় আসামি কোচিং শিক্ষক আব্দুর রহিম রনিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ধর্ষণচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই অদিতাকে হত্যা করা হয় বলে আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম সিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. সেলিম শাহী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকায় নিজ বাসা থেকে স্কুলছাত্রী অদিতার গলা ও হাত-পায়ের রগ কাটা অবস্থায় রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনার দিন রাতেই অদিতার সাবেক কোচিং শিক্ষক স্থানীয় আব্দুর রহিম রনিকে (৩০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন রনি।
গ্রেপ্তারের সময় রনির মাথা, ঘাড়, গলাসহ শরীরের একাধিক স্থানে অদিতার নখের আঁচড় দেখতে পায় পুলিশ। এমনকি তার পরিহিত জামায়ও রক্তের দাগও পাওয়া যায়। পরে রনির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা, বালিশসহ অন্যান্য আলামত জব্দ করে পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এ মামলায় বাদীপক্ষের ৪১ জন সাক্ষী গ্রহণ করা হয়। আসামিপক্ষের পাঁচজন সাফাই সাক্ষীর সাক্ষ্যও গ্রহণ করেন বিচারক।
হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে আসামির ফাঁসির দাবি জানায়। একইসঙ্গে স্থানীয় সচেতন মহল এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি তোলে।
তাসনিয়া হোসেন অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার প্রয়াত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে ছিল। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। রিয়াজ হোসেন সরকার ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় মারা যান। এরপর রাজিয়া সুলতানা দুই মেয়েকে নিয়ে লক্ষ্মীনারায়ণপুরের জাহান মঞ্জিলে থাকতেন।
ঘটনার দিন সকালে বাসা থেকে স্কুলে যায় অদিতা। দুপুর ১২টার দিকে প্রাইভেট পড়া শেষে সে বাসায় একা ছিল। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে ঘরের মূল দরজায় তালা দেখতে পান তার মা। তালা খুলে ভেতরে ঢুকে সামনের কক্ষে আলমারির জিনিসপত্র এলোমেলো দেখতে পান তিনি। সে সময় তিনি ঘরে অদিতাকে দেখতে পাননি। কিছুক্ষণ পর অন্য একটি কক্ষ খুলে মেয়ের বিছানায় তার গলা ও দুই হাতের রগ কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
রাজিয়া সুলতানা জানান, ঘটনার কিছুদিন আগে রনির কোচিংয়ে পড়া বন্ধ করে দিয়ে অন্য জায়গায় প্রাইভেট পড়তে শুরু করে অদিতা। এতে ক্ষিপ্ত হন রনি। যদিও বিষয়টি তাদের বুঝতে না দিয়ে অদিতাদের বাসায় বিভিন্ন সময় আসা-যাওয়া করতেন তিনি।
ঘটনার দিন অদিতার মা বাসায় না থাকার সুযোগে দুপুর ১২টা থেকে ২টার মধ্যে অদিতাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন রনি। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য ঘরে আলমারিতে থাকা মালামাল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখেন তিনি।
ঘটনার পর পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালিয়ে আব্দুর রহিম রনিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তদন্ত শেষে অন্যদের অব্যাহতি দিয়ে রনিকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
রায় ঘোষণার পর নিহতের মা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মামলায় সহযোগিতাকারী আইনজীবী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানান।
বাদীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন। তিনি বলেন, এ রায়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির হিরু। তিনি রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, আসামিপক্ষ ন্যায়বিচার পাননি। তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
৭৮ দিন আগে
নোয়াখালীতে টার্মিনালে থাকা বাসে আগুন
নোয়াখালীর সোনাপুর পৌর বাস টার্মিনালে একটি বাসে আগুন লেগেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে বাসটির ভেতরের কয়েকটি আসন পুড়ে যায়। এ সময় বাসটির দরজা-জানালা বন্ধ ছিল। ভেতরে কোনো লোকজন ছিল না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোনাপুর পৌর বাস টার্মিনালে থাকা সোনাপুর-সুবর্ণচর রুটে যাতায়াতকারী সুবর্ণ সার্ভিসের একটি বাসের ভেতর থেকে আগুন দেখতে পান। তখন টার্মিনাল ও আশপাশে থাকা লোকজন সেখানে ছুটে গিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাসটির সহকারী জানান যে, তিনি অগ্নিকাণ্ডের কিছু সময় আগে একটি মশার কয়েল জ্বালিয়ে বাইরে খাবার খেতে যান।
ওসি জানান, এটি কোনো নাশকতামূলক ঘটনা নয়। মশার কয়েল থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয় বলে নিজের ধারণার কথা জানান তিনি।
২১৫ দিন আগে
নোয়াখালীতে পুকুরের ঘাটে শামুক কুড়াতে গিয়ে ২ বোনের মৃত্যু
নোয়াখালীর সেনবাগে পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন একই গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে বিবি মরিয়ম অহি (১০) ও সিদরাতুল মুনতাহা ছহির (৬)।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা উভয়ই স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুই বোন একসঙ্গে ঘরের পাশের পুকুর ঘাটে যায়। সে মুহূর্তে তারা ঘাটে একটি শামুক দেখতে পায়। বাড়িতে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পায় বড় বোন অহি পুকুরে ঘাটে থাকা শামুক কুড়াতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার ছোট বোন বড় বোন ছহির ও পুকুরে ডুবে যায়।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশু নিহত
পরে সকাল ৭টার দিকে দুই বোনকে অচেতন অবস্থায় পুকুরে ভাসতে দেখে তাদের বাড়ির এক চাচা উদ্ধার করে। এরপর স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার উপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রউফ জানান, পুকুরের ঘাটলায় শামুক কুড়াতে গিয়ে বড় বোন পানিতে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ছোট বোনও পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
৩৩১ দিন আগে
নোয়াখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ৩০টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত
নোয়াখালীর সেনবাগে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে দুটি কারখানাসহ মোট ৩০টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শনিবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সেবারহাটে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল মধ্যরাতে সেবারহাটের দক্ষিণ অংশে পলি প্লাইউড কারখানায় প্রথমে ধোঁয়া ও পরে আগুন দেখা যায়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় দ্রুতই আগুন পাশের দোকান ও কারখানাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সেনবাগ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
সেনবাগ ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যে ওই কারখানার বয়লার অতিরিক্ত হিট হওয়ায় সেখান থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জ হকার্স মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে গেছে ৩০ দোকান, আহত ৫
স্থানীয় ব্যবসায়ী আবুল বাশার বলেন, বাজারের মধ্যে বিভিন্ন দোকান রয়েছে। সেখানে এ ধরনের কারখানা বাজারের বাইরে পরিবেশবান্ধব এবং নিরাপদ স্থানে স্থাপন করা প্রয়োজন।
ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স নোয়াখালীর সহকারী পরিচালক ফরিদ উদ্দিন জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে সেনবাগ ছাড়া ও চৌমুহনী এবং মাইজদী স্টেশন থেকে পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। এ সময় স্থানীয়দের পাশাপাশি পুলিশ ও সেনা সদস্যরাও সহায়তা করেন।
তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্লাইউড ও একটি মেটাল কারখানা ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের মোট ৩০টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মালামালসহ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তদন্ত শেষে মোট ক্ষয়ক্ষতি পরিমাণ জানা যাবে।
৩৪০ দিন আগে
ওমানফেরত প্রবাসীকে আনতে গিয়েই লাশ হলেন ৪ নারী ও ৩ শিশু
ওমান প্রবাসী বাহার উদ্দিনের দেশে ফেরা উপলক্ষে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন তার স্বজনরা। তবে ফেরার পথে এক দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার স্ত্রী-কন্যাসহ পরিবারের সাত সদস্যকে।
বুধবার (৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের জগদীশপুরে এলে বাহার উদ্দিনের পরিবারকে বহন করা মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের খালে পড়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা নারী ও শিশুদের কেউ প্রাণে বাঁচতে পারেনি।
নিহতরা হলেন— বাহার উদ্দিনের নানি মোছা. ফয়জুন্নেসা (৮০), মা মোরশিদা বেগম (৫৫), স্ত্রী কবিতা বেগম (৩০) ও ভাবি লাবনী আক্তার (৩০) এবং মেয়ে মিম আক্তার (২), ভাতিজী রেশমী আক্তার (১০) ও লামিয়া (৯)।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানবন্দর থেকে মাইক্রোবাসে করে লক্ষ্মীপুরের হাজিরপাড়া ইউনিয়নের চৌপল্লীতে গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন তারা। মাইক্রোবাসটিতে যাত্রী ছিলেন নারী ও শিশুসহ মোট ১১ জন। পথিমধ্যে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে খালে পড়ে যায়। এরপর চালকসহ পুরুষদের পাঁচজন কোনোমতে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও পানির গভীরতা বেশি থাকায় নারী ও শিশুরা আটকা পড়েন।
আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে মাইক্রোবাস খালে পড়ে এক পরিবারের ৭ জন নিহত
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিমের তথ্য অনুসারে, ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে সকাল ৬টা ৫ মিনিটে চৌমুহনী ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
তবে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস যখন উদ্ধারকাজ শুরু করেছে, ততক্ষণে একে একে নিভে গেছে সাতটি জীবনপ্রদীপ। বাহারের বাবা ছগীর আলী এবং মাইক্রোবাসচালকসহ পাঁচজন আহত হলেও প্রাণে বেঁচে গেছেন। বাকিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেন চিকিৎসক।
চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোবারক হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পূর্ব চন্দ্রগঞ্জের জগদীশপুরে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খালে পড়ে ডুবে যায়। কয়েকজন বের হতে পারলেও বাকিরা ভেতরে আটকা পড়ে মারা যান। তাদের সবাই নারী ও শিশু।
তিনি বলেন, গাড়িটি খাল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি হাইওয়ে থানা পুলিশ উদ্ধার করে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে থানায় রেখেছে।
৩৪৫ দিন আগে
নোয়াখালীতে মাইক্রোবাস খালে পড়ে এক পরিবারের ৭ জন নিহত
নোয়াখালীতে বেগমগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় এক পরিবারের আটজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সাতজন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন একজন।
বুধবার (৬ আগস্ট) ভোরে উপজেলার চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের জগদিশপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের সবাই নারী ও শিশু। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম ও পরিচয় জানানো হয়নি।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লক্ষ্মীপুরের হাজিরপাড়া ইউনিয়নের চৌপল্লী গ্রামের ওমান প্রবাসী বাহার উদ্দিন স্বজনদের নিয়ে ঢাকা থেকে মাইক্রোবাসে করে বাড়ি ফিরছিলেন। ভোরে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে খালে পড়ে যায়। এ সময় বাহারের স্ত্রী কবিতা ও মেয়ে মিমসহ ৭ জন নিহত হন।
এদিকে, এক বার্তায় ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা মো. তালহা বিন জসিম জানিয়েছেন, ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে সকাল ৬টা ৫ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
হতাহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে চন্দ্রগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও চৌমুহনী ফায়ার স্টেশনের ১টি ইউনিট উদ্ধার কাজ করেছে।
৩৪৫ দিন আগে
নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে আপন দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে মো. ইব্রাহীম (৪) ও নাদিম হোসেন (৩) নামে দুই আপন চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রবিউল লালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
শিশুরা একই ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বাজার সংলগ্ন রবিউল লালের বাড়ির মো. আবু সুফিয়ান সজিবের ছেলে ইব্রাহীম ও মো. শরীফের ছেলে নাদিম হোসেন। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকালে দুই শিশুর মা ও পরিবারের নারী সদস্যরা ঘরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় শিশুরা বাড়ির উঠানে খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে সবার অগোচরে তারা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। অনেকক্ষণ পর তাদের খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুকুরে জাল ফেলে খোঁজ শুরু করেন।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশু নিহত
পরে পুকুর থেকে তাদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও হৃদরোগ কনসালটেন্ট ডা. মো. সাহাদাত হোসেন সাগর বলেন, ‘শিশুদের মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। স্বজনদের ভাষ্যমতে, তারা পানিতে ডুবে মারা গেছে।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বিমল কর্মকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহত শিশুদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৫৪ দিন আগে