নেদারল্যান্ডস
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা থেকে ৮৬ টন সোনা লন্ডনে সরিয়ে নিল নেদারল্যান্ডস
‘ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার’ কথা উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় রাখা নিজেদের ৮৬ টন সোনা যুক্তরাজ্যের লন্ডনে সরিয়ে নিয়েছে নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সংকটের সময় দ্রুত সোনা ব্যবহার বা লেনদেন করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি।
স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে নেদারল্যান্ডসের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্য নেদারল্যান্ডস ব্যাংক (ডিএনবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
ডিএনবির মতে, নিউইয়র্ক ও অটোয়ার তুলনায় লন্ডনে রাখা সোনা দ্রুত ও সহজে লেনদেন করা যায়। ফলে সংকটের সময় তা দ্রুত কাজে লাগানো সম্ভব।
এ বিষয়ে ডিএনবির প্রেসিডেন্ট ওলাফ স্লেইপেন বলেন, ‘এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা আমাদের সোনার মজুত ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়িয়েছি। আমরা আশা করি, আমাদের কখনোই এসব সোনা ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। তবে আমাদের প্রস্তুতি ও সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।’
ডিএনবি আরও জানায়, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার মজুত ছিল ৬১২ দশমিক ৪ টন। ওই সময় এর মূল্য ছিল ৭২ দশমিক ২ বিলিয়ন ইউরো, যা প্রায় ৮৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।
সোনা সরানোর আগে নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল নিউইয়র্কে। আর ১৯ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল কানাডার রাজধানী অটোয়ায়।
৮৬ টন সোনা সরিয়ে নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা—উভয় দেশেই নেদারল্যান্ডসের মোট সোনার মজুতের পরিমাণ কমে ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ হয়েছে।
অন্যদিকে লন্ডনে থাকা সোনার পরিমাণ ১৮ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩২ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে। আর নেদারল্যান্ডসের নিজস্ব ভূখণ্ডে এখনও মোট সোনার ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ রয়েছে।
ডিএনবি বলছে, সোনা সরানোর ক্ষেত্রে শুধু শারীরিকভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়া হয়নি। এর পাশাপাশি কিছু সোনা কেনাবেচাও করা হয়েছে।
ব্যাংকটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে ২৭ টনের বেশি সোনা সরাসরি নেদারল্যান্ডসের জেইস্টে নেওয়া হয়। পরে একই পরিমাণ সোনা জেইস্ট থেকে লন্ডনে পাঠানো হয়। এতে সোনার বারগুলো গলিয়ে নতুন করে তৈরি করার প্রয়োজন হয়নি।
ডিএনবি বলেছে, ‘কেনাবেচা ও সরাসরি পরিবহনের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সোনা সরানোর ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া হয়েছে।’
চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে ব্যাংকটি জানিয়েছে।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসভিত্তিক ন্যাশনাল গোল্ড কাউন্টারের প্রেসিডেন্ট লরেন্ট শোয়ার্টজ বলেন, এক দশক ধরে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সোনার মজুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় সরিয়ে আসছে। এসব ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিও কিছু কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সোনা রাখার জন্য অন্য জায়গাকে অগ্রাধিকার দিতে উৎসাহিত করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, লন্ডনের সোনার বাজার বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও তারল্যপূর্ণ বাজারগুলোর একটি। তাই সংকটের সময় সেখানে থাকা সোনা দ্রুত ব্যবহার করা সহজ।
শোয়ার্টজ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো অন্য ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সহজে তাদের সোনা ঋণ দিতে পারে।’
সিটে জেস্টিওন প্রাইভেট ব্যাংকের বিশ্লেষক জন প্লাসার্ড বলেন, নেদারল্যান্ডসের এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো ‘কোনো সংকট দেখা দিলে সোনার আরও তাৎক্ষণিক ব্যবহার নিশ্চিত করা।’
তিনি আরও বলেন, আপাতত এটি বেশ একক একটি পদক্ষেপ। তবে অন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোও একইভাবে সোনা সরিয়ে নিলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
চলতি বছরের শুরুতে নিউইয়র্কে থাকা জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনার মজুতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। তবে জার্মানির কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুন্দেসব্যাংক আপাতত নিউইয়র্ক থেকে তাদের সোনার মজুত সরিয়ে না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানুয়ারিতে জার্মানির সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এআরডিকে বুন্দেসব্যাংক জানিয়েছিল, নিউইয়র্ক ফেড তাদের সোনা সংরক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
৫ দিন আগে
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার
পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সচিবালয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বমে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ সময় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন সহযোগী। নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত সুদৃঢ় সম্পর্ক বিরাজমান। এ সময় তিনি দুই দেশের মধ্যে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞতা বিনিময়, শিক্ষা, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সমীক্ষা সম্পন্ন হলে অচিরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা অনুমোদনের আশা ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহযোগিতার জন্য নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নেদারল্যান্ডস অতীতে যেভাবে ভূমিকা রেখেছে তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান তিনি।
ডাচ রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই বদ্বীপ অঞ্চল। ভূ-প্রাকৃতিক দিক থেকে উভয় দেশের মধ্যে মিল রয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশে টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নদীতীর সংরক্ষণ এবং নদীভাঙন প্রতিরোধে ডাচ সরকার কাজ করতে আগ্রহী। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নেদারল্যান্ডস যেভাবে ভূমিকা রেখেছে আগামীতেও তা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এ সময় পানিসম্পদ সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম উদ্দিন এবং অতিরিক্ত সচিব মোহা. এনামুল হক উপস্থিত ছিলেন।
৬২ দিন আগে
দুবার পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান
বিশ্বকাপের মঞ্চে নেদারল্যান্ডস ও সুইডেনের মতো প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করে পরের ধাপে পৌঁছানো যে কতটা কঠিন তা বিবেচনায় নিয়ে শুরু থেকেই প্রস্তুত ছিল জাপান। নেদারল্যান্ডসের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তাদের পরিকল্পনা ছিল স্পষ্ট—ধৈর্য, শৃঙ্খলা আর সুযোগের অপেক্ষা। পুরো ম্যাচজুড়ে সেই পরিকল্পনাই নিখুঁতভাবে বাস্তবায়ন করল এশিয়ার অন্যতম প্রতিনিধিরা। দুইবার পিছিয়ে পড়েও তাই ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ মুহূর্তে সমতায় ফিরে ডাচদের হতাশ করা ড্রয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে জাপান।
বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৪ জুন) দিবাগত রাতে টেক্সাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে এফ গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
ম্যাচের সবগুলো গোলই এসেছে দ্বিতীয়ার্ধে। ৫১তম মিনিটে ভার্জিল ফন ডাইকের হেডারে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে যাওয়ার ৬ মিনিট পর জাপানকে সমতায় ফেরান কেইতো নাকামুরা। তবে ৬৪ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি করে ম্যাচে ফের এগিয়ে গিয়েছিল শক্তিমত্তা ও মাঠের পারফরম্যান্সে এগিয়ে থাকা ডাচরা। এর ৮৯ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফিরিয়ে জাপানের সমর্থকদের আনন্দে ভাসান দাইচি কামাদা।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিতে থাকে নেদারল্যান্ডস, অন্যদিকে মাথা ঠান্ডা রেখে ডাচ আক্রমণ রুখে দেওয়ায় মনোযোগী হয় জাপান। তবে তৃতীয় মিনিটে ডনিয়েল মালেনের শট থেকে ভালো একটি সুযোগ এসেছিল ডাচদের, অবশ্য গোলরক্ষক জিয়ন সুজুকির নৈপুণ্যে শুরুতেই পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা পায় জাপান।
শুরুর দিকে নিজেদের অর্ধেই ব্যস্ত থাকতে হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে জাপান। ১৫তম মিনিটে দাইজেন মায়েদার নিচু ক্রস থেকে সুযোগ তৈরির চেষ্টা করেছিল তারা, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ডাচ রক্ষণ তা নস্যাৎ করে দেয়।
৮৫ দিন আগে
নেশন্স লিগের শেষ আটের ড্র: কে কাকে পেল, কী সমীকরণ
গ্রুপ পর্বের খেলা শেষ হয়েছে আগেই, এবার নেশন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র এবং ফাইনালের পথ স্পষ্ট করে দিল উয়েফা।
শুক্রবার নেশন্স লিগের চলতি মৌসুমের ‘রোড টু ফাইনাল’ নির্ধারণ করে কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সম্প্রতি দারুণ ছন্দে থাকা নেদারল্যান্ডসের মুখোমুখি হবে স্পেন। এছাড়া ফ্রান্স ক্রোয়েশিয়ার, জার্মানি ইতালির এবং ডেনমার্কের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল।
দুই লেগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বছরের ২০ মার্চ। এর তিন দিন পর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ শেষে সেমি ফাইনালের চার দল নিশ্চিত হবে। এরপর আগামী ৪ ও ৫ জুন সেমি ফাইনাল এবং ৮ জুন ফাইনালের পর শিরোপা উঁচিয়ে ধরবে বিজয়ী দল।
চ্যাম্পিয়ন স্পেনের সামনে নেদারল্যান্ডস
শিরোপা ধরে রাখতে এবারও কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে স্পেনের। কোয়ার্টারে এবার তাদের প্রতিপক্ষ রোনাল্ড কুমানের নেদারল্যান্ডস।
ডাচদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই কুমানের অধীনে দারুণ পারফর্ম করে চলেছে দলটি। সবশেষ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের সেমি ফাইনালে উঠেছিল ডাচরা। তার আগে গত বিশ্বকাপে কোয়ার্টারে উঠে দুর্দান্ত পারফর্ম করেও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার কাছে হারে তারা।
চলতি মৌসুমে নেশন্স লিগেও দারুণ ছন্দে রয়েছে নেদারল্যান্ডস। হাঙ্গেরি ও জার্মানির মতো দলগুলোর সঙ্গে এক গ্রুপে পড়ে প্রথম ম্যাচেই জার্মানির কাছে হেরে বসে ডাচরা। তবে তারপর অপরাজিত থেকে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে শেষ আট নিশ্চিত করেছে কুমানের শিষ্যরা।
ফলে সম্প্রতি দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ডাচ বাধা পেরোনো সহজ হবে না ইউরো ও নেশন্স লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ-ইউরো-নেশন্স লিগ জেতা একমাত্র ফটুবলার অবসরে
এছাড়া চোটের কারণে বারবার স্কোয়াডে পরিবর্তন এনে দল সাজাতে হচ্ছে লুইস দেলা ফুয়েন্তের। চোট নিয়ে ইতোমধ্যে চলতি মৌসুমের জন্য ছিটকে গেছেন দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় দানি কারভাহাল ও রদ্রি।
তবে তরুণ এবং ফর্মে থাকা স্পেনের যেকোনো ফুটবলারকে জাতীয় দলে ডাক দিয়ে বারবার ফল নিজেদের পক্ষে নিয়ে আসতে দেখা গেছে স্পেন বসকে। ফলে এই দুই দলের লড়াইটা দর্শকের জন্য হবে দর্শনীয়।
ফিরছে ২০১৮ বিশ্বকাপের ফাইনাল
শেষ আটের ড্রয়ে এবার মুখোমুখি হতে চলেছে ক্রোয়েশিয়া ও ফ্রান্স। এর ফলে ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালের পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে, তা-ও একবার নয়, দুবার।
ফ্রান্সের কাছে সেবার ৪-২ গোলে হেরে ক্রোয়েশিয়ার স্বর্ণযুগের খেলোয়াড়দের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। প্রায় পাঁচ বছর পর এবার সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ এসেছে ক্রোয়াটদের সামনে।
অবশ্য ভালো পারফর্ম করলেও ক্রোয়েশিয়ার সেই দল এখন আর নেই। বিশ্বকাপ স্কোয়াডের বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই অবসরে চলে গেছেন। তবে এখনও লুকা মদ্রিচ, মার্সেলো ব্রোজোভিচের মতো অভিজ্ঞরা দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেইসঙ্গে আন্দ্রেই ক্রামারিচ, মাতেও কোভাচিচ, ইয়োস্কো গেভারদিওলের মতো প্রতিভাবান তরুণ ফুটবলার থাকায় গ্রুপ পর্বের চ্যালেঞ্জ উতরে এসেছে জ্লাতকো দালিচের দল।
অপরদিকে, দুর্দান্ত সব খেলোয়াড় থাকলেও ফর্মহীনতা, চোট ও সমন্বয়ের অভাবে ইউরোর পর থেকেই ধুঁকতে দেখা গেছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে ইতালির কাছে হারের পর সবশেষ পাঁচ ম্যাচ জিতলেও দলের বড় তারকারা নিজেদের নামের প্রতি এখনও সুবিচার করতে পারেননি। ফলে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ভালো কিছু করতে মুখিয়ে থাকবেন কিলিয়ান এমবাপে, উসমান দেম্বেলের মতো তারকারা।
গ্রুপের পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে ইসরায়েলের কাছে ঘরের মাঠে গোলশূন্য ড্র করলেও শেষ ম্যাচে ইতালিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে তাদেরই টপকে গ্রুপ সেরা হয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে ফ্রান্স।
শেষ চার ম্যাচেই দলের সঙ্গে ছিলেন না এমবাপে। চোটে আক্রান্ত না হলে কোয়ার্টার ফাইনালে তাকে দলে ফেরাতে পারেন দেশম। ফলে কৌশল দিয়েই দুর্দান্ত এই দলটিকে মাত করতে হবে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়ার।
৬৫৪ দিন আগে
নতি স্বীকার করল না উড়তে থাকা দুই দলের কেউ
উয়েফা নেশন্স লিগের ‘এ’ লিগের তৃতীয় গ্রুপে উড়ন্ত শুরু করে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। জার্মানি হাঙ্গেরিকে ৫-০ ব্যবধানে এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ৫-২ ব্যবধানে হারিয়ে নেশন্স লিগের নিজেদের যাত্রা শুরু করে নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয় রাউন্ডে এই দুই দল মুখোমুখি হওয়ায় এদের মধ্যে কে সেরা, তা দেখার অপেক্ষায় ছিল ফুটবল বিশ্ব। তবে কেউ কারো কাছে নতি স্বীকার না করায় দর্শকদের অপেক্ষা আরও বেড়েছে।
অ্যামস্টারডামের ইয়োহান ক্রইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাতে নেদারল্যান্ডস ও জার্মানির মধ্যকার ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।
ম্যাচের শুরুতেই তিজানি রেইন্ডার্সের গোলে স্বাগতিকরা এগিয়ে যাওয়ার পর ৩৮তম মিনিট ও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে যথাক্রমে ডেসিন উনডাভ ও ইয়োশুয়া কিমিখের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি। তবে বিরতি থেকে ফিরেই দলকে সমতায় ফেরান ডাচ উইংব্যাক ডেনসেল ডুমফ্রিস। এরপর আর কোনো গোল না হলে সমতাতেই শেষ হয় ম্যাচ।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বেশিরভাগ সময় ডাচরা কোণঠাসা হয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের মেলে ধরে রোনাল্ড কুমানের দল। বল দখলেরও লড়াইয়েও দুই দল একে অপরের চেয়ে খুব বেশি এগিয়ে-পিছিয়ে ছিল না; জার্মানির ৫৭ শতাংশ সময়ে বিপরীতে নেদারল্যান্ডসের পায়ে বল ছিল ৪৩ শতাংশ সময়।
এছাড়া ম্যাচজুড়ে জার্মানির ১৯ শটের পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল, যেখানে নেদারল্যান্ডনের ১১ শটের লক্ষ্যে ছিল চারটি।
আরও পড়ুন: বড় জয়ে ডাচদের নেশন্স লিগ অভিযান শুরু
এদিন ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। দ্বিতীয় মিনিটে রায়ান গ্রাভেনবার্খের বাড়ানো পাস ধরে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিজানি রেইন্ডার্স।
অষ্টম মিনিটে মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেনের লং পাস দেখে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যান ফ্লোরিয়ান ভিয়ার্টস। তবে এগিয়ে এসে কোনোরকমে বুক দিয়ে ঠেকিয়ে দলকে বিপদমুক্ত করেন ডাচ গোলরক্ষক বার্ট ভেরব্রুখেন।
এরপর বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে একের পর এক গোলের সুযোগ খুঁজতে থাকে জার্মানি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ মিনিটে ভিয়ার্টসের পাস ধরে প্রতিপক্ষের বক্সের ঢুকেই ডান পাশ থেকে জোরালো শট নেন কাই হাভার্টস, তবে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে শটটি প্রতিহত করেন ভেরব্রুখেন।
পঞ্চদশ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে আসা ক্রসে ব্যবধান প্রায় দ্বিগুণ করে ফেলেছিলেন ডেনসেল ডুমফ্রিস। তবে তার জোরালো হেডারটি পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে বেরিয়ে গেলে হতাশ হন তিনি।
৭২৭ দিন আগে
বড় জয়ে ডাচদের নেশন্স লিগ অভিযান শুরু
আসর শুরুর আগে খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়লেও বড় জয়ে নেশন্স লিগে নিজেদের অভিযান শুরু করেছে রোনাল্ড কুমানের নেদারল্যান্ডস।
আইন্দহোভেনের ফিলিপস স্তাদিয়নে শনিবার রাতে নেশন্স লিগের ‘এ’ লিগের তৃতীয় গ্রুপের ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে ৫-২ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে ডাচরা।
এদিন মেমফিস ডিপাইয়ের অনুপস্থিতিতে দলে ডাক পাওয়া জশুয়া জির্কজির গোলে প্রথমবার এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এরপর তিজানি রেইনডার্স, কোডি গাকপো, ভাউট ভেগহোর্স্ট ও জাভি সিমোনস একটি করে গোল করেন।
অপরদিকে, বসনিয়ার গোলদুটি করেন এমেরদিন দেমিরোভিচ ও এদিন জেকো।
আরও পড়ুন: জয়ে ইংল্যান্ডের সাউথগেট-পরবর্তী অধ্যায় শুরু
এদিন ম্যাচজুড়ে দাপুটে ফুটবল উপহার দেয় নেদারল্যান্ডস। ৭১ শতাংশ সময় নিজেদের পায়ে বলের দখল রাখে তারা। মোট ২৬ শটের ৮টি লক্ষ্যে রেখে তার পাঁচটিতে সাফল্য পায় ডাচরা। অন্যদিকে, চারটি শটের তিনটি লক্ষ্যে রেখে দুটিতে সফল হয় বসনিয়া।
ম্যাচের ত্রয়োদশ মিনিটে জাভি সিমোন্সের ক্রস পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে হেডারে ডাচদের এগিয়ে নেন জির্কজি। এর ফলে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই গোল পেয়ে যান ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই তরুণ ফরোয়ার্ড।
গোল খাওয়ার পর উজ্জীবীত ফুটবল খেলা শুরু করে বসনিয়া। এর ফলও তারা পেয়ে যায় ১৪ মিনিট পর। ২৭তম মিনিটে মিডফিল্ডার ডেনিস হুসেনবেশিচের বাড়ানো পাস ধরে নিচু শটে জাল খুঁজে নেন দেমিরোভিচ।
বসনিয়া সমতায় ফেরার পর ফের এগিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে ওঠে নেদারল্যান্ডস। তবে কিছুতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মিলছিল না। ৪২তম মিনিটে রেইনডার্সের শট পোস্টে বাধা পায়। তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জালের দেখা পান এই এসি মিলান মিডফিল্ডার।
জির্কজির বাড়ানো পাস ধরে তিনি নিখুঁত শটে ফের ব্যবধান বাড়ালে ২-১ এ এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় নেদারল্যান্ডস।
৭৩০ দিন আগে
বিতর্কিত পেনাল্টির যে ব্যাখ্যা দিলেন ভিএআর বিশেষজ্ঞ
ম্যাচজুড়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ইংল্যান্ডের টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব ছাপিয়ে হ্যারি কেইনের পেনাল্টি পাওয়া নিয়ে ফুটবলবোদ্ধা থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে সমালোচনার ঝড়।
ঘটনাটি ঘটে সপ্তদশ মিনিটে। এসময় বক্সের মধ্যে বল পেয়ে জোরালো শটে গোল আদায় করতে চান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কিন্তু তিনি বলে শট নিতে গেলে তা বুট দিয়ে প্রতিহত করতে যান ডাচ ডিফেন্ডার ডেনসেল ডুমফ্রিস। তবে তার পা বলে ছোঁয়ার আগেই কেইনের শটটি নেওয়া হয়ে যায়, আর ডুমফ্রিসের শটে পায়ে দারুণ ব্যথা পেয়ে পড়ে গিয়ে কাতরাতে থাকেন কেইন।
আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচজুড়ে যা হলো
এ ঘটনায় শুরুতে রেফারি ফাউলই দেননি। তবে কিছুক্ষণ ম্যাচ চলার পর খেলার মধ্যে বাঁ হাত ঢোকায় ভিএআর। রেফারিকে সাইডলাইনের টিভি রিপ্লে দেখতে বলা হয়। টিভি রিপ্লে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
যদিও রিপ্লেতে সেটিকে ফাউল বলে মনে হচ্ছিল না, টিভি ধারাভাষ্যকারদেরও মতও ছিল তা-ই। আবার ওই মুহুর্তের আগমুহুর্তে বুকায়ো সাকার হাত ছুঁয়ে বল কেইনের কাছে যায়। ফলে পেনাল্টির আগেই সেটি হ্যান্ডবল ছিল।
তবে রেফারির সিদ্ধান্তই যেখানে চূড়ান্ত, সেখানে বিতর্ক হলেও রায় যায় ইংল্যান্ডের পক্ষে। আর স্পট কিক থেকে দলকে সমতায় ফেরান কেইন।
এরপর ম্যাচে আর গোল না হলেও নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে ইংল্যান্ডকে ফাইনালে তোলেন অলি ওয়াটকিন্স।
৭৮৯ দিন আগে
ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ম্যাচজুড়ে যা হলো
পুরো আসরজুড়ে নিজেদের খুঁজতে থাকা ইংল্যান্ড অবশেষে জ্বলে উঠল। সমর্থকদের নিজেদের স্বভাবসুলভ ফুটবল উপহার দিয়ে জয়ও ছিনিয়ে নিল শেষ মুহূর্তে।
বুধবার রাতে ডর্টমুন্ডের জিগনাল ইডুনা পার্কে নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
ম্যাচে প্রথমার্ধের ৭, ১৮ ও ৯০তম মিনিটের শেষ সেকেন্ডে তিনটি গোল দেখে দুই দলের সমর্থকরা, যার প্রথমটি ছিল নেদারল্যান্ডসের, পরের দুটি ইংল্যান্ডের।
এই ম্যাচে শুধুই জয় নয়, ফাইনালে দুর্দান্ত স্পেনের মোকাবিলা করার আগে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়ে সমর্থকদের মনে আশার সঞ্চার করেছে ইংল্যান্ড।
আরও পড়ুন: ‘সুপার সাব’-এ শেষ মুহুর্তে ডাচদের হুদয় ভেঙে ফাইনালে ইংল্যান্ড
এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে নেদারল্যান্ডস। এর ফল পেতেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করা লাগেনি তাদের। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন পিএসজির ডাচ মিডফিল্ডার জাভি সিমোন্স।
সতীর্থের থ্রু বল পেয়েই বক্সের সামনে থেকে ডেকলান রাইসকে পরাস্ত করে জোরালো শট নেন ২১ বছর বয়সী সিমোন্স। বল গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে গন্তব্যে চলে যায়।
৭৮৯ দিন আগে
‘সুপার সাব’-এ শেষ মুহূর্তে ডাচদের হৃদয় ভেঙে ফাইনালে ইংল্যান্ড
১-১ গোলের সমতা নিয়ে অতিরিক্ত সময়ে খেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল দুই দলই। এরইমধ্যে ম্যাচের শেষ মিনিটের শেষ সময়ে ইংল্যান্ডের একটি অলস আক্রমণ চকিতে গতি পায়, আর তা থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন কিছুক্ষণ আগেই বদলি হিসেবে মাঠে নামা অলি ওয়াটকিন্স।
ফলে একেবারে শেষ মুহূর্তে নেদারল্যান্ডসের হৃদয় ভেঙে ফাইনালের টিকিট কেটেছে গতবারের রানার্স-আপ ইংল্যান্ড।
বুধবার রাতে ডর্টমুন্ডের জিগনাল ইডুনা পার্কে নেদারল্যান্ডসকে ২-১ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড।
আরও পড়ুন: দলীয় ঐক্য ও তারুণ্যের চমকে ফ্রান্সকে বিদায় করে ফাইনালে স্পেন
ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন পিএসজির ডাচ মিডফিল্ডার জাভি সিমোন্স।
সতীর্থের থ্রু বল পেয়েই বক্সের সামনে থেকে ডেকলান রাইসকে পরাস্ত করে জোরালো শট নেন ২১ বছর বয়সী সিমোন্স। বল গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে ফাঁকি দিয়ে গন্তব্যে চলে যায়।
৭৮৯ দিন আগে
৭ মিনিটের কমলা ঝড়ে উড়ে গেল তুরস্ক
প্রথমে গোল পেয়ে দ্বিতীয়বার সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জাগিয়েছিল চলতি ইউরো আসরে চমক জাগানো তুরস্ক। তবে ৭ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তাদের সে স্বপ্নযাত্রা থামিয়ে দিয়েছে নেদারল্যান্ডস।
শনিবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে তুরস্ককে ২-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে নেদারল্যান্ডস।
সর্বশেষ ২০০৪ সালে ইউরোর সেমিফাইনাল খেলেছিল ডাচরা। ২০ বছর পর আবারও সেমিফাইনালে লড়বে তারা। অন্যদিকে, ১৬ বছর পর শেষ ষোলো উৎরে গিয়েও কোয়ার্ট ফাইনালে ব্যর্থ হলো তুরস্ক।
আরও পড়ুন: টাইব্রেকারে এবারও কপাল পুড়ল সুইসদের, সেমিতে ইংল্যান্ড
এদিন ম্যাচের প্রথম ত্রিশ মিনিটে দুই দলের কেউই তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। এরপরই আক্রমণের ধার বাড়ায় তুরস্ক। এসময় বেশ কয়েকটি আক্রমণে ডাচদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করে তারা। তবে সেসব আক্রমণ একের পর এক সফলতার সঙ্গে রুখে দিলেও ৩৫তম মিনিটে গিয়ে আরাধ্য গোল পেয়ে যায় তুর্কিরা।
৭৯৩ দিন আগে