স্থানীয় সরকার নির্বাচন
চলতি অর্থবছরেই সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সিলেট নগরীর পারাইরচক এলাকায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তর রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সব স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করা। আগস্টের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথভাবে বৈঠক করে কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে রায় হয়েছে। দেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।
এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য নগরের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। খাল খনন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমেও সিসিক ভালো কাজ করছে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্টের যৌথ উদ্যোগে ২০২৪ সালে একটি প্রকল্প চালু হলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়নি। এখন থেকে প্রকল্পটি পুরোপুরি চালু হবে। এর আওতায় নগরের বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্লাস্টিকজাতীয় অংশ লাফার্জ সুরমা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করবে। অন্যদিকে, অবশিষ্ট জৈব বর্জ্য থেকে সার উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পরিদর্শনকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালেক, সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাই রাফিন সরকারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
১০ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখানোর আহ্বান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপিকে লালকার্ড দেখানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে আয়োজিত জুলাই জাগরণ কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করে বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে বিএনপি ভারতের সঙ্গে সমঝোতা করেছে এবং সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কার্যকর অবস্থান নেয়নি।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে বিএনপি শুধু ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। এ কারণে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণকে বিএনপিকে লাল কার্ড দেখাতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম, উত্তরাঞ্চলের সংগঠক নাহিদ উদ্দিন তারেক, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির আহবায়ক আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব মাহবুবুল বারী চৌধুরী মুবিন, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এনসিপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কামাল আহমেদ প্রমূখ।
১৯ দিন আগে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক, ঋণখেলাপিদের স্থানীয় নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ ইসির
ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, দ্বৈত নাগরিক এবং ঋণখেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশনের দ্বাদশ সভায় এসব সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়। অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি পারবেন না, এই বিষয়ে কমিশন মনে করে, না; এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হন।
তিনি বলেন, ঋণখেলাপির যে বিষয়টি আছে, এখানে দুটি ক্ষেত্র রয়েছে। একটি হচ্ছে বন্ধকদাতা এবং অন্যটি জামিনদার। যিনি ব্যক্তিগতভাবে বন্ধকদাতা, তিনি তো আছেনই; কিন্তু যারা তাদের জামিনদার হয়েছেন, তাদেরও ঋণখেলাপি হিসেবে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করার একটি প্রস্তাবে আমরা নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছি। পাশাপাশি বিল খেলাপি, যেমন ধরুন আপনার বিদ্যুৎ বিল, ভূমি কর, ওয়াসার বিল; এ ধরনের সেবা প্রদানকারী সংস্থার কোনো বিল খেলাপি থাকলে, সেটা ব্যক্তিগত হতে পারে বা প্রাতিষ্ঠানিক হতে পারে।
উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ধরুন, আমি একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার, কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানই বিল খেলাপি করেছে। সেক্ষেত্রে এটি অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা যাবে না। আবার দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদেরও আমরা মনে করি, কমিশন মনে করে, তাদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। আপনারা জানেন, সংবিধানে এ বিষয়ে একটি সীমাবদ্ধতা দেওয়া আছে।
২৬ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কে করবে না করবে, তা আদালত ও ইসির বিষয়: রিজভী
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কে অংশ নিতে পারবে, আর কে পারবে না—সেটি আদালত ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিষয়। এ বিষয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বিবেচ্য নয়।
রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিএনপির পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ চেয়েছে, এক্ষেত্রে বিএনপির অবস্থান কী—জানতে চাইলে রিজভী বলেন, আমাদের প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই হবে, সেটা আমাদের দলের বিষয়। এবার যেহেতু দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন হচ্ছে না, সেক্ষেত্রে কে নির্বাচন করবে, কে করবে না—এটা আদালতের বিষয়, এটা নির্বাচন কমিশনের বিষয়। তারা প্রচলিত আইন এবং নতুন প্রণীত আইন অনুযায়ী বিষয়টি নির্ধারণ করবেন।
তিনি বলেন, অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, না বলল—সেটা বিষয় নয়। প্রচলিত আইন অনুযায়ী কারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন বা পারবেন না, সেটি পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। আমরা বিষয়টি তাদের ওপরই ছেড়ে দিয়েছি।
বিএনপির প্রার্থিতা কীভাবে বাছাই করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, দল এবং আমাদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম এ বিষয়ে বসে সিদ্ধান্ত নেবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ডিসেম্বরে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে দলের পক্ষ থেকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দলের মহাসচিব বলেছেন, চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, কাউন্সিল হবেই। তবে কোন মাসে, কবে হবে—সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, খুব দ্রুতই কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশা করছি। তারিখ ও সময় নির্ধারণ হলে তা আপনাদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে, দুপুর ১২টার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয় বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল। রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলের কোষাধ্যক্ষ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং সহকারী দপ্তর সম্পাদক মনির হোসেন।
তারা নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার হোসেনের কাছে দলটির নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন (অডিট রিপোর্ট) হস্তান্তর করেন।
বিএনপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ পঞ্জিকাবর্ষে তাদের মোট আয় হয়েছে ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বর্তমানে বিএনপির দলীয় তহবিলে উদ্বৃত্ত বা জমা রয়েছে ৬ কোটি ৭ লাখ টাকা।
সাধারণত দলের সদস্যদের নিয়মিত চাঁদা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দেওয়া অনুদান এবং দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির অর্থ থেকে আয় দেখায় রাজনৈতিক দলগুলো। অন্যদিকে, দলের সারা বছরের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা, রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রচারপত্র ও পোস্টার প্রকাশনা, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কার্যালয়গুলোর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন এবং দুঃস্থ নেতাকর্মীদের সহায়তার খাতে ব্যয়ের হিসাব দেখায়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রতিটি রাজনৈতিক দলের জন্য প্রতি বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের অডিট রিপোর্ট নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো দল পর পর তিন বছর হিসাব জমা দিতে ব্যর্থ হলে তাদের নিবন্ধন বাতিলের আইনি বিধান রয়েছে।
২৮ দিন আগে
অন্য কোনো নামে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না: তথ্য উপদেষ্টা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্য কোনো নাম ব্যবহার করে আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতাদের নিয়ে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ গঠন হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘সফট বা হার্ড আওয়ামী লীগ না। আমি আগেও বলেছি, এই নির্বাচনে (স্থানীয় সরকার নির্বাচন) বিএনপিও তো নাই, আছে কি? স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কি বিএনপি আছে? জামায়াত, এনসিপি আছে? নেই। এক সময় ছিল, মানে যে আইনটা মাঝখানে পরিবর্তিত হয়েছিল আওয়ামী লীগের সময়, সেখানে একটা নির্বাচনে দল ছিল, সেটা হচ্ছে চেয়ারম্যান বা মেয়র। তখনও কিন্তু মেম্বার এবং কমিশনার নির্বাচনে কোনো দল অংশগ্রহণ করত না। এখন এটা তুলে দেওয়া হয়েছে, মানে আমরা আগের জায়গায় চলে গেছি।’
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই নির্বাচনে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামায়াত কেউই অংশগ্রহণ করছে না। এটা হলো একদম নিশ্চিত কথা। আর দ্বিতীয় কথাটি হচ্ছে, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগের একটা আলাপ মাঝে মাঝে কোথাও কোথাও দেখা যায়, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা যায়।
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কর্মসূচি যত দিন নিষিদ্ধ আছে, তত দিন সে যে নামেই হোক না কেন, রিফাইন্ড হোক বা অন্য কোনো নতুন আওয়ামী লীগ, তৃণমূল আওয়ামী লীগ—যাই বলি না কেন, কোনো নামেই আওয়ামী লীগ কর্মসূচি পালন করতে পারবে না। এই জিনিসটা আমাদের বুঝতে পারতে হবে।’
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশকে বর্তমান সরকার আইনে পরিণত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার মানে সরকারের অবস্থান হচ্ছে, সরকার মনে করে আদালত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কি হবে না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দলটির কর্মসূচি নিষিদ্ধ থাকা উচিত। আমি আগের দিনই বলেছিলাম, এটা আসলে আদালতের এখতিয়ার।
৪৭ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: মির্জা ফখরুল
পরবর্তী স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, নির্ধারিত সময়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের জন্য কমিশনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ শেখ মো. রেজাউল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
এনসিপির সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন কমিশন প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রথমবারের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং সর্বোচ্চসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশিকে এ পদ্ধতির আওতায় আনার জন্য নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল করিমের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই মুহূর্তে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের বেতন বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের কাছে নেই।
তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের অধীন নির্বাচিত কোনো জেলার সংসদ সদস্যগণ উক্ত জেলার পরিষদের উপদেষ্টা হবেন এবং তার পরিষদের কার্যাবলি সম্পাদনে পরামর্শ প্রদান করবেন।
৪৭ দিন আগে
১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় এনসিপির প্রার্থী ঘোষণা
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথম পর্যায়ে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রবিবার (১০ মে) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।
সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়তে এনসিপির ব্যানারে অংশ নিতে সারা দেশ থেকে হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। সেখান থেকে কঠোর যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম ধাপে ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে এবং আগামী ২০ মে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রার্থীর তালিকা জনগণের সামনে তুলে ধরাই এনসিপির লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এনসিপির এই নেতা বলেন, এনসিপি কেবল নিজেদের কর্মীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের পরিশ্রমী ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব, যারা অতীতে মানুষের ওপর জুলুমের সঙ্গে লিপ্ত ছিলেন না এবং যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শক্তির কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই, তাদের স্বাগত জানানো হচ্ছে। এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সৎ ও জনবান্ধব নেতারাও যদি এনসিপির সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তবে তাদের আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। সার্বিক যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় সামাজিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী, শ্রমিক, নারী ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদেরও এনসিপির ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
৯৮ দিন আগে
সঠিক সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ছয়টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে সরকারি কতগুলো নিয়মকানুন আছে। সরকারি যেসব প্রথাগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে কতগুলোর মেয়াদ আছে, কতগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে… সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে আমরা সরকারের তরফ থেকে একটা সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা করব। তবে নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
প্রশাসক নিয়োগে নির্বাচন বিলম্বিত হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি হবে না বলে জানান।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি নয়াপল্টনের বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। সেখানে দলীয় নেতা-কর্মী, সমর্থক ও কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি ছিল তার প্রথম দলীয় কার্যালয় পরিদর্শন।
সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়নের যোগ্যতা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নারী আসনের নির্বাচন, এটা তো আপনার পার্লামেন্টের সিদ্ধান্ত হবে। আর প্রার্থী মনোনয়নের যোগ্যতা হবে দলের আদর্শ, নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকতে হবে, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, নিবিড় সম্পৃক্ততা থাকতে হবে; দলের জন্য ত্যাগ থাকতে হবে। আমাদের দলের মধ্যে যারা দলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত আছেন, যাদের ত্যাগ রয়েছে, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে।’
একই পরিবারের দুই সদস্যকে নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা এখনই কিছু বলা যাবে না। এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’
কিছু এলাকায় আওয়ামী লীগের কার্যালয় পুনরায় চালু হওয়ার খবর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের (আওয়ামী লীগের) কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেইভাবে এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’
১৭৪ দিন আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে থাকছে না দলীয় প্রতীক: উপদেষ্টা আসিফ
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীক থাকছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনায় অনুমোদন দেওয়া হয়।
উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা (পৌরসভা) ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: বেকারত্ব লাঘবে কাজ করছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: আসিফ মাহমুদ
ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা আগের ব্যবস্থায় ফিরে যাচ্ছি (যখন স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়াই হত)। আগের(আওয়ামী লীগ) সরকার দলীয় প্রতীক চালু করেছিল।
৩৮৮ দিন আগে
ইসির সক্ষমতা যাছাইয়ে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিকল্প নেই: জামায়াত আমির
জাতীয় নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা যাছাইয়ের জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন একটি কার্যকর উদ্যোগ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে অন্তর্বর্তীকালিন সরকার প্রধান ঘোষিত সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সমর্থন রয়েছে।
শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দিনব্যাপী রুকন শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠাগুলোতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসক দিয়ে দায়িত্ব পালন করায় সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানে নাগরিক সেবা ব্যাহত হচ্ছে। তাই জনদুর্ভোগ লাঘব ও নিবাচন কমিশনের সক্ষমতা যাছাইয়ে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিকল্প নেই। এব্যাপারে বাস্তবতার আলোকে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যমত্যে পৌঁছাতে হবে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে ফাঁসি দিয়ে ও কারাগারে আটকে রেখে শহীদ করা হয়েছে। নিবন্ধন ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এমনকি শেষ পর্যন্ত দলকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলাম। যারা ন্যায় ও সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকে তারাই বিজয় লাভ করে। ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার কারণেই আমরা বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
পড়ুন: অচিরেই দেশের সব ইসলামী দলের মধ্যে সমঝোতা হতে যাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার
তিনি বলেন, জুলাই ও আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রেরণাকে কোনোভাবেই মুছে দেওয়া যাবে না। অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম যে সাহস ও ত্যাগের ইতিহাস রচনা করেছে সেটাকে ভুলে গেলে চলবে না। জুলাই গণহত্যার বিচার, রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আমাদের স্বোচ্ছার থাকতে হবে। দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে যেতে হবে।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সিলেট-১ আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান।
৪১৪ দিন আগে