যুবলীগ
আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সম্রাটের ২০ বছরের কারাদণ্ড
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে পৃথক দুই ধারায় ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফকির মো. জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদন্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তাকে আরও ৬ মাস কারাভোগ করতে হবে।
তার অর্জিত অবৈধ সম্পদ রাষ্ট্রীয় অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুই ধারার সাজা একটির পর একটি চলবে। এক্ষেত্রে তার ২০ বছরের কারাভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করেছেন বিচারক।
সম্রাট পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এর আগে যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলা রায়ের পর্যায়ে আসে। সেদিন দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর নুরে আলম যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। আসামি পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ শুনানি হয়নি।
গত বছরের ১৭ জুলাই এ মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন আদালত।
উল্লেখ্য, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাটকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। এরপর তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। তাতে ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেয় দুদক। সেখানে সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
৮ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে যুবলীগের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যসহ যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৪ মে) বাবুছড়া ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
দীঘিনালা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এসব অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বাবুছড়া ইউনিয়নের মসজিদপাড়া এলাকা থেকে জাকির হোসেনকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার ১ নাম্বার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে দীঘিনালা থানায় একটি মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আমুসহ গ্রেপ্তার সাত সাবেক মন্ত্রী-এমপি
অন্যদিকে, একই দিনে পৃথক আরেক অভিযানে যুবলীগের আরেক নেতা জিয়াউর রহমানকে (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বাবুছড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য। তার বিরুদ্ধেও থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’
২৮৪ দিন আগে
সিলেটে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সিলেটে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ মে) ভোরে দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা ওসমান আলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এছাড়া জালালাবাদ থানার পুলিশের অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শফিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।
আরও পড়ুন: বহুল আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞী কামিনী গ্রেপ্তার
গ্রেপ্তার ওসমান আলী সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উমর আলীর ছেলে ও শফিকুর রহমান সিলেট সদর উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের তাহের আলীর ছেলে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তার মো. ওসমান আলীর বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক আইনের একটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া শফিকুর রহমান সিলেট মহানগরীর আট নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। তার নামেও মামলা রয়েছে।
৩০৬ দিন আগে
সিলেটের যুবলীগ নেতা বাবর মিয়া গ্রেপ্তার
সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকা থেকে যুবলীগ নেতা বাবর মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরের বন্দরবাজার এলাকা থেকে বাবরকে গ্রেপ্তার করে এসএমপির কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম।
বাবর মিয়া (৪৫) দক্ষিণ সুরমা উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি ও তেতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সদস্য এবং দক্ষিণ সুরমার ধরাধরপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের (হাবান মিয়া) ছেলে।
তাকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এসএমপির মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
জানা গেছে, বাবর মিয়ার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ও দক্ষিণ সুরমায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা এবং নাশকতার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি তিনি।
অন্যদিকে ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর আওয়ামী সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় ৩ নম্বর আসামি বাবর মিয়া।
এছাড়াও তিনি সিলেটের শীর্ষ সন্ত্রাসী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা পিযুষ কান্তি দের অন্যতম সহযোগী ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
৪৯৭ দিন আগে
চবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষ, আহত ৩
চবিতে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান দখল নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সোমবার (২১ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চবি রেলস্টেশন-সংলগ্ন একটি দোকান দখল করতে আসে হাটহাজারী উপজেলার যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হানাফের নেতাকর্মীরা।
আরও পড়ুন: পদত্যাগ করলেন চবি উপাচার্য
এ সময়ে সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ওপর ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়। মিছিল নিয়ে আগাতে থাকলে আবারও শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ককটেল ও গুলিবর্ষণ করে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
এ সময়ে তিনজন শিক্ষার্থী আহত হয়।
চবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, স্থানীয় দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হলে তারা ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ করে। এসময় শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা হল থেকে বের হয়ে রেল ক্রসিংয়ের দিকে গেলে আবার ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা ৬টা ১৮ মিনিটে খবর পেয়ে ৬টা ২৬ মিনিটে ঘটনাস্থলে যাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার জন্য সবরকম সহযোগিতা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে।’
আরও পড়ুন: হল ছাড়তে নারাজ চবি শিক্ষার্থীরা, সময় বাড়ালো প্রশাসন
চবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, আজকের মধ্যে হলত্যাগের নির্দেশ
৫০০ দিন আগে
আ. লীগ নেতা ডাবলু ও যুবলীগ নেতা রুবেল ৫ ও ৩ দিনের রিমান্ডে
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলিতে নিহত শিবির নেতা আলী রায়হান হত্যা মামলায় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এছাড়া বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাকিব আনজুম হত্যা মামলায় যুবলীগ কর্মী জহুরুল হক রুবেলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শনিবার (৫ অক্টোবর) রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সল তারেকের আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) আদালত পরিদর্শক মো. আবদুর রফিক বলেন, হত্যা মামলায় ডাবলু ও রুবেলকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। দুইটি মামলাই তদন্ত করছেন আরএমপির নগর গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পরিদর্শক মশিউর রহমান।
তিনি বলেন, ডাবলুর সাত দিন ও রুবেলের পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত ডাবলুর পাঁচ দিন ও রুবেলের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আদালত থেকেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছেন।
এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে নওগাঁ থেকে মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলু সরকারকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। তাকে দুইটি হত্যাসহ মোট আটটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আর গত ১৩ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার হন রুবেল। পরে দুটি হত্যাসহ কয়েকটি মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। শনিবার আবারও তাকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়। রুবেলকে আদালতে তোলার আগে আওয়ামী লীগ নেতা ডাবলু সরকারকেও একই আদালতে হাজির করা হয়।
আরও পড়ুন: হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে সাবেক সচিব জাহাংগীর আলম
দেশে ফিরেই আটক সাবেক এমপি সুলতান মনসুর; ৫ দিনের রিমান্ডে
৫১৬ দিন আগে
যুবলীগ নেতার কাছে চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৪
নাটোরে যুবলীগের এক নেতার কাছে চাঁদা দাবি করার অভিযোগে চার ভুয়া সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (১৭ মার্চ) সকালে সদর থানা থেকে তাদের আদালত পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার চার ভুয়া সাংবাদিক হলেন, নূর জামান ইসলাম, সুরুজ আরিয়ান সোহান, সাঈদ ও পাপিয়া খাতুন ঐশি। তারা সবাই রাজশাহী থেকে এসেছেন।
আরও পড়ুন: দেবহাটায় মাদরাসা ছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামী গ্রেপ্তার
পুলিশ জানায়, নাটোর শহরের চকবৈদ্যনাথ এলাকার যুবলীগ নেতা রাশেদুল ইসলাম কোয়েলের কাছে যান চার ভুয়া সাংবাদিক। পরে তারা কোয়েলের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আছে উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন।
সন্দেহ হলে ওই চারজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন যুবলীগ নেতা কোয়েল। পরে কোয়েলের সহযোগী মোস্তাক সরদার বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
আদালত পুলিশের পরিদর্শক মোস্তফা কামাল জানান, সোমবার তাদের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শানু আকন্দের আদালতে হাজির করা হবে।
আরও পড়ুন: রাণীনগরে প্রতিবন্ধী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে চা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে যৌন নিপিড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার
৭১৮ দিন আগে
যশোরের অভয়নগরে যুবলীগ নেতা খুন
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় স্থানীয় এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
রবিবার(১১ ফেব্রুয়ারি) রাতের এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
নিহত মুরাদ হোসেন অভয়নগর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় মার্কেট থেকে বাড়ি ফেরার পথে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরাদকে আঘাত করে গুরুতর আহতাবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।
আরও পড়ুন: লালমনিরহাটে ভাইয়ের হাতে ভাই খুনের অভিযোগ
তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। আঘাত গুরুতর হওয়ায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় সোমবার সকাল পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানান ওসি।
শনাক্তকরণের মাধ্যমে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান পুলিশ কর্মকর্তা আতিকুল।
আরও পড়ুন: গাইবান্ধায় চাচার ছুরিকাঘাতে ভাতিজা খুনের অভিযোগ
৭৫২ দিন আগে
যশোরে যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ
যশোরের মনিরামপুরে উদয় শংকর বিশ্বাস (৪২) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পাঁচাকড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উদয় শংকর উপজেলার পাঁচাকড়ি গ্রামের মৃত রঞ্জিত বিশ্বাসের ছেলে এবং উপজেলার নেহালপুর ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় পা পিছলে জাম গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু
স্থানীয়রা জানান, উদয় মোটরসাইকেলে করে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় পড়ে যান। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেয়। সেখানকার চিকিৎসক জানান, উদয়কে গুলি করা হয়েছে, তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। হত্যার কোনো ক্লু উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি। তাই এ ঘটনায় কাউকে আটক করাও যায়নি।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু
কালীগঞ্জে গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু
৮৭১ দিন আগে
রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিরুদ্ধে
রাজশাহীর পুঠিয়ায় সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) সভাপতির উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বিরুদ্ধে।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকালে উপজেলার বানেশ্বরে এই ঘটনা ঘটে।
ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করছেন আরইউজে'র সভাপতি নির্যাতিত সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম।
সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জানান, বিকালে তিনি রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক হয়ে রাজশাহী নগরীর দিকে আসছিলেন। পুঠিয়ার বানেশ্বর এলাকায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমনউজ্জামান সুমনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী মোটরসাইকেল নিয়ে এসে তার প্রাইভেটকার ঘিরে ধরে। তিনি গাড়ি থেকে বের হওয়ার আগেই হামলাকারীরা চাইনিজ কুড়াল, রামদা ও লোহার পাইপ দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে।
এ ব্যাপারে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেও বলেও জানান।
আরও পড়ুন: গণতান্ত্রিক নির্বাচনে এ ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতার কোনো স্থান নেই: হিরো আলমের ওপর হামলা প্রসঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির উপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়টি তিনি শুনেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশও পাঠিয়েছিলাম। এ ব্যাপারে সাংবাদিক রফিকুল ইসলামকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হামলাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর সাংবাদিক নেতারা।
রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হক বলেন, ‘রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতির উপর হামলা মানে রাজশাহীর সকল সাংবাদিকের উপর হামলা। এর প্রতিবাদে শনিবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজশাহীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আরইউজের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ-সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। আমরা এই হামলার বিচার চাই। পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করবে বলে আশা করি। তা না হলে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।’
আরও পড়ুন: হিরো আলমের ওপর হামলা গণতন্ত্রের নামে আ. লীগের তামাশা: ফখরুল
৯২৯ দিন আগে