পোস্টার
দেশের নির্বাচনি প্রচারণার দৃশ্যপট বদলে দিচ্ছে পোস্টারবিহীন নির্বাচন
এই প্রথমবারের মতো পোস্টার ছাড়াই শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন আচরণবিধির কারণে চিরাচরিত পোস্টার, মাইকিং ও দৃশ্যমান প্রচারণা না থাকায় ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে নির্বাচনের আমেজ কমে গেছে, অন্যদিকে পোস্টারনির্ভর ছাপাখানা ব্যবসায় নেমে এসেছে বড় ধরনের স্থবিরতা। পরিবেশ সুরক্ষার যুক্তিতে নেওয়া এ সিদ্ধান্তকে কেউ দেখছেন ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে, আবার কেউ বলছেন এতে সাধারণ ভোটারদের জন্য প্রার্থী চেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
চিরচেনা নির্বাচনি দৃশ্যপট বদলে গেছে
নির্বাচন এলেই রাস্তার মোড়, অলিগলি, দেওয়াল কিংবা গাছপালা ছেয়ে যায় পোস্টারে; এটাই দেশের চিরায়ত নির্বাচনি দৃশ্যপট। তবে এই প্রথমবার সেই চিরচেনা দৃশ্য আর চোখে পড়ছে না।
নির্বাচনি আচরণবিধিতে সব ধরনের পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির এই সিদ্ধান্তে কার্যত মাথায় হাত পড়েছে পোস্টারনির্ভর ছাপাখানা ব্যবসায়ীদের।
ছাপাখানা শিল্পে স্থবিরতা
ছাপাখানার মালিকরা বলছেন, গত তিন–চার দিন ধরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও তাদের হাতে কোনো কাজ নেই। পোস্টার ছাপানোর কোনো অর্ডার পাচ্ছেন না তারা।
সংশ্লিষ্ট এসব ব্যবসায়ী লাখ-লাখ টাকার কাগজ কিনে বসে আছেন। নির্বাচন সামনে রেখে যেখানে সাধারণত কয়েক কোটি টাকার পোস্টার ছাপার কাজ হতো, এবার তা পুরোপুরি বন্ধ। ফলে রীতিমতো ধস নেমেছে এই খাতে।
রাজধানীর ফকিরাপুল ও ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় ছাপাখানার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকায় মূলত পোস্টার, লিফলেট ও হ্যান্ডবিল ছাপার কাজ বেশি হয়। কিন্তু নির্বাচনি প্রচার শুরু হলেও গত কয়েক দিনে এলাকাগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছাপাখানাগুলো অনেকটাই নিস্তব্ধ।
নতুন আচরণবিধি ও নিষেধাজ্ঞা
আচরণবিধিতে সংশোধন এনে গত ১০ নভেম্বর গেজেট জারি করে নির্বাচন কমিশন। নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, এ নির্বাচনে ভোটের প্রচারণায় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা কোনো ধরনের পোস্টার ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে এবারই প্রথমবারের মতো পোস্টার ছাড়া নির্বাচনি প্রচারণায় নামছেন প্রার্থীরা।
তবে পোস্টার নিষিদ্ধ হলেও লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও ফেস্টুন ব্যবহার করা যাবে। এসব লিফলেট, বিলবোর্ড বা ফেস্টুনে রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কারও ছবি ব্যবহার করা যাবে না।
গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিনগত রাত ১২টার পর থেকে শুরু হওয়া ভোটের প্রচারণা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
ভোটারদের মধ্যে আমেজহীনতা ও বিভ্রান্তি
পোস্টার না থাকায় জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণা অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে বলে মনে করছেন ভোটাররা। অনেকেই বলছেন, নির্বাচনের কোনো দৃশ্যমান আমেজই তারা পাচ্ছেন না। পোস্টার না থাকায় বিভিন্ন দলের কিংবা স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চিনতেও সমস্যা হচ্ছে।
রাজধানীর নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন ইউএনবিকে বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে পোস্টার ছাড়া কেমন জানি অচেনা অচেনা নির্বাচন মনে হচ্ছে। পোস্টার-ফেস্টুন এতদিন একটা কমন বিষয় ছিল। এবার না থাকায় যারা বাইরে খুব একটা চলাফেরা করেন না বা নির্বাচন নিয়ে যাদের আগ্রহ কম, তারা প্রার্থী চিনতে সমস্যায় পড়ছেন। ভোটের প্রচারণার কোনো আমেজই নেই।’
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম ইউএনবিকে বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন হচ্ছে—এটা টিভিতে প্রচারণা দেখে বোঝা যায়। কিন্তু চিরাচরিত পোস্টার বা মাইকিং চোখে পড়ছে না। ভোটের তেমন কোনো আমেজ দেখছি না।’
অন্যদিকে বনশ্রীর বাসিন্দা নাঈম ইউএনবিকে বলেন, ‘পোস্টার ছাড়া নির্বাচন একদিক থেকে ভালো। শহর পরিষ্কার থাকে। তবে পোস্টারবিহীন প্রথম নির্বাচন হওয়ায় একটা ভিন্নতা লাগছে। নিউজ মিডিয়ার মাধ্যমে কে কোন দলের প্রার্থী, সেটা জানতে পারছি।’
প্রযুক্তি ও মাইক ব্যবহারে কড়াকড়ি
নতুন বিধিমালায় প্রযুক্তি ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়েও কঠোরতা আনা হয়েছে। নির্বাচনি প্রচারে ড্রোন বা কোয়াডকপ্টারের ব্যবহার পুরোপুরি নিষিদ্ধ। দলের সাধারণ সম্পাদক বা সমপর্যায়ের নেতারা হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন, তবে আকাশ থেকে লিফলেট বা অন্য কোনো প্রচারসামগ্রী ছড়ানো যাবে না।
কোনো ভোটকেন্দ্রের ১৮০ মিটারের মধ্যে ভোটার স্লিপ বিতরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্লিপের আকার সর্বোচ্চ ১২ সেন্টিমিটার গুণ ৮ সেন্টিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। ভোটার স্লিপ দেওয়ার প্রথার আইনগত ভিত্তিও দেওয়া হয়েছে আচরণবিধিতে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ভোটার স্লিপ বিতরণ করতে পারবে। তবে স্লিপে প্রার্থীর নাম, ছবি, পদের নাম ও প্রতীক উল্লেখ করা যাবে না।
মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করা যাবে এবং শব্দসীমা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেল রাখতে হবে।
নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ ইউএনবিকে বলেন, পোস্টার ব্যবহার বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে মতামত নেওয়া হয়েছিল। শুধু একটি রাজনৈতিক দল এর বিরোধিতা করেছে, বাকিরা পোস্টার ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে একমত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচনে আমরা বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছি। এ ছাড়া পরিবেশবিদ ও সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকেও আপত্তি ছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
৫ ঘণ্টা আগে
পরিচ্ছন্ন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথ তৈরি করবে ইসির পোস্টার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রচারে পোস্টার নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির এই সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। পরিবেশ দূষণ রোধে এই সিদ্ধান্ত সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাগজ বা পোস্টার ব্যবহারে বন উজাড় হয়, তাছাড়া বর্ষার মৌসুমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ওই প্লাস্টিকের প্রলেপ দেওয়া পোস্টারগুলো পয়ঃনিষ্কাশন ও জলপথ বন্ধ করে দিয়ে পরিবেশ দূষণের কারণ হয়।
এর আগে, গত ১৯ জুন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের জন্য প্রণীত ২০২৫ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় ইসি। এতে নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহার নিষিদ্ধ করার সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই সুপারিশ করা হয়।
তবে প্রথমবারের মতো এই আচরণবিধিতে বিলবোর্ড ব্যবহারের অনুমতি রাখা হয়েছে।
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ড. আবদুল আলিম জানান, পোস্টার নিষিদ্ধ করার পেছনে চারটি প্রধান কারণ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে— পরিবেশগত ক্ষতি, অশোভন প্রচারপদ্ধতি, অনিয়ন্ত্রিত ব্যয় ও পোস্টার ঘিরে সংঘর্ষজনিত সহিংসতা।
আরও পড়ুন: নতুন ভোটারদের নিবন্ধনের সময়সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা চায় ইসি
তিনি ইউএনবিকে বলেন, ‘পোস্টার ব্যবহার একটি অশোভন পদ্ধতি, যা বিশ্বের অধিকাংশ দেশে দেখা যায় না— এমনকি ভুটান নামক ছোট দেশেও না। এখন আমাদের কাছে বিকল্প রয়েছে, যেমন: সোশ্যাল মিডিয়া ও বিলবোর্ড।’
ড. আলিম বলেন, প্রচলিত পোস্টার বন উজাড়ে ভূমিকা রাখে এবং লেমিনেটেড ও পলিথিনের প্রলেপ দেওয়া পোস্টার পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
তিনি আরও বলেন, ‘পোস্টারের সংখ্যা নির্বাচন কমিশনের নজরদারির আওতায় আনা যায় না। আর নির্বাচনকালে পোস্টার নিয়ে বিরোধ থেকেই অনেক সহিংস ঘটনার সূত্রপাত হয়।’
পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (ইএসডিও) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে আনুমানিক ২৭ হাজার টন প্লাস্টিকের আবরণ দেওয়া পোস্টার ও কার্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।
ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী শহরের ছাপাখানাগুলো নিয়ে পরিচালিত এক জরিপের ভিত্তিতে এ হিসাব করা হয়।
ইএসডিওর মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন ইউএনবিকে বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহারের প্রবণতা কোনো সভ্য দেশে দেখা যায় না। এত বিপুলসংখ্যক পোস্টার ব্যবহার শুধু বিশৃঙ্খলাই সৃষ্টি করে না, এটি একদিকে অর্থের অপচয়, অন্যদিকে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি।’
পরিবেশবিদ অধ্যাপক আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, অতীতে লেমিনেটেড পোস্টার নিষিদ্ধ করা হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে ব্যাপক প্লাস্টিক বর্জ্য সৃষ্টি হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পোস্টার নিষিদ্ধের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের এই চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটি পোস্টার ঘিরে যে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, তা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
আরও পড়ুন: নিবন্ধনের শেষ দিনে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিড়
তিনি বলেন, ‘প্লাস্টিকের প্রলেপ দেওয়া পোস্টারগুলো নগর এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা বন্ধ করে জলাবদ্ধতা বাড়ায়। আর সেগুলো পুড়িয়ে ফেলা হলে বায়ু দূষণ বাড়ে।’
নির্বাচনী প্রচারে পোস্টার ব্যবহারে বিপুল পরিমাণ কাগজের প্রয়োজন হয়, যা সরাসরি বন উজাড়ে সহায়তা করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, ‘যদি এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে বাংলাদেশে একটি পরিচ্ছন্ন প্রচার সংস্কৃতির সূচনা হতে পারে।’
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবিরও নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত গাছ বাঁচাবে এবং কাগজ তৈরির সঙ্গে যুক্ত রাসায়নিক দূষণ কমাবে, ফলে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস পাবে।
২১০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর হাতে জয় বাংলা কনসার্টের ব্যানার-পোস্টার
আসন্ন জয় বাংলা কনসার্টের পোস্টার, ব্যানার, স্যুভিনিয়র ও টি-শার্ট গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (৩ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর হাতে কনসার্টের পোস্টার, ব্যানার ও স্যুভিনিয়র তুলে দেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) ট্রাস্টি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
অষ্টমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে জয় বাংলা কনসার্ট।
আরও পড়ুন: পার্লামেন্টে বিক্ষোভের মধ্যেই পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত শেহবাজ শরীফ
প্রধানমন্ত্রীর হাতে কনসার্টের স্যুভিনিয়র ও পোস্টার-ব্যানার তুলে দিয়ে তার ছবি ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সিআরআই ট্রাস্টি নসরুল হামিদ।
সেখানে তিনি লেখেন, ‘জয় বাংলা কনসার্ট প্রথমবারের মতো হতে যাচ্ছে ঢাকার বাইরে। তাই বাড়তি উচ্ছ্বাসের সঙ্গে আয়োজনের খুঁটিনাটি নিয়ে এবার আরও বেশি কৌতুহলী তারুণ্যের অদ্বিতীয় ভরসা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।’
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনটি স্মরণ করে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) তারুণ্যের প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা প্রতি বছর এই আয়োজন করে আসছে।
এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জয় বাংলা কনসার্ট।
তরুণদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় এই কনসার্ট মাতাতে এবার চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকবেন দেশের জনপ্রিয় ৯টি ব্যান্ড দল। ইয়াং বাংলা তাদের অফিসিয়াল পেজ থেকে যে সব ব্যান্ড দলের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যান্ড দলগুলো হলো- আর্টসেল, ক্রিপটিক ফেইট, অ্যাভোয়েড রাফা, নেমেসিস, চিরকুট, মেঘদল, লালন, চট্টগ্রামের ব্যান্ড তীরন্দাজ, কার্নিভাল।
এবারও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত স্বাধীনতার গান গেয়ে মঞ্চ মাতাবেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড দলগুলো। জয় বাংলা কনসার্ট নিয়ে বরাবরই তরুণদের মধ্যে থাকে বাড়তি উন্মাদনা। এবারও নেই তার ব্যতিক্রম। কনসার্টের ঘোষণার পর থেকেই ইয়াং বাংলার পেজ জুড়ে মন্তব্য করছে তরুণরা। এ ছাড়াও চট্টগ্রামের তরুণরা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তরুণদের আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন চট্টগ্রামে এই কনসার্ট উপভোগ করতে।
২০১৫ সাল থেকে এই কনসার্ট ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়ে আসছিল সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) তারুণ্যের প্লাটফর্ম ইয়াং বাংলা। মাঝে করোনা মহামারির কারণে ২০২১–২২ সালে কনসার্ট আয়োজন করা হয়নি।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যখাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা পূরণ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বজন হারানোর দুঃখের গভীরতা আর কেউ অনুধাবন করতে পারবে না, যেমনটা আমি করি : বিজিবি সদর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী
৬৯৩ দিন আগে
ফরিদপুরে পোস্টার লাগানোর সময় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে কুপিয়ে জখম
ফরিদপুর-৩ আসনে পোস্টার লাগানোর সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদের সমর্থককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর বেলা ১২ টায় ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুর ইউনিয়নের উমেদিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আজিজ শেখ (৩০) ফরিদপুর সদর উপজেলার ঈশান গোপালপুরের বাসিন্দা।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ওমেদিয়া বাজারে এ কে আজাদের ঈগল প্রতীকের পোস্টার লাগানোর সময় চার-পাঁচজন যুবক আজিজ শেখের উপর হামলা করে। তারা সেখানে ঈগলের কোনো পোস্টার লাগানো যাবেনা বলে হুমকি দেয় এবং পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আজিজকে।
আহতাবস্থায় তাকে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, এব্যাপারে এখনও কিছু জানতে পারিনি। বিষয়টি জেনে বলতে পারব। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: চুয়াডাঙ্গায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচারকর্মীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২ ভাই আটক
৭৬৭ দিন আগে
‘মিশন এক্সট্রিম-২’র ফার্স্টলুক প্রকাশ
বহুল প্রতীক্ষিত ‘মিশন এক্সট্রিম’ সিনেমার দ্বিতীয় পর্ব ‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এর ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ পেল। যেখানে দেখা গেছে, অরিফিন শুভ, সাদিয়া নাবিলা ও সুমিত সেনগুপ্তকে।চলতি বছর রোজার ঈদে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি চিন্তা করে এর মুক্তির সময় পেছানো হয়। তবে এখনও নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।এ প্রসঙ্গে সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক ও পরিচালক সানী সানোয়ার বলেন, ‘সবকিছু চিন্তা করে গত ঈদে ‘ব্ল্যাক ওয়ার’ মুক্তি দিইনি। তবে এটি চলতি বছরই মুক্তি পাবে। আর ঈদুল আযহার উপহার হিসেবে দর্শকদের জন্য ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশ করলাম। আশা করছি, পুরো সিনেমা দেখার জন্য দর্শকদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।’‘মিশন এক্সট্রিম’র দুটি পর্বই সানী সানোয়ারের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ফয়সাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘প্রথম পর্বের সাফল্যের পর আমরা ‘মিশন এক্সট্রিম’র দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে হাজির হচ্ছি, এটা সত্যি আনন্দের। খুব শিগগিরই আমরা মুক্তির তারিখ ঘোষণা করব।’
আরও পড়ুন: নতুন ছবি ‘এই মুহূর্তে’: এক সিনেমা, তিন পরিচালক‘ব্ল্যাক ওয়ারে’-এ প্রথম পর্বের গল্পের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানিয়েছেন পরিচালকদ্বয়। ‘মিশন এক্সট্রিম’র দুই পর্বেই কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ। ‘ব্ল্যাক ওয়ার’-এ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন- তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমিত সেনগুপ্ত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, মিশা সওদাগর, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, ইরেশ যাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, রাশেদ খান অপু, দীপু ইমাম, এহসানুর রহমান, ইমরান শওদাগর প্রমুখ।উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পায় ‘মিশন এক্সট্রিম’র প্রথম পর্ব। বাংলাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বহু দেশে একযোগে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: জেকে ১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র
ঢাকাই সিনেমায় সুবাতাস বইছে
১৩০৬ দিন আগে
নির্বাচনী পোস্টারে তৈরি হচ্ছে খাতা, ব্যাগ, রেইনকোট
বিভিন্ন ধরনের পরিবেশ দূষণের কারণে বিশ্বের অন্যতম অস্বাস্থ্যকর শহর হিসেবে পরিচিত ঢাকাকে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।
২১৮২ দিন আগে
ঢাকা সিটি নির্বাচন: লেমিনেটেড পোস্টারে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা
ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় লেমিনেটেড পোস্টার ছাপানো ও প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
২১৯৭ দিন আগে
বিলবোর্ড বসানোর সময় নিয়ম মেনে চলুন: ডিএনসিসি মেয়র
বিলবোর্ড বসানোসহ সব রাজনৈতিক পোস্টার লাগানো নিয়ম মেনে করা উচিত বলে বুধবার মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।
২২২৪ দিন আগে