জঙ্গিবাদ
জঙ্গিবাদ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আমার বক্তব্যে খুব বেশি ভিন্নতা নেই: ডা. জাহেদ
জঙ্গিবাদ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার বক্তব্যের মধ্যে খুব বেশি ভিন্নতা নেই বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জঙ্গিবাদের অস্তিত্বের কথা স্বীকার করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৫ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এ কথা জানান।
গত ২৮ এপ্রিল দেশে জঙ্গি রয়েছে স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছিলেনন, সরকার এটাকে শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে। একই দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশে কোনো জঙ্গিবাদ নেই। এ নিয়ে দেশের গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়।
তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্যের বিষয়ে গতকাল (সোমবার) জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা উনি কীভাবে বলেছেন জানি না। হয়তো আপনাদের লেখার মধ্যেও মিস-ইন্টারপ্রেট (ভুল ব্যাখ্যা) হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যেটা ডিসিপ্লিন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কী বলেছে, সেটাই তো শুনতে হবে।’
এ নিয়ে আজ সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ বলেন, ‘আমি একটা মন্তব্য করেছি (দেশের জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব আছে), প্রায় একই সময়ে বা একটু পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, দেশে কোনো জঙ্গি নেই। আপনারা যদি পড়ে দেখেন, দেখবেন উনার বক্তব্য আর আমার বক্তব্যের মধ্যে খুব বেশি ভিন্নতা ছিল না; এটা হলো প্রথম কথা।’
তিনি বলেন, “আমি এভাবে বলেছি যে, জঙ্গিবাদ একটা অতিরঞ্জন ছিল আওয়ামী লীগের সময়। তারা এটা দিয়ে ক্ষমতায় থাকার ‘ন্যারেটিভ’ তৈরি করেছে। আবার কেউ কেউ ‘কিছুই নেই আমাদের দেশে’ এ ধরনের কথা বলে; দুটোই কিন্তু নেগেটিভ! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও কিন্তু বলেছেন যে কিছু এক্সট্রিমিজমের (উগ্রবাদের) অস্তিত্ব আছে। মানে এই যে জঙ্গিবাদ, আসলে উনি শব্দটা ব্যবহার করতে চাননি, মোটামুটি আমি যা বলেছি, উনার বক্তব্যের সঙ্গে আসলে খুব বেশি ভিন্নতা নেই।
“তাই এটাকে আপনি জঙ্গিবাদ নামে বলুন অথবা উগ্রবাদ নামে বলুন, একটা লো ইনটেনসিটি (সীমিত পরিসরে) তো আছে, না হলে তো আমরা এই এলার্ট (সতর্ক) করতাম না, আনতাম না। এটা (জঙ্গিবাদ) আছে, এটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও স্বীকার করেছেন।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রচুর কার্টুন-টার্টুন হয়েছে যে আমি নাকি উনার চাইতে বেশি গোয়েন্দা তথ্য রাখি। ঠিক আছে, আমার ভালো লেগেছে দেখে।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, কিন্তু রেড এলার্ট যেহেতু এখনও আছে, তার মানে, আপনাকে একটা জিনিস বুঝতে হবে যে এই ধরনের ঘটনায় সবসময় যে সব কথা সরকার প্রকাশ্যে বলবে, সেটা সবসময় হবে না। সরকার এগুলোর যে ঝুঁকি আছে, এগুলোর ব্যাপারে যে পদক্ষেপ নেওয়ার, সেগুলো নিচ্ছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা জানি। সুতরাং যখন গ্রেপ্তার বা এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে যেটা সরকার মনে করবে আপনাদের জানাবে, সেটা সময়মতো জানানো হবে।
তিনি বলেন, আমি এটুকু বলতে পারি, যে ঝুঁকির কথা আগে বলা হয়েছিল, সেটি নিশ্চয়ই এখন তার চাইতে অনেক কম এবং আরও কমে যাচ্ছে।
তবে এই জায়গাগুলো অনেক বেশি সংবেদনশীল উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ কারণেই এখন পর্যন্ত এটা (সতর্কতা) বহাল রাখা হয়েছে। তবে এটা খুব বেশিদিন থাকবে বলে আমি মনে করি না।
১২ দিন আগে
জঙ্গিবাদ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে সরকার: তথ্য উপদেষ্টা
দেশে জঙ্গি রয়েছে স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, সরকার জঙ্গিবাদকে শূন্যে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি যে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বলেছেন, দেশে আসলে জঙ্গি নেই। জঙ্গি আছে কিনা, এই সরকার কী মনে করে এবং নাশকতার যদি হয় এটা আসলে সরকারের গোয়েন্দাদের কাছে কী ধরনের তথ্য আছে— এ বিষয়ে সংবাদিকরা উপদেষ্টার কাছে জানতে চান।
জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে, সরকারের কাছে কতখানি তথ্য আছে তা বলা যাবে না। এটা একটা সংবেদনশীল তথ্য। এই তথ্যটা গোপন থাকবে। কিন্তু যেটুকু তথ্য সরকার জানিয়েছে, এটা ফ্যাক্ট— বাংলাদেশে জঙ্গি আছে।
তিনি বলেন, এখানে দুটো এক্সট্রিম বা চরম অবস্থানই আছে, আমি দুটো এক্সট্রিমের কথা বলি। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জঙ্গি সমস্যাকে যেই স্কেলে দেখানো হয়েছে, এটা তাদের ক্ষমতায় থাকার একটা ন্যারেটিভ (আখ্যান) হিসেবে তারা ব্যবহার করেছিলেন যে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে, জঙ্গিরা সব দখল করবে। সুতরাং আমি নির্বাচন করলাম কি না দেখার দরকার নেই, আমাকে ক্ষমতায় রাখো—এটি একটা ন্যারেটিভ ছিল। এটা অতিরঞ্জিত হয়েছিল ওই সরকারের সময়ে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এই আলাপ কেউ কেউ করার চেষ্টা করেছেন যে, বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। এটাও আরেকটা চরম অবস্থান; এটাও ভুল কথা। বাংলাদেশে একটা পর্যায়ে মিলিট্যান্সি, জঙ্গিবাদ ছিল, আছে। সেটাকে আমরা আসলে প্রতিরোধ করতে চাই।
জাহেদ উর রহমান বলেন, এবার এই সতর্কতার মানে হচ্ছে, এটা খানিকটা ঝুঁকি তৈরি করেছে। কারণ দেড় বছর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা খেয়াল করেছি, এই প্রবণতার মানুষদের অনেক বেশি সংগঠিত হওয়া বা জনসম্মুখে আসা বা মুক্তভাবে আসার প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। সেটারই খানিকটা প্রভাব আমরা বলতে পারি। এই সরকার এগুলো প্রতিরোধ করবে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, জনগণকে এটুকু বলতে চাই, এই ঝুঁকি এমন না যে এটার জন্য ভয় পেতে হবে। কিন্তু সেই পুরোনো কথা হলো, আমরা যদি কোনো একটা সংকট বা রোগকে স্বীকার না করি, ওটার চিকিৎসা হবে না। তাই, আমরা এটাকে একেবারে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছি।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অনেক জঙ্গি জেল থেকে বেরিয়ে গেছেন—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, কিছু মানুষ বেরিয়েছিলেন। এখন সরকারের নিয়মিত কার্য হলো, এটা একদম নিয়মিত কর্মকাণ্ডের বা কাজের অংশ যে সরকার এগুলো প্রতিরোধ করবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, জঙ্গিবাদ শূন্যের কোটায় নিয়ে আসা আমাদের লক্ষ্য। সেটা কতটা পেরে উঠব আমরা জানি না, কিন্তু আমরা চেষ্টা করব শূন্যের কাছে নিয়ে আসার জন্য। কারণ আমরা এই সমস্যাটা স্বীকার করি এবং এটা আমরা অনেক বেশি বাড়াতে চাই না।
জাহেদ উর রহমান জানান, জঙ্গিরা দেশের ভেতরে আছে এবং তাদের সহায়তা করার মতো মানুষ বাইরেও থাকতে পারে। আমি এটাও একজন বিশ্লেষক হিসেবে বলছি।
জামিনে থাকা জঙ্গিদের নিয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, কেউ যদি একই ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত আছেন, এটার যদি মোটামুটি বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে জামিন বাতিল হবে এবং সরকার সেই জামিন বাতিলের জন্য শক্ত আপিল করবে। জামিন থাকবে কি থাকবে না তা আসলে সরকারের সিদ্ধান্ত নয়, এটা আদালতের সিদ্ধান্ত। কিন্তু সরকার প্রতিবাদ করবে কঠোরভাবে যাতে তাদের জামিন বাতিল হয় এবং সরকার এটা অবশ্যই করবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ‘জঙ্গি’ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে চাই। কাউকে আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগে ‘জঙ্গি’ আখ্যা দেওয়াও ঠিক নয়। এ ধরনের সাধারণীকরণ অতীতে অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে উগ্রবাদী প্রবণতা যে রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি এবং তা নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হবে।
উপদেষ্টা দাবি করেন, বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অতীতের মতো কোনো ধরনের শিথিলতা নেই। যে কোনো অপরাধের তদন্ত, দোষীদের শনাক্ত ও শাস্তি নিশ্চিত করা—এসবই জঙ্গিবাদ মোকাবিলার অংশ।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সমাজের একটি ছোট অংশ উগ্র মতাদর্শে প্রভাবিত হয়ে ভিন্ন ধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিল। কখনো কখনো সক্রিয় হওয়ার চেষ্টাও করেছে। তবে দেশ শেষ পর্যন্ত উদার গণতান্ত্রিক পথেই এগিয়েছে। সরকার এই প্রবণতাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, কোনো সরকার তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে গণতান্ত্রিক উপায়ে চাপ সৃষ্টি করতে হবে। নির্বাচনই চূড়ান্ত পথ।
১৯ দিন আগে
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই: প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি গোষ্ঠীর কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না বলে আবারও দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (২৮ জুলাই) বিকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জেকবসনের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ অঙ্গীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘জঙ্গিবাদ দমন আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা সর্বশক্তি দিয়ে সন্ত্রাসীদের আমাদের মাটি থেকে নির্মূল করব।’
বৈঠককালে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান শুল্ক আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রায় ৪০ মিনিটব্যাপী এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন উভয় দেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পড়ুন: নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করলে শাসন ব্যবস্থায় ভারসাম্য নষ্ট হবে: সালাহউদ্দিন
যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি জেকবসন বাংলাদেশে চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বলেন, আগামী বছরের শুরুর দিকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে আশা করা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করেন, যা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার নিয়ে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে।
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এই কমিশন খুব ভালো কাজ করছে। অধ্যাপক আলী রীয়াজের নেতৃত্বে সদস্যরা আন্তরিকতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।’
২৯৩ দিন আগে
ফ্যাসিস্ট ও জঙ্গিবাদের সবকিছু উপড়ে ফেলতে হবে: ডিআইজি রেজাউল
ফ্যাসিস্ট ও জঙ্গিবাদের সবকিছুর উপড়ে ফেলতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের যে সকল অপরাধী রয়েছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে জুলাই শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হবে।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) ফরিদপুর পুলিশ লাইনে বিশেষ কল্যাণ সভা ও জুলাই আন্দোলনের নিহতদের স্মরণে এক সভায় এ কথা বলেন।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশের ঢাকা বিভাগের এই শীর্ষ কর্মকর্তা আরও বলেন, পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি সহ্য করা হবে না। যদি কোনো অপরাধ পরিলক্ষিত হয়, তাহলে পুলিশের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘কোনো রকম অর্থনৈতিক অনিয়ম–দুর্নীতি—এ ধরনের কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া যাবে না,’ যোগ করেন তিনি।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আপনারা (পুলিশ) জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবেন, জনগণের কল্যাণে কাজ করবেন। থানায় যেন কোনো সেবাগ্রহীতা এসে ভোগান্তির শিকার না হন ‘
‘আমি শুনতে চাই না, কোনো সেবাগ্রহীতা থানায় এসে হয়রানির শিকার হয়েছেন। সকল মানুষের প্রতি সম্মানসহকারে কাজ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলায় যেন কোনো অবনতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ‘
আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু নির্যাতনের অধিকাংশ ঘটনায় সাম্প্রদায়িকতার প্রমাণ মেলেনি: পুলিশ সদর দপ্তর
পুলিশ সদস্যদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আমরা নিষিদ্ধ সংগঠনের যে সমস্ত অপরাধী সদস্য রয়েছে, তার সঙ্গে যদি কোনো সম্পর্কের গন্ধ পাই—কাউকে আমি ছাড় দেব না।এই ফরিদপুরে যারা সন্ত্রাসী, গডফাদার, চাঁদাবাজ—তাদের কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না।’
এর পরে তিনি জুলাই চব্বিশে শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপহারসামগ্রী তুলে দেন এবং পুলিশের মাল্টিপারপাস হল উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আজম, সদর পুলিশ সার্কেলের আজমির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
৩০৬ দিন আগে
একসময় জঙ্গিবাদ নাটক ছিল: ডিআইজি রেজাউল করিম
একসময় দেশে জঙ্গিবাদ নাটক ছিল বলে দাবি করেছেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক।
রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে শরীয়তপুর পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে জেলা পুলিশের আয়োজনে ‘মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদবিরোধী’ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সেই নাটক দেখেছি। আমরা আজ ফ্যাসিস্টদের কবল থেকে পরিত্রাণ পেয়ে এক নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি,’ যোগ করেন এই জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা।
পড়ুন: দেশজুড়ে চিরুনি অভিযান শুরু হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
তিনি আরও বলেন, আমরা এখন নতুন বাংলাদেশের নতুন পুলিশ হিসেবে কাজ করছি। সকলকে সঙ্গে নিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পাওয়া নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাব।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার নাসির উদ্দীন কালুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশ শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শরীয়তপুরের ১৪ শহীদ পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করা হয়।
৩০৮ দিন আগে
দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের শঙ্কা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক।’
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় ও ঈদ পুনর্মিলনীর উদ্দেশ্যে রাজধানীর ছয়টি থানা (খিলক্ষেত, ভাটারা, বাড্ডা, রামপুরা, হাতিরঝিল ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জনদুর্ভোগ নিরসন ও থানার সেবার মান আরও উন্নত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাজধানীর থানাগুলোকে নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জনগণ উপকৃত হবে বলে অভিমত দেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর বেশ কয়েকটি থানা ভাড়া ভবনে কার্যক্রম চালাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন জনগণের সমস্যা হচ্ছে, অন্যদিকে থানাগুলোও কাঙ্ক্ষিত মানের সেবা দিতে পারছে না।
তিনি বলেন, ‘যত তাড়াতাড়ি সম্ভব নিজস্ব জায়গায় ভবন নির্মাণ করে থানাগুলোকে স্থানান্তরের চেষ্টা করছি আমরা। ভালো জায়গায় থানা হলে জনগণের যেমন সুবিধা হবে, তেমনি থানাগুলো আরও সক্রিয় হবে ও কার্যক্রম চালাতে সুবিধা হবে।’
আরও পড়ুন: সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো ধরনের জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেনি উল্লেখ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশ জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটার কোনো শঙ্কা নেই। বর্তমানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক, এটিকে আস্তে আস্তে আরও ভালোর দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
ঈদে সবাই ছুটিতে গেলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরলসভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাধারণ জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ ও সক্রিয় রয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা।
এসময় তিনি আরও জানান, কোনো নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য পুলিশকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা যেন ছাড় না পান সে বিষয়েও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দুষ্কৃতিকারী তাদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
৪১০ দিন আগে
সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশ সাফল্য পেয়েছে: আইজিপি
এ সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশ সাফল্য পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।
শনিবার (১৮ মে) দুপুরে মৌলভীবাজার পুলিশ লাইন্স গেটে নির্মিত বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক টেরাকোটা মৃত্যুঞ্জয়ী ও পুলিশ সুপার কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন: সাবেক আইজিপি বেনজীর ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের কমিটি গঠন
তিনি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ ছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় লোকবল ও লজিস্টিক সাপোর্ট পুলিশের রয়েছে বলে জানান আইজিপি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক ড. উর্মি বিনতে সালাম, মিজান শাফিউর রহমান, মো. জাকির হোসেন খান, পুলিশ কমিশনার সৈয়দ হারুনুর রশিদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. রওশনুজ্জামান সিদ্দিকী, অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন: পুলিশ যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম: আইজিপি
মানবাধিকার সমুন্নত রেখে নিরপেক্ষভাবে জনগণের সেবা করতে আইজিপির আহ্বান
৭২৯ দিন আগে
বুয়েটকে নেতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জঙ্গিবাদের আঁতুড়ঘর হতে দেওয়া যাবে না: কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডগুলো সরকার গভীরভাবে তদন্ত করছে।
ছাত্র রাজনীতি সরাসরি নিষিদ্ধ করা হলে বুয়েট 'নেতিবাচক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জঙ্গিবাদের আঁতুড়ঘর' হয়ে উঠতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘সেদিন বুয়েট ক্যাম্পাসে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ছিল না। আর আমি যদি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকি, তাহলে বুয়েট ক্যাম্পাসে থাকতে পারব না- এটা কী ধরনের আইন?'
চট্টগ্রাম বিভাগীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংলাপে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: আবরার হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনে বুয়েট শিক্ষার্থীরা
বুয়েটে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে এসব কথা বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ মার্চ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ অন্যরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে বুয়েট কর্তৃপক্ষ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় প্যানেলের সদস্য ইমতিয়াজ রহিম রাব্বির জন্য হল বরাদ্দ বাতিল করে দেয়।
২০১৯ সালের অক্টোবরে আবরার ফাহাদের মৃত্যুর পর বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।
আরও পড়ুন: বুয়েটের হল থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার
সংলাপে ওবায়দুল কাদের আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সরকারের দায়বদ্ধতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। দলের অখণ্ডতা বিপন্ন হতে পারে এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে সতর্ক করে তিনি দলীয় সদস্যদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানান।
বিএনপি নেতারা ভারতীয় পণ্য বর্জন ও 'গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের' ডাক দেওয়াকে ফাঁকা বুলি হিসেবে আখ্যায়িত করেন ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে আইয়ুব খান যে ভাষায় কথা বলতেন, বিএনপি সেই ভাষায় কথা বলছে। এখন তাদের ইস্যু ভারতের বিরুদ্ধে। তারা ভারতফোবিয়াকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
আরও পড়ুন: আবরার খুনের পর বুয়েটে সাংগঠনিক ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ
রিজার্ভ নিয়ে বিএনপির বক্তব্যের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'বিএনপি যখন ক্ষমতা ছাড়ে, তখন বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩৫০ কোটি ডলার। এখন তারা রিজার্ভের কথা বলছে, যখন রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে তা আরও বাড়বে।’
আরও পড়ুন: ভারতীয় পণ্য বর্জনে বিএনপি দেশের অর্জন ধ্বংস করতে চায়: কাদের
৭৭৭ দিন আগে
‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতি’ রুখে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ইআরডিএফবির
এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি) জানিয়েছে, হরতাল-অবরোধে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে নিরীহ মানুষ হত্যা করে বিএনপি-জামায়াত যুদ্ধাপরাধের চেয়ে জঘন্য অপরাধ করছে।
একইসঙ্গে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতি’ রুখে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে ইআরডিএফবি।
এ ছাড়া যারা এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করছে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের মামলা স্থগিত চেয়ে ১৬০ বিশিষ্ট ব্যক্তির বিবৃতি সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য হুমকি: ইআরডিএফবি
‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতির’ প্রতিবাদে শনিবার (১১ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানায় ইআরডিএফবি।
মতবিনিময় সভায় সংগঠনের নেতারা জানান, শিক্ষার্থীরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েও হরতাল-অবরোধের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা যথা সময়ে হবে কি না- এই সংশয়ে রয়েছেন। এতে করে তাদের মানসিক চাপ বাড়ছে এবং প্রত্যাশিত ফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এ ছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা যাতে নির্ভয়ে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হতে ও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে সেজন্য সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান শিক্ষকরা।
একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে সারা দেশে ‘সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতি’রুখে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে সভায় বিএনপি-জামায়াতের চলমান নৈরাজ্য, সন্ত্রাস ও অপরাজনীতির মদদ যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য ও ইআরডিএফবির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন।
আরও পড়ুন: জঙ্গিবাদ-অপরাজনীতির প্রতিবাদে ইআরডিএফবির মতবিনিময় সভা শনিবার
সভায় বক্তব্য দেন- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এমদাদুল হক, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাবিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মাহবুবুর রহমান, চাঁদুপর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. নাসিম আক্তার, বাংলাদশে টেক্সটাইল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. শাহ আলিমুজ্জামন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. আব্দুল জব্বার খাঁন, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. অলোক কুমার পাল।
সভায় বক্তব্য আরও দেন- বাংলাদশে ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের উপউপাচার্য ড. মোকাদ্দেম হোসেন, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. আবুল কালাম আজাদ, শেকৃবির সাবেক উপাচার্য ড. কামাল উদ্দিন আহম্মাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিন্নাত হুদা, সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শামীম আরা হাসানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসার জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরবিশে সৃষ্টি করে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার চক্রান্ত করছে।
তিনি আরও বলেন, তাদের অপরাজনীতি ও বিদেশিদের প্রতি নির্ভরতা দেশের মানুষের প্রতি আস্থাহীনতার বহিঃপ্রকাশ। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছে। এসব শিক্ষার্থীর নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
সাজ্জাদ হোসেন বলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এসব শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবকদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
এ ছাড়া নির্বাচনের মাধ্যমে তরুণ সমাজ গণতন্ত্রের বিজয় উৎসব উদযাপন করবে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূস অন্যায়ের সম্মুখীন কি-না মূল্যায়নে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর
৯১৮ দিন আগে
জঙ্গিবাদ-অপরাজনীতির প্রতিবাদে ইআরডিএফবির মতবিনিময় সভা শনিবার
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও অপরাজনীতির প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা করবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত গবেষণাভিত্তিক সংগঠন ‘এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি)।
বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, আগামী শনিবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ঢাকার সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায প্রফেসর ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায প্রফেসর ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায, উপউপার্চায, কোষাধ্যক্ষ, ডিন, অধ্যাপক, বিভিন্ন কলেজ ও মাদরাসার অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ এবং সব র্পযায়ের দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
আরও পড়ুন: পাড়া-মহল্লায় আগুনসন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জনপ্রতিরোধ গড়ে তুলুন: তথ্যমন্ত্রী
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য ও এডুকেশন রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (ইআরডিএফবি) সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন সভাপতিত্ব করবেন।
এতে আরও উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ও ইআরডিএফবির সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খান এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও ইআরডিএফবির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের মামলা স্থগিত চেয়ে ১৬০ বিশিষ্ট ব্যক্তির বিবৃতি সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য হুমকি: ইআরডিএফবি
৯২০ দিন আগে