সার্ক
সার্ক ও বিমসটেকের মধ্যে একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই: শামা ওবায়েদ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা—সার্ক ও বহুখাতভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য বঙ্গোপসাগরীয় উদ্যোগ—বিমসটেকের মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ দুটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে প্রতিযোগিতা নয়, বরং পরিপূরক সম্পর্ক থাকা উচিত।
সোমবার (৬ জুলাই) এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সার্ক এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে বিমসটেকের পারস্পরিক সম্পর্ক তুলে ধরে এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমসটেক দক্ষিণ এশিয়াকে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে। অন্যদিকে, সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিস্তৃত আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে বিমসটেকের বাইরে থাকা দেশগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
তিনি বলেন, উপ-আঞ্চলিক উদ্যোগগুলো যেন সার্কের গতি কমিয়ে না দেয়; বরং এগুলোকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সহযোগিতার ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ একই সঙ্গে সার্ক এবং বিমসটেককে সমর্থন করতে পারে। কারণ, যোগাযোগ, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে উভয় প্ল্যাটফর্মই বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সেন্টার ফর বে অব বেঙ্গল স্টাডিজের উপদেষ্টা এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব সাউথ এশিয়া স্টাডিজের ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো তারিক এ করিম।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব (সার্ক ও বিমসটেক) এবং কোডারসট্রাস্ট বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুল হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য দেন।
মূল প্রবন্ধে মানচিত্র নিয়ে আপত্তি
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় প্রদর্শিত একটি মানচিত্র নিয়ে আপত্তি জানান ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব (রাজনৈতিক ও তথ্য) পূজা কুমারী ঝা।
তিনি বলেন, এখানে ভারতের যে মানচিত্র দেখানো হয়েছে, তা সঠিক নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই উপস্থাপিত মানচিত্রটি সঠিক নয় বলে আমি মনে করি।
জবাবে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকারী সাবেক রাষ্ট্রদূত তারিক এ করিম বলেন, মানচিত্রটি শুধু উপস্থাপনার সুবিধার্থে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি প্রকৃত সীমারেখা নির্দেশ করে না।
পরে পূজা কুমারী ঝা বলেন, আমি বুঝতে পারছি, স্যার। কিন্তু জম্মু ও কাশ্মীরকে আমরা ভারতের অংশ হিসেবে দেখি এবং এখানে সেটি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই বিষয়টি শুধু উল্লেখ করতে চেয়েছি।
এর জবাবে তারিক করিম বলেন, বিষয়টি নথিভুক্ত করা হলো।
‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ সার্ক পরিচালনার আহ্বান
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাথমিক ধাপে বাংলাদেশ চায়, পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত সংস্থাটি ‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ পরিচালিত হোক।
তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ কার্যকর অবস্থায়’ কথাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর অর্থ শুধু প্রতীকীভাবে সার্ককে টিকিয়ে রাখা নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাস্তবসম্মতভাবে যতটুকু সম্ভব, তার সর্বোচ্চটা করা। অর্থাৎ লক্ষ্য হবে উচ্চাভিলাষী, কিন্তু পদ্ধতি হবে বাস্তবভিত্তিক।
৯ দিন আগে
সামুদ্রিক মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা জোরদারে মালদ্বীপে সার্কের আঞ্চলিক বৈঠক
মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে দুই দিনব্যাপী সার্কের আঞ্চলিক পরামর্শ সভা শুরু হয়েছে। এশিয়ার বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক (মেরিন ফিন ফিশ) মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং এ খাতে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) শুরু হওয়া এ সভায় সার্কভুক্ত দেশগুলোর নীতিনির্ধারক, জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা, গবেষক এবং উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। সভার আয়োজন করেছে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টার, মালদ্বীপের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সংস্থা ‘সুশীলন’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপের মৎস্য, কৃষি ও মহাসাগরীয় সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ মুথথালিব।
তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মৎস্য খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার বিকল্প নেই।’
অনুষ্ঠানে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত মাছ: বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি ও সহযোগিতার সম্ভাবনা’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মৎস্যবিজ্ঞানী ও বাংলাদেশ মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল ওহাব।
তিনি বলেন, অতিরিক্ত আহরণ, অবৈধ, প্রতিবেদনবিহীন ও অনিয়ন্ত্রিত মৎস্য আহরণ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামুদ্রিক আবাসস্থলের অবক্ষয় দক্ষিণ এশিয়ার মৎস্যসম্পদের জন্য বড় সমস্যা। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সমন্বিত আঞ্চলিক উদ্যোগ একান্ত জরুরি।
সভায় নেপালে অবস্থিত সার্ক সচিবালয়ের পরিচালক (এআরডি ও এসডিএফ) তানভীর আহমেদ তরফদার বলেন, ‘টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা, যৌথ গবেষণা, সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন এবং মৎস্য খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে সার্ক দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।’
সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের পরিচালক ড. মো. হারুনূর রশীদ বলেন, ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে হবে। এক্ষেত্রে সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের ব্যবস্থাপনায় বিশেষায়িত সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম গঠন করে আঞ্চলিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা এখন সময়ের দাবি।’
সুশীলনের প্রধান নির্বাহী মোস্তফা নুরুজ্জামান বলেন, ‘সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত মাছ দক্ষিণ এশিয়ার খাদ্য নিরাপত্তা, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকা এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই এ সম্পদের সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহারে সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য।’
এ সময় অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী এবং ঢাকায় অবস্থিত সার্ক এগ্রিকালচার সেন্টারের জ্যেষ্ঠ প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (মৎস্য) ড. মো. শরীফুল ইসলাম সভার উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পাখনাযুক্ত মাছের টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সার্ক সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, নীতিনির্ধারণী সংলাপ এবং যৌথ গবেষণা ও উন্নয়নের অগ্রাধিকার ক্ষেত্র চিহ্নিত করার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাই এই পরামর্শ সভার মূল লক্ষ্য।’
দুই দিনব্যাপী এ পরামর্শ সভায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নীতি সমন্বয়, তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
১৪ দিন আগে
শিক্ষার্থীদের কিছু কর্মকাণ্ডের কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে: অধ্যাপক ইউনূস
আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেনপ্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কিছু কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটি ও এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউট আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রফেসর ইউনূস বলেন, ‘এ ধরনের সহযোগিতার মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনীতিতে সবাই উপকৃত হয়। তাই আমি বলেছি, আমাদের আঞ্চলিক অর্থনীতির কথা ভাবা উচিত। এটাই আমাদের করা উচিত। কিন্তু বর্তমানে আমাদের ভারতীয়দের সঙ্গে সমস্যা হচ্ছে, কারণ তারা শিক্ষার্থীদের কার্যকলাপ পছন্দ করছে না।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তরুণদের মৃত্যুর জন্য দায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে। এটি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে উত্তেজনাপূর্ণ করেছে। পাশাপাশি ভারত থেকে অনেক মিথ্যা খবরও ছড়ানো হয়েছে যা খুবই খারাপ বিষয়।
ভারতের সংবাদমাধ্যমে ইসলামি আন্দোলনের ভুয়া খবরের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এসবের সঙ্গে তালেবানের প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত খবর যুক্ত করা হয়েছে। ‘এমনকি তারা বলেছে, আমি নিজেও নাকি তালেবান। আমার দাড়ি নেই, বাড়িতে রেখে এসেছি,’ মজার ছলে বলেন তিনি।
এ সময় সার্কসহ আঞ্চলিক সংস্থার গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। আঞ্চলিক অর্থনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘আপনারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন। বাংলাদেশও আপনার অঞ্চলে বিনিয়োগ করবে। এটাই সার্কের ধারণা।’
সার্ক সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্কের পুরো ধারণা বাংলাদেশে জন্মেছে এবং বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের রাজধানীতে এই ধারণা প্রচার করেছে। সার্ক একটি পরিবারের মতো, যার মূল ভাবনা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে একত্রিত করা। তরুণরা যেন একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারে, শিক্ষা ও ব্যবসায় অংশগ্রহণ করতে পারে।’
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একে অপরের দেশে সফর করা, বন্ধুত্ব গড়ে তোলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পড়াশোনা করা এবং দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হাসিনা ও তার ঘনিষ্ঠদের বিচার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: ফিনিশ প্রেসিডেন্টকে প্রধান উপদেষ্টা
তিনি বলেন, ‘এটাই মূল ধারণা। তবে কিছুকাল আগে এটি কোনো এক দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খায়নি। তাই আমরা এটিকে স্থগিত করতে বাধ্য হই। আমরা দুঃখিত, এবং সবাইকে আবারও একত্রিত করতে চাই। এটাই আমাদের সমস্যার সমাধানের একমাত্র পথ।’
'আমি বলেছিলাম, প্রতিবেশী দেশগুলো যেমন নেপাল, ভুটান, এবং ভারতের সাতটি রাজ্যের কথাও ভাবুন। বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে সাতটি রাজ্য রয়েছে, যাদের সমুদ্র সংযোগ নেই। এগুলো ল্যান্ডলকড অঞ্চল।’
আসিয়ানের বর্তমান চেয়ার মালয়েশিয়া। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গেই সমঝোতায় আসা সহজ নয়, বিশেষ করে মায়ানমার, যাদের রোহিঙ্গা বিষয়ক সমস্যা রয়েছে, উল্লেখ করেন অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি বলেন, ‘তারা হয়তো এগিয়ে আসবে না, তবে আমরা কাজ চালিয়ে যাব। আমরা মনে করি না, এটি মিয়াননমার ও বাংলাদেশের মধ্যে স্থায়ী দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবে। আমাদের তা করার দরকার নেই। তাই সব সমস্যা সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গারা চাইলে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারবে, তাদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা ও পেশায় ফিরে যেতে পারবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকবে। একে অপরের সঙ্গে বিরোধ করা কারো জন্যই উপকারী নয়। তাই সমস্যার সমাধান করতে হবে।’
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অনানুষ্ঠানিকভাবে আসিয়ানের সদস্য হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে প্রধান উপদেষ্টাকে পাকিস্তানে আমন্ত্রণ
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা এটা করতে পারি। আসিয়ান একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম, যেখানে আঞ্চলিক সমন্বয় ও আন্তঃসংযোগ গড়ে তোলা সম্ভব।’
একটি পৃথক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।
এ সময় তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামী ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
২৯৩ দিন আগে
ক্যানসার চিকিৎসায় সার্কের গুরুত্ব দেওয়া অনুপ্রেরণামূলক: প্রধান উপদেষ্টা
সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কোঅপারেশন অনকোলোজির (এসএফও) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত হন তিনি।
এসময় তিনি সার্ক ফেডারেশন অব অনকোলোজিস্টের (এসএফও) প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. এবিএমএফ করিমের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। তার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
এসময় নিজের ছোটভাই, বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক, সমালোচক ও খ্যাতনামা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ জাহাঙ্গীরকে স্মরণ করেন অধ্যাপক ইউনূস। ভাইয়ের ক্যানসার শনাক্ত ও চিকিৎসার সময় তার পুরো পরিবারকে কী ভোগান্তির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল সেসব অভিজ্ঞতার কথা জানান তিনি।
সেসময় ডা. করিম কীভাবে তার চিকিৎসায় সাহায্য করেছিলেন সেকথাও উল্লেখ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘ক্যানসার চিকিৎসায় যে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন, তা এখনো আমরা পাচ্ছি না। সার্ক যে ক্যানসার চিকিৎসাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে এটা অত্যন্ত জরুরি ও অনুপ্রেরণামূলক।’
দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলো সার্ককে সক্রিয় করে তোলার মধ্য দিয়ে লাভবান হবে উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সার্ক আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণের পরপরই সার্ককে সক্রিয় করার বিষয়ে বলেছি। ভারত-পাকিস্তানের মধ্যকার কিছু ইস্যুর জন্য সার্ক সক্রিয় হচ্ছে না। আমি মনে করি, দুটি দেশের মধ্যকার সমস্যার কারণে অন্য দেশগুলোকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। প্রতি বছর দক্ষিণ এশিয়ার নেতারা যদি সাক্ষাৎ করেন, একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন তাহলে গোটা বিশ্বের কাছে বার্তা যায় যে আমরা একসঙ্গে আছি। এটা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে বিশ্বের কাছে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে এবং এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।’
আজকের কনফারেন্সে সার্ককে সক্রিয় করতে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে আবারও আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
৫৮০ দিন আগে
সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে পাকিস্তানের সমর্থন চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস
দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, 'সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করা এটি শুরু করার এবং পাকিস্তানের সমর্থন চাওয়ার একটি ভালো সুযোগ হতে পারে।’
বৈঠকে দুই নেতা দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এই উদ্যোগ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি জানিয়ে শাহবাজ শরীফ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে অংশীদার দেশগুলোকে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
শাহবাজ বলেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি 'নতুন অধ্যায়' শুরুর মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো যেতে পারে।
তিনি বলেন, 'আমাদের সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করা খুবই জরুরি।’
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও চামড়া খাতে বিনিয়োগে পাকিস্তানের আগ্রহের কথা জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
এসময় দুই দেশের মধ্যে ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম করার প্রস্তাব দেন অধ্যাপক ইউনূস।
এছাড়াও বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের আলোচনা নবায়ন এবং দুই দেশের মধ্যে যৌথ কমিশনকে পুনরায় সক্রিয় করার বিষয়েও আলোচনা করেন তারা।
এ সময় আরও ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।
৬৫৭ দিন আগে
সার্ক চেম্বারের সভাপতি হচ্ছেন এফবিসিসিআই সভাপতি
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-এর এপেক্স ট্রেড বডি সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এসসিসিআই)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন দি ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) বর্তমান সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
২০২৩-২০২৪ মেয়াদে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ এই সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।
সোমবার এফবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: অগ্রিম আয়কর ও আগাম কর রহিত করার আহ্বান এফবিসিসিআই’র
খুব শিগগিরই রাজধানী ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে মো. জসিম উদ্দিনের কাছে সার্ক চেম্বারের সভাপতির দায়িত্ব হস্তান্তর করবেন সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি পাকিস্তানের ব্যবসায়ী নেতা ইফতিখার আলি মালিক।
মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্যবসায় হাতেখড়ি নিয়ে খ্যাতনামা শিল্পদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছেন মো. জসিম উদ্দিন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অধ্যয়নরত অবস্থায় তিনি বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন।
প্লাস্টিকপণ্য উৎপাদনের মাধ্যমে শিল্পাঙ্গনে যাত্রা শুরু করে ব্যবসা ছড়িয়েছেন গণমাধ্যম, ব্যাংক, বীমা, হোটেল, আবাসন, সিমেন্ট, ইলেকট্র্রনিকস পণ্য, কেমিক্যাল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, ট্রেডিং, তৈরি পোশাক ও পশু খাদ্য প্রক্রিয়াকরণসহ বিভিন্ন খাতে। দেশের এই শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতা বর্তমানে বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
একই সঙ্গে তিনি বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাট্রিজ এবং বেঙ্গল মিডিয়া করপোরেশনের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক পলিসি অ্যাডভোকেসিতে তার অবদান অনেক। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে শুরু থেকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বে তিনি বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফেকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) সভাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাংলাদেশের বিজনেস সেক্টরের সবচেয়ে বড় আয়োজন বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩ সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশ-বিদেশের ব্যবসায়ী মহলে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।
দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ একাধিকবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ব্যক্তিত্ব-সিআইপি সম্মাননা পেয়েছেন তিনি। জাতীয় রপ্তানি ট্রফিও জিতেছেন একাধিকবার।
এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এর আগে ২০১০-২০১২ মেয়াদে এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
তার আগে ২০০৮-২০১০ মেয়াদে এটির পরিচালক ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন: এফবিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে লিবিয়ায় সদ্য নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদারে এফবিসিসিআই- জেসিসিআই সমঝোতা স্মারক সই
১১৫০ দিন আগে
সার্ক লেখক ও সাহিত্যিকদের ফাউন্ডেশন বঙ্গবন্ধুকে প্রদান করল সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩
মর্যাদাপূর্ণ দিল্লি-ভিত্তিক সাহিত্য প্ল্যাটফর্ম সার্ক লেখক ও সাহিত্যের ফাউন্ডেশন ৬৩তম সাহিত্য উৎসবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩ প্রদান করেছে।
দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার শতাধিক শীর্ষস্থানীয় গবেষক, লেখক, শিল্পী, সাহিত্যিক এবং শিক্ষাবিদদের নিয়ে নয়াদিল্লিতে চলতি বছরের ২৬ থেকে ২৮ মার্চ তিন দিনব্যাপী এই উৎসবটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হাই-প্রোফাইল সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে, ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাহিত্য একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ঔপন্যাসিক ও পদ্মশ্রী পুরস্কারপ্রাপ্ত অজিত কোর বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার এবং বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক মফিদুল হকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার ও কাউন্সেলর (রাজনৈতিক)।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর জনগণের কাছে পরিচিত ‘বঙ্গবন্ধু’ বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের জাতীয় মুক্তির এক সুউচ্চ ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ভারতের জাতির পিতা মহাত্মা গান্ধী এবং আমেরিকার নাগরিক অধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং-এর মতো, বঙ্গবন্ধুকে অশুভ শক্তি নির্মমভাবে হত্যা করেছিল, কিন্তু পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে ইতিহাস থেকে মুছে দিতে পারেনি। তার জীবনের একটি নতুন মাত্রা উন্মোচিত হয় যখন তার দীর্ঘদিনের হারিয়ে যাওয়া জেলখানার ডায়েরি এবং নোটবুক প্রকাশিত হয় এবং পরবর্তীকালে প্রকাশিত হয়।
ফোসওয়াল উল্লেখ করেছেন যে ট্রিলজির একটি রাজনৈতিক দলিল এবং একটি মানবিক সনদ রয়েছে যা প্রেম ও সহানুভূতির সঙ্গে লেখা, একজন ব্যক্তি যিনি ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করেছেন এবং তার জনগণকে স্বাধীনতার দিকে নিয়ে গেছেন।
তার বক্তৃতায়, ফোসওয়াল অজিত কোর-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রবিবার স্বাধীনতা দিবস সারা বাংলাদেশে পালিত হচ্ছে এবং এটি ফোসওয়াল -এর জন্য তাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সম্মান জানানোর জন্য একটি মহান সম্মান, যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা এনেছিলেন এবং তার জনগণকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে চালিত করেছিলেন।
নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন অনুসারে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভিন্ন এবং অনন্য ছিল। কারণ, এটি ছিল 'মানুষের প্রাণবন্ত আত্মা' সংরক্ষণের জন্য যা শুধুমাত্র নিজস্ব সংস্কৃতি এবং নিজস্ব ভাষায় স্পন্দিত এবং বিকাশ লাভ করে।
১২০৬ দিন আগে
সার্ক করোনা মোকাবিলায় সদস্যদের আবার একত্রিত করতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারির এ নজিরবিহীন সময়ে সার্কের মতো ফোরামের উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ সম্মিলিতভাবে মোকাবিলায় সদস্য দেশগুলোকে একত্রিত করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।
২০৪৫ দিন আগে
করোনাভাইরাস: সার্ক জরুরি তহবিলে ১.৫ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বাংলাদেশ
দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রস্তাবিত সার্ক জরুরি তহবিলে ১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে বাংলাদেশ।
২৩০৬ দিন আগে
জনস্বাস্থ্যের হুমকি প্রতিরোধে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলার জন্য সম্মিলিত দক্ষতা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সার্ক দেশগুলোর মধ্যে সহযোগীতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে, দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে ভবিষ্যতে জনস্বাস্থ্যের জন্য যেকোনো হুমকি মোকাবিলা ও প্রতিরোধ করার জন্য একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২৩১৩ দিন আগে