ভোলা
ভোলায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ব্যালট ছিনতাই, আটক ১
ভোলা-১ (সদর) আসনের আলীনগর স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের মাঠে ককটেল বিস্ফোরণ করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘনটাস্থল থেকে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীকে আটক করা হয়েছে।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানান, দুপুর সোয়া ১২টার দিকে একদল গুন্ডা লোক বোমা ফাটিয়ে কেন্দ্রের মধ্যে প্রবেশ করে কেন্দ্রের দায়িত্বরত অনেককে হেনস্তা করেছে। এ সময় তারা ৫৬টি ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয় এবং ৭৬টি উল্টাপাল্টা সিল মেরে রেখে যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সে সময় থেকে কিছু সময়ের জন্য ভোটগ্রহণ বন্ধ রাখা হয়।
এ খবর পেয়ে কেন্দ্রে ছুটে যান সংসদ সদস্য প্রার্থী বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুজ্জামানের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর দুপুর ২টার পর পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়।
৪ দিন আগে
ভোলায় নির্বাচনি প্রচারণায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৮
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ভোলার দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মনপুরা উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে বিএনপি সমর্থক হিসেবে রয়েছেন মো. গণি মাঝি, রাসেল হাওলাদার ও গণি মাঝির মা। অপরদিকে জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আহত হয়েছেন মো. ইদ্রিস, মো. রুবেল, তারেক, মাওলানা শরীফ ও মো. সাদ্দাম।
জামায়াতের উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোট চাইতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ায় উভয় পক্ষ। এতে জামায়াতের প্রায় ৫ জন আহত হন।
অন্যদিকে, একই ইউনিয়নের বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন বলেন, ভোট চাওয়ার নামে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির তিন থেকে চারজন নেতা-কর্মী আহত হন।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজি বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা একটি বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে পরবর্তীতে জামায়াতের নেতারাও সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং এতে বিএনপির ৩ জন আহত হন।
মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১০ দিন আগে
ভোলায় অটোচালক আবু বকর সিদ্দিক হত্যা মামলায় ৩ জন গ্রেপ্তার
ভোলায় অটোরিকশা ছিনতাই করে চালক আবু বকর সিদ্দিককে (৫১) কুপিয়ে হত্যার ঘটনার ৬ দিন পর প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ভোলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গত ৩০ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি চরফ্যাশন পৌরসভা বাস স্ট্যান্ড থেকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজারে আসা-যাওয়ার কথা বলে আবু বকরের অটোরিকশা ভাড়া করেন। চালক আবু বকর তাদের নিয়ে গাড়ি চালিয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে লালমোহনের পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের কচুয়াখালী এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা আবু বকরের বুকের ডান পাশে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করেন। এরপর তাকে ফেলে তার গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে যান তারা। এ সময় আবু বকর ঘটনাস্থলইে নিহত হন।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সুলতান বাদী হয়ে লালমোহন থানায় গত ১ জানুয়ারি মামলা করেন। এরপর পুলিশের একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে গতকাল (মঙ্গলবার) মামলার প্রধান আসামি মো. ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ আরও জানায়, ইব্রাহিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. রাজা (৩২) ও কাজী তারেককে (৩৫) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকু ও ৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আসামীরা সবাই আন্তঃজেলা ডাকাতদলের সদস্য। রাজার বিরুদ্ধে ঢাকার সাভার ও মোহাম্মদপুর থানায় খুন, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
৪০ দিন আগে
ভোলায় ট্রাকচাপায় অটোরিকশার ৩ যাত্রী নিহত
ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। একটি ট্রাকের চাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বোরহানউদ্দিন উপজেলার মানিকার হাট বাজার-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মো. মিজান (৩৬), রিয়াজ উদ্দিন ও আজমিরী আমরিন (২০)। এদের মধ্যে মো. মিজান ও রিয়াজ উদ্দিন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আজমিরী আমরিনকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে লালমোহন থেকে পাঁচ যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভোলার দিকে যাচ্ছিল। পথে মানিকার হাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত হন।
দুর্ঘটনায় আহত অটোরিকশার চালকসহ বাকি তিন যাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল্লাহ কাওসার বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৫০ দিন আগে
ভোলায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় পূর্ববিরোধের জেরে ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতা হত্যার শিকার হয়েছেন।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার ক্লোজার বাজার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত ছাত্রদল নেতার নাম রেজওয়ান আমিন সিফাত (২৮)। তিনি ভোলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন হাওলাদারের পুত্র এবং ভোলা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে সিফাতের সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল দুপুরে তার সঙ্গে চাচাতো ভাই হাসিব ও সাকিবের কথা কাটাকাটি হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে সিফাত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় যাওয়ার জন্য রওনা হন। তখন ক্লোজার বাজার এলাকায় সিফাতকে একা পেয়ে তার চাচাতো ভাইসহ আরও কয়েকজন মিলে হামলা চালান। এ সময় তাকে কুপিয়ে আহত করে রেখে যান তারা।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিফাতের বাবা মো. আলাউদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলা থেকে লক্ষাধিক বিএনপির নেতা-কর্মী ঢাকায় যাবেন। গত তিন দিন ধরে দলে দলে লোকজন ঢাকায় যাচ্ছেন। ভোলা থেকে বুধবার রাতে ১০টি লঞ্চ ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। সিফাতও ঢাকা যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। মাগরিবের নামাজের পরে ব্যাগ নিয়ে বের হলে পথে হাসিব, সাকিব, রনিসহ আরও কয়েকজন তাকে ঘিরে ধরে। পরে তাকে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।
রাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাজাহান বেপারী বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আলাউদ্দিনের ছেলে রেজওয়ানকে কুপিয়ে জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় তার চাচাতো ভাইয়েরা।
ভোলা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়া উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
৫৩ দিন আগে
ভোলায় বাড়িতে ঢুকে মসজিদের খতিবকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় নিজ বাড়িতে ঢুকে মাওলানা আমিনুল হক নোমানী (৪৫) নামে এক মসজিদের খতিব ও মাদরাসা শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে শহরের চরনোয়াবাদে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাওলানা আমিনুল হক নামের ওই ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।এরপর স্থানীয়রা উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকেভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ।
নিহত মাওলানা আমিনুল হক নোমানী ওই এলাকার মাওলানা এনামুল হকের ছেলে। তিনি ভোলা সদর উপজেলা জামে মসজিদের খতিব ও ভোলা দারুল হাদিস কামিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন।
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম চরনাবাদ জামে মসজিদ থেকে এশার নামাজ শেষ করে বাড়িতে যান আমিনুল হক। এ সময় তার স্ত্রী, এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তানদের কেউই বাড়িতে ছিল না। রাত সোয়া ৯টার দিকে আমিনুল হককে তার নিজ ঘরের মধ্যে কুপিয়ে জখম করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ সময় তার চিৎকার শুনে ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য আমিনুল হককে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মাথা, গলা, ঘাড়, বুক ও পেটসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর জখমের আঘাত ছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
সরেজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আমিনুল হকের বাড়ির ড্রয়িং রুমে সোফার সামনে মেঝেতে রক্ত পড়ে আছে। একটি ওয়েব ক্যামসহ কম্পিউটার অন করা অবস্থায় রয়েছে। টেবিলের ওপর তার কম্পিউটারের সামনে একটি ঘড়ি। অপর টেবিলে তার টুপি পড়ে আছে। তবে তাকে হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি।
এ ঘটনার বিচার দাবিতে তাৎক্ষণিক ভোলা সদর রোডে বিক্ষোভ মিছিল করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন ইসলামিক দলের নেতারা ও এলাকাবাসী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীকে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পুলিশের একাধিক টিম কার্যক্রম শুরু করেছে।
১৬২ দিন আগে
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় মো. সাইফুল্লাহ আরিফ নামে (৩০) এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে সদর উপজেলার কালিবাড়ী রোড এলাকার নববী মসজিদ-সংলগ্ন নিজ বাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার পুলিশ।
নিহত আরিফ ভোলা সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এবং স্থানীয় সাবেক শিক্ষক মো. বশির উদ্দিনের একমাত্র ছেলে। তিনি পেশায় একজন ডিপ্লোমা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার।
একমাত্র ছেলের এমন হত্যা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না বাবা-মা, ছেলেকে হারিয়ে প্রায় পাগল তারা।
আরিফের বাবা জানান, গতকাল (শুক্রবার) রাতের খাবার শেষে মাকে পানি খাইয়ে ১২টার দিকে আরিফ তার রুমে ঘুমাতে যান। শনিবার ভোরে ফজরের নামাজের সময় গেইট খুলে বাইরে বের হলে বাড়ির সামনের রাস্তায় আরিফের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন।
স্থানীয় ও স্বজনদের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা আরিফকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে।
আরও পড়ুন: সাভার ও আশুলিয়ায় শিশুসহ দুজনের মরদেহ উদ্ধার
এরপর ভোলা ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহতের স্বজনরা জানান, কারা বা কী কারণে আরিফকে হত্যা করেছে তা তাদের জানা নেই। এ ঘটনায় প্রশাসনের কাছে বিচার দাবি করেন নিহতের পরিবার।
ভোলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন জানান, এ ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
১৭০ দিন আগে
তিন দিন বন্ধ থাকার পর ভোলার নৌপথে লঞ্চ চলাচল শুরু
বৈরী আবহাওয়ার কারণে টানা তিন দিন বন্ধ থাকার পর ভোলার ১০টি অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চ ও সি-ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) সকাল থেকে এসব নৌপথে লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে জানায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
বিআইডব্লিউটিএর ভোলা নদী বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক কর্মকর্তা মো. জসিম উদ্দিন জানান, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে এসব রুটে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। এতে করে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা ইলিশা লঞ্চ ঘাট দিয়ে নৌপথে যাতায়াত শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: ভোলার মেঘনায় ঝড়ে ট্রলারডুবি, পাঁচ জেলে উদ্ধার
১৯৯ দিন আগে
ভোলায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ জাল ও পলিথিন জব্দ
ভোলার চরফ্যাশনে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ জাল ও নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড ও মৎস্য অধিদপ্তরের সমন্বয়ে ভোলার চরফ্যাশন বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
শনিবার (১৯ জুলাই) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘গতকাল (শুক্রবার) অভিযান চলাকালে ১০টি গুদাম তল্লাশি করে প্রায় ১৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা মূল্যের ৫ লাখ মিটার নতুন কারেন্ট জাল, ৫ লাখ মিটার চরঘেরা জাল, ১ লাখ মিটার মশারি জাল, ৩ হাজার পিস চায়না দুয়ারি জাল, ৪ পিস বেহুন্দি জাল এবং ২০ হাজার কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়।’
পরে জব্দ করা জাল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বিনষ্ট করা হয় এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ভোলা পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলেও জানান তিনি।
২১২ দিন আগে
ভোলায় ২০ কেজি হাঙ্গরসহ ৮০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ
ভোলার লালমোহন উপজেলায় ২০ কেজি হাঙ্গরসহ ৮০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ ও ২টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করেছে কোস্টগার্ড।
বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে ভোলা কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার হারুন-অর-রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর ৩টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১টার মধ্যে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া লঞ্চঘাট-সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই এলাকা থেকে ২টি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট (এফ বি মায়ের দোয়া-২ ও এফ বি নবীপুর-৪) এবং ২০ কেজি হাঙ্গরসহ ৮০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন: সিলেটে সীমান্তে ২ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ
পরবর্তীতে জব্দ করা সামুদ্রিক মাছ উপজেলা মৎস্য বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়। হাঙ্গর মাছ বন বিভাগ প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিনষ্ট করা হয় এবং জব্দকৃত ট্রলিং বোটের বিরুদ্ধে লালমোহন থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ২৪ ঘণ্টা টহল জারি রেখেছে। এর ফলে কোস্টগার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। কোস্টগার্ডের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
২১৩ দিন আগে