খাদ্যমন্ত্রী
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, আশা খাদ্যমন্ত্রীর
দেশে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত থাকায় আসন্ন রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহে সংকট হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে মন্ত্রী দেওয়ানহাট সিএসডির গুদাম পরিদর্শন করেন এবং হালিশহর সিএসডির সম্মেলনকক্ষ উদ্বোধন করেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অপচয় রোধ ও সরকারি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত মজুতের পাশাপাশি সুষ্ঠু সংরক্ষণ, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সময়মতো সরবরাহ জরুরি।
রমজানে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকায় সরবরাহে সংকট হবে না বলে তিনি আশাবাদী। তবে বাড়তি চাহিদা, পরিবহন ব্যয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে আগাম প্রস্তুতি নিতে হবে।
সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ, আমদানি ও অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সরবরাহব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করতে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর জোর দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সংকটসহ বিভিন্ন কারণে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে জনগণের ক্রয়ক্ষমতা ও স্বার্থ বিবেচনায় রেখে বাজারে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।
আমদানি কার্যক্রমের জটিলতা নিরসন এবং নির্ধারিত সময়ে খাদ্য দেশে পৌঁছানো নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আফরোজা খানম বলেন, এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে খাদ্য বিভাগের জনবল সংকট ও প্রশাসনিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
চট্টগ্রাম জেটি ও সাইলো পরিদর্শন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান অবকাঠামোর কার্যকারিতা, প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
চিহ্নিত সমস্যাগুলো সমাধানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আফরোজা খানম বলেন, গুদামগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, সংরক্ষিত খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় তিনি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত স্থাপনাগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার পাশাপাশি গুদামভিত্তিক মজুতের নির্ভুল হিসাব, নিয়মিত পরিদর্শন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানো, অপচয় কমানো ও সরবরাহব্যবস্থার বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করা সম্ভব হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন খাদ্যমন্ত্রী।
পরিদর্শন ও উদ্বোধনকালে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
আতপ চালের চাহিদা নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতপ চালের ব্যবহার ও চাহিদা সম্পর্কে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি বলেন, মানুষের খাদ্যাভ্যাস, চালের চাহিদা ও ভোগের ধরন সম্পর্কে সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়ন করা জরুরি। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতপ চালের ব্যবহার ও চাহিদা সম্পর্কে গবেষণার মাধ্যমে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ হলরুমে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় আতপ চালের ভোগ ও চাহিদা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রমের সূচনা উপলক্ষে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটবেলা থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় আতপ চালের ব্যবহার দেখে আসছি। বিশেষ করে বিভিন্ন ধরনের পিঠা ও ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে এ চালের ব্যবহার রয়েছে। তবে শুধু কয়েকটি অঞ্চলের নয়, সারা দেশে আতপ চালের ভোগ ও চাহিদার চিত্র জানা প্রয়োজন। এ বিষয়ে গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক আলোচনা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ।
মানুষের কাছে পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া সরকারের বড় দায়িত্ব বলেও মন্তব্য করেন আফরোজা খানম।
তিনি বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শুধু খাদ্যের মজুত নিশ্চিত করা নয়; মানুষের প্রয়োজন, পছন্দ ও পুষ্টিগত চাহিদার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।
গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ভবিষ্যতে খাদ্য পরিকল্পনা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় আতপ ও সিদ্ধ চালের পুষ্টিগত পার্থক্য প্রসঙ্গে মন্ত্রী গবেষকদের কাছে জানতে চান, চাল অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত বা একাধিকবার সিদ্ধ করার ক্ষেত্রে এর পুষ্টিমান কতটা পরিবর্তিত হয় এবং সাধারণ মানুষের জন্য কোন প্রক্রিয়ায় পুষ্টি বেশি সংরক্ষিত থাকে?
আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণায় দেখা যায়, চালের তুষ ও ভুসির স্তর অতিরিক্ত মসৃণকরণ বা পালিশের মাধ্যমে অপসারণ করলে ভিটামিন ও খনিজের পরিমাণ কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে ধান সিদ্ধ বা পারবয়েলিং করার সময় ভুসি ও অঙ্কুরের কিছু পুষ্টি উপাদান চালের শাঁসে স্থানান্তরিত হওয়ায় সিদ্ধ চাল সাধারণত এসব পুষ্টি ধরে রাখতে তুলনামূলকভাবে বেশি সক্ষম।
তবে চাল রান্নার সময় অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করে সেই পানি ফেলে দিলে কিছু পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও খনিজের ক্ষতি হতে পারে। ফলে শুধু কতবার সিদ্ধ করা হয়েছে, এর পাশাপাশি ধান সিদ্ধ করার পদ্ধতি, মিলিংয়ের মাত্রা ও রান্নার পদ্ধতিও পুষ্টিমান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
কর্মশালায় আলোচকরা বলেন, বাংলাদেশের খাদ্যব্যবস্থায় চালের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন ধরনের চালের ভোগ ও চাহিদার সঠিক চিত্র জানা খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিকল্পনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অঞ্চলভেদে মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও চালের পছন্দের পার্থক্যকে বিবেচনায় নিয়ে গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যৎ খাদ্যনীতি প্রণয়নে সহায়ক হতে পারে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। এতে সভাপতিত্ব করেন খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। স্বাগত বক্তব্য দেন খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান।
এছাড়া গবেষণার কনসেপ্ট নোট ও প্রাথমিক বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন এফপিএমইউর সহযোগী গবেষণা পরিচালক মো. মাহিনুর ইসলাম।
৭ দিন আগে
অর্থের অভাবে শিক্ষার্থীরা যেন শিক্ষাবঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী
অর্থের অভাবে দেশের কোনো শিক্ষার্থী যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
তিনি বলেন, শিক্ষার মান যত উন্নত হবে, দেশ ততই এগিয়ে যাবে। একটি শিক্ষিত, মানবিক ও বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী-ঘোষিত বিনামূল্যের স্কুল ড্রেস ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে দেশ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই তাদের জন্য সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করাও সরকারের দায়িত্ব।
বিশেষ করে দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
আফরোজা খানম রিতা বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইনির্ভর শিক্ষা দিলেই হবে না; তাদের নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত ও দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, শিক্ষক ও রাষ্ট্রকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষকদের আন্তরিকতার সঙ্গে পাঠদান এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মো. সারওয়ার আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমী নাসরিনসহ শিক্ষা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৩২ দিন আগে
খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি গঠন
দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও নীতিগত সিদ্ধান্তে সহায়তার জন্য খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি (এফপিএমসি) গঠন করেছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এ কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২২ সদস্যের এ কমিটির সভাপতি খাদ্যমন্ত্রী। কমিটিতে স্থানীয় সরকার, অর্থ, শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের মহাপরিচালক কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, এটি দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজর রাখবে। খাদ্যশস্য উৎপাদনের পরিসংখ্যান, চাহিদা নিরূপণ, মজুদ পরিস্থিতি, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করে সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবে। পাশাপাশি পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যের নিশ্চয়তা এবং নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় দিকনির্দেশনা দিবে এ কমিটি।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, প্রয়োজনে কমিটি অতিরিক্ত সদস্য অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সভা অনুষ্ঠিত হবে।
২০৩ দিন আগে
কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ। এই ক্ষুধাকে জয় করতে কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। ধান রোপণ ও ধান কাটায় প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে।’
সোমবার (৮ জুলাই) নওগাঁর পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৪’ এর উদ্বোধন ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তির চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
দেশে ধান কাটার সময় শ্রমিক সংকট হয় উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মেশিনের মাধ্যমে সহজেই অল্প সময়ে অধিক জমির ফসল তোলা সম্ভব। কৃষক ধীরে ধীরে প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকের কাছে প্রযুক্তি পৌঁছে দিচ্ছেন। কোনোটা বিনামূল্যে কোনোটা ভর্তুকি মূল্যে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন দেশের কোথাও যেন এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে। চাষাবাদ বাড়াতে হবে। ঘরের আশে-পাশের জমিতেও মরিচ-পেঁয়াজের চাষ করলে পরিবারের খরচ কমবে। দেশের সামগ্রিক উৎপাদনে এটার গুরুত্ব আছে।’
বর্তমান সরকার কৃষকবান্ধব উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘চলমান বোরো সংগ্রহে সরকার চালের দাম এক টাকা বাড়িয়েছে কিন্তু ধানের দাম দুই টাকা বাড়িয়েছে। ভোক্তা ও কৃষকের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।’
ট্রানজিট নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের চুক্তি প্রসঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ট্রানজিট এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের যোগাযোগ বাড়ায়। বিশ্বায়নের যুগে একা থাকলে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে না।’
খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনা কাজ করেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা গোলামি চুক্তি করেননি। বিএনপি মিথ্যা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করে।’
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা উপবৃত্তি দিয়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ছেলে মেয়েদের পড়ালেখায় উৎসাহিত করছেন। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে একই প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে চান তিনি। উন্নয়ন থেকে কেউ যেন বঞ্চিত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।’
পোরশা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ আদনানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন- পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান খোকন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।
খাদ্যমন্ত্রী কৃষকদের মাঝে গাছের চারা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তির চেক এবং অগ্নিকাণ্ড ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: চাল আমদানি নয়, ভবিষ্যতে আমরা রপ্তানি করব: খাদ্যমন্ত্রী
জীবনে বড় হতে হলে বইকে আপন করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
৮২৯ দিন আগে
চাল আমদানি নয়, ভবিষ্যতে আমরা রপ্তানি করব: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘চাল আমদানি নয়, ভবিষ্যতে আমরা রপ্তানি করব। বিগত দুই বছর সরকার চাল আমদানি করেনি। এবারও চাল আমদানির প্রয়োজন হবে না।’
রবিবার (৭ জুলাই) সাপাহার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৪’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
আরও পড়ুন: মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই: খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি প্রণোদনা সরকারের পরিকল্পিত ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি প্রণোদনা দিয়ে- ভর্তুকি দিয়ে কৃষকের পাশে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি কৃষিকে প্রযুক্তিবান্ধব করতে কাজ করে যাচ্ছেন। যে প্রণোদনা আজ বিতরণ করা হচ্ছে সেটা সঠিক ব্যবহার হলে বেশি জমিতে চাষাবাদ আর উৎপাদন বাড়বে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুচিন্তিত চিন্তাধারায় অল্প জমিতে বেশি ফসল ফলাতে কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। অধিক জনসংখ্যার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষকের জন্য আশির্বাদ। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক পতিত জমিতেও এখন চাষাবাদ হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে বলে বলা হচ্ছে। কিন্তু কৃষকের উৎপাদন খরচের খবর কেউ নিচ্ছে না। দাম বাড়লে ভোক্তার সমস্যা আর পণ্যের দাম কমলে কৃষকের সমস্যা।’
উৎপাদন খরচ না উঠলে কৃষক উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সমাজের নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির অধীনে ভর্তুকি মূল্যে চাল আটা বিক্রি করা হচ্ছে।’
এর আগে তিনি সাপাহার উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে তিন দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা উদ্বোধন করেন এবং স্টল পরিদর্শন করেন।
পরে খাদ্যমন্ত্রী কৃষকদের মাঝে সরকারি আমন প্রণোদনা বিতরণ করেন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তির চেক ও বাইসাইকেল বিতরণ করেন।
আরও পড়ুন: জীবনে বড় হতে হলে বইকে আপন করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
৮৩০ দিন আগে
জীবনে বড় হতে হলে বইকে আপন করতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ‘জীবনে বড় হতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। সেইসঙ্গে বইকে আপন করে নিতে হবে।’
এসময় খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের নিজের বিবেককে কাজে লাগিয়ে মানব সেবায় আত্ননিয়োগের আহ্বান জানান।
শনিবার (৬ জুলাই) নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
আরও পড়ুন: খাদ্য নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই: খাদ্যমন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মাদক ও মোবাইলের অপব্যবহার থেকে বিরত থাকতে কঠোর সংকল্প নিতে হবে। এছাড়া একাডেমিক শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে হবে।’
অভিভাবকদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের সন্তানরা যেন অসৎ সঙ্গে না জড়ায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। সন্তানদের ডিজিটাল প্রযুক্তির ভালো দিক গ্রহণ আর খারাপ বিষয়গুলো বর্জন শেখাতে হবে। মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহার শিক্ষার্থীদের উপকারের পরিবর্তে ক্ষতি বেশি করে এটা বোঝাতে হবে।’
এসময় শিক্ষার্থীদের বিষয় পছন্দের ক্ষেত্রে তাদের পছন্দ ও পারদর্শিতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরে খাদ্যমন্ত্রী এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ৫৬০ জন শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট, সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ছিলেন, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক কমল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও ইথেন এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী ইকবাল শাহরিয়ার রাসেল ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রিজভী।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই: খাদ্যমন্ত্রী
৮৩১ দিন আগে
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাঙালি সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে হবে। সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।
তিনি বলেন, শুধু একদিন উদযাপন করলে হবে না। এর চর্চা বাড়াতে হবে একই সঙ্গে মননে ধারণ করতে হবে।
শুক্রবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা শিল্পকলা একাডেমি সন্মাননা ২০২৩ ও শিল্পকলা প্রতিযোগিতা ২০২৪ এর সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, শিল্পীর কণ্ঠ অস্ত্রের চেয়েও শক্তিশালী। মহান মুক্তিযুদ্ধে শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের তারা গানের মাধ্যমে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।
আরও পড়ুন: তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তরুণ প্রজন্মের কাছে: খাদ্যমন্ত্রী
তিনি আরও বলেন, কবিরাও সেসময়ে কবিতার মাধ্যমে উজ্জীবিত করতে ভূমিকা রেখেছিলেন। এছাড়া বর্তমান সংস্কৃতির চর্চা এখন হরিবাসর, নাম সংকীর্তন আর ওয়াজ মাহফিলের আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, আমাদের সন্তানদের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি তুলে ধরতে না পারলে তারা অন্য সংস্কৃতিতে আকৃষ্ট হবে। তাই দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা বাড়াতে আরও কর্মসূচি নিতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির বিকাশ ও পৃষ্ঠপোষকতায় ইতোমধ্যে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে।
জেলা শিল্পকলা একাডেমি সন্মাননা ২০২৩ প্রাপ্তরা হলেন, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন ত্রিশূলের প্রতিষ্ঠাতা তৃণা মজুমদার, কণ্ঠসংগীতে সম্পা দাস, সৃজনশীল সাংস্কৃতিক গবেষক মোস্তফা আল মেহমুদ রাসেল, যন্ত্রশিল্পী পরেশ কুমার মন্ডল ও চারুকলায় তাহমিদুর রহমান মনন।
পরে খাদ্যমন্ত্রী সন্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে সন্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেন।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মো. গোলাম মওলার সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবুবকর সিদ্দিক ও জেলা কালচারাল অফিসার মো. তাইফুর রহমান বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্য নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই: খাদ্যমন্ত্রী
৮৩২ দিন আগে
মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই: খাদ্যমন্ত্রী
সরকার ৩০ টাকার ধানের দাম ৩২ টাকা করেছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, মিনিকেট নামে কোনো ধান নেই, চালও নেই।
তিনি বলেন, নতুন আইনে বস্তায় দাম লেখা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এমকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও হতে পারে।
আরও পড়ুন: ২ বারের বেশি চাল ছাঁটাই করা যাবে না: খাদ্যমন্ত্রী
সোমবার (২৪ জুন) দুপুরে নিয়ামতপুর সরকারি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ‘কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৪’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা কৃষকের বন্ধু উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষি প্রণোদনা ও ভর্তূকি দিয়ে কৃষকের পাশে আছেন তিনি। তিনি বলেন, সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ হলে কৃষির জমি বাড়বে, উৎপাদনও বাড়বে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে মডেল হিসেবে অনেক স্থানে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদ হচ্ছে। এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হচ্ছে দিন দিন।
সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, কৃষকরাই দেশের প্রাণ। এরাই মূল চালিকা শক্তি। কৃষিতেই আমাদের সমৃদ্ধি।
এছাড়া কৃষক বেঁচে থাকলে এদেশে খাদ্যের অভাব হবে না- দুর্ভিক্ষ ও হবে না বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার কৃষিতে যান্ত্রীকিকরণের পদক্ষেপ নেওয়ায় ফসল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে। এখন স্বল্প সময়ে সীমিত জমিতে অধিক ফসল ফলাতে সক্ষম হচ্ছে কৃষক।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি ও উচ্চফলনশীল জাতের সঙ্গে কৃষককে পরিচিত করা হচ্ছে। কৃষকও সাদরে প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল গ্রহণ করছে।
তিনি আরও বলেন, ধান উৎপাদন ও ভোগে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয়। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনেও তৃতীয় স্থানে আমরা।
প্রযুক্তি ও কৃষির সমন্বয়ের ফলে গতবছর এক কেজি চালও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়নি, এবছরও হবে না বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: খাদ্য নিয়ে আমাদের সমস্যা নেই: খাদ্যমন্ত্রী
তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তরুণ প্রজন্মের কাছে: খাদ্যমন্ত্রী
৮৪৩ দিন আগে
তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তরুণ প্রজন্মের কাছে: খাদ্যমন্ত্রী
তরুণ প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের জন্মের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
তিনি বলেন, বিশেষ করে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ইতিহাস তুলে ধরতে হবে তরুণ প্রজন্মের কাছে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে খাদ্য মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক: খাদ্যমন্ত্রী
শনিবার নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তিনি একথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কেও জানাতে হবে তরুণ প্রজন্মকে।
তিনি আরও বলেন, গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৭৫ বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
এছাড়া বায়ান্ন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রাম সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান রেখেছে আওয়ামী লীগ বলে জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটে। এ দলের জন্মকাল থেকে শুরু করে এই ৭৫ বছরের অর্জন সেই সত্যের সাক্ষ্য বহন করে।
নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. শহীদুজ্জামান, নওগাঁ সদর আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন জলিল, নওগাঁ ৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্রোহানি সুলতান গামা, নওগাঁ ৬ আসনের সংসদ সদস্য আইনজীবী ওমর ফারুক সুমন, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এম এ খালেক, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক স ম জাভেদ জাহাঙ্গীর সোহেল, বিভাস মজুমদার গোপাল সভায় বক্তব্য রাখেন।
আরও পড়ুন: ২ বারের বেশি চাল ছাঁটাই করা যাবে না: খাদ্যমন্ত্রী
খাদ্যে ভেজাল বন্ধে সামাজিক আন্দোলন প্রয়োজন: খাদ্যমন্ত্রী
৮৫২ দিন আগে