বিএনপি
১৪ ঘণ্টায় ৬ জনসভায় সম্পন্ন তারেকের দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচার
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান রবিবার (২৫ জানুয়ারি) প্রায় ১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ছয়টি জনসভায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তার নির্বাচনি প্রচারণার দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন করেছেন। এসব সভায় তিনি তার দলের প্রার্থী ও জোটের শরিকদের পক্ষে ভোট চান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, তারেক রহমান গতকাল দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জের বালুর মাঠে তার শেষ নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখেন। এরপর রাত ৩টা ১০ মিনিটের দিকে তিনি তার গুলশানের বাসভবনে ফিরে আসেন। এর আগে, তিনি চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে জনসভায় অংশ নেন।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রামের পোলোগ্রাউন্ডে মহাসমাবেশে যোগ দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর পর্যায়ক্রমে ফেনী পাইলট স্কুল মাঠ, চৌদ্দগ্রাম স্কুল মাঠ, সোয়াগাজী ডিগবাজী মাঠ, দাউদকান্দি ঈদগাহ মাঠ এবং নারায়ণগঞ্জের বালুরমাঠে জনসভায় বক্তব্য দেন।
প্রতিটি জনসভায় তিনি বিএনপি ও জোট প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট চান এবং ক্ষমতায় এলে দেশ পুনর্গঠনে দলের নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে নারীসহ হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক তার বক্তব্য শোনার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেন।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি বলেন, ‘যেদিন ভোট, সেদিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়তে হবে। তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে যে যার ভোটকেন্দ্রের সামনে যাবেন। ওখানে গিয়ে সবাই মিলে ফজরের নামাজ পড়বেন। ফজরের নামাজ জামাতে পড়ে একদম ভোটকেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়ে যাবেন।’
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনি প্রচারণার উদ্দেশ্যে শনিবার রাতে চট্টগ্রামে পৌঁছান তারেক রহমান এবং সেখানে একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করেন। রবিবার দিনের শুরুতে তিনি একটি ইয়ুথ পলিসি ডায়ালগে অংশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ জানুয়ারি সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ থেকে বিএনপির নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছিল। প্রথম ধাপে তারেক রহমান সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী এবং নারায়ণগঞ্জে মোট ৭টি জনসভায় অংশ নিয়েছিলেন।
এদিকে, আজ (সোমবার) বিকেল ৪টায় তিনি ভার্চুয়ালি নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপি চেয়ারম্যানের। সেখানে তিনি নোয়াখালী-৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাহবুবুর রহমান শামীমের পক্ষে ভোট চাইবেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার তারেক রহমানের
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আসন্ন সংসদীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তার দল ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হবে এবং জননিরাপত্তা জোরদার করা হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনি মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনতার উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই যে দুর্নীতি একটি অপরাধ। যে-ই দুর্নীতি করুক না কেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। ইনশাআল্লাহ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।’ দুর্নীতি দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা জনগণের প্রতি তাদের প্রধান অঙ্গীকার বলে এ সময় উল্লেখ করেন তিনি।
অতীত স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি অতীতেও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে। ২০০১ সালে খালেদা জিয়ার সরকার ক্ষমতায় আসার পর এমনকি দলের নিজস্ব নেতা-কর্মীরা অন্যায় করলেও তাদের রেহাই দেওয়া হয়নি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলের কেউ সন্ত্রাসে জড়িত থাকলে ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে এবং দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এখানকার মানুষসহ সারা দেশের জনগণ একটি নিরাপদ পরিবেশ চায়, যেখানে তারা নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারবে। একই সঙ্গে তারা চায় তাদের সন্তানরা নিরাপদ পরিবেশে লেখাপড়া করুক।’
তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের একটি বড় দাবি ছিল চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। বিএনপি সরকার এ উদ্যোগ গ্রহণ করলেও সময়ের অভাবে তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। গত ১৫ বছরে এই উদ্যোগ নিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু চট্টগ্রাম নয়, সারা দেশের মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। ইনশাআল্লাহ, আগামী নির্বাচনে জনগণের সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে বেগম খালেদা জিয়ার নেওয়া বাণিজ্যিক রাজধানীর উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।’
তারেক রহমান জানান, ‘চট্টগ্রামে অবস্থিত ইপিজেডগুলো বিএনপির শাসনামলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বর্তমানে লাখ লাখ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে আরও নতুন ইপিজেড গড়ে তোলা হবে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে আস্থা রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে নিয়ে—পাহাড় বা সমতল, মুসলিম বা অন্য ধর্মাবলম্বী—একটি কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে চাই।’
বিএনপির নির্বাচনি স্লোগান ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে গণতন্ত্রের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ ওয়াসিমসহ জুলাই শহিদ এবং সব শহিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ভোটের দিনের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি সমর্থকদের পরামর্শ দেন যেন তারা তাহাজ্জুদ ও ফজরের নামাজ পড়ে ভোর হওয়ার আগেই ভোটকেন্দ্রে লাইনে গিয়ে দাঁড়ান।
এর আগে, তারেক রহমান তার বক্তব্যে শুরুতে বলেন, ‘আজ আমরা সবাই একত্র হয়েছি একটা লক্ষ্য সামনে রেখে। অর্থাৎ, একটি পরিবর্তন সামনে রেখে আমরা একত্র হয়েছি। এই সেই চট্টগ্রাম, এই সেই পুণ্যভূমি, যেখান থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হয়েছিলেন।’
বিএনপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘এই সেই চট্টগ্রামের পুণ্যভূমি, যেখানে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেশনেত্রী উপাধি দেওয়া হয়েছিল। এই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমি ও আমার পরিবারের আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।’
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পোলোগ্রাউন্ড মঞ্চে উপস্থিত হন এবং দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তিনি আরেকটি নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। এরপর তিনি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম, সুয়াগাজী, দাউদকান্দি ও পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুরে সমাবেশে অংশ নেবেন।
১ দিন আগে
চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশ চলছে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগরীর ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে এই জনসভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপস্থিতিকে ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
জনসভা শুরুর আগেই সমাবেশস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ভোর থেকেই চট্টগ্রাম নগরী ছাড়াও জেলার ১৬ উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা পলোগ্রাউন্ড ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেন।
সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিতে দিতে জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন। এতে পুরো এলাকা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত এই জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর চট্টগ্রামে কোনো জনসভায় ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।
মঞ্চে উপস্থিত আছেন দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। নেতা-কর্মীরা অধীর আগ্রহে তাদের নেতার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
এর আগে, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পরে তিনি নগরের একটি পাঁচতারকা হোটেলে অবস্থান নেন। আজ (রবিবার) সকাল ৯টায় তিনি সেখানে ‘দ্য প্ল্যান’ শিরোনামে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
চট্টগ্রামের জনসভা শেষে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার পথে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের।
১ দিন আগে
ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়টি ভিত্তিহীন: মাহদী আমিন
বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেছেন, ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। এটা সম্পূর্ণ অপপ্রচার। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করাই বিএনপির রাজনীতি।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
মাহদী আমিন বলেন, ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যে দাবি করা হয়েছে, তার পক্ষে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা করা সম্ভব নয়। যেসব তথ্য একটি নির্দিষ্ট মিডিয়ায় এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলোর ন্যূনতম বাস্তবতা বা সত্যতা নেই।
গত ২২ জানুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে দলীয় কর্মসূচিতে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের অভিযোগ করেন, ১০ দলীয় জোটের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রধান আগামী নির্বাচন ঘিরে তিন শর্তে ভারতের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
এর জবাবে মাহদী জানান, ‘যদি জামায়াত নেতা ভুল তথ্য পেয়ে অথবা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ব্যবহার হয়ে থাকেন, তা তার অজ্ঞতার পরিচায়ক। আমাদের বিশ্বাস, এটা হয় একটি কৌশল, নয়তো অজ্ঞতার বিষয়। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে ভারতের সঙ্গে বিএনপির কোনো চুক্তি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং এটি প্রচারণার অংশ।’
তিনি বলেন, আমরা গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বলতে সেটাই বুঝি যে এখানে ইতিবাচক রাজনীতি হবে। কোনো অপপ্রচার, অপরাজনীতি সেটা হওয়া উচিত না। কারণ বিএনপির রাজনীতি মানেই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের ক্ষমতা এটিকে কেন্দ্র করেই বিএনপির রাজনীতি।
মাহদী আমিন জানান, একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার নামে কিছু কিছু জায়গায় টাকা চাচ্ছে। তারেক রহমানের নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার যে পরিকল্পনা, ইতোমধ্যে তা দেশব্যাপী আলোচিত-সমাদৃত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, ইনশআল্লাহ তখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এই কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এই বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হবেন।’
মাহদী আমীন বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান তার নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে আজকে চট্টগ্রামে যাচ্ছেন। সফরের শুরুতে তিনি আজ রাত ৭টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা থেকে বিমান যোগে চট্টগ্রামে পৌঁছাবেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করবেন।
তারেক রহমান আগামীকাল অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি সকালে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইউথ পলিসি টক’ এ অংশগ্রহণ করবেন। এই পলিসি টকে তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির পলিসি নিয়ে আলোচনা করবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম পোলোগ্রাউন্ডে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন।
চট্টগ্রামে সমাবেশের পর বিএনপি চেয়ারম্যান ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়নগঞ্জে সমাবেশে অংশ নেবেন।
২ দিন আগে
বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ নেই: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষ করতে পারবে, আর কেউ করতে পারবে না। আমরা সেই জিয়ার সৈনিক, খালেদা জিয়ার সৈনিক। যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার শোল্টোহরি বাজারে এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তিনি এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেন।
এ সময় সরকারে থাকাকালীন যে সকল উন্নয়ন করেছেন সেসব উন্নয়ন তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মত এখন আর কেউ নেই।
ভোটারদের সজাগ করে তিনি বলেন, ‘সামনের মাসে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে। একটা দল ভোট চাইতে আসছে আপনাদের কাছে। দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করেছে? করে নাই। আমরা কাজ করেছি। আমরা পরীক্ষিত দল। আপনাদের কাছে ভোট চেয়েছি। আপনারা ভোট দিয়েছেন। আমরা সরকারে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।’
বিএনপি মহাসচিব উপস্থিত ভোটারদের কাছে জানতে চান গত পনেরো বছরে আপনারা কি কেউ ভোট দিতে পেরেছেন? জবাবে ভোটাররা বলেন—পারিনি।
তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতেই ভোট হয়ে গেছে। আবার কখনো ভোটটা নিয়ে চলে গেছে। এই ছিল গত পনেরো বছর। এখন একটা সুযোগ আসছে, আমাদের হাসিনা আপা চলে গেছে ভারতে। চলে গেছেন ভালো করছেন। কিন্তু যারা সমর্থন করতো তাদের বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা বলছি যারা নিরপরাধ তাদের কেউ বিপদে পড়বেন না। আমরা আছি তাদের পাশে। যারা অন্যায় করেনি তাদের কোনো শাস্তি হতে দেব না।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার এলাকার হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
তিনি আরও বলেন, কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম ভাগ করতে চায়। কিন্তু আমাদের ভাগ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করি।
৩ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা অপ্রতুল, অংশগ্রহণ মাত্র ৪.০৪ শতাংশ
দেশের নারীদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি বহুদিনের হলেও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চিত্র ভিন্ন বাস্তবতাই তুলে ধরছে। ব্যালটে নারী প্রার্থীর উপস্থিতি এবারও উদ্বেগজনকভাবে কম।
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। তবে জামায়াতে ইসলামীসহ ৩০টির বেশি দল কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি, যা জাতীয় রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া মোট ২ হাজার ৫৬৮ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ১০৯ জন নারী, যা মোটের মাত্র ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর ১ হাজার ৮৪২ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাদের মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ১ হাজার ৭৭৯ জন ও নারী প্রার্থী ৬৩ জন। সে হিসাবে নারী প্রার্থী মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।
পরবর্তীতে, নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করার পর ৪১৭ জন প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। গত ২০ জানুয়ারি ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ১,৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, যার মধ্যে নারী প্রার্থী মাত্র ৮০, অর্থাৎ মোট প্রার্থীর ৪ দশমিক ০৪ শতাংশ।
এদিকে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, দলবদ্ধ প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ মাত্র ৩ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে নারীর অংশ ১০ শতাংশ।
১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মান নির্ধারণ করবে: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩। এর মধ্যে পুরুষ ও নারী ভোটারের সংখ্যা যথাক্রমে ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ ও ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
জুলাই সনদ ও পূর্ববর্তী নির্বাচন
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ধারা ২২(খ)-(ঘ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এবারের সংসদীয় নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে। পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৩৩ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু জুলাই সনদ যেহেতু এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, তাই কার্যত সেই নিয়মও এখন অচল।
অথচ আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৫টিরই কোনো নারী প্রার্থী নেই।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর এক প্রতিবেদনে ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নবম, দশম, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণের হার উল্লেখ করা হয়েছে।
তাতে দেখা গেছে, পুরুষ প্রার্থীদের তুলনায় নবম (২০০৮) নির্বাচনে নারী প্রার্থীদের হার ছিল তিন দশমিক ৫১ শতাংশ বা ৫৫ জন, দশম (২০১৪) নির্বাচনে পাঁচ দশমিক ৫৫ শতাংশ বা ৩০ জন এবং একাদশ (২০১৮) নির্বাচনে নারী প্রার্থীর হার ছিল মাত্র মাত্র দশমিক ৮১ শতাংশ বা ৭৩ জন।
মানবপাচার, অস্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রতি বৈশ্বিক আস্থা কমছে
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে ২০ জন নারী, যা মোট নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ৬.৬৭ শতাংশ। এই হার ছিল পূর্বের চারটি সংসদের মধ্যে সর্বোচ্চ।
নবম জাতীয় সংসদে নারী সদস্য ছিলেন ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ, দশম জাতীয় সংসদে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ ও একাদশ জাতীয় সংসদে মাত্র ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
দলভিত্তিক পর্যালোচনা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে খুব কম দলই নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সর্বোচ্চ ১৫টি আসনের জন্য নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, কিন্তু যাচাই প্রক্রিয়ার পর বৈধ নারী প্রার্থী মাত্র ১১। নাটোর-৩ থেকে ফাতেমা খানামের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে এবং খালেদা জিয়ার তিনটি মনোনয়ন যাচাই হয়নি।
অন্যান্য দল থেকে মনোনীত নারী প্রার্থীরা হলেন: বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-মার্ক্সবাদী: ৯, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসড) ও ইনসানিয়ত বিপ্লব বাংলাদেশ: ৬, গণসম্মতি আন্দোলন ও জাতীয় পার্টি: ৫, গণঅধিকার পরিষদ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: স্বপ্ন নাকি অধরা বাস্তব?
বাকি দলগুলোর মধ্যে এবি পার্টি, গন ফোরাম ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ২ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, কমিউনিস্ট পার্টি অফ বাংলাদেশ (সিপিবি), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি, আমজনতার দল, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ শ্রমিক পার্টি ১ জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় কয়েকজন নারী প্রার্থী প্রার্থিতা হারিয়েছেন। ৩৭ জন স্বতন্ত্র নারী প্রার্থীর মধ্যে মাত্র ৬ জন বৈধ মনোনয়ন পেয়েছেন। তারা হলেন: সাবিনা ইয়াসমিন (নাটোর-২), ডা. তাসনিম জারা (ঢাকা-৯), মেহেরজান আরা তালুকদার (জামালপুর-৪), অখতার সুলতানা (ময়মনসিংহ-৬), তাহমিনা জামান (নেত্রকোনা-৪) ও রুমিন ফারহানা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২)।
এ দিকে জামায়াতে ইসলামী (২৭৬ প্রার্থী), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (২৬৮), জাতীয় পার্টি (২২৪), গণঅধিকার পরিষদ (১০৪), খেলাফত মজলিশ (৯৪) এবং অন্যান্য ছোট দলগুলো, যেগুলোর প্রার্থী সংখ্যা ৪০-এর কম, কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি।
এর সম্ভাব্য প্রভাব কী
আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩০টি দল ১ জনও নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়নি, এমন তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটির এক রিপোর্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মত বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন না দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও বাংলাদেশের ইতিহাসে দুইজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনেও নারীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ ছিল। তবুও দেশের নারীরা এখনও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যথাযথ অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বলে উল্লেখ করেছে এইচআরডব্লিউ।
বিশ্ব সঙ্গীতশিক্ষাকে গুরুত্ব দিলেও উল্টো পথে হাঁটছে বাংলাদেশ
নারীর রাজনৈতিক অধিকার নিয়ে কাজ করা ফোরাম ফর উইমেন্স পলিটিকাল রাইটস (এফডব্লিউপিআর) বলেছে, দলগুলোকে অন্তত ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে হবে। তাদের মতে, নারীর মনোনয়ন প্রতীকী উদ্যোগ নয়, সাংবিধানিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ‘নারী প্রার্থী মনোনয়নের সংকট: রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের ব্যবধান এবং নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের নেতারা নারী প্রার্থীর অংশগ্রহণের অত্যন্ত কম হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
ঋতু সাত্তার বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন, কিন্তু তারা সংসদে দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
সামিনা ইয়াসমিন বলেন, নারীর ভোটার সংখ্যা প্রায় ৫০ শতাংশ বা তারও বেশি। তিনি বলেন, ‘৫১ শতাংশ ভোটারকে বাদ দিয়ে ৪৯ শতাংশের ওপর নির্ভর করে ক্ষমতায় যাওয়া কি সম্ভব? এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন।’
সাম্য হত্যা নিয়ে ধোঁয়াশা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার না হলেও পুরস্কৃত পুলিশ
সামিনা আরও জানান, ফোরাম নারীদের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কাজ করছে যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছেন। তারা পর্যবেক্ষণ করছে নারীরা কোন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন, কীভাবে তা মোকাবিলা করছেন এবং ভবিষ্যতে কার্যকর সমাধানের পথ কী হতে পারে।
তিনি আরও বলেছেন, নারীর অধিকার নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার পরও এই নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা অত্যন্ত কম রয়েছে, যা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে।
এ দিকে, নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে নারী, মানবাধিকার ও উন্নয়নবিষয়ক ৭১টি সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি’।
কুকি-চিনের উত্থান বনাম বান্দরবানের পর্যটন: ক্ষতির পাহাড়
সমাজে নারীবিদ্বেষী সংস্কৃতি যেভাবে চলমান, সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নারীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণে শঙ্কা বোধ করছেন দাবি করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এটি সমাজে পুরুষতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতির চিত্রের প্রতিফলন এবং একই সঙ্গে পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতি টিকিয়ে রাখার একটি কৌশল।
নির্বাচন ও রাজনীতিতে নারীর দৃশ্যমান অংশগ্রহণের লক্ষ্যে সব রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি বলছে, একটি গণতান্ত্রিক, সমতাপূর্ণ সমাজ কাঠামো তৈরি করতে হলে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীর সমঅংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তফসিল অনুযায়ী গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ করা হয়। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় নির্বাচনী প্রচরণা, যা চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। আর ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ।
৩ দিন আগে
দেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে: তারেক রহমান
দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
সিলেটের সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে বিএনপির প্রথম নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই আহ্বান জানান।
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের পর স্থানীয় জনসভায় ভাষণের মাধ্যমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বহু মানুষের ত্যাগের বিনিময়ে দেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে উপস্থিত লাখো জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, কিন্তু আমরা লক্ষ করছি, দেশের ভেতরের কোনো কোনো মহল ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে। গত কয়েকদিনে পত্রপত্রিকা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসেছে—মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটগুলো কীভাবে ডাকাতি করা হয়েছে। যারা এদেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তারা যেভাবে আপনাদের ভোট ডাকাতি করেছিল, ঠিক একইভাবে সেই ষড়যন্ত্র আবার শুরু হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধ আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তবে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে, জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো ষড়যন্ত্রকে তারা প্রতিহত করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, সবকিছুর মালিক আল্লাহ। অথচ নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে। সেটা যদি তারা বলে, তাহলে শিরকি করা হচ্ছে। কাজেই আগেই আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পরে তাহলে আপনাদের কেমন ঠকানো ঠকাবে, বোঝেন এবার। তারা শুধু আপনাদের ঠকাচ্ছেই না, যারা মুসলমান তাদের শিরকি করাচ্ছে, নাউজুবিল্লাহ!
তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে—অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি, এবার একে দেখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এদেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা শহিদ হয়েছে, এদেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা সম্মানহানি হয়েছেন। কাজেই তাদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে। এই কুফরি, হঠকারিতা ও মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
৪ দিন আগে
সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু, সমাবেশস্থলে তারেক রহমান
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিএনপির। সিলেট থেকে বরাবরের মতো এবারও প্রচারণা শুরু করতে যাচ্ছে দলটি। এ উপলক্ষে আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় দুপুর সাড়ে ১২টায় উপস্থিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা শুরু হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থানীয় নেতারা বক্তব্য শুরু করেছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে এ জনসভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বেলা ১১ টার দিকে সভাস্থলে পৌঁছান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।
জনসভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি এহসান। এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ধানের শীষ নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি (এষ) বলেন, ‘আজকের দিনটি আমাদের কাছে স্বপ্নের মতো। আমাদের স্বপ্ন ছিল দলের চেয়ারম্যানকে নিয়ে সিলেটে জনসভা করা। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন নতুন করে স্বপ্ন দেখার সময় এসেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে ধানের শীষকে বিজয়ী করে নতুন স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে।’
মঞ্চে আছেন বিএনপি সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, সিলেট–২ আসনের তাহসিনা রুশদীর প্রমুখ। এ ছাড়া সুনামগঞ্জের বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলার সংসদ সদস্য প্রার্থীরা আছেন। এ ছাড়া সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।
সকালে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেলে ‘দ্য প্ল্যান: ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এতে সিলেটের ১৯টি কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
জনসভায় যোগ দিতে গতকাল (বুধবার) রাত ৮টার দিকে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আকাশপথে সিলেটে আসেন। পরে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। পাশাপাশি তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীর কবরও জিয়ারত করেন।
এরপর তিনি নগরের উপকণ্ঠে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন তিনি। শ্বশুরবাড়িতে কিছু সময় অবস্থান করে সিলেট বিমানবন্দর–সংলগ্ন হোটেলে ফেরেন তিনি।
উল্লেখ্য, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত জিয়াউর রহমান এবং সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিবার নির্বাচনের আগে মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি সিলেটে প্রথম নির্বাচনি জনসভা করতেন।
৪ দিন আগে
চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের প্রধান নারীকে এ কার্ড দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সিলেটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের কনফারেন্স রুমে তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
এই কার্ডের সুবিধাদি প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, এর মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিক একটি পরিবারকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া দেওয়া হবে খাদ্যসামগ্রী।
তিনি আরও বলেছেন, বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য বহুমাত্রিক দক্ষতা বাড়াতে কারিগরি শিক্ষা আধুনিকায়ন করা হবে। বিভিন্ন দেশের ভাষা শিক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে তরুণদের কথা শুনেন তারেক রহমান। তরুণদের উদ্দেশে নিজেও দিকনির্দেশনা দেন।
এতে উপস্থিত তরুণরা সকলেই বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত সাধারণ শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। এই মতবিনিময় পর্ব শেষে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান।
৪ দিন আগে
আজ সিলেট থেকে ভোটের প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান
মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে বরাবরের ন্যায় এবারও নির্বাচনি জনসভা করতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে নির্বাচনি জনসভাকে ঘিরে সিলেটের ঐতিহাসিক সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জড়ো হতে শুরু করেছেন দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠে সিলেটবাসীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল থেকে জনসভাকে কেন্দ্র করে আলিয়ার মাঠে জড়ো হতে থাকেন দলটির নেতা-কর্মীরা। অনেকেই সিলেটের দূর-দূরান্ত থেকে এসে বুধবার রাতেই মাঠে অবস্থান নিতে দেখা যায়। তারেক রহমানের আগমনে সিলেট বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উৎসবের আমেজ।
আজ সিলেট থেকে জনসভার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান।
এর আগে, বুধবার রাত ৮টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে দিবাগত রাত ১টার দিকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার বিরাইমপুরে তার শ্বশুরবাড়িতে যান।
বিরামপুরে তারেক রহমান হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।
এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘ড. জুবাইদা যেমন আপনাদের সন্তান, আমিও আপনাদের সন্তান। আমার দাবি রয়ে গেল যাতে ১২ তারিখে এই এলাকা থেকে ধানের শীষ বিজয়ী হয়। আপনাদের কাছ থেকে এই জবান নিয়ে গেলাম।’
জানা যায়, মঠের পূর্ব পাশে নির্মাণাধীন মঞ্চের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। মঞ্চের সামনে প্রায় ৩০ ফুট এলাকাজুড়ে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরের উত্তর অংশে জুলাইয়ের শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের বসার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। সমাবেশস্থল থেকে সিলেট বিভাগে ১৯টি আসনের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেবেন তারেক রহমান।
বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) বেলা সাড়ে ১১টায় আলিয়া মাদরাসা মাঠের জনসভায় বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। ওই সমাবেশে সিলেট জেলার ছয়টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনে দল ও জোট মনোনীত প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।
৪ দিন আগে