বিএনপি
চক্রান্তকারীরা আমাদের ধর্মীয় সম্প্রীতি ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে: রিজভী
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন, যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধন ভেঙে দিতে নানা ধরনের শক্তি ও চক্রান্তকারীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এই সম্প্রীতির বন্ধন কোনোভাবেই নষ্ট হবে না বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যদের নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, ‘আমাদের এই মৃত্তিকার গভীরে আছে আমাদের সম্প্রীতি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, আমাদের ভ্রাতৃত্ব। আমরা একে অপরের সঙ্গে আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রত্যেকেই একটি জাতিসত্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘নানা ধরনের শক্তি এবং নানা ধরনের চক্রান্তকারীরা আমাদের এই অটুট বন্ধন, ভ্রাতৃত্বের অটুট বন্ধন ও মেলবন্ধনকে ধ্বংস করার জন্য, এটাকে ভেঙে দেওয়ার জন্য নানা প্রচেষ্টা চালায়।’
তবে এসব ষড়যন্ত্রের মধ্যেও দেশের মানুষ সম্প্রীতি রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ রয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায় ও নৃগোষ্ঠীর মানুষ একসঙ্গে কাজ করে এবং কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সম্প্রীতি রক্ষা করে।
তিনি বলেন, ‘আমরা একে অপরের পূজা-পার্বণে, ঈদ-মিলাদুন্নবীতে প্রত্যেকেই অংশগ্রহণ করি এবং প্রত্যেকেই সেই উৎসবের আনন্দ উপভোগ করি।’
এই সম্প্রীতির অটুট বন্ধন যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘এটা একসঙ্গে সেই বন্ধন চর্চিত হবে, লালিত হবে এবং এই কারণেই আমাদের যে জাতীয় দর্শন—বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, সেইটাই আমাদের ধারণ করায়।’
তিনি বলেন, এই জাতিসত্তার একটি দার্শনিক রূপ দিয়েছেন শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান—‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’। এই দর্শনের কাঠামোর মধ্যে প্রতিটি ধর্মীয় সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর মানুষের সমান জায়গা রয়েছে।
তার ভাষ্য, ‘প্রত্যেকেরই এখানে আসন পেতে পারে। প্রত্যেকেরই এখানে জায়গা আছে। প্রত্যেকেই নিজে গর্বভরে বলতে পারে যে আমরা বাংলাদেশি। এই গর্বভরে বলার যে দার্শনিক তত্ত্বটা, সেটা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যুগ যুগ ধরে, হাজার বছর ধরে একই সমাজে, একই গ্রামে, একই মহল্লায় বসবাস করেছি।’
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বেও বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন উল্লেখ করে রিজভী বলেন, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অনেকে দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে তারা কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, বরং বিএনপিতে গোটা জাতির নেতৃত্ব দেন। ‘তাদের হয়তো একটা ধর্মীয় পরিচয় আছে, এটা বড় বিষয় নয়।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, দলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কীর্তিমান সংগঠক, সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, দীর্ঘদিনের রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন। ‘তো এই সব মিলিয়ে আমাদের এই চমৎকার ফুলের ডালিটা, আমরা এটাকে রক্ষা করব।’
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, প্রত্যেকটি উপাসনালয়ে মানুষ আত্মিক মুক্তির জন্য যায়। এসব দেবালয় ও উপাসনালয় যাতে সমৃদ্ধ ও সুন্দরভাবে পরিচালিত হয় এবং পূজারি ও ভক্তরা সেখানে গিয়ে সুন্দরভাবে প্রার্থনা ও আরাধনা করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ট্রাস্ট কাজ করবে।
তিনি বলেন, ট্রাস্টের নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নিজ নিজ সম্প্রদায়ের যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তি। তারা সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ভালোভাবে দেখবেন, পর্যালোচনা করবেন এবং পরিচালনা করবেন—এই উদ্দেশ্যেই ট্রাস্ট গঠন করা হয়েছে।
রিজভী বলেন, ‘সেই লক্ষ্যে যে তিনটি সম্প্রদায়ের ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করা হয়েছে, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে কামনা করি, এই ট্রাস্ট স্ব স্ব সম্প্রদায়ের প্রত্যেকটি বিষয়, তাদের নিজস্ব যে সমস্ত করণীয় আছে, সে করণীয়গুলো তারা করবেন, তারা সেটি দেখবেন এবং সেটিকে পূর্ণতা দান করার জন্য সচেষ্ট থাকবেন।’
তিনি আবারও বলেন, দেশের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এই বন্ধন কোনো চক্রান্তেই ভেঙে দেওয়া সম্ভব নয় এবং তা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে।
২ ঘণ্টা আগে
সংকটে কিছু রাজনৈতিক দল অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী
দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটকে কাজে লাগিয়ে কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে নিজ নিজ সীমার মধ্যে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারী সরকার হোক, কিংবা অন্তর্বর্তী সরকার, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছি।
বিভিন্ন খাতে মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী সমস্যা রয়েছে স্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি এসব সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্নভাবে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আর এই বিভ্রান্তির মাধ্যমে তারা দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
সরকার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখবে এবং গণতন্ত্রের নীতি ও নৈতিকতা সমুন্নত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কিন্তু কেউ যদি অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়, তাহলে সেই অরাজকতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, তা দেশের আইনেই স্পষ্টভাবে বলা আছে। তাই শুধু সরকার হিসেবে নয়, জনগণের নির্বাচিত সরকার হিসেবে তিনি সবাইকে নিজ নিজ সীমার মধ্যে থাকতে জোরালোভাবে আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান, সাবেক বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং দেশ ও দলের জন্য জীবন উৎসর্গকারীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর দলীয় সংগীত পরিবেশন ও বিএনপিকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার শুরু হওয়া পাঁচ দিনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি শনিবারের আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
তারেক রহমান বলেন, সরকার গঠনের পর বিএনপি একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং দুর্বল স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। তিনি জ্বালানি সংকটকে দেশের সবচেয়ে বড় তাৎক্ষণিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংকটে বহু মানুষ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠান দুর্ভোগে পড়েছে।
এ সময় বিএনপি প্রধান বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংকটে যারা ভুগছেন, তাদের সবার কাছে দলের পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চান। তবে তিনি বলেন, আগের সরকার বা অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যাগুলোকে সরকার শুধু অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করতে চায় না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু এসব সমস্যাকে অজুহাত হিসেবে তুলে ধরতে চাই না। বরং আমরা জনগণের কাছে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে চাই এবং একই সঙ্গে এমন ব্যবস্থা নিতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে মানুষকে এ ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে না হয়।
জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় দেশকে প্রস্তুত করতে বিএনপি ইতোমধ্যে একটি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সময় লাগে, সেটি বাস্তবায়ন করতেও কিছু সময় প্রয়োজন। সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক সংকটের কথা মাথায় রেখে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, আগের স্বৈরাচারী সরকারের সময় একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী ছদ্মবেশে কার্যক্রম চালিয়েছে এবং পরে তাদের কয়েকজন সদস্য নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শক্তিগুলোকে আবার রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে আসার সুযোগ করে দিতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, এমন কি হতে পারে যে, স্বৈরাচারী সরকারের সময় যারা ‘গুপ্ত’ বেশ ধারণ করেছিল, তারা এখন সেই ‘গুপ্ত’ নেটওয়ার্কের ভেতর থেকেই এই অরাজকতায় উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে? যদি তা-ই হয়, তাহলে যারা লুকিয়ে আছে, তারা আসলে সেই স্বৈরাচারী সরকারকে আবার সামনে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছে।
সব জাতীয়তাবাদী শক্তি ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আসুন, আমরা জনগণকে আরও সচেতন করি। কে কার দায় নিচ্ছে এবং কে কাকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরি।
বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে কিছু রাজনৈতিক শক্তি একে অন্যকে রক্ষা বা আশ্রয় দিয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, এই রাজনীতি জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। কারণ আমরা দেখেছি, এসব ‘গুপ্ত বাহিনী’ বিভিন্ন সময়ে ও বিভিন্ন দশকে একে অন্যকে আড়াল ও আশ্রয় দিয়েছে—১৯৭১ সালে, ১৯৮৬ সালে, ১৯৯৬ সালে, গত এক যুগ, এমনকি বর্তমান সময়েও।
তারেক রহমান বলেন, তাই আজ আমাদের জনগণের সামনে তাদের রাজনীতি তুলে ধরতে হবে। জনগণের কাছে বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ধারাবাহিকভাবে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখার চেষ্টা করে আসছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো দৃঢ়ভাবে এতে বিশ্বাস করি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপির লাখ লাখ নেতা-কর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপি এমন একটি মানবিক রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেখানে কেউ নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে বাধার মুখে পড়বে না।
২ দিন আগে
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চীনের গুয়াংজুতে আলোচনা সভা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চীন বিএনপির উদ্যোগে দেশটির গুয়াংজু শহরের একটি স্থানীয় হোটেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৮টায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা সাখাওয়াত হোসেন কানন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আসিফ হক রুপু।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শেখ মাহাবুবুর রশীদ, ওয়ালি উল্লাহ, হাসমত আলী মৃধা, হোসেন মোহাম্মদ সাখাওয়াত, মাসুদ আহম্মেদ মাসুদ, মো. খোরশেদ আলম আপু, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. নজিম আহম্মেদ নাদিম ও মাহাবুব জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা বিএনপির ৪৮ বছরের রাজনৈতিক পথচলা, দলটির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস এবং দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন।
তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ ও ১৯ দফা কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
আলোচনা সভায় চীন বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য ও সাংগঠনিক তৎপরতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দলের কর্মসূচিতে সবাইকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
সভায় চীনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন। এ ছাড়া চীন বিএনপির অনেক নেতাকর্মী ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন।
৬ দিন আগে
পটুয়াখালীতে বিএনপির ২ গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর গলাচিপায় দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে এ সংঘর্ষ হয়।
দলীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে পৌর মঞ্চ চত্বর থেকে উপজেলা বিএনপির বর্তমান কমিটির (আহ্বায়ক পক্ষ) উদ্যোগে একটি আলোচনা সভা ও র্যালি শুরু হয়। অন্যদিকে সিনেমা হল রোডে আগে থেকেই অবস্থান নিয়েছিলেন দলটির সাবেক কমিটির (হাসান মামুনপন্থী) নেতা-কর্মীরা।
পুলিশ সাবেক কমিটির নেতা-কর্মীদের উপজেলা পরিষদের ফটকের ভেতরে আটকে রাখলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে বর্তমান কমিটির মিছিলটি সিনেমা হল রোড এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় দুই পক্ষ পাল্টাপাল্টি ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকে। কথা-কাটাকাটির মধ্যেই উভয় পক্ষ হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে জড়িয়ে পড়ে।
এরপর শহরের কালীবাড়ি ও বটতলা এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কালীবাড়ি রোডের ‘হাবিব রেস্টুরেন্টে’ ভাঙচুর চালানো হয়। এতে প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন রেস্তোরাঁটির মালিক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে বিরোধের সূত্রপাত হয়। ওই নির্বাচনে এই আসনে বিএনপির সমর্থনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা বিএনপির পুরোনো কমিটি ভেঙে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তার পর থেকেই স্থানীয় বিএনপিতে ‘নুরপন্থী’ ও ‘মামুনপন্থী’ হিসেবে পরিচিত দুটি পক্ষ সক্রিয় রয়েছে।
পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতির কারণে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সকাল থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। বর্তমানে শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
৬ দিন আগে
সীতাকুণ্ডে বিএনপির ২ পক্ষের সংঘর্ষ, মহাসড়ক অবরোধ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেলও বিস্ফোরিত হয়। এতে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক পক্ষ অবরোধ সৃষ্টি করলে মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং নপ্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর গাড়িও আটকা পড়ে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
সীতাকুণ্ড পৌরসভা এলাকায় মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লায়ন আসলাম চৌধুরী ও কাজী সালাউদ্দিন গ্রুপ পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার মধ্যে পড়ে ওষুধ কোম্পানির এক বিক্রয় প্রতিনিধিও মারধরের শিকার হন।
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে উপজেলার মুন স্টার কমিউনিটি সেন্টারে দুই গ্রুপ কর্মসূচির ঘোষণা দেয়। সকাল থেকে লায়ন আসলাম চৌধুরী গ্রুপের অনুসারীরা মুন স্টার কমিউনিটি সেন্টার মাঠে অবস্থান নেন। অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা অবস্থান নেন পৌর সদরের হাসান গোমস্তা মসজিদ এলাকায়।
আসলাম চৌধুরী অনুসারীরা দুপুর ১টার দিকে মিছিল নিয়ে পৌর সদরের দিকে যাওয়ার সময় হাসান গোমস্তা মসজিদের সামনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও বেশ কয়েকটি কটকেল বিস্ফোরণ হয়।
অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীরা বাঁশবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় মহাসড়কের উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়।
সড়ক অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারী ও কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. শামসুদৌহা বলেন, কাজী সালাউদ্দিনের অনুসারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নেতা-কর্মীর দুপুর ২টা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিল্টন মন্ডল বলেন, বাঁশবাড়িয়া এলাকায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা দুপুর ২টার দিকে মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় উভয় লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহিনুল ইসলাম বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দুই গ্রুপ পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করে। দুপুরে মুন স্টার কমিউনিটি সেন্টার থেকে একটি গ্রুপ মিছিল নিয়ে পৌর সদরের দিকে আসলে দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় দুই পক্ষকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
৬ দিন আগে
দুই সপ্তাহের মধ্যে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত হবে: রিজভী
চলতি সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে দেশে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এই সংকট একটি বৈশ্বিক সংকট। আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধ...হরমুজ প্রণালি জাহাজ আসতে পারছে না। জ্বালানি আসতে পারছে না। দুএকটা জাহাজ যখন আসার চেষ্টা করেছে, সেখানে বোম পড়েছে। তারপরেও তো তিনি (তারেক রহমান) বসে নেই! জ্বালানি-বিদ্যুতের বাজেটের উপরে ৪০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে তিনি গ্যাসের সংকট সমাধান করছেন।’
মহেশখালীতে এফএসআরইউর কারিগরি ত্রুটি মেরামত সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘এখন রিগ্যাসিফিকেশন শুরু হয়েছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত থাকবে এবং বিদ্যুৎ থাকবে। তার কিছু আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি। সুতরাং সব সংকট মোকাবিলা করে তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
রিজভী জানান, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। ইতোমধ্যে সেটি মেরামত করা হয়েছে এবং বর্তমানে গ্যাসের রিগ্যাসিফিকেশন শুরু হয়েছে।
‘সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে ইনশাআল্লাহ গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত থাকবে। বিদ্যুৎ থাকবে—তার কিছু আলামত আমরা দেখতে পাচ্ছি,’ বলেন তিনি।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার রক্ষার রাজনীতি করে। একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে বিএনপি আজকে ক্ষমতায় এসেছে। ক্ষমতায় এসেই জনগণের কাছে প্রদত্ত অঙ্গীকার রক্ষায় তারেক রহমান নিরলস পরিশ্রম করছেন, দিন-রাত কাজ করছেন।
দলের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চ্যালেঞ্জ না থাকলে সেটি মোকাবিলা করে ভালো কিছু করার মধ্যে তো কোনো কৃতিত্ব নেই! নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ আছে, ষড়যন্ত্র আছে, চক্রান্ত আছে, কিন্তু সেগুলোকে মোকাবিলা করেই তারেক রহমান সরকারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, কাজ করে যাচ্ছেন এবং তার অঙ্গীকারগুলো—ফার্মারস কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনের ভাতা, প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছেন।
দল ও সরকার দুটি পৃথক সত্তা, অথচ সরকার চালাতে গিয়ে দল হিসেবে বিএনপি পৃথক থাকতে পারছে না—গণমাধ্যমকর্মীরা এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ভেগ (অস্পষ্ট) টার্ম।’
রিজভী বলেন, ‘জনগণ পার্টিকে ভোট দিয়েছে, পার্টি সরকার গঠন করেছে। সরকারের মন্ত্রীরা সব বিএনপির নেতা। অধিকাংশই বিএনপির নেতা। তাহলে পার্টিকে যখন ভোট দিয়েছে, নির্বাচিত করেছে, পার্টির লোকরাই তো সরকার পরিচালনা করবে! এটার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
‘আমরা বারবার বলেছি, তৃণমূলের সদস্য থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বিএনপির সমস্ত নেতাকর্মী সরকারের অংশ। সরকারের সব কর্মসূচি, যেটা জনকল্যাণে-জনস্বার্থে বাস্তবায়িত হচ্ছে, সেগুলো আমাদের নেতাকর্মীরা ভালো করে জনগণকে অবহিত করবে। এর মধ্যে কোনো বৈসাদৃশ্য নেই, কোনো বৈশব্দ নেই।’
তিনি বলেন, ‘পার্টি পার্টির জায়গায় আছে, সরকার সরকারের জায়গায় আছে। কিন্তু সরকার পরিচালনার দায়িত্বে আছে বিএনপি এবং বিএনপির লোক। সুতরাং দলের লোকরাই তো মন্ত্রী হবে, চিফ হুইপ হবে। চিফ হুইপ ভাইস চেয়ারম্যান কাকে করবে? অন্য দেশ থেকে ধার করে আনবে, না অন্য পার্টি থেকে ধার করে আনবে? দলের লোকরাই হবে।’
রিজভী আরও বলেন, সরকারকে নানা চ্যালেঞ্জ ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে এসব মোকাবিলা করেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছেন।
তার কথায়, ‘সংকট আসবে। কিন্তু সংকট মোকাবিলার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বসে নেই। সব সংকট মোকাবিলা করেই তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’
৭ দিন আগে
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) আজ মঙ্গলবার ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করছে। ১৭ বছরের বেশি সময় পর সরকার গঠনের পর এটিই দলটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহিদ জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর ১৯৮৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বিএনপির হাল ধরেন তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দীর্ঘ সময় দলটির চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেন এবং বিএনপিকে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত করেন। তিনবার তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুই বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট নির্বাহী আদেশে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে চলার পর ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তারেক রহমান। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকেই দল পরিচালনা করেন। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে তিনি দলকে নির্বাচনি রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেন।
দেশে ফেরার পর দেশবাসীর উদ্দেশে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান ফর মাই কান্ট্রি।’
২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় বিএনপি। দলটি ২১১টি আসনে জয় পেয়ে জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং ১৭ বছরের বেশি সময় পর ক্ষমতায় ফিরে আসে।
সরকার গঠনের পর নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, প্রবাসীদের অধিকার ও সহায়তায় প্রবাসী কার্ড এবং প্রতিটি জেলায় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ চালুর উদ্যোগ রয়েছে।
এ ছাড়া ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, যাজক ও বৌদ্ধ অধ্যক্ষদের জন্য সম্মানী, খাল খনন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর বাণী
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
বাণীতে তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বিএনপি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়া তার নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
তিনি বলেন, দেশে যতবার জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, ততবারই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের’ অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়।
বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। গত বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এছাড়া আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে একটি পোস্টারও প্রকাশ করা হবে।
এ ছাড়াও বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। একইভাবে সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং দলটির বিভিন্ন ইউনিট ১ সেপ্টেম্বর সুবিধাজনক সময়ে আলোচনা সভাসহ অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে।
৭ দিন আগে
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায়: প্রধানমন্ত্রী
জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ ১ সেপ্টেম্বর সোমবার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
তিনি বলেন, দেশের জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস। জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ণ রেখে বিএনপির নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভার্থীরা দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে।
বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দিনটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার।
তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে দলটির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন এবং নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন পথচলা শুরু হয়।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করে তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের মাধ্যমে বিএনপিকে দেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে এবং করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশে যতবার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, ততবারই গণতন্ত্রকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মী, শুভার্থী ও সমর্থকরা জীবন উৎসর্গ করেছেন।
গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত যারা প্রাণ উৎসর্গ করেছেন এবং আহত হয়েছেন, তাঁদের অবদানও গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, জনগণ যখনই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। বিভিন্ন মেয়াদে সরকার পরিচালনার সময় সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন, নারীশিক্ষার প্রসারসহ গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের’ অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চায় বিএনপি।
বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম উল্লেখ করে তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতাপ্রিয় দেশবাসীকে আবারও শুভেচ্ছা জানান।
৭ দিন আগে
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া-খালেদার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তাদের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এরপর বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান।
পরে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সবাইকে নিয়ে ফাতেহা পাঠ করেন এবং শহিদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
৭ দিন আগে
চিকিৎসা শেষে বুধবার দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে আগামী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান রবিবার (৩০ আগস্ট) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আগামী বুধবার রাত ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে মির্জা আব্বাসের ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
শায়রুল কবির খান বলেন, দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়ার পর আল্লাহর রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটা সুস্থ। তিনি মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরছেন।
৯ দিন আগে