মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রের মূল শক্তি গণমাধ্যম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের জন্য সঠিক পথে থেকে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ ও সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সঙ্গে নিজের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রেস ক্লাবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক। আমার সবচেয়ে দুঃসময়ে আপনারা আমার পাশে ছিলেন, যা আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি।’
তিনি আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে একটা সংস্কৃতি। একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। সেজন্য মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। পুরনো কর্তৃত্ববাদী চিন্তাভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে। আন্দোলন করে পরিবর্তন আনার পরও যদি পুরনো মানসিকতা থেকে যায়, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব হবে না।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার জন্য সময় দিতে হবে। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধসহ বৈশ্বিক কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের বিষয়টি যথাযথভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।
সাংবাদিকদের কল্যাণে সার্বিক সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমার জায়গা থেকে আপনাদের জন্য যেটুকু করার আছে, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, আমি সেটুকু করার চেষ্টা করব।’
সংবাদকর্মীদের কর্মসংস্থানের সংকট নিরসনে বন্ধ হয়ে যাওয়া পত্রিকাগুলো পুনরায় চালুর ওপরও গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘বন্ধ পত্রিকাগুলো, বিশেষ করে ট্রাস্টের অধীনে থাকা পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে অন্তত ১০০০ সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্য অত্যন্ত জরুরি, বিভক্তি কখনও সাফল্য এনে দিতে পারে না। আপনারা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক হতে পারলে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গেও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন।’
সাংবাদিকদের সুরক্ষা এবং অনিয়ম ও গণহারে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর একটি সত্যিকার গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এখন গণমাধ্যমের দায়িত্বও আরও বেড়েছে। সরকারের ভুল-ত্রুটিগুলো বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলোও জনগণের সামনে উপস্থাপন করতে হবে।
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
দেশের গণমাধ্যমের প্রাণকেন্দ্র জাতীয় প্রেস ক্লাব এবং সাংবাদিকদের কল্যাণ ও উন্নয়নে সরকারের নেতৃত্বের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ওপর জোর দেন তিনি।
এ সময় প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বখতিয়ার রাণা (কোষাধ্যক্ষ), কাজী রওনাক হোসেন, সৈয়দ আবদাল আহমদ, কাদের গনি চৌধুরী, শাহনাজ বেগম পলি, মোহাম্মদ মোমিন হোসেন, আবদুল হাই শিকদার, মাসুমুর রহমান খলিলী, এ কে এম মহসীন ও জাহিদুল ইসলাম রনি।
প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ উপস্থিত অন্য সদস্যদের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে তিনি রাষ্ট্রপতিকে সুবিধাজনক সময়ে প্রেস ক্লাবে আমন্ত্রণ জানান।
প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রেস ক্লাবে আপনি আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিলেন। আমরা গর্বিত ও আনন্দিত যে প্রেস ক্লাবেরই একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।’
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য সৈয়দ আবদাল আহমদ এ সময় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অতীতের স্মৃতিচারণ করেন এবং গণতন্ত্র রক্ষায় রাষ্ট্রপতির ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করেন।
প্রেস ক্লাবের সদস্য কাদের গনি চৌধুরী বিগত সময়ের অপসাংবাদিকতার কথা তুলে ধরে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ধারা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। এ সময় তিনি সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে দ্রুত দশম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে সরকার ও রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা চান।
উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা প্রেস ক্লাবের অবকাঠামো সম্প্রসারণে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করলে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদনদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর ন্যায়সঙ্গত ও পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান হলে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও বাড়বে।
অভিন্ন নদনদীর পানি ব্যবস্থাপনা দুই দেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি গঙ্গা, তিস্তাসহ অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য বণ্টনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
জবাবে হাইকমিশনার এ বিষয়ে তার সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, নিকটতম প্রতিবেশী এবং গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।
তিনি বলেন, সার্বভৌম সমতা, জাতীয় স্বার্থ ও মর্যাদা এবং জনগণের কল্যাণকে সমুন্নত রেখে ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক, ভবিষ্যতমুখী, পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ ও লাভজনক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
সাক্ষাৎকালে ভারতের হাইকমিশনার রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।
বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ভারত অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় উল্লেখ করে দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে তার দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পারস্পরিক মর্যাদা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়, উন্নত ও শক্তিশালী করতে ভারত প্রবলভাবে আগ্রহী।
রাষ্ট্রপতি তাকে অভিনন্দন জানানোর জন্য হাইকমিশনারকে ধন্যবাদ জানান এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতি তার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে তাকে অনুরোধ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, বাণিজ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।
দুই দেশের জনগণের সামর্থ্য ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে অভিন্ন শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনে ভারত ও বাংলাদেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতের হাইকমিশনার দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং তার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
রাষ্ট্রপতি তার সফল কর্মকাল কামনা করেন এবং তার দায়িত্ব পালন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ফলপ্রসূ, ইতিবাচক ও জনকল্যাণমুখী করতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি
ঠাকুরগাঁওয়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।
প্রায় ৮৬ একর জমির ওপর এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হলো। একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি অঞ্চলের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবসম্পদ উন্নয়নের কেন্দ্র।
রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত উচ্চশিক্ষার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ে উন্নত মান বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিক্ষা খাতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বাঙ্গীণ উন্নতি কামনা করে মোনাজাত ও দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইসরাফিলসহ পদস্থ কর্মকর্তারা।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
মফস্বল সাংবাদিকদের দাবি পূরণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস রাষ্ট্রপতির
সাংবাদিকদের বিভিন্ন অসুবিধা ও দাবি পূরণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঠাকুরগাঁও সফরের দ্বিতীয় দিনে নিজ বাসভবনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আশ্বাস দেন।
মতবিনিময়কালে ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিক নেতারা দেশের মফস্বল সাংবাদিকদের বিভিন্ন অসুবিধা ও দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। বিশেষ করে মফস্বল এলাকার সাংবাদিকদের প্রকৃত অবস্থা, সাংবাদিকদের জীবনমান সম্পর্কে তারা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
এছাড়া ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের ভবন সম্প্রসারণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় নির্যাতিত সাংবাদিকদের জন্য সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং সাংবাদিকদের জন্য ওয়েজবোর্ড গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তারা।
রাষ্ট্রপতি সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, সাংবাদিকদের অসুবিধা ও দাবিগুলো পূরণে তিনি যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
এ সময় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজনই আজ সাংবাদিকগণ ক্ষতিগ্রস্ত, এটিই তাদের দুর্দশার কারণ। শুধু ঠাকুরগাঁওয়ে নয়, ঢাকাতেও একই অবস্থা। এই বিভাজন কাম্য নয়। সুবিধাবাদীরা এর সুযোগ নেন। এই বিভাজন দূর করতে হবে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্র, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। মফস্বল সাংবাদিকদের তৃণমূল ও প্রান্তিক মানুষের কথা নিষ্ঠার সঙ্গে যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব সরওয়ার আলম, ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান তানু, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা এবং ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নির্বাহী পরিষদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন জেলা স্কাউটস নেতাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রপতি। মতবিনিময়কালে স্কাউটস আন্দোলন এগিয়ে নেওয়ার জন্য করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন রাষ্ট্রপতি।
এ সময় বক্তব্য দেন লিডার ট্রেনার আঞ্জুমান আরা বেবী, মো. জালাল উদ দীন, ও স্কাউটসের জেলা সেক্রেটারি লুৎফর রহমান।
পরে জেলা স্কাউটসের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও জেলায় এক লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা করা হয়। বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি একটি গাছের চারা রোপনের জন্য তাদের হাতে তুলে দেন এবং চলতি মাসেই বৃক্ষরোপণ শুরু করার নির্দেশ দেন।
১ দিন আগে
সংঘাত এড়িয়ে সমঝোতার রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির
রাজনৈতিক দল ও ঠাকুরগাঁওয়ের জনগণকে সংঘাত ও সংঘর্ষ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে রাজনীতি করার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রথম নিজ জেলা সফর উপলক্ষে নাগরিক কমিটি ও স্থানীয় সুধীসমাজ এ সংবর্ধনার আয়োজন করে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ সংঘাত চায় না। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে রাজনীতি করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে রাজনীতি করতে হবে। ‘গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সহিষ্ণুতা,’ তিনি বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমরা আর কোনো সংঘাত বা রক্তপাত দেখতে চাই না। আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি এবং অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি। এখন আমরা সেই গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চাই।’
তিনি দেশে সমঝোতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ যেন সমান বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে একসঙ্গে বসবাস করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া অনেকটাই এগিয়েছে। ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি হয়ে গেছে এবং ভাইস চ্যান্সেলরও দায়িত্ব নিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করব।’
তিনি বলেন, জেলায় একটি মেডিকেল কলেজও প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং আগামী বছর থেকে সেখানে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করার আশা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দুটি পৃথক উপজেলা গঠন করা হয়েছে এবং সেসব উপজেলার ইউএনওরা যোগ দিয়ে কাজ শুরু করেছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আরও শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বিমানবন্দর চালু হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। তবে বিমানবন্দরটি দীর্ঘমেয়াদে চালু রাখতে হলে জেলায় শিল্প ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়াতে হবে।
‘আমাদের এখানে প্রায় কোনো কলকারখানা বা শিল্প নেই। মানুষের কাজের সুযোগও পর্যাপ্ত নেই,’ তিনি বলেন।
রাষ্ট্রপতি জানান, জেলায় কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের জন্য বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রী ইতোমধ্যে এলাকা পরিদর্শন করে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে চীন থেকেও বিশেষজ্ঞ ও বিনিয়োগকারীদের ঠাকুরগাঁওয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জনগণকে শুধু চাকরি বা ঠিকাদারির ওপর নির্ভর না করে নিজেদের উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টির আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ‘নিজের পায়ে নিজে না দাঁড়ালে কেউ আপনাকে দাঁড় করাতে পারবে না। আপনাকেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে।’
নারীদের আরও বেশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, অনেক নারী ইতোমধ্যে নিজেদের উদ্যোগে কাজ শুরু করেছেন। তাদের অংশগ্রহণ আরও বাড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে।
২ দিন আগে
দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁওয়ে পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টায় রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি ঠাকুরগাঁও মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে অবতরণ করে।
হেলিপ্যাডে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানান রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, রংপুরের রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক ও পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী।
নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ড. আবু মোহাম্মদ খায়রুল কবির ও সদস্য সচিব ড. শহিদুজ্জামানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার প্রদান করে বাংলাদেশ পুলিশের একটি দল। গার্ড পরিদর্শনের পর মা-বাবার কবর জিয়ারতের জন্য সেনুয়া কবরস্থানে যাওয়ার কথা রয়েছে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। জিয়ারত ও মুনাজাত শেষে ঠাকুরগাঁও শহরে নিজ বাসভবনে যাবেন রাষ্ট্রপতি।
ঠাকুরগাঁও সফরের প্রথম দিনে আজ (রবিবার) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে তার সম্মানে আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর দ্বিতীয় দিন সোমবার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন তিনি।
২ দিন আগে
দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
দেশের উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের দেশে বিনিয়োগ ও বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিনিধিদলটি দেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করে।
যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কামাল উদ্দিন এ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। তারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এ সময় রাষ্ট্রপতি দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী প্রবাসীদের অর্থ, শ্রম ও মেধা দিয়ে অসামান্য অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, দেশ ও জাতি প্রবাসীদের এই অবদান ও ভূমিকা চিরদিন স্মরণ রাখবে।
সাক্ষাৎকালে যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল বিমানবন্দরে হয়রানি, ভোটদানের অধিকারসহ ব্যবসায়িক ও নাগরিক বিভিন্ন সুবিধা বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।
এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। প্রবাসীদের পূর্ণাঙ্গ সেবার ব্যবস্থা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রবাসী কার্ড চালু হয়েছে।
সরকার প্রবাসীদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে আরও কাজ করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবেই আপনারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছেন। আপনারা দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিদেশে তুলে ধরবেন।
প্রবাসীদের রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি প্রবাসীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন।
৫ দিন আগে
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
প্রথমে জাতীয় সঙ্গীত এবং পরে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ শপথ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে দরবার হলের সামনের সারিতে বসেন। অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, মির্জা ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম, দুই মেয়ে মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহ এবং তাদের স্বামীদের পাশাপাশি তার দুই ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন ও মির্জা রুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
মোট ৩৪৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট এবং অলি আহমদ ৮৮ ভোট পান।
মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জন সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেননি।
ভোট দিতে না আসা ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা ও ডা. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা এবং জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
ওইদিন রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে।
১৮ দিন আগে
জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) জুমার নামাজের পর তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়া উদ্যানে তাদের সমাধিসৌধে শ্রদ্ধা জানান।
মির্জা ফখরুল জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পৃথকভাবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন, ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাতে অংশ নেন।
শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন ও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব ইউনুস আলী উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নিরাপত্তাবেষ্টনীর বাইরে দাঁড়িয়ে দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মির্জা ফখরুল হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপি মহাসচিব হিসেবে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে বহুবার নেতা-কর্মীদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন তিনি।
এদিকে, এই প্রবীণ রাজনীতিবিদ আজ সন্ধ্যায় বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন।
বঙ্গভবনের দরবার হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্যরা এবং বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
মোট ৩৪৩টি ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২৫৫টি ভোট পান এবং অলি আহমদ পান ৮৮টি ভোট।
মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জন সংসদ সদস্য এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত ছিলেন।
ভোট দিতে না আসা এই ছয়জন ভোটার হলেন— বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা ও ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহ।
ওই দিন রাতেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) মির্জা ফখরুলকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে গেজেট জারি করে।
১৮ দিন আগে
আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন মির্জা ফখরুল
প্রবীণ রাজনীতিবিদ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।
বঙ্গভবনের দরবার হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
বঙ্গভবন সূত্রে জানা গেছে, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিসভার সদস্যরা এবং বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় বিরোধী জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
মোট ৩৪৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ২৫৫টি ভোট পান এবং অলি আহমদ পান ৮৮টি ভোট।
মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ছয়জন সংসদ সদস্য এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটদানে বিরত ছিলেন।
ভোট দিতে না আসা এই ছয়জন ভোটার হলেন—বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, মোস্তফা কামাল পাশা ও ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সংসদ সদস্য মো. অলি উল্লাহ।
ওইদিনই নির্বাচন কমিশন (ইসি) মির্জা ফখরুলকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
১৮ দিন আগে