মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমেই টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গ্রামাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ছাড়া বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ লক্ষ্যে সরকার দেশের রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য অবকাঠামোর উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তবে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়, জনগণের আয় বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত উন্নয়ন অর্জন সম্ভব হবে না।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
এর আগে, সকালে রাজধানীর সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক (সিরডাপ) মিলনায়তনে সিরডাপের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং দ্বিতীয় বিশ্ব পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার স্টল পরিদর্শন করেন। পরে সেখান থেকে একটি র্যালি বের হয়ে মিলনায়তন প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হলেও সরকারের লক্ষ্য একটি দারিদ্র্যমুক্ত, সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির শক্ত ভিত রচনা করেছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)-কে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছিল এবং প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিআরডিবিকে একটি আধুনিক, কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে এটি গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে, নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলে দুর্নীতিকে দৃঢ়ভাবে ‘না’ বলতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে পল্লী উন্নয়নের যে শক্ত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির আধুনিকায়ন এবং জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির মাধ্যমে সেই ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার গ্রামীণ উন্নয়নকে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি)-সমন্বিত জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বাস্তবায়ন করছে। আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) হারানো ঐতিহ্য ও গৌরব পুনরুদ্ধার করে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে গ্রামীণ অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে একটি আত্মনির্ভরশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আলোচনা সভার শুরুতে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক একেএম তারেক। পরে বিভিন্ন সফল উদ্যোক্তা তাদের উদ্যোক্তা জীবনের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও সফলতার গল্প তুলে ধরেন। তারা সরকারের সহায়তা এবং নিজস্ব উদ্যোগের মাধ্যমে কীভাবে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন, তাও উপস্থিত সবার সঙ্গে ভাগ করে নেন।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহা. শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধান, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত সমবায়ী, সুফলভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
৩ দিন আগে
মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল
সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের আনিসুল হক মিলনায়তনে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সাংবাদিকরা সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলবেন। রাজনীতিবিদদের ভুল-ত্রুটি তুলে ধরে সঠিকভাবে পথ দেখানোই সাংবাদিকতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা সমালোচনার ঊর্ধ্বে নন। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে গিয়ে ভুল হতে পারে, আর সেই ভুল তুলে ধরা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই গণমাধ্যমের দায়িত্ব। তিনি বলেন, অনেক সময় সত্য সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকরা হামলা-হয়রানির শিকার হন, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
মন্ত্রী বলেন, যে দেশের গণমাধ্যম যত শক্তিশালী, সে দেশের গণতন্ত্রও তত শক্তিশালী। গণতন্ত্রের সফলতা অনেকাংশেই নির্ভর করে স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ওপর।
সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুটি নতুন উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তবে শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না, দক্ষ ও সৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি নতুন উপজেলা পরিচালনায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ব্যক্তি নয়, কাজকে মূল্যায়ন করতে হবে। যারা ভালো কাজ করবেন, তাদের সাফল্য যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধেও নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে তারা গণমানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করবেন এবং প্রেসক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, মো. আব্দুল লতিফ, লুৎফর রহমান মিঠু।
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত সদস্যরাসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
৬ দিন আগে
উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে শিক্ষিত যুবকদের প্রতি আহ্বান মির্জা ফখরুলের
ঠাকুরগাঁওয়ের সলেমান আলীর উদ্ভাবিত প্রযুক্তির উদাহরণ টেনে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শিক্ষিত যুবকদের উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার দিকে মনোযোগ দিতে আহ্বান জানান।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের মোলানীবাজার চুনিহাড়ী পশ্চিমপাড়ায় সলেমান আলী উদ্ভাবিত সলেমান সোলার সেচ পাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নিজের চেষ্টায় সলেমান ভাই এক অভূতপূর্ব আবিষ্কার করেছেন। যে আবিষ্কার তিনি নিজের চেষ্টায় নিজের প্রযুক্তি দিয়ে আজকে কৃষিতে, কৃষকের মুরগির খামার, বাসা-বাড়িতে সরবরাহ করে সাহায্য করতে পারছেন। আগে আমার জানা ছিল না। কিছুদিন আগে তিনি ঢাকায় গিয়েছিলেন, সেখানে আমি এসব জানতে পারি।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে সলেমান আলী একজন সাইকেল মেকানিক ছিলেন। তার বাবাও একই কাজ করতেন। ওই সাইকেলের মেকানিকের কাজ করতে করতেই তিনি প্রযুক্তিটি উদ্ভাবন করেন। তিনি ভাবেন, এই সোলার দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে অনেকটা সাশ্রয়ী হবে।
তিনি আরও বলেন, সলেমান বর্তমানে ২৮টি সোলার পাম্প চালান এবং ৩০০ একর জমিতে সেচ দেন। এখানকার পুরো এলাকার চাহিদা সোলার প্যানেল দিয়ে মিটিয়ে আসছেন। আমরা যারা সরকারে আছি, চেষ্টা করব তার এই প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের ব্যক্তি, যারা নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছে, কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত না, তিনি সম্পূর্ণভাবে নিজের চেষ্টায়, নিজের উন্নতি করছেন এবং দেশের উন্নতি করা যায় সেই চেষ্টা করেছেন। এজন্য আমি শিক্ষিত যুবকদের বারবার বলি, নিজেরাই কিছু করার চেষ্টা করুন। সোলেমান আলী একজন সাধারণ সাইকেল মেকানিক হয়েও এই এলাকার মানুষকে তার প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করছেন। এই কাজকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে তাকে আরও বেশি সহযোগিতা করা হবে।
অনুষ্ঠান শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই এলাকার একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাস, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলীসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিএনপির নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
৬ দিন আগে
দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা ঠেকাতে সজাগ থাকার আহ্বান ফখরুলের
বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে চলছি। একটা মহল দেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। আপনারা সজাগ থাকবেন। তারেক রহমান নেতৃত্বে আমরা যখন দেশে নতুন করে কাজ শুরু করেছি, তখন যেন আবার বিভ্রান্ত না হই।
বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খুব দ্রুত দেশের সমস্যাগুলো সমাধান করতে কাজ করছেন। অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছিলাম।… সব কাজ সম্পন্ন করতে আমরা চেষ্টা করছি। রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান হবে না। আপনাদের ধৈর্য ধরতে হবে।
তিনি বলেন, এ সরকারের বয়স মাত্র ৩ মাস। এই ৩ মাসের মধ্যে আমরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। তারেক রহমানের সরকার, কথার সরকার। তিনি যে কথাগুলো দিয়েছেন, আমরা সেই কথাগুলো পালন করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেছিলেন ফ্যামিলি কার্ডের কথা, আমরা ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম শুরু করেছি। তিনি কৃষক কার্ডের কথা বলেছেন, সেটাও শুরু করেছি। খাল খনন কর্মসূচিও শুরু করেছি আমরা। তিনি যে কথাগুলো দিয়েছিলেন আমরা তার প্রত্যেকটি পূরণ করবার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।
নারী সমাজের প্রতি আবেদন রেখে মির্জা ফখরুল বলেন, রুহিয়ায় নারী সমাজ বেশ সুসংগঠিত। তাদের আরও সংগঠিত হতে হবে যাতে তারা তাদের ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করতে পারে।
যুবকদের বিপথে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আজকে খুব দুঃখ হয়— যখন দেখি, শুনি আমাদের তরুণরা-যুবকেরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। এটা একটা জাতিকে ধ্বংস করে দেয়। এর থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে।
তরুণ-যুবকদের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমি তরুণ যুবকদের অনুরোধ করব তারা যেন এগুলো থেকে মুক্ত থাকে। মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য তারা যেন একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলে। এটা খুবই জরুরি।
রুহিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের এই দিনে প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, অনেক প্রবীণ নেতা আজ আমাদের মাঝে নেই। তারা পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের অবদান রুহিয়ার মানুষ চিরদিন মনে রাখবে।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রুহিয়া উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।
৩৬ দিন আগে
বৈষম্য দূর করে আমরা একটি সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই: মির্জা ফখরুল
পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে থেকে সাম্য ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকালে ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় শেষে তিনি এ কথা বলেন।
এদিন সকাল থেকেই ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের ঢল নামে। ঈদের জামাত শেষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, কোরবানির প্রকৃত শিক্ষা হলো ত্যাগ, মানবতা ও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। দেশের যারা দুস্থ, দরিদ্র ও বৈষম্যের শিকার, তাদের বৈষম্য দূর করে আমরা একটি সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে চাই।
কোরবানিকে আত্মত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো হত্যা নয়, বরং মানুষের ভেতরের কলুষতা দূর করার একটি প্রতীকী শিক্ষা। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের উদ্ধৃতি টেনে তিনি বলেন, ওরে হত্যা নয় আজ, সত্যাগ্রহ শক্তির উদ্বোধন।
ঈদের জামাতে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন আলহাজ মাওলানা মো. খলিলুর রহমান। পরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
৪২ দিন আগে
প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত ও মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে ভারতের চেন্নাইভিত্তিক বহুজাতিক পানি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিএ টেক ওয়াব্যাগ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শৈলেশ কুমারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকে দেশের পানি ব্যবস্থাপনা, পানি পরিশোধন প্রক্রিয়া এবং নিরাপদ পানির মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করে। তাই দ্রুততার পাশাপাশি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি।
মন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য আধুনিক পানি ও বর্জ্য পানি শোধন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। তিনি দেশের নদ-নদীর দূষণ রোধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
এ বৈঠকে বিশেষভাবে বুড়িগঙ্গা নদীর পানির মান নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করে তার আগের প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।
এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
৬৩ দিন আগে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) হবিগঞ্জের মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ঐতিহাসিক ‘তেলিয়াপাড়া দিবস-২০২৬’ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।
বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।
মির্জা ফখরুল বলেন, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় পরিচয়, গর্ব, ঐতিহ্য ও অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া থেকেই মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। তৎকালীন মেজর শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিকল্পনায় মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কর্নেল আতাউল গণি ওসমানীর নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। অথচ আওয়ামী লীগ ওসমানীকে কোনো মূল্যায়ন করেনি। ইতিহাস উপেক্ষিত হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণের সামনে ইতিহাস উপস্থিত হওয়া দরকার। অতীতের দিনগুলোতে এমএজি ওসমানীকে কখনো স্মরণ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করতে চায়, তাদের পরিষ্কার করে বলতে চাই— মুক্তিযুদ্ধ আমাদের গর্ব, মুক্তিযুদ্ধ আমাদের ঐহিত্য এবং অস্থিত্ব।
মন্ত্রী বলেন, ২৫ শে মার্চ রাতে বাংলার মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল, যখন অসহায়-নিরস্ত্র মানুষের ওপর পাক হানাদারবাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তখন শহিদ জিয়ার কণ্ঠ, নির্দেশ মানুষকে ঝাঁপিয়ে পড়তে উৎসাহিত করেছিল।
তিনি আরও বলেন, একমাত্র শেখ মুজিবের নির্দেশে এখানে কিছু সংগঠিত হয় নাই; শেখ মুজিব সেদিন পাকিস্তান গিয়েছিলেন বন্দি হয়ে।
৯৬ দিন আগে
উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান
এলজিইডির উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আনতে সমন্বিত পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ভবনের কামরুল ইসলাম সিদ্দিক মিলনায়তনে আয়োজিত এলজিইডির আওতায় বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখতে হলে দেশপ্রেম বৃদ্ধি এবং কাজের মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গ্রামভিত্তিক ও সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রকল্পের সংখ্যা সীমিত রেখে এর আওতাধীন এলাকার পরিসর বাড়ানো প্রয়োজন। বিচ্ছিন্ন ক্ষুদ্র প্রকল্পের পরিবর্তে বৃহৎ পরিসরের সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সহজ হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে এলজিইডির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে সচিব বলেন, এলজিইডির প্রকল্পসমূহের কাজের গুণগত মান বৃদ্ধি, সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, এনডিসি এবং উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
১০৩ দিন আগে
তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়েছে সরকার: ফখরুল
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘদিন নির্বাসনে থেকেও তিনি (তারেক রহমান) দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে তার নেতৃত্বে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশে গণতান্ত্রিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং জনগণের অধিকার হুমকির মুখে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যায়। নানা দমন-পীড়নের মধ্যেও জনগণ লড়াই অব্যাহত রাখে।
তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গুম ও হত্যার ঘটনা ঘটেছে। তবে সব প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকেও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমানে তার নেতৃত্বে দেশ পুনর্গঠনের কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচন, সরকার পরিচালনা এবং উন্নয়নমূলক বিভিন্ন পরিকল্পনার মাধ্যমে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা জানি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড হবে, খাল খনন কর্মসূচি, কৃষকদের সুদ মওকুফ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, পাদ্রী—তাদের যে ভাতা দেওয়া হচ্ছে, সেটা একটা নতুন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা তারেক রহমানের প্রতি দেশের মানুষ আশাবাদী, আস্থাশীল। তার নেতৃত্বে অবশ্যই বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হবে—এই বিশ্বাস আমাদের সবার আছে।
১০৫ দিন আগে
পল্লী উন্নয়ন ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সুইজারল্যান্ডের আগ্রহ
বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা আরও জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সুইজারল্যান্ড।
বুধবার (৪ মার্চ) ঢাকায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি এ আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও জলবায়ু সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতেই রাষ্ট্রদূত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত ও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন খাতে সুইজারল্যান্ডের চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বিশেষ করে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে দ্বিপাক্ষিক অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রাতিষ্ঠানিক ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় সুইজারল্যান্ড অন্যতম সহযোগী এবং বর্তমান সহযোগিতার পরিমাণ ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে। একইসঙ্গে তিনি সুইজারল্যান্ডের প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান।
আলোচনায় বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, পল্লী উন্নয়ন কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং কূটনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়।
আলোচনা শেষে উভয়পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্বের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা আরও বেগবান হবে।
১২৭ দিন আগে