ডব্লিউএইচও
কঙ্গোয় ইবোলা আক্রান্ত ৬ হাজার ছাড়িয়েছে, মৃত্যু ৩ হাজার ছুঁই ছুঁই
কঙ্গোয় ইতিহাসের দ্রুততম বিস্তার লাভ করা ইবোলার প্রাদুর্ভাবে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়েছে। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৬ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২ হাজার ৯১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সময় সোমবার (৩১ আগস্ট) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাইরাসে আক্রান্ত ১ হাজার ৩৬০ জনের বেশি মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন, যা একটি ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ অগ্রগতি।
পূর্ব কঙ্গোয় অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে ইবোলার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। নিরাপত্তাহীনতা, বাস্তুচ্যুতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘট এবং মানুষের ব্যাপক স্থানান্তর পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশেষ করে বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, যেখানে বাসিন্দারা আগে থেকেই অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছেন।
গত সপ্তাহে এ অঞ্চলের আরও দুটি নতুন স্বাস্থ্য এলাকায় ইবোলা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে এবং এটি ২০১৪-১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ইবোলা প্রাদুর্ভাবকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। ওই প্রাদুর্ভাবে ১১ হাজারের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন। নিহতদের বেশির ভাগই ছিলেন গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনের বাসিন্দা।
গেল শনিবার ইতুরি প্রদেশের মামবাসা শহরের উপকণ্ঠে একটি মরদেহ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বানে সাড়া দিতে যাওয়া ইবোলা মোকাবিলায় নিয়োজিত একটি দলের ওপর হামলা হয়। দলের এক প্রতিনিধি এপিকে জানান, মাশেটি হাতে একদল তরুণ মরদেহ দাফনের স্থানটিতে হামলা চালায়। এতে দলটির সদস্যরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন এবং একজন আহত হন।
ইবোলা মোকাবিলা দলের সদস্য ফ্লোরিবার্ট মাজেনে বলেন, ‘মাঠে কাজ করতে এবং জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে দায়িত্ব পালনের জন্য আমরা আরও নিরাপত্তা দাবি করছি।’
ইবোলায় মৃত ব্যক্তির মরদেহ অত্যন্ত সংক্রামক হতে পারে। মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া এবং জানাজা বা শেষকৃত্যে মানুষের সমাগমের মাধ্যমে ভাইরাসটি আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
এ কারণে ইবোলা মোকাবিলায় কঙ্গোর কর্তৃপক্ষ যেখানে সম্ভব সন্দেহভাজন আক্রান্তদের মরদেহ দাফনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিজেদের ব্যবস্থাপনায় করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে এ নিয়ে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটছে।
এবারের প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ভাইরাস। এটি ইবোলার একটি বিরল ধরন, যার অনুমোদিত কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।
গত সপ্তাহে কঙ্গো স্বাস্থ্যকর্মীসহ সম্মুখসারির কর্মীদের ইরভেবো টিকা দেওয়া শুরু করেছে। এর আগে ইবোলার আরও প্রচলিত ধরন জাইর-এর সৃষ্ট প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় এই টিকা কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল। বান্দিবুগিও ভাইরাসের জন্য অনুমোদিত টিকা উদ্ভাবনে বর্তমানে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।
চলতি ইবোলা প্রাদুর্ভাবের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয় গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে। তবে কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, এর সংক্রমণ ফেব্রুয়ারি থেকেই ছড়াচ্ছিল। শুরুতে তিনটি এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন প্রায় ৬০টি এলাকায় এটি ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর বেশিরভাগ ঘটনাই নজরদারিতে থাকা সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের বাইরে এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ঘটছে।
প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে জনসমাগম সীমিত করা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং বিমানবন্দর বন্ধের মতো বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে দেশটির ছয়টি প্রদেশে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। এর মধ্যে ইতুরি প্রদেশে বিদ্রোহীদের সহিংসতার কারণে পরিস্থিতি আরও নাজুক।
সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থানে স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন সরঞ্জাম স্থাপন করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন অধিকারকর্মী সংগঠন বলছে, স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনে আরও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রতিবেশী উগান্ডা গত মাসে নিজেদের ইবোলামুক্ত ঘোষণা করলেও সীমান্ত পেরিয়ে ভাইরাসটির আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়ে গেছে বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।
৭ দিন আগে
কঙ্গোয় ইবোলার প্রকোপ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৩১
কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশটিতে ৫১৩ জনের শরীরে ইবোলা সংক্রমণের উপসর্গ পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইতোমধ্যে এ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।
কঙ্গো সরকারের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশটিতে বিস্তৃত পরিসরে ইবোলা সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) থেকে জানানো হয়েছে, উগান্ডায় ২ ব্যক্তির শরীরে ইবোলা শনাক্ত হয়েছে। সেখানে ইবোলা আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুও হয়েছে।
কঙ্গোতে প্রাণঘাতী এই রোগের সংক্রমণ ঠেকাতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে দেশটির সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা সন্দেহভাজন রোগীদের শরীরে ইবোলার সংক্রমণ শনাক্ত করতে কাজ করছে। এ সময় জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে দেশটির ইতুরি প্রদেশের নিয়াকুন্ডে, নর্থ কিভুর বুটেম্বো, গোমা শহর ও অন্যান্য এলাকায় ইবোলা শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
এদিকে, কঙ্গোতে অবস্থানরত একজন মার্কিন চিকিৎসকেরও ইবোলা শনাক্ত হয়েছে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে। ওই চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা মেডিকেল মিশনারি গ্রুপ এবং সিডিসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সিবিএস নিউজকে তারা জানিয়েছে, আক্রান্ত চিকিৎসকের চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে নেওয়া হবে।
আক্রান্ত মার্কিন নাগরিকের নাম প্রকাশ করেনি সিডিসি। তবে তার সঙ্গে কাজ করা মেডিকেল মিশনারি গ্রুপ সার্জে জানিয়েছে, ওই চিকিৎসকের নাম পিটার স্ট্যাফোর্ড।
সার্জে গ্রুপের আরও দুই চিকিৎসক চিকিৎসার সময় ইবোলা রোগীদের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে স্ট্যাফোর্ডের স্ত্রী ডা. রেবেকাহ স্ট্যাফোর্ডও রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে এখনও কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। এক বিবৃতিতে গ্রুপটি জানায়, তারা সকলে বর্তমানে কোয়ারেন্টাইন নির্দেশনা মেনে চলছেন।
সিবিএস নিউজ আরও জানিয়েছে, কঙ্গোতে চলমান এই ইবোলা প্রাদুর্ভাবে অন্তত ৬ জন মার্কিন নাগরিক ইবোলায় আক্রান্ত হয়েছেন।
সিডিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সরকার কঙ্গোতে ইবোলা আক্রান্ত মার্কিন নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কতজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত করা হয়নি।
স্বাস্থ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম স্ট্যাট একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কঙ্গোতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের একটি ছোট দলকে নিরাপদে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রে নেওয়ার ব্যবস্থা করছে যুক্তরাষ্ট্র সরকার। সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, তাদের জার্মানিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে নেওয়া হতে পারে।
অপরদিকে, স্থানীয় সময় রবিবার (১৭ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে কঙ্গোতে আক্রান্ত মার্কিন নাগরিকদের বিষয়ে সরাসরি প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানায় সিডিসি।
এ বিষয়ে গত সোমবার সিডিসি জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে ইবোলা সংক্রমণের ঝুঁকি কম। তবে যুক্তরাষ্ট্রে রোগটির প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় আক্রান্ত এলাকা থেকে আসা যাত্রীদের পর্যবেক্ষণ করা হবে। গত ২১ দিনে উগান্ডা, কঙ্গো ও দক্ষিণ সুদানে ভ্রমণ করা অমার্কিন পাসপোর্টধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ হবে।
সিডিসি জানিয়েছে, তারা এয়ারলাইনস ও অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে যাত্রীদের পরীক্ষা করা এবং হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি জোরদার করবে।
এদিকে, কঙ্গো ভ্রমণে সর্বোচ্চ সতর্কতা হিসেবে চতুর্থ স্তরের ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরতদের কঙ্গোতে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে ইবোলা পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হলেও এটি এখনও মহামারি আকার ধারণ করেনি। তবে, সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বর্তমানে যে পরিমাণে ইবোলা শনাক্তের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, প্রকৃত পরিস্থিতি তার চেয়ে ভয়াবহ হতে পারে। ফলে কেবল স্থানীয় নয়, আঞ্চলিক পর্যায়ে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।
১৯৭৬ সালে আফ্রিকায় সর্বপ্রথম ইবোলা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলার সবচেয়ে বড় প্রাদুর্ভাব ঘটে। তখন ২৮ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় গিনি, সিয়েরা লিওন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইতালিসহ পশ্চিম আফ্রিকার ভেতরে ও বাইরে একাধিক দেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে ১১ হাজার ৩২৫ জনের মৃত্যু হয়।
আফ্রিকা সিডিসির প্রধান জ্যা কাসেয়া বিবিসিকে জানান, কঙ্গোতে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় টিকা ও ওষুধের অভাব রয়েছে। তাই সেখানকার জনগণকে জনস্বাস্থ্য নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ইবোলা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের দাফন প্রক্রিয়ায় সতর্কতা মানতে বলা হচ্ছে।
কাসেয়া বলেন, ‘আমরা চাই না দাফন করতে গিয়ে কেউ ইবোলায় সংক্রমিত হোক।’
প্রায় এক দশক আগে আফিকায় ইবোলার বড় প্রাদুর্ভাবের সময় পারিবারিক দাফনে মরদেহ গোসল করানোর কারণে বহু মানুষ সংক্রমিত হয়েছিল।
এদিকে, কঙ্গো ও উগান্ডাকে সীমান্তবর্তী এলাকায় স্ক্রিনিং জোরদারের পরামর্শ দিয়েছে ডব্লিউএইচও, যাতে ভাইরাসটি পাশাপাশি দেশগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে। এছাড়া, প্রতিবেশী দেশগুলোকে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও কমিউনিটি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
কঙ্গোর প্রতিবেশী দেশ রুয়ান্ডা জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তারা সীমান্তে স্ক্রিনিং আরও কঠোর করবে। অন্যদিকে, নাইজেরিয়া জানিয়েছে, তারা বর্তমানে ইবোলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
১১২ দিন আগে
কঙ্গো-উগান্ডায় ইবোলার প্রাদুর্ভাব, বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি
কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এখন পর্যন্ত তিন শতাধিক রোগীর শরীরে ইবোলার উপসর্গ এবং ৮৮ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (১৭ মে) ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস এই পরিস্থিতিকে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, কঙ্গো ও উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা পরিস্থিতি এখনও কোভিড-১৯-এর মতো বৈশ্বিক মহামারির পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তাই এই মুহূর্তে তারা আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ না করার পরামর্শ দিয়েছে।
ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির বমি, রক্ত ও বীর্যের মতো শারীরিক তরলের সংস্পর্শে এলে সহজেই অন্য শরীরে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে। ইবোলা তুলনামূলকভাবে বিরল রোগ, তবে রোগটি বেশ গুরুতর। অনেক ক্ষেত্রে এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
ডব্লিউএইচও কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে, বর্তমানে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের জন্য বান্ডিবুগি ভাইরাস দায়ী। এই ভাইরাসটি ইবোলার একটি বিরল ধরন। বান্ডিবুগি ভাইরাসের প্রতিরোধে এখনও কোনো অনুমোদিত চিকিৎসা ও টিকা বের হয়নি। এর আগে, কঙ্গো ও উগান্ডায় ২০ বারের বেশি ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। তবে এবারে তৃতীয়বারের মতো সেখানে বাসিন্দাদের শরীরে বান্ডিবুগি ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর তথ্য অনুযায়ী, ইবোলায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় সব রোগীই কঙ্গোতে শনাক্ত হয়েছেন। প্রতিবেশী দেশ উগান্ডায় কেবল দুটি সংক্রমণের ঘটনা পাওয়া গেছে।
১১৪ দিন আগে
সায়মা ওয়াজেদকে ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত অন্তর্বর্তী সরকারের
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
‘প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের’ গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলাকালে ডব্লিউএইচও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (১২ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা এটিকে জবাবদিহির পথে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণ এবং আন্তর্জাতিক সমাজ স্বচ্ছতা, সততা ও ন্যায়বিচারের প্রতিফলন দেখতে পেরে সন্তুষ্ট।’
শফিকুল আলম লিখেছেন, ‘তারা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, এটির একটি স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন—যার মাধ্যমে সায়মা ওয়াজেদকে তার পদ থেকে অপসারণ, সংশ্লিষ্ট সকল সুবিধা বাতিল এবং এ মর্যাদাসম্পন্ন পদে নৈতিকতা ও জাতিসংঘ ব্যবস্থার সামগ্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: সায়মা ওয়াজেদকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠিয়েছে ডব্লিউএইচও
৪২৩ দিন আগে
সায়মা ওয়াজেদকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠিয়েছে ডব্লিউএইচও
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দুটি মামলা দায়ের করার চার মাস পর তাকে ছুটিতে পাঠানো হলো। বিষয়টি জানিয়েছে হেলথ পলিসি ওয়াচ।
ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক ড. তেদ্রোস আদহানম গেব্রিয়াসুস এক সংক্ষিপ্ত অভ্যন্তরীণ ইমেইলে এ সিদ্ধান্ত জানান। তিনি বলেন, শুক্রবার (১১ জুলাই) থেকে সায়মা ওয়াজেদ ছুটিতে থাকবেন।
তার অনুপস্থিতিতে ডব্লিউএইচও’র সহকারী মহাপরিচালক ড. ক্যাথারিনা বেম দায়িত্ব পালন করবেন অফিসার-ইন-চার্জ হিসেবে। তিনি মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) নয়াদিল্লিতে অবস্থিত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে (সিয়ারো) যোগ দেবেন।
আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন সায়মা ওয়াজেদ
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে, যিনি গত আগস্টে বিক্ষোভের মুখে দেশ ছাড়েন।
সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো তার ডব্লিউএইচও পদের জন্য পরিচালিত প্রচারণাকে ঘিরে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। এতে বলা হয়, তিনি প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতির (দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারা) এবং জাল দলিল ব্যবহারের (৪৭১ ধারা) অপরাধ করেছেন।
এছাড়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মানসূচক পদে থাকার মিথ্যা দাবি করে তিনি যোগ্যতা প্রদর্শনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অস্বীকার করেছে।
তাছাড়া, সূচনা ফাউন্ডেশনের সাবেক প্রধান হিসেবে তার ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ২.৮ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহের অভিযোগও আনা হয়েছে। তবে এই অর্থ কীভাবে ব্যবহৃত হয়েছে—সে বিষয়ে দুদকের মামলায় বিস্তারিত কিছু উল্লেখ নেই।
এই অভিযোগের আওতায় তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা (প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পদ গ্রহণ) এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।
অভিযোগ গঠনের পর থেকে সায়মা ওয়াজেদ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে কার্যকরভাবে সফর করতে পারছেন না। বাংলাদেশে ফিরে গেলে তার গ্রেফতারের আশঙ্কা রয়েছে—বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।
৪২৩ দিন আগে
স্বাস্থ্য ও পরিচর্যার ক্ষেত্রে বৈশ্বিক সংকটের মূলে লিঙ্গ বৈষম্য: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
কীভাবে স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজে লিঙ্গ বৈষম্য করা হয় এবং কীভাবে নারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যের ফলাফলগুলোকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে তা ব্যাখ্যা করে ‘স্বাস্থ্য ও যত্নের জন্য ন্যায্য ভাগ: লিঙ্গ এবং স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজের অবমূল্যায়ন’ শীর্ষক নতুন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় স্বল্প বিনিয়োগের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এতে দেখা যায় যে অবৈতনিক স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজের একটি দুষ্টচক্র তৈরি হয়েছে ও মজুরিভিত্তিক শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ হ্রাস পেয়েছে। নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং লিঙ্গ সমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
বিশ্বব্যাপী বেতনভোগী বৈশ্বিক স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা কর্মীদের ৬৭ শতাংশই নারী। এই অর্থ প্রদানের কাজ ছাড়াও, এটিতে অনুমান করা হয়েছে যে নারীরা সমস্ত অবৈতনিক সেবা কার্যক্রমের আনুমানিক ৭৬ শতাংশ সম্পাদন করেন।
বুধবার(১৩ মার্চ) জেনেভা থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নারীদের দ্বারা পরিচালিত কাজগুলোর বেতন কম এবং কাজের পরিবেশ খারাপ থাকে।
প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে কম বেতন এবং চাহিদাযুক্ত কাজের পরিবেশ সাধারণত স্বাস্থ্য ও যত্ন খাতে পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেলেন সায়মা ওয়াজেদ
প্রাথমিকভাবে নারীদের দ্বারা সম্পাদিত পরিচর্যার কাজের অবমূল্যায়ন, মজুরি, কাজের পরিবেশ, উৎপাদনশীলতা এবং খাতের অর্থনৈতিক পদচিহ্নকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।
প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজে কয়েক দশকের দীর্ঘস্থায়ী স্বল্প বিনিয়োগ যত্নের ক্রমবর্ধমান বিশ্বব্যাপী সংকটকে বাড়িয়ে তুলছে।
সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার (ইউএইচসি) দিকে অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাড়ে ৪ বিলিয়ন মানুষ প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবার পূর্ণ কভারেজ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, নারীরা আরও বেশি অবৈতনিক যত্নের কাজ গ্রহণ করতে পারে।
দুর্বল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্ষতিকর প্রভাবের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান অবৈতনিক স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজ যত্নশীলদের স্বাস্থ্য এবং পরিষেবার মানকে আরও চাপে ফেলছে।
ডব্লিউএইচও'র হেলথ ওয়ার্কফোর্সের পরিচালক জিম ক্যাম্পবেল বলেন, 'ফেয়ার শেয়ার' প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজে লিঙ্গ-সমতাভিত্তিক বিনিয়োগ স্বাস্থ্য ও যত্নের মূল্যকে পুনরায় সেট করবে এবং ন্যায্য ও আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতিকে চালিত করবে। ‘আমরা নেতা, নীতি-নির্ধারক এবং নিয়োগকর্তাদের বিনিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি: স্বাস্থ্য ও যত্নের জন্য ন্যায্য ভাগের সময়।’
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজকে আরও ভালভাবে মূল্য দেওয়ার জন্য নীতি ও সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়েছে:
১. সব ধরণের স্বাস্থ্য এবং যত্নের কাজের জন্য কাজের অবস্থার উন্নতি করুন, বিশেষত অত্যন্ত নারীদের পেশার জন্য।
২. বেতনভুক্ত শ্রমশক্তিতে নারীদের আরও ন্যায়সঙ্গতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা।
৩. স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা কর্মীদের কাজের পরিবেশ এবং মজুরি বৃদ্ধি করা এবং সমান মূল্যের কাজের জন্য সমান বেতন নিশ্চিত করা।
৪. যত্নের ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা, মানসম্পন্ন যত্নের কাজকে সমর্থন করা এবং যত্নশীলদের অধিকার ও কল্যাণ বজায় রাখা।
৫. নিশ্চিত করুন যে জাতীয় পরিসংখ্যান সমস্ত স্বাস্থ্য এবং যত্ন কাজের জন্য হিসাব, পরিমাপ এবং মূল্য দেয়।
৬. অবৈতনিক পরিচর্যা কাজের বোঝা কমাতে এবং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করতে শক্তিশালী জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বিনিয়োগ করুন।
স্বাস্থ্য ও যত্ন ব্যবস্থায় বিনিয়োগ কেবল ইউএইচসি-র অগ্রগতিকেই ত্বরান্বিত করে না, তারা অবৈতনিক স্বাস্থ্য ও যত্নের কাজকে পুনর্বণ্টন করে।
যখন নারীরা বেতনভুক্ত স্বাস্থ্য ও যত্ন কর্মসংস্থানে অংশ নেয়, তখন তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতায়িত হয় এবং স্বাস্থ্যের ফলাফল আরও ভাল হয়। স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে সব ধরনের স্বাস্থ্য ও সেবার কাজে স্বীকৃতি, মূল্য এবং বিনিয়োগ করতে হবে।
আরও পড়ুন: ছুটিতে জনসমাগম ও নতুন ভ্যারিয়েন্টে ডিসেম্বরে করোনায় অন্তত ১০ হাজার জনের মৃত্যু: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
৯০৯ দিন আগে
ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরডি পদে নির্বাচিত সায়মা ওয়াজেদ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক (আরডি) হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ। নির্বাচনে তিনি ৮-২ ভোটে জয়ী হন।
বুধবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন- বাংলাদেশ ও নেপাল থেকে মনোনীত যথাক্রমে সায়মা ওয়াজেদ ও ড. শম্ভু প্রসাদ আচার্য।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কমিটি আজ ভারতের নয়া দিল্লিতে তাদের ৭৬তম অধিবেশনে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক মনোনীত করতে ভোট দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও স্বাস্থ্য সচিব।
সায়মা ওয়াজেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (আগে টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘আমাকে পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য @WHOSEARO সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ধন্যবাদ!’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমি বিদায়ী আরডি ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিংকে আমাদের অঞ্চলের জনস্বাস্থ্যের জন্য এক দশক ধরে সেবা দেওয়ায় শ্রদ্ধা জানাতে চাই। একই সঙ্গে এই পদের জন্য মনোনয়ন পাওয়া ড. আচার্যের জন্যও বিশেষ শ্রদ্ধা। তার দীর্ঘ ও সফল কর্মজীবনে তিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জন্য একটি অমূল্য সম্পদ। আমি আশা করি আমাদের অঞ্চল তার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হবে।’
সায়মা বলেন, ‘আরও স্বাস্থ্যকর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া গড়ে তুলতে আমি প্রস্তুত।’
আরও পড়ুন: বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ: টিকাদান নিশ্চিত করতে দেশগুলোকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার
এরপর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ২০২৪ সালের ২২ থেকে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের ১৫৪তম অধিবেশনে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে।
নবনিযুক্ত আঞ্চলিক পরিচালক ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং তিনি পুনরায় একবার নিয়োগের সুযোগ পাবেন।
সায়মা ওয়াজেদের উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে ৩টি আন্তর্জাতিক রেজুলেশনের খসড়া তৈরি করা, যেগুলো পরে জাতিসংঘ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য দেশগুলো গ্রহণ করেছে। সেগুলো হলো:
- ২০১৪ সালে ডব্লিউএইচও ৬৭ দশমিক ৮ (কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটেড এফর্টস ফর দ্য ম্যানেজমেন্ট অব অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার)
- ২০১২ সালে ডব্লিউএইচও-আরসি: সিইএ/আরসি৬৫/আর৮ (কম্প্রিহেনসিভ অ্যান্ড কো-অর্ডিনেটেড এফর্টস ফর দ্য ম্যানেজমেন্ট অব অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিস)
- ২০১২ সালে ইউএনজিএ: ৬৭/৮২ (অ্যাড্রেসিং দ্য সোশিওইকোনমিক নিডস অব ইনডিভিজুয়ালস, ফ্যামিলিস অ্যান্ড সোসাইটিস অ্যাফেক্টেড বাই অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডারস, ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডারস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটেড ডিজঅ্যাবিলিটিস)
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নেতৃত্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় পানিতে ডুবে মৃত্যুহার কমাতে রেজ্যুলেশন
১০৪২ দিন আগে
কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে ডব্লিউএইচও: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বে বাংলাদেশকে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে ভারতের দিল্লিতে ৩ দিন ব্যাপী চলা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে এ স্বীকৃতির সনদপত্র দেওয়া হয়।
স্বীকৃতির সনদপত্রটি তুলে দেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পুনম খেত্রপাল এবং এটি গ্রহণ করেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
আরও পড়ুন: সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেদ্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস।
জাহিদ মালেক বলেন, এর আগে বাংলাদেশ ফাইলেরিয়া ও পোলিও নির্মূল করে সনদ পেয়েছিল।
তিনি বলেন, এবার বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূলে বিশ্বে প্রথম হওয়ায় এটি একটি জাতিগত প্রশংসিত অর্জন হয়েছে। এ অর্জনে দেশের স্বাস্থ্যখাতসহ আমরা সকলেই গর্বিত।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী এই অর্জনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ পরামর্শ ও নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক এর প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কমিউনিটি ক্লিনিক এখন ভরসার জায়গা হতে পেরেছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মশা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তিনি বলেন, প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের মানুষের জন্য শেখ হাসিনার বিশেষ অবদান দেশের ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিকের প্রতিটি থেকে ওই এলাকার প্রায় ছয় হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছে। ধীরে ধীরে দেশের দুর্গম এলাকাতেও প্রস্তুত করা হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক। ক্লিনিকগুলো থেকে ৩০ রকমের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে।
মন্ত্রী বলেন, এর পাশাপাশি গ্রামের মায়েদের নিরাপদ সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রেও কমিউনিটি ক্লিনিক কাজে লাগছে। এর সুফল হিসেবে গত কয়েক বছরের জড়িপে বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যু হার প্রতি লাখে ৩২০ জন থেকে হ্রাস পেয়ে এখন ১৬৩ জন হয়েছে। একইভাবে প্রতি হাজার জীবিত শিশুর মৃত্যুহার ৬৫ জন থেকে হ্রাস পেয়ে ২৮ জনে নেমে এসেছে।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কমিউনিটি ক্লিনিকের সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে সম্প্রতি জাতিসংঘ কর্তৃক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কমিউনিটি ক্লিনিক ধারণাকে ‘শেখ হাসিনা উদ্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মন্ত্রী বাংলাদেশের মাতৃমৃত্যুহার হ্রাস, শিশুমৃত্যুহার হ্রাস করা, গড় আয়ু বৃদ্ধি, টিকাদানে বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ সফলতা, করোনাকালীণ দুর্যোগে ১৫ হাজার চিকিৎসক, ২৫ হাজার নার্সসহ প্রায় দেড় লাখ মানুষের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুর টিকা আপাতত কোনো কাজে আসছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১০৪৩ দিন আগে
'আমি সবসময় জানি আমি কে, আমাকে এমন এক মা বড় করেছেন যিনি একরাতে সবকিছু হারিয়েছেন'
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদের অন্যতম প্রার্থী সায়মা ওয়াজেদ ‘ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া’ উল্লেখ করে তার সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
অটিজম নিয়ে কাজ করা সায়মা ওয়াজেদ ভারতীয় ইংরেজি ভাষার সংবাদ চ্যানেল ডব্লিউআইওএন-এর কূটনৈতিক প্রতিবেদক সিধান্ত সিবালের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচিত হলে আমার আসল লক্ষ্য থাকবে- মানসিক স্বাস্থ্য, যা অত্যন্ত অবহেলিত এবং বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এটিকে সমগ্র স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টিও নিশ্চিত করা।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অফিস ৬টি প্রধান আঞ্চলিক ইউনিটের মধ্যে একটি এবং ১১টি সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করে।
আরও পড়ুন: বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী সায়মা ওয়াজেদের মমত্ববোধ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে হওয়ায় তার রাজনৈতিক সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে সায়মা ওয়াজেদ বলেন, ‘আমি সবসময় জানি আমি কে এবং আমি জানি যে সবসময় তা মনে করিয়ে দেওয়া হবে, তবে আমি শরণার্থী হিসেবেও বেড়ে উঠেছি, আমাকে এমন এক মা বড় করেছেন যিনি এক রাতে সবকিছু হারিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘আপনি যখন খুব, খুব গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যন্ত সফল কারো কন্যা হন, তখন সবাই ধরে নেয় যে বিষয়গুলো আপনার পক্ষে অনেক সহজ হবে। তবে কঠোর পরিশ্রম না করলে আপনি সফল হতে পারবেন না।’
২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস ডব্লিউএইচও সিইএআরও’র পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম সংশ্লিষ্ট সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কাছে পাঠিয়েছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানালেন সায়মা ওয়াজেদ
প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ থেকে মনোনীত সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও নেপাল থেকে মনোনীত ড. শম্ভু প্রসাদ আচার্য।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কমিটি ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ৭৬তম অধিবেশনে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক মনোনীত করার জন্য ভোট দেবে।
এরপর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ২০২৪ সালের ২২ থেকে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের ১৫৪তম অধিবেশনে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে।
নবনিযুক্ত আঞ্চলিক পরিচালক ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং একবার পুনরায় নিয়োগের যোগ্য হবেন।
আরও পড়ুন: ভাষা শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন সজীব ওয়াজেদ
১০৫৩ দিন আগে
ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচন: সায়মা ওয়াজেদকে সমর্থনের জন্য থাইল্যান্ডের প্রতি বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন মোমেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন সায়মা ওয়াজেদকে সমর্থনের জন্য থাইল্যান্ড সরকারের প্রতি বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
বাংলাদেশ সরকার সায়মা ওয়াজেদকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক পদের জন্য মনোনীত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সোমবার (১৬ অক্টোবর) একটি উচ্চ-পর্যায়ের আঞ্চলিক বৈঠকে যোগদানের জন্য থাইল্যান্ডের ব্যাংককে থাই জনস্বাস্থ্য বিষয়কমন্ত্রী ডা. চোলনান শ্রীকাউয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আরও পড়ুন: চলতি মাসে ব্রাসেলসে গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী: মোমেন
এসময় আব্দুল মোমনে ডব্লিউএইচও এসইএআরও -এর আঞ্চলিক পরিচালক পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. সায়মা ওয়াজেদকে সমর্থন জানানোর জন্য থাই সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
থাই জনস্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের সিদ্ধান্তকে ‘বাংলাদেশের প্রতি শক্তিশালী সমর্থন’ বলেও উল্লেখ করেছেন।
ডব্লিউএইচও এসইএআরও -এর পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচনের প্রার্থীদের নাম ডব্লুএইচও মহাপরিচালক ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রেইসাস চলতি বছরের ১৮ আগস্ট সংশ্লিষ্ট সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে পাঠিয়েছিলেন।
প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশের মনোনীত সায়মা ওয়াজেদ এবং নেপাল মনোনীত ডা. শম্ভু প্রসাদ আচার্য।
ডব্লিউএইচও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিটি ভারতের নয়াদিল্লিতে ৩০ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত একটি বৈঠকে পরবর্তী আঞ্চলিক পরিচালক মনোনীত করার জন্য ভোট দেবে।
তারপরে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ২০২৪ সালের ২২ থেকে ২৭ জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচও নির্বাহী বোর্ডের ১৫৪তম অধিবেশনে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়া হবে।
নবনিযুক্ত আঞ্চলিক পরিচালক ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং একবার পুনরায় নিয়োগের জন্য যোগ্য হবেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বর্তমানে দুইদিনের সরকারি সফরে থাইল্যান্ডে রয়েছেন। সোমবার (১৬ অক্টোবর) বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল হাই।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা শরণার্থী বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের আঞ্চলিক বৈঠকে যোগ দিতে ব্যাংককে মোমেন
এরপর সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে ড. মোমেনথাই জনস্বাস্থ্য বিষয়কমন্ত্রী ড. চোলনান শ্রিকাওয়ের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ড. চোলনান শ্রিকাও তার কার্যালয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে স্বাগত জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসময় ড. চোলনান শ্রিকাওকে অভিনন্দন জানান।
১০৫৮ দিন আগে