পূর্বাঞ্চল
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের হামলা
লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকাকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল এসব হামলা চালায় বলে দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এনএনএর বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলো স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে পূর্ব লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় পর্বতমালার উচ্চতায় এবং পূর্ব লেবাননের বালবেক জেলার একটি এলাকায় একাধিক হামলা চালিয়েছে।
বিমান হামলার আগে, ইসরায়েলি বিমানগুলো পূর্ব লেবাননের হারমেল শহর এবং উত্তর বেকা শহরের উপর দিয়ে অনেক বেশি ও কম উচ্চতায় উড়ছিল। বৈরুত ও এর নিকটবর্তী শহরগুলোতেও ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও এই হামলার ঘটনা ঘটলো। যুদ্ধবিরতি ২০২৪ সালের ২৭ নভেম্বর কার্যকর হয়। এই যুদ্ধবিরতির চুক্তির উদ্দেশ্য ছিল গাজায় যুদ্ধ শুরুর কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষের অবসান ঘটানো।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৭
চুক্তিতে বলা হয়েছিল যে ইসরায়েল ৬০ দিনের মধ্যে লেবাননের অঞ্চল থেকে সরে আসবে। একই সঙ্গে লেবানন-ইসরায়েলি সীমান্ত এবং দক্ষিণাঞ্চলে লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। এটি নিশ্চিত করে যে লিটানি নদীর দক্ষিণে কোনো অস্ত্র বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য থাকবে না।
তবে লেবাননের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২৭ জানুয়ারি ঘোষণা করেছিল যে, দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ছাড়াই প্রাথমিক ৬০ দিনের সময়সীমা শেষ হওয়ার পরে তারা ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লেবাননে মাঝেমধ্যে হামলা অব্যাহত রেখেছে এবং দাবি করেছে যে তাদের লক্ষ্য হিজবুল্লাহর সৃষ্ট ‘হুমকি’ নির্মূল করা।
৩৩৪ দিন আগে
ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সশস্ত্র হামলায় নিহত ৭
ব্রাজিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিয়ারা রাজ্যের একটি টাউন স্কয়ারে বৃহস্পতিবার ভোরে সশস্ত্র হামলাকারীদের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দেশটির সামরিক পুলিশ।
ভিকোসা দো সিয়ারা শহরের চত্বরের নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ করা ছবিতে দেখা গেছে, সশস্ত্র সন্দেহভাজনরা বেশ কয়েকটি গাড়ি ঘটনাস্থলে নেমে বেশ কয়েকজন মানুষকে তাদের হাত মাথার উপর উঁচু করে রাখতে বাধ্য করে।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে ডে কেয়ার সেন্টারে ৪ শিশুকে হত্যা, আহত ৩
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা অন্তত ৫০টি গুলির শব্দ শুনেছেন, এতে নারী-পুরুষসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। আহত দুজনকে পৌর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ এই হামলার কোনও কারণ খুঁজে পাননি, তবে উল্লেখ করেছে যে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে কমপক্ষে একজনের গোড়ালিতে মনিটর পরা ছিল। সাধারণত প্যারোলে মুক্ত থাকা বা বিচারের অপেক্ষায় থাকা ব্যক্তিরা এ ধরণের পোশাক পরেন।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে একটি বাড়ির ভিতরে চারজনকে গুলি করে হত্যার পর সাম্প্রতিক সময়ে ভিকোসা দো সিয়ারায় এই হামলাটি দ্বিতীয় সহিংস ঘটনা।
আরও পড়ুন: ব্রাজিলে কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৫
৫৬৫ দিন আগে
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য অঞ্চল পাপুয়া প্রদেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
শুক্রবার (২১ জুন) সকালে বড় ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এই ভূকম্পনটি অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ুবিদ্যা এবং ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা।
সংস্থাটি জানায়, আজ জাকার্তার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১১ মিনিটে কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ইয়ালিমো রিজেন্সি থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠের ৭৮ কিলোমিটার গভীরে ছিল।
আরও পড়ুন: ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা
ভূমিকম্পের কম্পনে বড় ধরনের ঢেউ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা না থাকায় কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
প্রাদেশিক আবহাওয়া সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ক্যারোলিন সিনহুয়াকে বলেন, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর কর্মকর্তারা পাননি।
ইন্দোনেশিয়া, একটি দ্বীপপুঞ্জ, ভূমিকম্পের সক্রিয় ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’ এর উপর অবস্থিত, এটি ভূমিকম্পের জন্য সংবেদনশীল।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প
৫৬৫ দিন আগে
চীনের পূর্বাঞ্চলে বন্যায় নিহত ২, নিখোঁজ ৫
চীনের পূর্বাঞ্চলে প্রবল বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় দুইজন নিহত এবং আরও ৫ জন নিখোঁজ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।
পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশের হুয়াংশান শহরে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে বৃষ্টিপাতের ফলে ২০০ জনেরও বেশি বাসিন্দাকে জরুরি উদ্ধারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১০০ জনেরও বেশি বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: চীনের দক্ষিণাঞ্চলে প্রবল বন্যা; চতুর্থ স্তরের জরুরি অবস্থা জারি
শহরটি বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য তার জরুরি প্রতিক্রিয়া তৃতীয় স্তর থেকে দ্বিতীয় স্তরে উন্নীত করেছে।
চীনে চার স্তরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যে প্রথম স্তরটি সবচেয়ে মারাত্মক।
আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টির কারণে ২৭ হাজার বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়েছে চীন
৫৬৫ দিন আগে