জাবি শিক্ষার্থী
নিখোঁজ জাবি শিক্ষার্থীকে পাওয়া গেল কুমিল্লায়
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মোহাইমিনুল ইসলামকে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দাউদকান্দি মডেল মসজিদের পাশের একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলাম পলাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, মোহাইমিনুল অন্য একজনের মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে তার বিভাগের শিক্ষার্থী শফিউজ্জামান শাহীনকে মেসেঞ্জারে বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় তিনি দাউদকান্দি মডেল মসজিদের আশপাশে রয়েছেন বলে জানান এবং তাকে উদ্ধারের অনুরোধ করেন।
বার্তাটি পাওয়ার পর সাভার থানা পুলিশ বিষয়টি দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশকে জানায়। পরে দাউদকান্দি পুলিশ অভিযান চালিয়ে মসজিদের পাশের একটি বাড়ি থেকে মোহাইমিনুলকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এরপর রাত ১০টার দিকে সাভার থানা পুলিশ দাউদকান্দি থানায় পৌঁছালে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ওসি পলাশ বলেন, ‘মোহাইমিনুলকে কেউ আটকে রাখেনি। তিনি নিজেই মসজিদের পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন বলে আমরা জানতে পেরেছি।’
উদ্ধার হওয়ার পর মোহাইমিনুলকে শারীরিকভাবে সুস্থ মনে হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গতকাল (সোমবার) বিকেলে মোহাইমিনুলের সন্ধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি মোহাইমিনুলের সন্ধানে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগসহ প্রশাসনের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা জানান।
গত রবিবার বিকেল ৩টা ৮ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের সামনে থেকে ঢাকাগামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিআরটিসি বাসে ওঠেন মোহাইমিনুল। এরপর তার কক্ষে একটি সুইসাইড নোট পাওয়া যায়। সেখানে বিভাগের অবহেলার কথা উল্লেখ থাকায় বিষয়টি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নোট পাওয়ার পর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করাও সম্ভব হচ্ছিল না।
২ দিন আগে
জাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় আটক রিকশাচালক নির্দোষ: দাবি পরিবারের
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের (৫৩তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী আফসানা করিম রাচির মৃত্যুর ঘটনায় আটক রিকশাচালক আরজু মিয়াকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তার পরিবার।
পরিবারটি অভিযোগ করে বলেন, প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আফসানা করিম রাঁচির মৃত্যুর পরে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমানোর জন্য প্রশাসন তড়িঘড়ি করে রিকশাচালক আরজু মিয়াকে ফাঁসিয়েছে। আরজু মিয়াকে নির্দোষ দাবি করে তাকে দ্রুত মুক্তির প্রার্থনা করেন তারা।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবনের (রেজিস্ট্রার বিল্ডিং) সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এই অভিযোগ করেন তারা।
এসময় আটক রিকশাচালক আরজু মিয়ার মেয়ে আরজিনা আক্তার বলেন, ‘আমার বাবা আরজু মিয়া একজন দর্জি। তিনি সৎভাবে ব্যবসা করেন। এলাকার সবার কাছে তার একটা সুনাম আছে। পাশাপাশি তিনি অটোরিকশা কিনে রং করে পুনরায় বিক্রি করেন। জাবি শিক্ষার্থী রাঁচি যখন মারা যায় তখন আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টা বাজে। সেইসময় আমার বাবা এলাকার দোকানে বসে ছিলেন। তার অবস্থান সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজও আছে— যা আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে জমা দিয়েছি।’
আরজু মিয়ার স্ত্রী বলেন, ‘আমরা গরীব মানুষ তাই কিছুই করতে পারি না। কেউ আমাদের সহযোগিতাও করে না। বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েছি বার বার কেউ সহযোগিতা করেননি। ভিসি স্যারের কাছেও গেছি কোনো সহযোগিতা পাইনি। আমার পরিবারের একমাত্র আয়-রোজগার করতো আরজিনার বাবা। তিনি জেলে যাওয়ায় এখন আয় বন্ধ। আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। আমার স্বামী অসুস্থ। তার মুক্তি চাই।’
আরও পড়ুন: পুলিশকে মারধরের প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, এটি একটি সেনসিটিভ ইস্যু। বিষয়টি তদন্তের প্রক্রিয়ায় আছে তাই এখন আপাতত কোনো মন্তব্য করতে পারছি না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানাতে পারবো। তবে আমরা চাই নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায়। প্রকৃত অপরাধী শাস্তির আওতায় আসুক—এটাই চাই।
এর আগে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিক অনুষদের শহীদ মিনারের সামনের রাস্তায় মার্কেটিং বিভাগের প্রথম বর্ষের (৫৩ ব্যাচ) শিক্ষার্থী আফসানা কারিম রাচি ব্যাটারিচালিত রিকশার ধাক্কায় নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।
এর প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলন শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত ২৪ নভেম্বর ক্যাম্পাসের পাশ্ববর্তী গেরুয়া এলাকা থেকে আরজু মিয়া নামের এক রিকশাচালককে আটক করে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে।
৫৭৯ দিন আগে
ব্র্যাকের সাবেক শিক্ষক আসিফ মাহতাব ও জাবি শিক্ষার্থীর ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
রাজধানীর বনানীতে সেতু ভবনে হামলার মামলায় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আসিফ মাহতাব উৎস এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেলের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার (২৯ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মইনুল ইসলাম শুনানি শেষে তাদের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দেন।
এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিমের পরিদর্শক আবু সাইদ মিয়া তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
আদালতে বনানী থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপপরিদর্শক শাহ আলম রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: রিমান্ড শেষে কারাগারে নুরুল হক নুর
শনিবার (২৭ জুলাই) রাত ১টার দিকে আসিফ মাহতাবকে উত্তরার বাসা থেকে ডিবি সদস্যরা আটক করে নিয়ে যায় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছে তার পরিবার।
ওই দিন রাত সোয়া ৩টার দিকে সাদা পোশাকধারী আট থেকে নয়জনের একটি দল আরিফ সোহেলকেও তুলে নিয়ে যায়। সে সময় তারা নিজেদের সিআইডি ও ডিবির সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন।
গত ১৮ জুলাই সেতু ভবনে হামলা হয়। এ ঘটনায় সেতু ভবনের কেয়ারটেকার রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে বনানী থানায় একটি মামলা করেন। হামলায় সেতু ভবনের ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রিজভী-পরওয়ার-নুরসহ ৮ জনের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
৮০৮ দিন আগে