চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩
চট্টগ্রামের মিরসরাই ও পটিয়া উপজেলায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চালক ও সহকারীসহ তিনজন হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪ জন।
রবিবার (২২ জুন) সকালে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
এর মধ্যে মিরসরাইয়ে ড্রামট্রাক ও চলন্ত লরির ধাক্কায় ২ জন এবং পটিয়া বাইপাস সড়কের বৈলতলী রোড ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় একজন নিহত ও ৪ জন আহত হন বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মিরসরাইয়ের দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— ড্রামট্রাক চালক মো. ফারুক হোসেন (৩৯)। তিনি খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বসু মিয়া পাড়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে। তার সঙ্গে প্রাণ হারিয়েছেন চালকের সহকারী রবিউল ইসলাম (৩৫)। তিনি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার চকতৈল এলাকার আনোয়ারুল ইসলামের ছেলে।
এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন বলেন, সকালে রবিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাইয়ের ঠাকুরদিঘি বাজারের উত্তর পাশে ঢাকামুখী লেনে দ্রুত গতির ড্রামট্রাকটি ওভারটেক করার সময় কন্টেইনারবাহী চলন্ত লরির পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই চালক ও তার সহকারী নিহত হন।
আরও পড়ুন: নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত
এসআই আরও জানান, তাদের লাশদুটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গাড়িগুলো পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে, আজ ভোরে পটিয়া বাইপাস সড়কের বৈলতলী রোড এলাকায় শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ও মাছবাহী একটি ট্রাকের সংঘর্ষে ট্রাকচালক মোহাম্মদ মোরশেদ (২৪) নিহত হয়েছেন।
পটিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, শ্যামলী পরিবহনের বাসটি চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান যাচ্ছিল। এ সময় ট্রাকটির সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ট্রাকের চালক। এ ঘটনায় আরও ৪ জন আহতও হয়েছেন।
৩৪৭ দিন আগে
খেলতে গিয়ে উন্মুক্ত সেপটিক ট্যাংকে পড়ল দুই শিশু, উঠল লাশ হয়ে
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক ট্যাংক থেকে ফয়সাল ফারাবী (৯) ও সাখাওয়াত হোসেন (৮) নামে দুই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) রাত ১০টার দিকে পৌরসভার পশ্চিম ছাগলনাইয়ার সাত মন্দির রোড এলাকা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
নিহত ফয়সাল ফারাবী উপজেলার পাঠাননগর ইউনিয়নের পূর্ব শিলুয়া গ্রামের কাতারপ্রবাসী ইকবাল হোসেনের ছেলে এবং সাখাওয়াত হোসেন ঘোপাল ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের দুবাইপ্রবাসী সামছুল হকের ছেলে। তাদের দুই পরিবারই সাত মন্দির রোড এলাকার শেখ ভবনে ভাড়া বাসায় থাকে।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, নিহত দুই শিশু খেলার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে পাশের নির্মাণাধীন ভবনে যায়। সেখানে খেলার সময় অসাবধানতাবশত খোলা সেপটিক ট্যাংকে পড়ে যায় তারা। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মৃত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, ভবনটির নির্মাণকাজ চললেও সেখানে কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। সেপটিক ট্যাংকের মুখ খোলা ছিল, অথচ সেখানে কোনো ঢাকনা বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থাও ছিল না।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ছাগলনাইয়া থানার উপপরিদর্শক সালাউদ্দিন রাশেদ বলেন, ‘লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
৩৪৮ দিন আগে
ফেনীতে মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ভাঙন, প্লাবিত কয়েকটি গ্রাম
ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ফেনীর ফুলগাজীতে মুহুরী নদীর উত্তর বরইয়া নামক স্থানে এবং সিলোনিয়া নদীর দুটি স্থানে বাঁধে ভাঙন ধরেছে। এতে মুহূর্তেই পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে আশপাশের কয়েকটি গ্রাম।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাত ১০টার দিকে ফুলগাজী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বণিকপাড়া সহদেব বৈদ্যের বাড়ি-সংলগ্ন মুহুরী নদীর বাঁধের একটি স্থানে ও গোসাইপুর এলাকায় সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের একটি অংশে ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
এতে দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন এলাকাবাসী। অনেকে বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। ঘরবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে রান্নাবান্না।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দক্ষিণবরইয়া, বিজয়পুর, বসন্তপুর, ফতেহপুর, বশিখপুরসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ফুলগাজী বাজারে পানি ওঠায় সেখানে দোকানপাটের মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরশুরাম উপজেলায়ও নদীর পাড় দিয়ে পানি ঢুকে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: নিম্নচাপ: পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ ভেঙে ২০ গ্রাম প্লাবিত
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাঁধে ভাঙনের ফলে উত্তর বরইয়া, দক্ষিণ বরইয়া, বণিকপাড়া, বসন্তপুর ও জগতপুর এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এ ছাড়া, এদিন সন্ধ্যা থেকে ফুলগাজী তরকারি বাজার-সংলগ্ন স্থানে মুহুরী নদীর পানি প্রবেশ করে বাজারের একটি অংশ প্লাবিত হয়েছে। একই দিন দুপুর থেকে পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মনিপুর এলাকায় সিলোনিয়া নদীর পানি বেড়ে বাঁধ উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে।
মোর্শেদ নামে বরইয়া এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করেও ভাঙন ঠেকানো যায়নি।’তিরি অভিযোগ করেন,‘গেল বছরের বন্যার এক বছর না পেরোতে আবারও আমরা পানিতে ডুবছি। কিছু কর্মকর্তার দায়সারা কাজের কারণে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুম এলে এ ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।’
আরও পড়ুন: সিরাজগঞ্জে যমুনায় ভয়াবহ ভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে তীর সংরক্ষণ বাঁধ
এ বিষয়ে ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আকতার হোসেন মজুমদার জানান, মুহুরী নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বাধেঁর বেশ কয়েকটি স্থান এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে। একটি স্থানে বাঁধ ভেঙেছে।
এদিকে, ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ফেনীতে ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার রাত থেকে বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
৩৪৯ দিন আগে
সিলেটে প্রাইভেটকার খাদে পড়ে মা-ছেলে নিহত
সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে খাদে পড়ে ছেলেসহ এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
বুধবার (১৮ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মোগলাবাজার থানাধীন শ্রীরামপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— ঝর্ণা বেগম (৩৫) ও তার ছেলে সিয়াম আহমদ (১০)। নিহত ঝর্ণা উপজেলার আকিলপুর গ্রামের জুনেদ আহমদের স্ত্রী।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মোগলাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলিফ আহমদ।
তিনি বলেন, ‘বুধবার দুপুরে একটি প্রাইভেটকারে চড়ে শ্রীরামপুর যাচ্ছিলেন জুনেদ, তার স্ত্রী ও তিন সন্তান। পথে প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন ঝর্ণা বেগম। এ ঘটনায় প্রাইভেট কারে থাকা তার স্বামী ও তিন সন্তান আহত হন।’
আরও পড়ুন: ঈদযাত্রার ১২ দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩১২ মৃত্যু
আলিফ আহমদ জানান, স্থানীয়দের সহযোগীতায় আহতদের উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করে মোগলাবাজার থানা পুলিশ। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে সিয়াম মারা যায়।
নিহত ঝর্ণা বেগম ও সিয়ামের লাশ ওসমানী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
৩৫১ দিন আগে
রামুতে বাস-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩, আহত ৭
কক্সবাজারের রামুতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ক্যাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে বাবা ও ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাত যাত্রী।
সোমবার (১৬ জুন) সকাল ৮ টার দিকে উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামু রশিদ নগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে তিন যানবাহনের সংঘর্ষে নিহত ১
নিহতরা হলেন— কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের হাবিব উল্লাহ, তার ছেলে গিয়াস উদ্দিন ও রামুর পূর্ব রাজারকুলের রিমঝিম বড়ুয়া। নিহত এবং আহতরা সবাই বাসের যাত্রী বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওসি নাছির উদ্দিন বলেন, ‘কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী পুরবী পরিবহনের একটি বাস এবং ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী ক্যাভার্ডভ্যান রামু রশিদনগর এলাকায় পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এর ফলে বাসটি সড়ক থেকে খাদে পড়ে যায় এবং ক্যাভার্ডভ্যানটি সড়কের পাশে একটি গাছে আটকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিন বাসযাত্রী নিহত হন। আহত সাতজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, নিহতদের মধ্যে দুইজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাস ও ক্যাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি উদ্ধারের কাজ চলছে।
৩৫৪ দিন আগে
কুমিল্লায় ৪ জনের নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনা শনাক্ত
কুমিল্লায় চার জনের শরীরে নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে এক নারী চিকিৎসকসহ তিনজন পুরুষ রয়েছেন।
শনিবার (১৪ জুন) কুমিল্লা সিটি স্ক্যান এমআরআই স্পেশালাইজড অ্যান্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারে করোনা পরীক্ষা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর বশির এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
করোনায় আক্রান্তরা হলেন, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আবদুল মোমিন (৭০), কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার ডা. সানজিদা (৩০), বুড়িচং উপজেলার মো. হেলাল আহমেদ (৩৮) এবং সদর উপজেলার মো. ইবনে যুবায়ের (৩৯)।
সিভিল সার্জন ডা. আলী নূর বশির বলেন, গত তিন দিনে কুমিল্লায় ১৩ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা কয়। পরীক্ষা শেষে তাদের মধ্যে চারজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং বাকিদের নগরীর একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নমুনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
তিনি বলেন, চারজনই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে একজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দুজন এরই মধ্যে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চলে গেছেন।
তবে আরেকজনের বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি সিভিল সার্জন।
করোনার প্রথম ধাক্কা কেটে যাওয়ার পর এতদিন কুমিল্লায় নতুন করে কেউ শনাক্ত হয়নি। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছিল। কিন্তু এখন আবার নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি দ্বিতীয় ধাপের শুরু হতে পারে এবং এখনই সতর্ক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
আরও পড়ুন: দেশে আরও সাতজনের শরীরে করোনা শনাক্ত
৩৫৫ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে বেড়াতে গিয়ে মেঘনায় প্রাণ গেল তরুণের
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় ঈদের ছুটিতে খালার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে মেঘনা নদীতে ডুবে অপু মিয়া নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুরে উপজেলার মোহনপুরে মেঘনা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত অপু (১৯) ঢাকার আগারগাঁও এলাকার বাসিন্দা বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি মিরপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে অপু ছিলেন সবার ছোট।
স্বজনরা জানান, ঈদ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে অপু তার বড় ভাই ও মায়ের সঙ্গে খালার বাড়ি মোহনপুরে বেড়াতে আসেন। পরে দুপুরে সে একা নদীতে গোসল করতে গিয়ে মোহনপুর ঘাটে একটি বলগেট (কার্গো নৌকা) থেকে নদীতে লাফ দেন। এ সময় প্রবল স্রোতে তিনি নিখোঁজ হন।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু
স্থানীয়রা তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল হক ইউএনবিকে বলেন, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। লাশটি পরিবারের কাছেহন্তান্তর করা হয়েছে।
৩৫৯ দিন আগে
ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের ঢল খাগড়াছড়িতে
ঈদুল আজহায় টানা ছুটিতে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। বিভিন্ন বয়সী পর্যটকে ভরে উঠেছে প্রধান পর্যটন স্পটগুলো।
আলুটিলা, জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক, রহস্যময় গুহা, রিছাং ঝর্ণাসহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। তবে বাইরের পর্যটকদের তুলনায় স্থানীয় পর্যটকের সংখ্যা বেশি।
এবারের ঈদে বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজারো পর্যটক এসেছেন। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের ধারণা, পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এই সময়ে, খাগড়াছড়ির আলুটিলা এবং আলুটিলার ব্যতিক্রমী সেতু পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। রহস্যময় গুহা এবং রিছাং ঝর্ণা পর্যটকদের মন কেড়েছে। এছাড়া জেলা পরিষদ হর্টিকালচার পার্ক, ঝুলন্ত সেতু, এবং নয়াভিরাম লেকও পর্যটকদের আকর্ষণ করছে।
আরও পড়ুন: খাগড়াছড়িতে পাহার ধসের ঝুঁকি এড়াতে ১২৪টি আশ্রয় কেন্দ্র চালু
৩৫৯ দিন আগে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সহকারী প্রকৌশলী গ্রেপ্তার
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের (কুসিক) সহকারী প্রকৌশলী মো. তোফাজ্জল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (৮ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ নগরীর কোটবাড়ি রোডের চাঙ্গেনী মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার প্রকৌশলী ওই এলাকার সুলতান আহম্মদের ছেলে। তিনি কুসিকের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর যুবলীগের বহিস্কৃত যুগ্ম আহবায়ক আলমগীর হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানান, তোফাজ্জল হোসেনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় গত বছরের ৫ আগস্ট সদর দক্ষিণ ও কোতোয়ালি মডেল থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।
তবে, মামলার পরও তিনি কুসিকের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
আরও পড়ুন: সাভারে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার
এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় রবিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, তোফাজ্জল হোসেন ২০২০ সালের ১০ জুলাই চাঙ্গেনী এলাকায় ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি। তবে, তিনি ওই মামলায় জামিনে আছেন।
আজ (সোমবার) সকালে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করার কথা জানান ওসি।
৩৬০ দিন আগে
চাঁদপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২, শিশুসহ আহত ৫
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় শিশুসহ আরও অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রবিবার (৮ জুন) বিকালে চাঁদপুর-মতলব সড়কের মতলব দক্ষিন উপজেলার বরদিয়া আড়ং এলাকার ব্রীজসংলগ্ন মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— মতলব উত্তর উপজেলার ছোট হলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজির চালক সিদ্দিকুর রহমান (৫০) এবং একই উপজেলার ফতেহপুর গ্রামের বাসিন্দা যাত্রী তপন চৌধুরী (৩৫)।
স্থানীয়রা জানান, জৈনপুর পরিবহন নামক একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশ্য রওয়া হয়। অপরদিকে ছেড়ে আসা চাঁদপুরগামী সিএনজি শিশুসহ ছয়জন যাত্রী নিয়ে রওয়ানা হয়। এ সময় বাস ও সিএনজি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজির চালক ও শিশুসহ মোট সাতজন আহত হয়। তাদেরকে উদ্বার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক চালক ছিদ্দিকুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: কোরবানির মাংস কাটা নিয়ে দ্বন্দ্বে ‘ছোট ভাইয়ের হাতে’ বড়ভাই খুন
অপর দুই যাত্রী তপন ও এক শিশুকে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তপন চৌধুরীকে মৃত ঘোষণা করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশু ফাহিমকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ ইউএনবিকে বলেন, ‘সিএনজি ও বাসটি জব্দ করা হয়েছে। নিহতদের লাশ সদর হাসপাতাল ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।’
তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
৩৬০ দিন আগে