আইনশৃঙ্খলা
অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন বাবর
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (১৯ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে বাবরের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৮ মে বাবরের গুলশানের বাসার শোয়ার ঘর থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করার অভিযোগে একই বছরের ৩ জুন রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা হয়।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
বিচার শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আদালত বাবরকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে ২০০৭ সালেই আপিল করেন। এ মামলার কার্যক্রম হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত ছিল। একই সঙ্গে রুল জারি করেন। এই রুল নিষ্পত্তি করে আজ হাইকোর্ট তার সাজা বাতিল করে রায় দেন।
২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর। সেই থেকে প্রায় ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন বিএনপির এই নেতা।
এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। সেসব মামলা থেকে খালাস ও জামিনের পর চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।
৪৪২ দিন আগে
রাজধানীতে নারী সাংবাদিককে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় এক নারী সাংবাদিককে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে হওয়া মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
সোমবার (১৭ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাটি ঘটে বলে আজ (মঙ্গলবার) রাতে জানিয়েছেন ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
ইউএনবিকে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী দাবি করা ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে মামলা করেন। এরপর আজ সকাল ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে এনামুল হক (৩৮) ও মহিদুর রহমান (৫০) নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজনসহ আটজনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও আটজনসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ডিসি তালেবুর।
৪৪৩ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরের চালক নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর হিরুপাড়ায় ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরচালক নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিকাল ৪টার দিকে স্টেশন থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন রহনপুর স্টেশন মাস্টার আল মামুন।
নিহত চালক আবুল কাশেম উপজেলার নুনগোলা এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে।
স্টেশন মাস্টার আল মামুন বলেন, ‘রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা রহনপুর কমিউটার ট্রেনটি রহনপুর স্টেশনের দিকে আসার সময় একটি ট্রাক্টর রেললাইন পার হতে গিয়ে আটকে যায়। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক্টরের চালক নিহত হন। বিষয়টি রেল পুলিশকে জানানো হয়েছে।’
রহনপুর রেল পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইনাল হক বলেন, ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
৪৪৩ দিন আগে
সিদ্ধিরগঞ্জে আরাকান আর্মির পাঁচ সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালিয়ে এক বাংলাদেশি নাগরিকসহ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব–১১।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমি পল্লী আবাসন এলাকার একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২১ লাখ ৩৯ হাজার ১০০ টাকা জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার আতিকুল ইসলামের ছেলে মনিরুজ্জামান। আরসার পাঁচ সদস্য হলেন— মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের আতাউল্লা আবু আম্মার ওরফে জুনুনী, মোশতাক আহমেদ, সলিমুল্লাহ, সলিমুল্লাহর স্ত্রী আসমাউল হোসনা ও হাসান।
মঙ্গলবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মঈনুদ্দিন কাদির আসামিদের ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরির্দশক কাউয়ুম খান।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র্যাব মঙ্গলবার এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনূর আলম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় র্যাব বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুটি মামলায় ২০ দিনের রিমান্ডের চেয়ে তাদের আদালতে পাঠায় পুলিশ। পরে বিচারক ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।’
৪৪৩ দিন আগে
ওসমান পরিবারের ‘অভাবনীয় জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ
আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানের পরিবারের প্রতিষ্ঠান কে টেলিকমের ‘অভাবনীয় জালিয়াতি’ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত করে পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
সাখাওয়াত হোসেন নামে এক ভুক্তভোগীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ আদেশ দেন। রিট আবেদনকারীর চাহিত পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষনা করা হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
চার সপ্তাহের মধ্যে ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব,, চেয়ারম্যান বিটিআরসি, রেজিস্ট্রার জয়েন স্টক কোম্পানি, বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর, দুদকের চেয়ারম্যান, সিআইডিপ্রধান, আইজিপি, ওসি বনানী থানাসহ শামীম ওসমানের পরিবারের ৫জন সদস্যকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। একটি জাতীয় দৈনিকে ১৪ জানুয়ারি ‘সরকারের পাওনা ১২৬ কোটি টাকা, ফাঁকি দিতে ‘অভাবনীয় জালিয়াতি ওসমান পরিবারের’ শীর্ষক প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট করা হয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর ফকিরারপুলের ডিআইটি রোডের একটি ভবনে ছোট একটি কক্ষে সাখাওয়াত হোসেনের ট্রাভেল এজেন্সির কার্যালয়। সেখানে আসবাবপত্র বলতে শুধু একটি টেবিল ও তিনটি চেয়ার আছে। ভাড়া ছয় হাজার টাকা। সাখাওয়াত ফকিরাপুলেই একটি মেসে থাকেন।
যদিও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নথিপত্রে সাখাওয়াত কে টেলিকম নামের (পরে ইন্টারন্যাশনাল ভয়েস টেল লিমিটেড নামকরণ হয়) একটি ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে বা আইজিডব্লিউ কোম্পানির অংশীদার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। আইজিডব্লিউ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশ থেকে টেলিফোন কল বাংলাদেশে আসে।
কে টেলিকমের কাছে বিটিআরসির পাওনা ১২৬ কোটি টাকার বেশি। পাওনা আদায়ে বিটিআরসি কোম্পানিটির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। প্রশ্ন হলো, সাখাওয়াত কীভাবে এত বড় প্রতিষ্ঠানের মালিক হলেন? গত ১৭ ডিসেম্বর ফকিরাপুলে সাখাওয়াতের কার্যালয়ে গিয়ে তার কাছে এই প্রশ্নই করা হয়েছিল।
তিনি বলেন, আমি নিজেই তো জানতাম না, আমি মালিক। ১৮ অক্টোবর বিটিআরসির কর্মকর্তারা রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) থানার পুলিশ নিয়ে আমার গ্রামের বাড়িতে যান। তখনই আমি এই কোম্পানি ও নিজের মালিকানার কথা জানতে পারি। কে টেলিকমের মালিক ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শামীম ওসমানের পরিবার। শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান ও ছেলে ইমতিনান ওসমানের নামে ২০১২ সালে ১৫ বছরের জন্য কে টেলিকমের লাইসেন্স নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটিতে শামীম ওসমানের শ্যালক তানভীর আহমেদ এবং তার (শামীম ওসমান) ঘনিষ্ঠ জয়নাল আবেদীন মোল্লা ও জাহাঙ্গীর হোসেন মোল্লার মালিকানাও ছিল।
নথিপত্রে দেখা যায়, ২০১৩ সালের ৪ আগস্ট ওসমান পরিবার কে টেলিকমের মালিকানা সাখাওয়াত হোসেন, সিলেটের স্কুলশিক্ষক দেবব্রত চৌধুরী ও বগুড়ার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী রাকিবুল ইসলামের নামে হস্তান্তর করে। তারা তিনজন বলেছেন, তারা কেউই এ বিষয়ে জানতেন না। জালিয়াতি করে তাদের মালিক দেখানো হয়েছে।
এদিকে বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারের পাওনা টাকার দায় এড়াতে তড়িঘড়ি করে ওসমান পরিবার কে টেলিকমের মালিকানা ওই তিন ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করে। এ ক্ষেত্রে জালিয়াতি করা হয়েছে। ভুয়া ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা ওসমান পরিবারের এই কারসাজির সহযোগী ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর শামীম ওসমান পরিবারসহ আত্মগোপনে রয়েছেন। তার (শামীম ওসমান) বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর টেলিযোগাযোগ খাতে বেশ কিছু লাইসেন্স দেওয়া হয়। তখন বিদেশ থেকে কল আনা ছিল লাভজনক ব্যবসা। জাহাঙ্গীর কবির নানক, শামসুল হক টুকু, শামীম ওসমানসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা তখন আইজিডব্লিউ লাইসেন্স নেন। লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হয় এবং বিদেশ থেকে আনা কল থেকে আয়ের একটি অংশ বিটিআরসিকে দিতে হয়।
আরও পড়ুন: গুম তদন্ত কমিশনের মেয়াদ বাড়ল আরও সাড়ে ৩ মাস
‘রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পাওয়া ব্যক্তিরা বিটিআরসির পাওনা না দিয়ে একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিটিআরসি এখনো ৯২১ কোটি টাকার বেশি পাবে। বিটিআরসি নথিপত্র অনুযায়ী, কে টেলিকমের কাছ থেকে পাওনা আদায়ে বিটিআরসি ২০১৪ সালের ২২ জুন মামলা করে। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বিটিআরসি ও পুলিশ যায় নতুন ‘মালিকদের’ বাড়িতে।
শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে নতুন ‘মালিক’ হওয়া বগুড়ার আদমদীঘির বাসিন্দা রাকিবুল ইসলাম বলেন, তিনি কীভাবে এই কোম্পানির মালিক হয়েছেন, তা তিনি জানেন না। তিনি ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ঢাকার সাভারে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেছেন। এখন বগুড়ায় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানে সামান্য বেতনে অফিস সহকারী হিসেবে কাজ করেন।
২০২৪ সালের মে মাসে বিটিআরসি কর্মকর্তারা বগুড়ায় তার বাড়িতে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে রাকিবুল বলেন, বিটিআরসির স্যাররা দেখে গেছে আমি কী অবস্থায় থাকি।
তিনি বলেন, তার ধারণা তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে এই জালিয়াতি হয়েছে। শুধু এ ঘটনা নয়, তার এনআইডি ব্যবহার করে স্মার্টফোনে আর্থিক সেবার (এমএফএস) হিসাবও খোলা হয়েছিল। সিলেটের গোলাপগঞ্জের সরকারি এমসি অ্যাকাডেমির ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক দেবব্রত চৌধুরীর খোঁজ পেয়ে বিটিআরসি ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করায়।
দেবব্রত বলেন, তাকে গ্রেপ্তারের খবরে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে এবং পরদিন তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয় পুলিশ। তিনি ২০০৩ সাল থেকে এমসি অ্যাকাডেমিতে কর্মরত। সিলেট নগরে দুই কক্ষের একটি ভাড়া বাসায় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করেন বলে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪৪৩ দিন আগে
পদ্মায় মাছ ধরতে গিয়ে আটক বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিল বিএসএফ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় আটক আলমগীর শেখ নামে এক বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের পর আটক জেলেকে ফেরত দেওয়া হয়। আজ (মঙ্গলবার) বিকালে ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আলমগীর শেখ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী রামনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবির বিজ্ঞপ্তিত থেকে জানা যায়, সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে রঘুনাথপুর সীমান্তে প্রবাহিত পদ্মা নদীতে ছোট নৌকা নিয়ে মাছ ধরার সময় অবৈধভাবে ভারতের প্রায় ৭০০ গজ ভেতরে ঢুকে পড়েন আলমগীর শেখ। এ সময় ভারতের নিমতিতা বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা তাকে আটক করে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল ভারত
এ ঘটনা জানার পর ৫৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনির-উজ-জামান ভারতে অনুপ্রবেশকারী আলমগীর শেখকে ফেরত চেয়ে বিএসএফের কমান্ড্যান্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর আজ (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ১০/৪-এস নম্বর সীমান্ত পিলার এলাকায় বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নৌকা ও জালসহ আলমগীর শেখকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ফেরত পাওয়া আলমগীর শেখকে নৌকা ও জালসহ শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
৪৪৩ দিন আগে
‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন’ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ইসির গণবিজ্ঞপ্তি স্থগিত
নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন’ নামক রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এ বিষয়ে করা একটি রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) এই আদেশ দেওয়া হয়েছে।
নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদনপত্র আহ্বান করে গত ১০ মার্চ ওই গণবিজ্ঞপ্তি দেয় ইসি। এরপর গণবিজ্ঞপ্তির বৈধতা নিয়ে ‘রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের’ প্রধান সমন্বয়ক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাসনাত কাইয়ূম ১৬ মার্চ রিট করেন।
আজ (মঙ্গলবার) ওই রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন; সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ।
হাসনাত কাইয়ূম জানান, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ব্যর্থ করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ৯০ (খ)–এর আলোকে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য আবেদন চেয়ে ১০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তি কেন আইনগত কর্তৃত্ব-বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এই মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
আরও পড়ুন: নীতিমালা ছাড়া রাষ্ট্রপতির ক্ষমার ক্ষমতা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল
শুনানি শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিব, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনকে চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে আদেশ দিয়েছেন বিচারপতি মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
গত ১০ মার্চ প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তিতে, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০ (ক)–এর আওতায় রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করতে ইচ্ছুক এবং ২০০৮ সালের রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালায় উল্লিখিত শর্ত পূরণে সক্ষম—এমন রাজনৈতিক দলগুলোকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা অনুসারে বিধিমালায় সংযোজিত ফরম-১ পূরণ করে ২০ এপ্রিলের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০ (ক) অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল ৯০ (খ)-তে উল্লিখিত শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে কমিশনে দলের নাম নিবন্ধন করতে পারবে।
৯০ (খ) ধারায় জেলা, উপজেলা পর্যায়ে কার্যালয় ছাড়াও নিবন্ধনের জন্য সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে। যেমন: কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকা, অনূর্ধ্ব এক-তৃতীয়াংশ প্রশাসনিক জেলায় জেলা অফিস ও অন্যূন ১০০টি উপজেলা বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন থানায় অফিস প্রতিষ্ঠা, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে ন্যূনতম ২০০ ভোটারের তালিকাভুক্তি ইত্যাদি।
আরও পড়ুন: স্বরাষ্ট্র সচিবকে হাইকোর্টে তলব
রিটের বিষয়ে আইনজীবী হাসনাত কাইয়ূম বলেন, ‘রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের জন্য কমপক্ষে ১০০ উপজেলা ও ২২ জেলায় দলের কমিটি থাকতে হবে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু পার্বত্য তিন জেলায় ২০টি উপজেলা রয়েছে। এ কারণে পাহাড়ি জনগোষ্ঠী আগ্রহী হলেও রাজনৈতিক দল নিবন্ধন করতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের সময় ২০১১ সালেব গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে ওই শর্ত যুক্ত করা হয়। ৫ শতাংশ উপজেলায় ও ১০ শতাংশ জেলা কমিটি থাকাসহ সর্বমোট ৫ হাজার সদস্য থাকলে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেওয়ার সুপারিশ করেছে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন।’
এ অবস্থায় তড়িঘড়ি করে পুরোনো আইনে ওই গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন হাসনাত কাইয়ূম।
সংবিধানে রাজনৈতিক দলের যে সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, এই গণবিজ্ঞপ্তি সেই চেতনার পরিপন্থী—এসব যুক্তিতেই তিনি রিট করেছেন বলে জানান।
৪৪৩ দিন আগে
শেখ হাসিনা ও পরিবারের আরও ৩১ ব্যাংক হিসাব জব্দ
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও বোন শেখ রেহানাসহ তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও ৩১টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন এ আদেশ দেন।
দুদকের তথ্য অনুযায়ী, ৩১টি ব্যাংক হিসাবে জমা থাকা অর্থের পরিমাণ ৩৯৪ কোটি ৬০ লাখ ৭২ হাজার ৮০৫ টাকা।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদসহ তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্টদের নামে থাকা ৩১টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।’
আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
দুদক উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করতে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরও ৩১টি অ্যাকাউন্টের অস্থাবর সম্পদসমূহ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা হচ্ছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব অ্যাকাউন্ট অবিলম্বে অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।
অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা যেন তাদের অস্থাবর সম্পদ ও সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন, স্থানানান্তর বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করতে না পারেন, এ কারণে হিসাবগুলো অবরুদ্ধ করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
এর আগে গত ১১ মার্চ শেখ হাসিনা, তার ছেলে, মেয়ে, ছোট বোন ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১২৪টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ও শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির বাসভবন সুধা সদনসহ তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা আরও কিছু সম্পত্তি জব্দের আদেশ দেন একই আদালত। একই সঙ্গে হাসিনাসহ তার পরিবারের সাতজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়।
৪৪৩ দিন আগে
বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ নিয়ে রিট শুনতে বিব্রত বিচারপতি
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫ এর চারটি ধারার বৈধতা নিয়ে রিট শুনতে বিব্রতবোধ করেছেন হাইকোর্টের একজন বিচারপতি। আদালত রিটের নথিটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। সোমবার (১৭ মার্চ) বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি বলেন, ‘আমি এখানে পক্ষ। কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে সভায় ছিলাম। তাই আবেদনটি শুনতে পারছি না।’
এরপর রিটটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলেন আদালত। এ সময় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আরজি জানান।
পরে আদালত বিব্রতবোধের কথা উল্লেখ করে বিষয়টি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর আদেশ দেন। নিয়ম অনুযায়ী, বিষয়টি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি শুনানির জন্য যে বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন, সেই বেঞ্চে রিটের শুনানি হবে।
আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আহসানুল করিম ও আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী।
আরও পড়ুন: সাবেক বিচারপতি মানিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের লক্ষ্যে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ শিরোনামে অধ্যাদেশ গত ২১ জানুয়ারি গেজেট আকারে জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
অধ্যাদেশের কয়েকটি ধারা সংশোধনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানিয়ে গত ২৩ জানুয়ারি আইনি নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আজমল হোসেন।
এ বিষয়ে তিন দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানানো হয়। আইনি নোটিশের জবাব না পেয়ে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন তিনি। অধ্যাদেশের ৩, ৪, ৬ ও ৯ ধারার বৈধতা নিয়ে রিটটি করা হয়।
৪৪৪ দিন আগে
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মিজান নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোক্তাগীর আলম এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ছালাম হাওলাদার, মো. আলমগীর, আব্দুল মালেক, মো. ফিরোজ মোল্লা ও আইউব আলী। মিজান ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের বাসিন্দা।
রায়ের সময় আদালতে দুইজন উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৩ জন পলাতক রয়েছেন। বিচারক এই মামলায় অন্য ৭ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: ১১ বছর আগে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি ওয়াহিদ হাসান বাবু বলেন, ‘২০০৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের কাপালির হাট বাজারে মামলার বাদী মো. রাকিবুল ইসলামের সাইকেলে পার্সের দোকানে ডাকাতি করে। এসময় তিনি দোকানে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুম থেকে উঠে ডাকাতির বিষয়টি বুঝতে পেয়ে চিৎকার দিলে আসামিরা সে সময় পালিয়ে যেতে থাকে ও যাবার সময় কয়েক রাউন্ড গুলি করে। সেই গুলিতে স্থানীয় মিজান নামের এক ব্যাক্তি গুলিবিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা মিজানকে উদ্ধার করে প্রথমে ভান্ডারিয়া হাসপাতাল ও পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিলে সেখানে মিজান চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরে এ ঘটনায় দোকানদার রাকিবুল বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করে।
পরে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ মামলাটি তদন্ত করে ১২ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। দীর্ঘদিন পর এ মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বিচারক ৫ জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেন।
৪৪৪ দিন আগে