প্রধানমন্ত্রীর-কার্যালয়
আমাকে হটিয়ে তারা কাকে ক্ষমতায় আনতে চায়: বামপন্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বামপন্থী দলগুলোর উদ্দেশে প্রশ্ন করেছেন, তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে তারা কাকে ক্ষমতায় আনতে চায়।
তিনি বলেন, ‘বামপন্থীরা ৯০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তারা আমাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়। কিন্তু তারা কি নির্ধারণ করতে পারবে এরপর কে আসবে? এটা আমার প্রশ্ন। কে ক্ষমতায় আসবে আর কে দেশের জন্য কাজ করবে? কিন্তু তারা কাকে আনতে চায় তা স্পষ্ট নয়।’
সম্প্রতি থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সফর শেষে গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বামপন্থীরা কাকে পরবর্তীতে ক্ষমতায় আনতে চায় তা যেহেতু পরিষ্কার নয়, তাই তারা কেউই জনগণের কাছ থেকে সাড়া পান না।
তিনি বলেন, হ্যাঁ, আন্দোলন চলছে। পলাতক হয়ে বিদেশের মাটিতে অবস্থান করে কেউ আন্দোলন করছে এবং তার সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের বদৌলতে প্রতিদিন অনলাইনে নানা নির্দেশ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, 'যারা আন্দোলন করছে, তাদের করতে দিন। আমরা অন্তত এতে বাধা দিচ্ছি না।’
ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভ দমনে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমেরিকান স্টাইলে বাংলাদেশের পক্ষে এখন এখানে আন্দোলন বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের পুলিশ এখন আমেরিকান পুলিশকে অনুসরণ করতে পারে। আমরা তাদের (বাংলাদেশ পুলিশ) ধৈর্য ধরতে বলেছি্।’
তিনি আরও বলেন, গত বছরের অক্টোবরে তাদের সদস্যকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাই আমাদের পুলিশ আমেরিকান স্টাইলে চলাচল ঠেকাতে ব্যবস্থা নিতে পারে।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলমান উপজেলা নির্বাচনকে অর্থবহ করাই তার সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক রাজনৈতিক দল নির্বাচন বর্জন করেছে। কারণ তাদের নির্বাচন করার সক্ষমতা নেই।
আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘কেন তারা নির্বাচন বর্জন করে? এর কারণ হচ্ছে তাদের আসলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সক্ষমতা নেই।’
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শ্রেষ্ঠ থাভিসিনের আমন্ত্রণে ২৪ এপ্রিল শুরু হওয়া সফর শেষ করে ২৯ এপ্রিল দেশে ফিরে আসেন প্রধানমন্ত্রী।
৭৬৩ দিন আগে
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা ও আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে থাইল্যান্ড সফর ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা এবং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে বাংলাদেশের বিশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে তার সাম্প্রতিক থাইল্যান্ড সফর সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষা এবং আঞ্চলিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের বিশেষ প্রয়াস হিসেবে এ সফরটি সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে আমি মনে করি।’
আজ বৃহস্পতিবার (২ মে) প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সাম্প্রতিক ৬ দিনের থাইল্যান্ড সফরের ফলাফল জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
৬ দিনের থাইল্যান্ড সফর শেষে ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
দু'দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে ২৪ এপ্রিল দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাইল্যান্ড যান।
শেখ হাসিনা বলেন, থাইল্যান্ডে তার সরকারি সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের এক নতুন যুগের সূচনা করেছে।’
আরও পড়ুন: বিলাসিতায় খরচ কমিয়ে শ্রমিকদের বেশি বেতন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, আসিয়ানের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের সরকার প্রধানের সরকারি সফর অত্যন্ত তাৎর্পযর্পূণ।
তিনি বলেন, ‘সফরে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরুর বিষয়ে অগ্রগতি, আন্তঃযোগাযোগ বৃদ্ধি প্রভৃতি দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক সুদৃঢ়করণে বিশেষ গুরুত্ব পালন করবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের আসিয়ানের ‘সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার’ এর প্রার্থীতা লাভের জন্য এ সফর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনা থাইল্যান্ডকে দ্বিপক্ষীয়ভাবে এবং আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে জোরালো অবস্থান নেওয়ায় সহায়তা করবে মর্মে আমি আশাবাদী।’
আরও পড়ুন: সরকারের পদক্ষেপে বেকারত্ব ৩ শতাংশে নেমে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী
৭৬৩ দিন আগে
থাইল্যান্ড সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক ৬ দিনের থাইল্যান্ড সফর নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।’
৬ দিনের থাইল্যান্ড সফর শেষে ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
দু'দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে ২৪ এপ্রিল দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাইল্যান্ড যান।
আরও পড়ুন: ৬ দিনে সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৬৪ দিন আগে
বিলাসিতায় খরচ কমিয়ে শ্রমিকদের বেশি বেতন দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
শ্রমিক ও কারখানা মালিকদের নিজেদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে উৎপাদন বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার (১ মে) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, 'আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি এবং দেশকে এগিয়ে নিই।’
শেখ হাসিনা বলেন, অর্থনীতির অগ্রগতির স্বার্থে এবং মুনাফা অর্জনে মালিকদেরকে শ্রমিকদের সঠিকভাবে যত্ন নিতে হবে।
তিনি বলেন, কল-কারখানার মালিকরা যদি মুনাফা বাড়াতে চান, তাহলে তাদের শ্রমিকদের দেখাশোনা করতে হবে।
মালিকদের একটু বিলাসিতা কমিয়ে জমানো টাকা দিয়ে শ্রমিকদের দেখভাল করার অনুরোধ জানান তিনি।
তিনি বলেন, 'আমি মালিকদের বলব, আপনারা কারখানা তৈরি করুন, মুনাফার জন্য বিনিয়োগ করুন। আমি চাই মালিকরা তাদের বিলাসিতা একটু কমিয়ে সেই টাকা দিয়ে শ্রমিকদের দেখভাল করবেন।’
তিনি শ্রমিকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এসব কল-কারখানা তাদের রুটি ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ করে দিয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘এসব কারখানায় শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে। কারখানাগুলো আপনাকে কাজ এবং জীবিকা, আয় রোজগারের সুযোগ দিচ্ছে। উভয়েরই নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।’
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপ বদলে দিয়েছে একজন রিকশাচালকের জীবন
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তা সমাধানের জন্য সরকার রয়েছে।
তিনি বলেন, 'কোনো সমস্যা হলে দয়া করে জানাবেন। কিন্তু অন্যের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আপনার জন্য আয় ও জীবিকা নিয়ে আসা কারখানাগুলো ধ্বংস করবেন না। এ ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
যেকোনো সমস্যা সমাধানে যা যা করা দরকার তা করার আশ্বাস দেন তিনি।
তিনি বলেন, 'যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য যা যা করা দরকার আমরা অবশ্যই তা করব। জাতির কাছে এটা আমাদের অঙ্গীকার। আমরা সেটা করছি এবং এটা অব্যাহত রাখব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সমাধান খুঁজতে হলে দ্বারে দ্বারে ছুটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
তিনি বলেন, 'এটা আমাদের দেশ এবং আমরা এই দেশের মাটি ও মানুষকে খুব ভালো করে জানি। এ দেশের মানুষের ভাগ্য কীভাবে পরিবর্তন করতে হয় তা আমাদের চেয়ে ভালো কেউ জানে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে কিছু ভাড়াটে লোক আছে যারা সবসময় যে কোনো খোঁড়া অজুহাতে শ্রমিকদের রাস্তায় নামিয়ে আনে।
তিনি বিশ্বের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে পণ্যের দাম বাড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, 'আপনারা যদি তা করেন তাহলে আমি তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারব, যাতে তারা শ্রমিকদের আরও সুবিধা দেয়।’
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সত্ত্বেও শ্রমিকদের মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের শ্রমশক্তিকে আরও দক্ষ করে গড়ে তোলা।
তিনি বলেন, ‘আমরা দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে চাই। শ্রমিকদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছি।’
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিয়ানেন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশীর কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এম মাহবুব হোসেন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে মহান মে দিবসের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দুস্থ শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।
শ্রমিকদের পরিবেশিত একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তা উপভোগ করেন।
আরও পড়ুন: সরকারের পদক্ষেপে বেকারত্ব ৩ শতাংশে নেমে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী
৭৬৪ দিন আগে
সরকারের পদক্ষেপে বেকারত্ব ৩ শতাংশে নেমে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র ৩ শতাংশ।
আজ বুধবার (১ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে সরকারের নানা উদ্যোগের কারণে বেকারত্বের হার কমেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিনামূল্যে বই দিচ্ছি এবং দেশের যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্য করে তুলতে কারিগরি শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণও দিচ্ছি।’
আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সত্ত্বেও শ্রমিকদের মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, কর্মসংস্থান বাড়াতে বেসরকারি খাতকে বড় আকারে উন্মুক্ত করে দিয়েছে সরকার।
তিনি বলেন, ‘আজ আমাদের বেকারত্বের হার ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা প্রায় ২/৩ গুণ বেশি ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে। সেখানে জামানত ছাড়াই যে কোনো যুবক ঋণ নিতে পারবেন। যা দিয়ে তারা নিজেদের ব্যবসা করতে পারে এবং আমরা সেই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছি।’
শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের পদক্ষেপের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, তার সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করছে।
আরও পড়ুন: দেশের জন্য কাজ করতে আ. লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিয়াইনেন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশির কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
অনুষ্ঠানে মে দিবসের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন থেকে দরিদ্র শ্রমিকদের মাঝে চেক বিতরণ করা হয়।
শ্রমিকদের পরিবেশিত একটি বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তা উপভোগ করেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ব্রাজিল, জুলাইয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
৭৬৪ দিন আগে
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি সত্ত্বেও শ্রমিকদের মজুরি থেকে বঞ্চিত করলে ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বলেছেন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থাকা সত্ত্বেও যারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও পাওনা থেকে বঞ্চিত করবে সরকার তাদের ছাড় দেবে না।
তিনি বলেন, ‘কেউ যদি আমাদের শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত করে, আমরা তাদের ছাড় দেব না, তা সে যত বড়ই হোক না কেন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হোক না কেন।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
আরও পড়ুন: দেশের জন্য কাজ করতে আ. লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
তিনি বলেন, শ্রমিকদের পাওনা যথাযথভাবে পরিশোধ করতে হবে এবং তাদের কল্যাণের দিকে নজর দিতে হবে।
তবে ক্ষমতাধর ব্যক্তি বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ব্যক্তিদের কথা বলার সময় তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এইচ এম ইব্রাহিম, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিয়াইনেন, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশির কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
অনুষ্ঠানে মে দিবসের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী ব্রাজিল, জুলাইয়ে দ্বিপক্ষীয় সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী
৭৬৪ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের হস্তক্ষেপ বদলে দিয়েছে একজন রিকশাচালকের জীবন
১৯৬৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে বাবাকে হারান হাবিবুর রহমান। তারপর পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে কাজের সন্ধানে আসেন ঢাকায়।
বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার সোনাহাটি ইউনিয়নের সোনাকান্দি গ্রামে।
বর্তমানে ৭৭ বছর বয়সী হাবিবুরের স্ত্রী ও চার মেয়েসহ ছয় সদস্যের পরিবার রয়েছে। সব মেয়েরই বিয়ে হয়ে গেছে। স্ত্রী থাকেন গ্রামের বাড়িতে।
পেশায় রিকশাচালক হাবিবুর রিকশা চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেন। জীবনের এই পর্যায়ে এসেও এই ক্লান্তিকর কাজটি করা ছাড়া তার আর কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন: রিকশাচালকদের স্যালাইন-পানি ও ছাতা বিতরণ করলেন ডিএনসিসি মেয়র
তার মেয়েদের পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থাও খুব খারাপ তাই তারা তাদের বাবাকে কোনো ভরণপোষণও দিতে পারে না।
বেশ কয়েকবার স্ট্রোক করায় শরীরের অবস্থাও ভালো নেই। কিন্তু চরম দারিদ্র্য বাধ্য করছে জীবনের ঘানি টানতে। ঠিকমতো কথাও বলতে পারেন না হাবিবুর।
এই বয়সে এসেও সরকারের কাছ থেকে কোনো ধরনের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির ভাতা পাচ্ছেন না হাবিব ও তার স্ত্রী।
এই ছিল হাবিবের মতো একজন সাধারণ মানুষের অতি সাদামাটা জীবন।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট তার জীবনকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে।
এখন এক টুকরো জমি ও একটি নতুন বাড়ির মালিক হবেন তিনি।
আরও পড়ুন: আশ্রয়ণ প্রকল্প: ‘এহন আমাগের দিন ঘুরতে শুরু করছে’
হাবিবুর রহমানের দুর্দশা নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের (পিএমও) নজরে আসে।
গৃহহীন এই বৃদ্ধ রিকশাচালকের জন্য এক মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
হাবিবুর রহমানের জন্য তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে একটি ঘর নির্মাণ করে দিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।
এছাড়াও গ্রামের বাড়িতে চালানোর জন্য তাকে একটি অটোরিকশা (ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার) দেওয়া হবে।
হাবিবুর রহমান বলেন, ঢাকায় থাকার জায়গা না থাকায় রাস্তায় ঘুমাতে হতো।
তিনি আরও জানান, এখন তিনি গ্রামের বাড়িতে রয়েছেন এবং তাকে একটি বাড়ি তৈরি করে দেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
তিনি বলেন, ‘আমি তাদের অনুরোধ করেছিলাম আমার উপার্জনের জন্য আমাকে একটি অটো দেওয়ার জন্য। তারা (পিএমও) আমাকে অটো দেওয়ার ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেছে। আমার জীবন বদলে যাবে।’
আরও পড়ুন: ৩৩৩-তে সাহায্য চেয়ে রিকশাভ্যান পেলেন হাটহাজারীর প্রদীপ
৭৬৬ দিন আগে
৬ দিনে সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ব্যাংককের ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
দু'দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শ্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সফরে গত ২৪ এপ্রিল ব্যাংককে যান শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড সফরকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে মাইলফলক বললেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল গভর্নমেন্ট হাউসে থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং দুই নেতার উপস্থিতিতে ভিসা অব্যাহতি, জ্বালানি, পর্যটন ও কাস্টমস বিষয়ক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনার বিষয়ে পাঁচটি দ্বিপক্ষীয় নথি সই হয়।
সেখানে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাভিসিন আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা তার এই সফরকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, ‘এই সরকারি সফর আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের নতুন যুগের সূচনা করেছে।’
আরও পড়ুন: ৬ দিনের থাইল্যান্ড সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ২৫ এপ্রিল দুসিথ প্রাসাদের অ্যামফর্ন সাথার্ন হলে থাইল্যান্ডের রাজা ও রানী মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরা ক্লাওচা উয়ুয়া এবং সুথিদা বজ্রসুধা বিমলা লক্ষণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বহুপক্ষীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা ২৫ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রের ইউএন এসকাপ হলে (২য় তলায়) জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ) ৮০তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন।
ঢাকা ও ব্যাংককের মধ্যে সই হওয়া পাঁচটি নথি হলো- একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই), জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক, কাস্টমস সম্পর্কিত বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা সম্পর্কিত সমঝোতাপত্র, পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতাপত্র এবং এলওআই ২০২৪ সালের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করবে।
গত ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ৬ দিনের সফর শেষে দেশের উদ্দেশে ব্যাংকক ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
৭৬৬ দিন আগে
ড. প্রণব কুমার বড়ুয়ার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ এবং বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের প্রাক্তন মহাসচিব ড. প্রণব কুমার বড়ুয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রবিবার (২৮ এপ্রিল) এক শোকবার্তায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন তিনি।
শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী ড. বড়ুয়ার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন: দেশের জন্য কাজ করতে আ. লীগের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করুন, যুদ্ধকে 'না' বলুন: ইউএনএসকাপ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী
৭৬৬ দিন আগে
৬ দিনের সফর শেষে দেশের উদ্দেশে ব্যাংকক ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী
থাইল্যান্ডে ছয় দিনের সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে ব্যাংকক ত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টায় ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
ফ্লাইটটি বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।
দু'দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী শ্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সফরে গত ২৪ এপ্রিল ব্যাংককে যান শেখ হাসিনা।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ড সফরকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে মাইলফলক বললেন শেখ হাসিনা
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল গভর্নমেন্ট হাউসে থাই প্রধানমন্ত্রী থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং দুই নেতার উপস্থিতিতে ভিসা অব্যাহতি, জ্বালানি, পর্যটন ও কাস্টমস বিষয়ক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনার বিষয়ে পাঁচটি দ্বিপক্ষীয় নথি সই হয়।
সেখানে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থাভিসিন আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিয়ে শেখ হাসিনা তার এই সফরকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন।
তিনি বলেন, ‘এই সরকারি সফর আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ অংশীদারিত্বের নতুন যুগের সূচনা করেছে।’
আরও পড়ুন: ৫টি দ্বিপক্ষীয় নথিতে সই করেছে ঢাকা-ব্যাংকক
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ২৫ এপ্রিল দুসিথ প্রাসাদের অ্যামফর্ন সাথার্ন হলে থাইল্যান্ডের রাজা ও রানী মহা ভাজিরালংকর্ন ফ্রা ভাজিরা ক্লাওচা উয়ুয়া এবং সুথিদা বজ্রসুধা বিমলা লক্ষণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বহুপক্ষীয় উদ্যোগের অংশ হিসেবে শেখ হাসিনা ২৫ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে জাতিসংঘ সম্মেলন কেন্দ্রের ইউএন এসকাপ হলে (২য় তলায়) জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনএসকাপ) ৮০তম অধিবেশনে বক্তব্য দেন।
ঢাকা ও ব্যাংককের মধ্যে সই হওয়া পাঁচটি নথি হলো- একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং একটি লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই), জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; কাস্টমস সম্পর্কিত বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা সম্পর্কিত সমঝোতাপত্র; পর্যটন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতাপত্র; এবং এলওআই ২০২৪ সালের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করবে।
২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ডন মুয়াং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।
আরও পড়ুন: ৬ দিনের থাইল্যান্ড সফর শেষে সোমবার দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী
৭৬৭ দিন আগে