খেলাধুলা
ফুটবল ছেড়ে টেনিস খেলছেন দিয়েগো ফোরলান
ক্যারিয়ারজুড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও আতলেতিকো মাদ্রিদের মতো ইউরোপের বড় বড় ক্লাবে খেলে অবসর নিলেও টেনিসে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করেছেন উরুগুয়ে কিংবদন্তি দিয়েগো ফোরলান। এবার টেনিসেরই নতুন অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন তিনি।
আগামী মাসে উরুগুয়ে ওপেনে এটিপি চ্যালেঞ্জার টেনিসের ডবলসে অভিষেক হতে চলেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই সাবেক ফরোয়ার্ডের।
এটিপি সিঙ্গেলস র্যাঙ্কিংয়ের ১০১ নম্বরে থাকা আর্জেন্টাইন ফেদেরিকো কোরিয়ার সঙ্গে খেলবেন উরুগুয়ের সাবেক এই ফুটবল তারকা।
আরও পড়ুন: অবসরের ৭ বছর পরও ক্লাবগুলো ডাকছে: তত্তি
আগামী ১১ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত উরুগুয়ের রাজধানী মন্তেভিদিওতে অনুষ্ঠিত হবে টেনিস প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর এটিপি চ্যালেঞ্জার ট্যুরের অংশ এই টুর্নামেন্টটি।
উরুগুয়ে ওপেনের টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর দিয়েগো লোপেস ফোরলানের অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘তিনি খেলবেন বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। এ উদ্দেশ্যে বেশ কিছুদিন ধরে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। গত কয়েক বছর ধরে টেনিসের প্রতি তার যে নিবেদন, তাতে আমি মনে করি, এই সুযোগটি তার প্রাপ্য।’
উল্লেখ্য, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছাড়াও ভিয়ারিয়াল, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও ইন্টার মিলানের হয়ে মাঠে আলো ছড়ানোর পর ২০১৯ সালের আগস্টে ফুটবল থেকে অবসর নেন ফোরলান।
৬৫০ দিন আগে
অবসরের ৭ বছর পরও ক্লাবগুলো ডাকছে: তত্তি
প্রায় ৮০০ ম্যাচ খেলে ২০১৭ সালে রোমার জার্সিতে অবসর গ্রহণ করেন ইতালিয়ান কিংবদন্তি ফ্রান্সেস্কো তত্তি। তবে অবসরের সাত বছর পরও সেরি-আর ক্লাবগুলো থেকে ফেরার ডাক পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ৪৮ বছর বয়সী এই সাবেক ফুটবলার।
ক্লাব ক্যারিয়ারের পুরোটাই রোমার জার্সিতে খেলে ২০১৭ সালের ২৮ মে অবসরের ঘোষণা দেন তত্তি। স্তাদিও অলিম্পিকোতে সেদিন ম্যাচ শেষে লম্বা সময় নিয়ে নিজের বিদায়বার্তা সমর্থকদের পড়ে শোনান তিনি। প্রিয় ফুটবলারের বিদায়কালে কান্নায় ভেঙে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম। বারবার হাত দিয়ে চোখ মুছতে দেখা যায় এই ‘ওয়ান ক্লাব লিজেন্ড’কেও।
এরপর কেটে গেছে সাতটি বছর। এর মধ্যে সেভাবে আলোচনায় ছিলেন না ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ী এই ফুটবলার। তবে আচমকা বোমা ফাটানোয় ফের খবরের শিরোনাম হয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন: সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল বার্সেলোনা
তত্তি বলেন, ‘সেরি-আর বেশ কয়েকটি ক্লাবের পক্ষ থেকে (ফেরার) প্রস্তাব পেয়েছি। স্বীকার করতে লজ্জাই নেই- তারা এমন জোরাজুরি করেছে যে খানিকটা দ্বিধায় পড়ে গিয়েছিলাম।’
এভাবে এত বছর পরে মাঠে ফেরা কঠিন হলেও জীবনে অসম্ভব বলে কিছু আছে বলে মনে করেন না এই সাবেক ফুটবলার।
‘ক্যারিয়ার শেষ করার পরও (ফিরে এসে) অনেক বছর খেলেছে- এমন খেলোয়াড়ের অভাব নেই। তবে এক্ষেত্রে আপনি কোথায় খেলবেন, কতটা সম্মানের সঙ্গে খেলতে পারবেন- এসব বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।’
যদি অবসর ভেঙে ফেরেনও, তবে ভালোভাবে অনুশীলন করে নিজের শরীর খেলার উপযুক্ত করেই ফিরবেন বলে জানান তিনি।
‘আমার মনে হয়, দু-তিন মাস ঠিকমতো অনুশীলন করলেই মাঠে ফেরার উপযুক্ত হয়ে যাব। এখনও কমবেশি খেলে থাকি। তবে যদি এই বয়সে (প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে) ফিরতেই হয়, এমন পাগলামি করতেই হয়, তবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েই তা করা উচিৎ।’
আরও পড়ুন: উলভসের মাঠ থেকে জয় ছিনিয়ে আনল ম্যানচেস্টার সিটি
যদি ফেরেনও, তবে ইতালিয়ান কোনো ক্লাবের জার্সিতেই তাকে দেখা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তত্তি।
‘এ সময় আর অন্য কোথাও নয়, ইতালিতেই থাকতে চাই। তবে কোনোভাবেই (রোমার চির প্রতিদ্বন্দ্বী) লাৎসিওর জার্সিতে আমাকে দেখতে পাবেন না।’
অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্তটি তার নিজের ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেটি আমার সিদ্ধান্ত ছিল না। তবে ওই মুহূর্তের প্রেক্ষাপটে আমাকে ওই অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছিল।’
‘হয়তো সে কারণেই আমার মধ্যে এখনও এই বিষয়টি (মাঠে ফেরা) রয়ে গেছে। এটা সত্য যে সবকিছুরই শুরু এবং শেষ আছে, কিন্তু ওই সময়ে আমি শেষ করতে চাইনি। সে কারণেই (ফেরার) দরজাটি সবসময় খোলা ছিল।’
১৯৯৩ সালে রোমায় যোগ দিয়ে ক্যারিয়ারজুড়ে ক্লবাটি হয়ে ৭৮৬ ম্যাচ খেলে ৩০৭ গোলের পাশাপাশি ২০৭টি অ্যাসিস্ট করেন তত্তি। ক্লাবটির সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ফুটবলার এবং গোলদাতাও তিনি।
২৪ বছরের ক্যারিয়ারে রোমার জার্সিতে ২০০০-০১ মৌসুমে সেরি-আ জেতেন তত্তি। এছাড়া দুটি করে কোপা ইতালিয়া ও ইতালিয়ান সুপার কাপ জিতেছেন এই ফুটবলার।
এছাড়া ১৯৯৬ সালে ইতালির জার্সিতে অভিষেকের পর ৫৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। এ সময়ে ৮ গোলের পাশাপাশি ২০০৬ সালে ইতালির হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি।
আরও পড়ুন: রেকর্ড গড়া জয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে ইন্টার মায়ামি
৬৫০ দিন আগে
শুরুর ভাঙনরোধ করে দিন শেষ করল বাংলাদেশ
খেলা হয়েছে মাত্র দুদিনের, এর মধ্যেই হারের শঙ্কায় পড়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও একই ধারা অব্যাহত থাকার ইঙ্গিত পাচ্ছিল টাইগার সমর্থকরা, তবে শুরুর ব্যাটিং ব্যর্থতা সামলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার ১০১ রানে পিছিয়ে থেকে তিন উইকেট হারিয়ে ১০১ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় ওভারেই ওপেনার সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল হককে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান কাগিসো রাবাদা। ফলে মাত্র ৪ রানে দুই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এসে আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিয়েও দলীয় ৫৯ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৩ রান করে ফিরে যান।
তারপর মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে জুটি গড়ে আর উইকেট পড়তে না দিয়ে ১০১ রান তুলে দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিন শেষে মুশফিকের (৩১*) সঙ্গে ৪২ রানের জুটি গড়ার পথে ৩৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন জয়।
আরও পড়ন: ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১০৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ
আগের দিন আলোকস্বল্পতায় ৬ ওভার কম খেলায় এদিন ১৫ মিনিট আগে শুরু হয় খেলা। তবে দিন শেষে আবারও আলোকস্বল্পতার কারণে বাকি থাকে ১৬.৫ ওভার।
এর আগে, চরম ব্যাটিং ব্যর্থতায় মাত্র ১০৬ রানে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যাওয়ার পর নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩০৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার কাইল ভেরেইনের অনবদ্য ১১৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে প্রথম ইনিংসে ২০২ রানের লিড পায় প্রোটিয়ারা।
৬৫০ দিন আগে
ঢাকা টেস্ট: ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ১০৬ রানে অলআউট বাংলাদেশ
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকা টেস্টে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
সফল পার্টনারশিপ গড়তে না পারায় হোঁচট খেয়েছেন স্বাগতিক ব্যাটাররা।
সফরকারীদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নেন উইয়ান মুল্ডার, কাগিসো রাবাদ ও কেশব মহারাজ। এই ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক পূর্ণ করেন রাবাদা।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৬০। তাদের দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর প্রয়োজন ছিল, কিন্তু তারা তা করতে ব্যর্থ হয়।
আরও পড়ুন: ঢাকা টেস্ট: প্রথম দিনে লাঞ্চের আগেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের শীর্ষ ছয় ব্যাটসম্যানের চারজনই দুই অঙ্কের রান তুলতে ব্যর্থ হয়েছেন।
সর্বোচ্চ ৯৭ বলে ৩০ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাইজুল ইসলাম করেন ১৬ রান।
প্রথম দিন চা বিরতির এক ঘণ্টারও বেশি সময় আগে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
এই ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ১৪ ম্যাচ খেলেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কোনো টেস্ট জিততে পারেনি তারা।
৬৫১ দিন আগে
ঢাকা টেস্ট: প্রথম দিনে লাঞ্চের আগেই ৬ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ
সোমবার ঢাকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে প্রথমে ব্যাটিং নিয়ে দিনের প্রথমার্ধে ছয় উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।
লাঞ্চের আগে মাহমুদুল হাসান জয় ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন এবং বাংলাদেশের স্কোর ৬ উইকেটে ৬০।
মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তসহ তিনটি উইকেট নেন ডানহাতি পেসার উইয়ান মুল্ডার।
এই ম্যাচে শক্ত ভিত গড়তে ব্যর্থ হন সাদমান ইসলাম। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে উইয়ান মুল্ডারের বলে আউট হন তিনি।
আরও পড়ুন: মিরপুরে সাকিব-ভক্তদের সঙ্গে বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
মমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেটও নেন ডানহাতি পেসার। তারা সবাই ম্যাচের প্রথম আধ ঘণ্টার মধ্যেই পড়ে যান।
মাত্র ২১ রানে তিন উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলকে গাইড করা ও ইনিংস গড়ার দায়িত্ব ছিল মুশফিকুর রহিমের। কিন্তু কাগিসো রাবাদার চমৎকার এক বলে ১১ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজও ছাপ রাখতে পারেননি। কেশব মহারাজের বলে আউট হন মেহেদি।
ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টে যে একাদশ মাঠে নেমেছিলম সেখানে তিনটি পরিবর্তন করেছে। সাকিব আল হাসান, জাকির হাসান ও খালেদ আহমেদের পরিবর্তে মাহমুদুল হাসান জয়, জাকের আলী অনিক ও নাঈম হাসানকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
আরও পড়ুন: টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নজর সিমন্সের
৬৫১ দিন আগে
সেভিয়াকে বিধ্বস্ত করে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল বার্সেলোনা
বার্সেলোনার পরবর্তী দুই ম্যাচ বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে। ম্যাচদুটির আগে নিজেদের মানসিক অবস্থা চনমনে রাখতে যেমন জয়ের প্রয়োজন ছিল, আজ তা-ই করে দেখিয়েছেন হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা।
কাতালুনিয়ার অলিম্পিক স্টেডিয়ামে লা লিগার অষ্টম ম্যাচে রবিবার রাতে সেভিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে হাই ভোল্টেজ ম্যাচদুটির ভালো প্রস্তুতি সেরেছে বার্সেলোনা।
বার্সেলোনার পক্ষে রবের্ট লেভানডোভস্কি ও পাবলো তোরে জোড়া গোল করেন। অন্য গোলটি আসে পেদ্রির পা থেকে। অন্যদিকে, সেভিয়ার পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন দলটির তরুণ বেলজিয়ান মিডফিল্ডার স্টানিস ইদুম্বো-মুজাম্বো।
মাঠের খেলায় এদিন বার্সেলোনার ধারেকাছেও ছিল না সেভিয়া। ৬৭ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে মোট ২১টি শট নেয় বার্সা, যার ৯টি লক্ষ্যে ছিল। অন্যদিকে, ৭টি শট নিলেও গোল করা ওই একটি মাত্র শট লক্ষ্যে রাখতে পারে সেভিয়া।
আরও পড়ুন: লেভানডোভস্কির হ্যাটট্রিকে দারুণ জয় বার্সেলোনার
ম্যাচের শুরু থেকেই পজেশনাল ফুটবলে সেভিয়াকে চেপে ধরে বার্সেলোনা। তবে নবম মিনিটে প্রথম বিপজ্জনক আক্রমণে ওঠে সফরকারীরাই। ডান পাশ ধরে ক্ষিপ্র গতিতে পাল্টা আক্রমণে উঠে বার্সার বক্সের সামান্য বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শট হানেন সেভিয়া উইঙ্গার দদি লুকেবাকিও। তবে তার শটটি ক্রসবারে বেশ ওপর দিয়ে চলে যায়।
সপ্তদশ মিনিটে প্রথম সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা, কিন্তু আনসু ফাতির শটটিও পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়।
দুই মিনিট পর বার্সার হাই লাইন ডিফেন্স ভেঙে আরও একটি দারুণ আক্রমণে ওঠে সেভিয়া, এবারের আক্রমণটি কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন বার্সা ডিফেন্ডাররা।
২২তম মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে মধ্যে রাফিনিয়াকে ফেলে দিয়ে পেনাল্টি দিয়ে বসেন সেভিয়ার এক খেলোয়াড়। তা থেকে বার্সাকে ম্যাচের প্রথম গোলটি এনে দেন রবের্ট লেভানডোভস্কি।
এরপর পেদ্রির গোলে ২৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় কাতালানদের। ডান পাশ ধরে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে মাঝামাঝি থাকা জুল কুন্দেকে পাস দেন লামিন ইয়ামাল। পেছনে পেদ্রিকে দেখে ডামি দেন কুন্দে, আর বল পেয়েই ডান পায়ের জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ২১ বছর বয়সী এই তরুণ মিডফিল্ডার।
৬৫২ দিন আগে
উলভসের মাঠ থেকে জয় ছিনিয়ে আনল ম্যানচেস্টার সিটি
নিউক্যাসলের মাঠে গিয়ে ১-১ গোলে ড্রয়ের মতো উলভারহ্যাম্পটনের মাঠেও একইভাবে ড্র করার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে গোল করে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন জন স্টোন্স।
মলিনো স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বর্তমান লিগ চ্যাম্পিয়ন সিটি।
এদিন ইয়োর্গেন স্ট্রান্ড লারসেনের গোলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় সিটি। এরপর ৩৩তম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান সিটি ডিফেন্ডার ইয়োশকো গেভারদিওল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে গোল করে সিটি সমর্থকদের আনন্দে ভাসান স্টোন্স।
৭৮ শতাংশ সময় বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ রেখে ম্যাচজুড়ে সিটি একক আধিপত্য বিস্তার করলেও সুযোগ পেলে তাদের ছেড়ে কথা বলেনি উলভস। তবে তাদের আক্রমণগুলোর বেশিরভাগই শট নেওয়ার আগেই নিষ্ক্রিয় করে দেন সিটির ডিফেন্ডাররা।
সিটির মোট ২২ শটের সাতটি ছিল লক্ষ্যে, যেখানে মাত্র তিনটি শট নিয়ে দুটি লক্ষ্যে রাখতে পারে উলভারহ্যাম্পটন।
আরও পড়ুন: দুর্দান্ত জয়ে নিজেদের রেকর্ড ছুঁয়েছে সিটি
এদিন উলভস গোলরক্ষক জোসে সায়ের কথা বিশেষ করে না বললেই নয়। চোটের কারণে চলতি মৌসুমে দলটির নিয়মিত গোলরক্ষক স্যাম জনস্টোন্সের পরিবর্তে আজ মাঠে নামেন সা। আর নেমেই অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন তিনি। তার কল্যাণেই অন্তত পাঁচটি নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হয়েছে সিটি। সায়ের দক্ষতার কারণেই সিটির কাছ থেকে পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছিল উলভস। তবে শেষ মুহূর্তে স্টোন্সের হেডারটিতে প্রকৃতপক্ষে তার করার কিছু ছিল না। ফলে হতাশাই সঙ্গী হয়েছে এই পর্তুগিজ গোলরক্ষকের।
৬৫২ দিন আগে
শেষ মুহূর্তের গোলে পাকিস্তানের বিপক্ষে হার এড়াল বাংলাদেশ
একের পর এক আক্রমণ করেও কোনোভাবেই ডেডলক ভাঙতে পারছিলেন না সাবিনা-শামসুন্নাহার-ঋতুপর্ণারা। এর মাঝে উল্টো গোল হজম করে বসেন তারা। তবে একেবারে শেষ সময়ে শামসুন্নাহারের গোলে কোনোমতে হার এড়িয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
নেপালের কাঠমাণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে রবিবার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে বাংলাদেশ।
নিজেদের ভুলে ম্যাচের ৩২তম মিনিটে গোল হজম করে বসে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের বাড়ানো লং পাস সফলভাবে ধরে তা গোলরক্ষকের দিকে বাড়ান ডিফেন্ডার শিউলি আজিম, কিন্তু পাসে জোর না থাকায় গোলরক্ষক রূপনা চাকমার কাছে পৌঁছানোর আগেই তা লুফে নেন পাকিস্তানের জাহমিনা সামিন মালিক। এরপর নিখুঁত শটে অনায়াসে ঠিকানা খুঁজে নেন এই ফরোয়ার্ড।
আরও পড়ুন: সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: নেপাল পৌঁছেছে বাংলাদেশ দল
গোল খাওয়ার পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ, কিন্তু কোনোভাবেই দেখা মিলছিল না কাঙ্ক্ষিত গোলের। এভাবেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচের নির্ধারিত সময়। এরপর যোগ করা ৬ মিনিটের শেষের দিকে গোলের দেখা পায় সাবিনারা।
বাঁ দিক থেকে ঋতুপর্ণার পাঠানো ক্রসে হেডারে লক্ষ্যভেদ করেন গোলমুখে থাকা শামসুন্নাহার জুনিয়র। ফলে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করার সুযোগ থাকলেও তা দীর্ঘায়িত করে কোনোমতে হার এড়ায় বাংলাদেশ।
প্রথম ম্যাচ জিতে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে রয়েছে ভারত। ড্রয়ের ফলে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের পয়েন্ট ১ করে। আগামী বুধবার ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি ড্র করলেও সেমিফাইনাল নিশ্চিত করবে মুকুট ধরে রাখার অভিযানে নামা পিটার বাটলারের দল।
৬৫২ দিন আগে
মিরপুরে সাকিব-ভক্তদের সঙ্গে বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাকিবের অবস্থানের কারণে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের কারণে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলতে দেশে আসতে পারেননি সাকিব আল হাসান। তবে এরপর থেকেই বিক্ষোভে মূখর হয়েছে সাকিব-ভক্তরা।
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের ঠিক একদিন আগে রবিবার (২০ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুর জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম এলাকায় সাকিব আল হাসানের ফেরার পক্ষে সমর্থকর ও সাকিব-বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
এদিন সাকিবকে দেশে ফিরিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামানো এবং বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদের পদত্যাগ নিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘সাকিবিয়ান’রা। কিন্তু সাকিব-বিরোধী একদল যুবক সেখানে গিয়ে তাদের বাধা দিলে দুপক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। এরপর সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
আরও পড়ুন: সাকিবের প্রতি মানুষের ক্ষোভ অযৌক্তিক নয়: আসিফ নজরুল
উল্লেখ্য, ভারত সফর চলাকালে সংবাদ সম্মেলন করে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা জানিয়ে দেন সাকিব। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, সরকার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করলে দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে চান তিনি।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হয়েছে। আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগে জরিমানার মুখেও পড়তে হয়েছে এই অলরাউন্ডারকে। ফলে তার দেশে ফেরা নিয়ে জটিলতা ছিলই।
এরপর গত রবিবার সাকিবকে দেশে ফেরাতে সবরকম নিরাপত্তা দেওয়ার কথা জানান ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া। এমনকি বুধবার মিরপুর টেস্টের জন্য তাকে নিয়েই স্কোয়াড ঘোষণা করে বিসিবি।
আরও পড়ুন: দ. আফ্রিকা টেস্টে সাকিবের পরিবর্তে খেলবেন হাসান মুরাদ
কিন্তু পরের দিনই ঘটনা বিপরীত দিকে মোড় নেয়। ১৭ বছরের টেস্ট ক্যারিয়ারের অবসান করতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশের পথে ছিলেন সাকিব। মাঝে দুবাইয়ে তার যাত্রাবিরতির সময় বদলে যায় দৃশ্যপট।
সেখান থেকে সাকিব নিজেই জানান, আপাতত দেশে ফেরা হচ্ছে না তার। নিরাপত্তার কথা ভেবেই সংশ্লিষ্টরা তাকে এমন পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
ফলে নিজ ভূমি থেকে টেস্টে বিদায় নেওয়া আর হয়ে উঠল না দেশের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটারের। ভারতের বিপক্ষে কানপুরে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিই ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট হয়ে থাকল সাকিবের।
৬৫২ দিন আগে
রেকর্ড গড়া জয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে ইন্টার মায়ামি
মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে ফের হ্যাটট্রিক করলেন লিওনেল মেসি। আর এটি এমন এক মুহূর্তে, যেদিন এক মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহের ইতিহাস গড়ল ইন্টার মায়ামি। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল তারা।
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রবিবার ভোরে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিউ ইংল্যান্ডকে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি।
এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই গোল খেয়ে বসে মায়ামি। এরপর ৩৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নিউ ইংল্যান্ড।
শুরুতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও ম্যাচের ৪০ ও ৪৩তম মিনিটে লুইস সুয়ারেসের দুই গোলে সমতায় ফিরে বিরতিতে যায় মায়ামি। এর ফলে চলতি মৌসুমে ২৭ ম্যাচে সুয়ারেসের গোল সংখ্যা হলো ২০টি।
আরও পড়ুন: হ্যাটট্রিক করে রোনালদোকে ছুঁলেন মেসি
বিরতির পর ৫৮তম মিনিটে বেঞ্জামিন ক্রেমাশ্চির গোলে ম্যাচে প্রথম এগিয়ে যায় মায়ামি। এরপরই মেসিকে মাঠে নামান কোচ তাতা মার্তিনো।
মাঠে নামার দশ মিনিট পর আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রার পায়ের জাদু দেখে সমর্থকরা। ম্যাচের ৭৮, ৮১ ও ৮৮তম মিনিটে তিনটি গোল করে নিউ ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে দেন মেসি। চলতি মৌসুমে চোটের কারণে বেশ কিছু সময় মাঠের বাইরে কাটালেও এই হ্যাটট্রিকে ১৯ ম্যাচে ২০ গোল ও ১০টি অ্যাসিস্ট করলেন আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রো।
৬৫২ দিন আগে