ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত পাটুরিয়া ফেরিঘাট ও লঞ্চঘাটের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। গত বর্ষায় পদ্মার প্রবল স্রোতে ক্ষতিগ্রস্ত পাটুরিয়ার একাধিক ঘাট এখনো পুরোপুরি সংস্কার করা হয়নি। জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে কয়েকটি পন্টুন। ফলে আসন্ন ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন যাত্রী ও চালকরা।
ফেরিঘাটে সীমিত সক্ষমতা
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পাঁচটি ফেরিঘাটের মধ্যে বর্তমানে ৩ ও ৫ নম্বর ঘাট দিয়ে কোনোমতে ফেরি চলাচল করছে। ৪ নম্বর ঘাট পুরোপুরি বন্ধ ছিল; সেখানে মেরামতের কাজ করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ২ নম্বর ঘাটে ফেরি ভিড়তে না পারায় সেটিও কার্যত অকেজো হয়ে আছে। ১ নম্বর ঘাটও বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা যায়, স্বাভাবিক সময়ে পাটুরিয়া–দৌলতদিয়া নৌরুটে বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও পিকআপ ভ্যান মিলিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদের সময় এই সংখ্যা বেড়ে প্রতিদিন ৪ থেকে ৫ হাজারে পৌঁছে। চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়ানো হয়।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা সেক্টরের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুস সালাম বলেন, গত আগস্টে পদ্মার প্রবল স্রোতে পাঁচটি ঘাটই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে ২, ৩ ও ৫ নম্বর ঘাট সংস্কার করে ফেরি চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। ১ ও ৪ নম্বর ঘাট এখনো পুরোপুরি সচল নয়। ৪ নম্বর ঘাট চালু করতে কাজ চলছে। তিনি স্বীকার করেন, ঘাট সংকটের কারণে ফেরিতে যানবাহন ওঠা–নামায় (লোড–আনলোড) সমস্যা হচ্ছে।