ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুইজেনর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ (৪৫) সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে। তবে নিহত রেবতি সরকারের মরদেহ ভারতে সৎকার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গেল মঙ্গলবার মধ্যরাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সাজু। তিনি সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তারালী ইউনিয়নের বরেয়া গ্রামের ইউনুস সরদারের ছেলে। এছাড়া একই ঘটনায় তেঁতুলিয়া গ্রামের ভবেশ সরকারের স্ত্রী রেবতী সরকারও (৩৭) নিহত হন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা উভয়ই চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ওঠেন। রাতে ওই হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি ৭ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে দুইজন সাতক্ষীরার। দুইদিন আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তার করা হয়। এর মধ্যে আলিমুজ্জামান সাজুর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে।
রেবতি সরকারের দেবর সঞ্জয় সরকার জানান, তার ছেলেমেয়ে ভারতে অবস্থান করায় সেখানেই তার মরদেহ সৎকার করা হয়েছে।
ভোমরা ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, আজ (শনিবার) দুপুর ১২টার পর সাজুর মরদেহ তারা গ্রহণ করেছেন। মাজুর বাড়িতে জানাজা এবং দাফনের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন নিহতের পরিবার।