গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ, ঋণ জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নাটোরে সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার পাঁচ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এছাড়া গত ২৩ সেপ্টেম্বর তাদের মধ্যে দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২২ সেপ্টেম্বর ব্যাংকের জিএম মো. শওকত জামানের স্বাক্ষরত চিঠিতে প্রিন্সিপাল অফিসার পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
লিটন কুমার ও বিপুল পাল নাটোর থেকে বদলি হয়ে সর্বশেষ নওগাঁ জেলায় কর্মরত ছিলেন। তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া বাকি তিন কর্মকর্তা হলেন এইচ এম রোকনুজ্জামান, হাফিজুর রহমান ও মনিরুজ্জামান। তারা নাটোরের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত ছিলেন।
লিটন কুমারের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের প্রায় ৯২ লাখ ৭ হাজার টাকা ও বিপুল পালের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। নাটোরে কর্মরত থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা হিসেবে প্রভাব বিস্তার করে তারা এসব অপকর্মে লিপ্ত হন বলে অভিযোগে রয়েছে।
এছাড়া বাকি তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও বিপুল অঙ্কের ভুয়া ঋণপত্র ও অতিরিক্ত আমানত সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
নাটোর সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আহসান রেজা বিষয়গুলো নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।