ভারতের উড়িষ্যা উপকূলের কাছে বঙ্গোপসাগরে পানামার পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ‘ওশান উইনার’ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরার মেরিন ইঞ্জিনিয়ার আবদুল্লাহ আল মামুন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও নিখোঁজ রয়েছেন ২২ জন।
নিখোঁজ আবদুল্লাহ আল মামুন সাতক্ষীরা শহরের কাটিয়া গণমুখী মাঠ এলাকার বাসিন্দা ডা. আব্দুর রহিমের ছোট ছেলে। তার স্ত্রী, দুই সন্তান, বাবা-মা ও ভাইয়েরা সাতক্ষীরায় বসবাস করেন।
জানা গেছে, আবদুল্লাহ আল মামুনের জাহাজের চতুর্থ ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে এটি প্রথম চুক্তি ছিল। পানামার পতাকাবাহী চীনা মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজটি ১ হাজার ৭০০ টন লোহার আকরিক বহনকালে জাহাজটি একদিকে কাত হতে শুরু করে। এরপর মাত্র আট মিনিটের মধ্যে জাহাজটি ডুবে যায়।
ঘটনার সময় নাবিকরা লাইফবোট নামাতে পারেননি এবং লাইফ জ্যাকেটও নিতে পারেননি। সে সময় ২৮ বছরের পুরোনো জাহাজটিতে ২৪ জন ক্রু ছিলেন। তাদের মধ্যে ২০ জন চীনা, ৩ জন মিয়ানমারের নাগরিক ও বাংলাদেশি ক্রু হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুন ছিলেন।
গতকাল (শনিবার) বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ভারতীয় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ উদ্ধার অভিযানে নিঁখোজ ২ জন চীনা ক্রুকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ২২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এদিকে, যতই সময় গড়াচ্ছে, ততই বাঁচার সম্ভাবনা কমে আসছে নিখোঁজদের। এতে সাতক্ষীরায় মামুনের পরিবারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
মামুনের বাবা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘এ ঘটনায় জাহাজ ডুবে যাওয়ার পর থেকে আমার ছেলে নিঁখোজ রয়েছে। আমরা তার সন্ধান চাই।’