রাজধানীর মুগদা ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৃথক দুর্ঘটনায় এক রাজমিস্ত্রি ও এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে মো. ইউসুফ (৩০) নামে এক রাজমিস্ত্রি নিহত হয়েছেন।
আজ (রবিবার) দুপুর সোয়া ২টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত ইউসুফের বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার খনচপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম পিয়ার মোল্লা।
হাসপাতালে নিহতের ভাতিজা মো. শাকিল জানান, ‘আমার চাচা রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। আজ দুপুরের দিকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালের নির্মাণাধীন নতুন আবাসিক ভবনের চতুর্থ তলায় কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে আমরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, আমার চাচা আর বেঁচে নেই।’
অন্যদিকে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় মো. সোলায়মান দেওয়ান (৪৩) নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে শনির আখড়া ফুটওভার ব্রিজের নিচে রাস্তা পারাপারের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মো. সোলায়মান পেশায় স্টিলের আলমারির মিস্ত্রি ছিলেন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সোলায়মান দেওয়ানের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার নয়াগাঁও পূর্বপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুল মজিদ দেওয়ান।
নিহতের শ্যালক লিটন জানান, সোলায়মান একটি প্রতিবেশীকে মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে গ্রামে ফিরছিলেন। পথে শনির আখড়া এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত ঢামেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর চালক পালিয়ে গেলেও ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে এই দুই মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।