বাংলাদেশ
প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের নতুন বিশেষ সহকারী আলী ইমাম
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী হিসেবে বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, মজুমদার উপদেষ্টার মর্যাদা পাবেন।
১৯৫০ সালে জন্ম নেওয়া মজুমদার ১৯৭৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি প্রশাসন ক্যাডার হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন।
মজুমদার ১৯৯৭ সালে সিলেট জেলা ও কক্সবাজার জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালে মজুমদার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৬ সালের ৩১ অক্টোবর মজুমদার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব নিযুক্ত হন। ২০০৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ সচিবও হন।
আরও পড়ুন: মন্ত্রণালয়-বিভাগকে যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
২০০৭ সালের মে মাসে তিনি বাংলাদেশের তিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের পদমর্যাদা বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেন।
এরপর ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সরকারি হেফাজত থেকে গায়েব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনিই প্রকাশ করেছিলেন।
সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন অভিজ্ঞ এই সাবেক আমলা।
মজুমদার ২০০৮ সালের ২৮ নভেম্বর সিভিল সার্ভিস থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল
৬৬১ দিন আগে
জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১.৭ শতাংশে পৌঁছেছে: বিবিএস
জুলাই মাসে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতি ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চে ১১ দশমিক ৬৬ শতাংশে পৌঁছেছে।
সোমবার (১২ আগস্ট) মূল্যস্ফীতির এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
এর আগের মাস জুনে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।
জুলাইয়ে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি রেকর্ড ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যা ২০২৪ সালের জুনে ছিল যথাক্রমে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ ও ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ।
আরও পড়ুন: মূল্যস্ফীতি কমাতে অপ্রক্রিয়াজাত খাদ্যের ওপর শুল্ককর সবসময় কম থাকে: ড. মশিউর রহমান
গত মে মাসে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ।
জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অর্থনীতিকে পরিমাপযোগ্য করে তুলেছে, যার প্রভাব পড়েছে মুদ্রাস্ফীতিতে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০.৪২ শতাংশ
৬৬১ দিন আগে
পদত্যাগ করলেন পাবিপ্রবির উপউপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ
ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপউপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ।
সোমবার (১২ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছেন এই দুই শিক্ষক।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পাবিপ্রবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ
পদত্যাগকারী শিক্ষকরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মোস্তফা কামাল খান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কে এম সালাহ্উদ্দিন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রক্ষ্ম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘তারা দুই জন পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণ উল্লেখ করেছেন। এর বেশিকিছু বলা সম্ভব নয়।’
আরও পড়ুন: কোটা পদ্ধতি পুনরায় সংস্কারের দাবিতে পাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ
পাবিপ্রবিতে ২ শ্রমিক নিহতের ঘটনায় পিডিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
৬৬১ দিন আগে
হল উদ্ধারে মঙ্গলবার আন্দোলনে নামবে জবি শিক্ষার্থীরা, কোষাধ্যক্ষ-শিক্ষকদের পাশে থাকার আহ্বান
বিশ্ববিদ্যালয়ের দখলকৃত হল উদ্ধারের জন্য আন্দোলনে নামবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। কোষাধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
একইসঙ্গে ধূপখোলা মাঠকেও শিক্ষার্থীরা পূর্বের ন্যায় নিজেদের দখলে নেবে বলেও ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর চৌধুরীর নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বেদখল হওয়া হলগুলো দখলমুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে শিক্ষার্থীরা।
আরও পড়ুন: জবি উপাচার্যকে পদত্যাগে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, শিক্ষার্থীদের ১৩ দফা দাবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক নুর নবী সোমবার (১২ আগস্ট) এ ঘোষণা দিয়েছেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবীর তার স্বপদে বহাল থাকবেন। তার নেতৃত্বে সকাল ১০টায় হল আন্দোলন শুরু হবে। সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের এই আন্দোলনের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। এছাড়া ট্রেজারার আমাদের ১৩ দফা শুনেছেন। আশাকরি ট্রেজারার ১৩ দফা মেনে নেবেন এবং তিনি সেই আশ্বাসও দিয়েছেন।’
শিক্ষার্থীদের ১৩ দফা দাবি হলো-
১. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবির ভিসি, প্রক্টরসহ সম্পূর্ণ প্রক্টোরিয়াল বডি, হল প্রভোস্ট, ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের প্রধান ও রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে হবে।
২. ক্যাম্পাসের ভেতরে লেজুড়বৃত্তির ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। ক্যাম্পাসের বাইরে তার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। এটা যে কারও ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্ত, ক্যাম্পাসের ভেতরে সবাই সাধারণ ছাত্র।
৩. আন্দোলনে শহীদ ও আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার সার্বিক খরচ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে বহন করতে হবে।
৪. আগে যারা ছাত্রলীগের পদধারী ছিলেন এবং এর ওপর ভিত্তি করে যারা ক্যাম্পাসে চাকরি পেয়েছেন, নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকসহ যারা এখনও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত, যারা শহীদ ও আহত সহযোদ্ধাদের নিয়ে ঠাট্টা-টিটকারি করেছেন তাদের আগামী দুইদিনের মধ্যে চাকরি থেকে অব্যহতি নিতে হবে।
৫. আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নীতিমালা প্রণয়ন করে একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৬. দখল হওয়া হলগুলো অবিলম্বে দখলমুক্ত করতে হবে। এছাড়া মেধার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ দিতে হবে।
৭. জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে ক্যাম্পাসের দায়িত্ব প্রদান করতে হবে।
৮. শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে।
৯. ক্যাফেটেরিয়ার জন্য বাজেট বরাদ্দ রেখে খাবারের মান উন্নত করতে হবে। খুব তাড়াতাড়ি নতুন ক্যাফেটেরিয়ার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।
১০. নারী শিক্ষার্থীদের কমন রুমের মান উন্নত করা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং যৌন হয়রানি বন্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে।
১১. ক্যাম্পাসের আশপাশে চাঁদাবাজি ও রাজনীতির নামে টেন্ডারবাজি বন্ধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
১২. পোষ্য কোটা বাতিল ও রাজনৈতিক নিয়োগ-বাণিজ্য আজীবনের জন্য বন্ধ করতে হবে।
১৩. গুচ্ছ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হবে।
আরও পড়ুন: জবির ছাত্রকল্যাণ-পরিবহন পরিচালকসহ একাধিক দপ্তরপ্রধানের পদত্যাগ
আল্টিমেটামের ৪ ঘণ্টার মধ্যেই জবি উপাচার্যের পদত্যাগ
৬৬১ দিন আগে
মন্ত্রণালয়-বিভাগকে যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে যত দ্রুত সম্ভব কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।
তরুণদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তিনি।
সোমবার (১২ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত প্রধান উপদেষ্টার আওতাধীন মন্ত্রণালয় এবং বিভাগসমূহের সিনিয়র সচিব ও সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে এ আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা
বৈঠকে সচিবরা প্রধান উপদেষ্টাকে মন্ত্রণালয়গুলোর কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।
জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করার কথাও বলেন তিনি।
একই সঙ্গে বন্দর ও রেলপথ দ্রুত চালুর নির্দেশ দেন তিনি।
কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সার, জ্বালানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে তাদের প্রতি আহ্বান জানান অধ্যাপক ড. ইউনূস।
আরও পড়ুন: সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দেওয়া হয়েছে: মির্জা ফখরুল
৬৬১ দিন আগে
প্রায় সব থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে: পুলিশ সদর দপ্তর
সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে এমন থানাগুলো বাদে দেশের প্রায় সব থানায় পুনরায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (১২ আগস্ট) সারাদেশে ৬৩৯টি থানার মধ্যে ৬২৮টি থানার কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
এর মধ্যে মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে ১১০টি থানার মধ্যে ১০৮টি এবং অন্যান্য জেলাগুলোর ৫২৯টি থানার মধ্যে ৫২০টি থানায় কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বাকি ১১টি থানার কার্যক্রম আগামী ২-৩ দিনের মধ্যে শুরু করা সম্ভব হবে বলেও সদর দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারাদেশে থানাগুলোতে হামলা হওয়ায় অধিকাংশ থানার কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
৬৬১ দিন আগে
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২৮৫
এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রবিবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে আরও ২৮৫ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সোমবার (১২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ অ্যান্ড ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: দেশে আরও ৩৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত
বিজ্ঞপ্তি থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে, নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১১ জন, আর ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৭৪ জন রোগী।
এছাড়া, চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ নারী।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ১ আগস্ট থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৮ হাজার ২৫৪ জন। এর মধ্যে ৬০ দশমিক ৮ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ দশমিক ২ শতাংশ নারী।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে আরও ১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২০২
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ২০৪
৬৬১ দিন আগে
পাবনায় হত্যা মামলায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
পাবনার আমিনপুরে সিএনজি চালক ইমরান হত্যা মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ আগস্ট) দুপুরে পাবনা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র জেলা জজ আহসান তারেক এই রায় দেন।
আরও পড়ুন: ইয়াছিন হত্যাকাণ্ড: এক ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ও অপরজনের যাবজ্জীবন
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী দেওয়ান মজনুল হক।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জগনাথপুর গ্রামের আবুল কালাম (৩৫), মোকছেদ আলী (৪৫), মুক্তার হোসেন (৩৫), আপেল মাহমুদ (৪১) ও জাহিদ (৫০)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই সকাল ১০টার দিকে রাতে ইমরানকে ফোন করে সিএনজি ভাড়া নেয় একই গ্রামের জগন্নাথপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আবুল কালাম। পরে আবুল কালাম কাশিনাথপুর বাজার থেকে তার সহযোগী চারজনকে তুলে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হত্যা করে সিএনজি নিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার একদিন পর ১৬ জুলাই আমিনপুর থানা চক কৃষ্ণপুর মুজিব বাঁধের পাশে এলাকাবাসী লাশ দেখতে পেয়ে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে নিহত ইমরানের বাবা কালু সরদার তার ছেলে ইমরানের লাশ বলে শনাক্ত করেন।
১৬ জুলাই ইমরানের বাবা আমিনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে মামলার প্রধান আসামি আবুল কালামকে আটক করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়। দীর্ঘ ১০ বছর মামলা পরিচালনা করে বিচারক সাক্ষী শেষে এই রায় দেন।
আরও পড়ুন: প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সন্তান হত্যার দায়ে মায়ের যাবজ্জীবন
নড়াইলে ২ মাদক ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন
৬৬১ দিন আগে
পার্বত্য এলাকাকে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী আখ্যা দেওয়া ঠিক হবে না: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য এলাকাকে এখন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসেবে আখ্যা দেওয়া ঠিক হবে না।
তিনি বলেন, ‘বৈষম্য দূর করা ও সবার জন্য সমান অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠাসহ সাম্যের দেশ গড়াই হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ।’
আরও পড়ুন: আমরা ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আছি, নতুন যাত্রা শুরু করতে হবে: প্রধান বিচারপতি
সোমবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সুপ্রদীপ চাকমা।
উপদেষ্টা বলেন, ‘সমাজকে বৈষম্যহীন করে গড়ে তুলতেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়েছে। ব্রিটিশ আমল থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রাম বঞ্চিত ছিল। ১৯৭৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম, তখন চারপাশে কোনও পাহাড়ি শিক্ষার্থী ছিল না। তখন থেকে চিন্তা করেছিলাম আর পাহাড়ি এলাকায় ফিরে যাব না, মূলধারায় (মেইনস্ট্রিমে) থাকব। বঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে টেনে তুলব। সেই ইচ্ছাটাই এখন পূরণ করতে হবে।’
সুপ্রদীপ চাকমা আরও বলেন, ‘পাহাড়ি এলাকায় আম, আনারস, পেঁপে চাষ এখন ব্যাপক আকারে হচ্ছে। এখানকার মানুষের আয় ও জীবিকার সংস্থান হচ্ছে। আমাদের চারপাশে পৃথিবীর অর্ধেক মানুষের বাস। এখানকার মানুষ উন্নয়নে বিশ্বাসী। এছাড়া আমাদের জন্য ইনক্লুসিভিটি এখন খুব বেশি প্রয়োজন। সবার সমন্বিত উদ্যোগে এখানকার উন্নয়ন করা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তি ছিল মূলত নেগোশিয়েশন বা সমঝোতাভিত্তিক চুক্তি। আমি এটাকে শান্তি চুক্তি বলি না, এটাকে পার্বত্য চুক্তি বলি। এ বিষয় নিয়ে সরকারকে আরও নমনীয় হওয়া উচিত। এছাড়া পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে বেশির ভাগ মানুষই ইচ্ছুক ছিল। সবাই শান্তিতে বিশ্বাসী। তাই শান্তির প্রত্যাশায় সকলেই ভালো দিকগুলো গ্রহণ করবে এটাই স্বাভাবিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেশের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য আমার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছি। পার্বত্যবাসীদের মধ্যে যারা বঞ্চিত তাদের এগিয়ে নিতে হবে। পাহাড়ি-বাঙালি সবাই উন্নয়ন চায়। তাই সকলেই সম্মিলিতভাবে উন্নয়ন প্রত্যাশা করে। দেশের উন্নয়নে সকলকেই একযোগে কাজ করতে হবে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এ কে এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী, অতিরিক্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার মহোত্তম, যুগ্মসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্মসচিব সজল কান্তি বনিক, উপসচিব কংকন চাকমা, উপসচিব মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।
আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রয়োজন: উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায়
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠকে বসবেন প্রধান উপদেষ্টা
৬৬১ দিন আগে
আমরা ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে আছি, নতুন যাত্রা শুরু করতে হবে: প্রধান বিচারপতি
নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে সংঘটিত গণ–অভ্যুত্থানের কারণ আপনারা সবাই জানেন। এছাড়া এই মুহূর্তে আমরা এক ধ্বংসস্তূপের ওপরে দাঁড়িয়ে আছি। এই ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়েই আমাদের নতুন যাত্রা শুরু করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে বিচারপ্রক্রিয়ায় আমাদের বিচারবোধ, ন্যায়বিচারের মূল্যবোধকে বিনষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া সততার বদলে শঠতা, অধিকারের বদলে বঞ্চনা, বিচারের বদলে নিপীড়ন, আশ্রয়ের বদলে নির্যাতনকে স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত করা হয়েছে। অথচ এ রকম সমাজ ও রাষ্ট্র আমরা চাইনি।’
আরও পড়ুন: নতুন প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ
সোমবার (১২ আগস্ট) আপিল বিভাগের এক নম্বর বিচারকক্ষে (প্রধান বিচারপতির এজলাস) অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘শিষ্টের লালন ও অন্যায়ের দমন হলো বিচার বিভাগের শাশ্বত দায়িত্ব। বিচারক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে যে কেউ অন্যায় বা শিষ্টাচার লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যে কেউ ভালো কাজ করলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। কিন্তু কোনো ধরনের বিচ্যুতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।’
প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘আমি কৃতজ্ঞতা ও গভীর শ্রদ্ধা জানাই গণজাগরণে আত্মদানকারী প্রত্যেক শহীদের স্মৃতির প্রতি। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। ছাত্র-জনতার এই অভুত্থানের সময় অসংখ্য শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের অনেকেই এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমি তাদের সবার দ্রুত নিরাময় ও সুস্থতা কামনা করছি।’
তিনি বলেন, ‘আমি সারা দেশের সব ছাত্র-জনতা–শিক্ষার্থীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আমি আরও অভিনন্দন জানাই বাংলাদেশের সব স্তরের জনগণকে, যারা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন।’
সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘আজ থেকে প্রতিটি শ্রেয়, শুভ ও কল্যাণকর কর্মে সবাই বিচার বিভাগকে আপনাদের পাশে পাবেন। আমি সচেতন আছি, আমাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ছাড়াও জেলা জুডিশিয়ারি হলো বিচার বিভাগের সবচেয়ে বড় ও বিস্তৃত ক্ষেত্র। অধস্তন জুডিশিয়ারিতে কর্মরত বিচারক সহকর্মীরা আমরা সবচেয়ে বড় শক্তি। দেশের সাধারণ মানুষ বিচার বিভাগ বলতে মূলত ডিস্ট্রিক্ট জুডিশিয়ারিকে বোঝেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘জুডিশিয়াল সার্ভিসে কর্মরত সহকর্মীদের বলছি, আমি আপনাদের পাশে আছি। আপনারা কোনো ধরনের অন্যায়, চাপ ও ভয়ভীতির আশঙ্কা করবেন না। নির্ভয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে বিচারিক কাজ পরিচালনা করুন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ভগ্নদশা থেকে বিচার বিভাগও মুক্ত নয়। কিন্তু ছাত্র–জনতার বিজয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্ত নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ আমাদের সামনে এনে দিয়েছে। আমরা যেন এই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে পারি, সেদিকে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে।’
এদিকে বেলা পৌনে ১১টার দিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাম্প্রতিক ঘটনায় নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি ও উপস্থিত আইনজীবীরা।
সংবর্ধনায় প্রথমে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও পরে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের প্রতি প্রধান বিচারপতির শ্রদ্ধা
শপথ নিলেন প্রধান বিচারপতিসহ আরও দুই উপদেষ্টা
৬৬১ দিন আগে