খেলাধুলা
মারাদোনোর চুরি যাওয়া গোল্ডেন বল নিলামে উঠছে
১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ দিয়েই ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন ‘আর্জেন্টিনা ফুটবলের ঈশ্বর’ দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা। ওই বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়ে গোল্ডেন বল পান তিনি। কিন্তু গত বছর ট্রফিটি উধাও হয়ে যাওয়ার খবর আসে।
তবে সেই গোল্ডেন বলটি এবার নিলামে উঠছে বলে জানিয়েছে নিলাম হাউজ আগুত্তেস।
মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আগামী ৬ জুন নিলামে উঠবে মারাদোনোর ’৮৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বলটি। এখনও এর ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়নি। তবে তা মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশ্বাস প্রতিষ্ঠানটির।
মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের মাধ্যমে মারাদোনা কিংবদন্তির তালিকায় উঠে আসেন। টুর্নামেন্টে পাঁচ গোল করেন তিনি, যার মধ্যে ছিল কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অফ গড’ এবং ‘গোল অফ দ্য সেঞ্চুরি’র মতো সব কীর্তি।
সেমিফাইনালে বেলজিয়ামের বিপক্ষে জোড়া গোল করে দলকে ফাইনালে তোলেন মারাদোনা। আর সেখানে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে তৎকালীন পশ্চিম জার্মানিকে ৩-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরেন এই ক্ষুদে জাদুকর। টুর্নামেন্ট সেরা হয়ে পান গোল্ডেন বলও।
কোভিড মহামারি চলাকালে ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে মারা যান মারাদোনা। ২০২৩ সালে তার এই স্মারক উধাও হয়ে গেছে বলে খবর চাউর হয়। এরপর থেকে এটির কোনো হদিস ছিল না।
তবে গত এক বছর ধরে আগুত্তেসের কাছেই পুরস্কারটি ছিল বলে জানান নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটির ক্রীড়া বিশেষজ্ঞ ফ্রাঁসোয়া থিয়েরি। তিনি জানান, সম্প্রতি এটি তাদের হাতে আসে। এরপর আসল প্রমাণিত হওয়ার পর আগামী ৬ জুন ট্রফিটি নিলামে তুলতে যাচ্ছেন তারা।
৬৬৭ দিন আগে
‘ইয়েলো ওয়াল’ ভাঙতে ব্যর্থ হয়ে পিএসজির বিদায়
রেফারির বাঁশি বাজতেই মাঠের একদিকের ছোট্ট এক ফালি হলুদ অংশের দিকে ছুটল ডর্টমুন্ডের খেলোয়াড়রা। সেখানে তখন ঝরছে আনন্দের বৃষ্টি আর পুরোটা মাঠজুড়ে ছড়িয়ে আছে হতাশার কালো মেঘ। দুই গোলের ব্যবধানে জিতে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নামা পিএসজি শেষ পর্যন্ত আরও একবার হেরে বসেছে। আরও একবার শেষ হয়ে গেছে তাদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের স্বপ্ন।
মঙ্গলবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফিরতি লেগেও ১-০ গোলে হেরে ফাইনালে আর ওঠা হয়নি লুইস এনরিকের পিএসজির। আর ২-০ গোলের অগ্রগামিতায় ১১ বছর পর ফাইনালে উঠল বরুশিয়া ডর্টমুন্ড।
এদিন আবারও ডর্টমুন্ডের টিম ওয়ার্কের কাছে সব কৌশল পরাস্ত হয়েছে লুইস এনরিকের। সেই সঙ্গে ছিল হলুদ জার্সিধারীদের রক্ষণের অসাধারণ দক্ষতা।
ডর্টমুন্ডের ‘ইয়েলো ওয়াল’-এর সামনে নিরস্ত হয়েছে পিএসজির ৪৫টি প্রচেষ্টা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে এতবার গোলের সুযোগ তৈরি করেও গোল না পাওয়ার এমন উদাহরণ আর নেই। তবে তার সঙ্গে ছিল তাদের পোড়া কপাল। ভাগ্যদেবী কাল তাদের প্রতি যেন অপ্রসন্নই ছিলেন। নাহলে এক ম্যাচে চারটি দারুণ গোলের সম্ভাবনা পোস্টে লেগে ফিরে আসে?
আক্রমণ, গেম বানানো, প্রতি আক্রমণ, বল দখলে নেওয়া কিংবা নিয়ন্ত্রণ- সব বিভাগেই অসাধারণ নৈপুণ্যে ম্যাচ শুরু করে পিএসজি। প্রথম ত্রিশ মিনিট ডর্টমুন্ডকে একপ্রকার কোণঠাসা করে রাখেন এমবাপ্পে-দেম্বেলেরা, কিন্তু গোলের ভালো সুযোগ কোনোভাবেই মিলছিল না। বল শট নেওয়ার আগমুহুর্তে কিংবা বক্সের মধ্যে পাস দিলেই সেগুলোকে প্রতিহত করছিলেন ডর্টমুন্ডের ডিফেন্ডাররা।
৬৬৭ দিন আগে
তৌহিদের হাফ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৬৫
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তৌহিদ হৃদয়ের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৬৫ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দুই ওপেনার লিটন দাস ও তানজিদ হাসান তামিম যথাক্রমে ১২ ও ২১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মুজারাবানির বলে পরপর তিনবার স্কুপ শট খেলার চেষ্টা চালিয়ে বোল্ড হলেন লিটন। লিটনের এভাবে উইকেট বিলিয়ে আসা তার ব্যাটিং অ্যাপ্রোচকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও মাত্র ৬ রান করে সিকান্দার রাজার বোলে বোল্ড হয়ে মাঠ ছাড়েন।
টপ অর্ডারের এমন ধসের পর তৌহিদ হৃদয় ও জাকের আলীর দারুণ জুটি ইনিংসের সমতা ফেরায়।
৩৮ বলে ৫৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়ের সেরা বোলার ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন তৌহিদ হৃদয়। ৩৪ বলে ৪৪ রান করে জাকের আলীও মুজারাবানির বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আগের দুই ম্যাচেও জয় পাওয়া বাংলাদেশ আজকের ম্যাচে জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চাইবে।
অন্যদিকে সিরিজে লড়াইয়ে টিকে থাকতে জিম্বাবুয়েরও জয়ের চেষ্টা থাকলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫.৪ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১১০ রান তুলতে পেরেছে দলটি। জয়ের জন্য ২৬ বলে ৫৬ রান করতে হবে তাদের।
৬৬৮ দিন আগে
প্যারিস জয় করে কি ফাইনালে যেতে পারবে ডর্টমুন্ড
রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে প্যারিসের মাঠে খেলতে নামছে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। জিগনাল ইদুনায় নিজেদের সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে ১ গোলে এগিয়ে থেকে রাতে পিএসজির বিপক্ষে মাঠে নামছে এদিন তেরজিকের শিষ্যরা। তবে পিএসজির দুর্দান্ত আক্রমণভাগ সামলে শেষ পর্যন্ত তারা ফাইনালে উঠতে পারবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়ে যায়।
এ সংশয়ের কারণের বেশিরভাগটা ডর্টমুন্ড নিজেরাই। চলতি মৌসুমে লিগে তাদের পারফরম্যান্স একেবারেই যাচ্ছেতাই। আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফরম্যাট পরিবর্তন হওয়াতে পঞ্চম দল হিসেবে ইউরোপ সেরার এই আসরে জায়গা করে নিয়েছে তারা। তা না হলে ইউরোপা লিগে অবনমন হতো ডর্টমুন্ডের।
আরও পড়ুন: এবার লোপেতেগির দিকে নজর বায়ার্নের
অন্যদিকে, প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে হেরেও বার্সেলোনার মাঠে গিয়ে দক্ষতা, গতি ও কৌশলে ন্যু ক্যাম্প থেকে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে লুইস এনরিকের পিএসজি।
সেমিতেও প্রথম লেগে ১-০ গোলে হেরে পার্ক দে প্রান্সে ম্যাচ শুরু করবে তারা। এ দিন এমবাপ্পে-দেম্বেলেরা ডর্টমুন্ডের ‘ইয়েলো ওয়াল’ ভেঙে ফিরে আসার আরেকটি গাঁথা রচনা করতে পারেন কি না তা দেখার অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
আজকের ম্যাচের কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে গেলে লুইস এনরিকের দলের কথাই আগে বলতে হয়। বার্সেলোনাকে ২০১৪-১৫ মৌসুমে ট্রেবল জেতানো এ কোচের খেলোয়াড়ি দর্শন সম্পর্কে সবারই জানা। পজেশনাল ফুটবলের আদর্শ এ কোচের দলকে তাই জয়ের পাল্লায় কিছুটা ভারী করে রাখতে হয়।
সেক্ষেত্রে ভিতিনিয়া, জাইরে এমেরি, মার্কো আসেনসিও, ম্যানুয়েল উগার্তে ও ফ্যাবিয়ান রুইজদের কারণে মাঝমাঠ নিয়ে খানিকটা স্বস্তিতেই থাকবেন এনরিকে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলে উসমান দেম্বেলে, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ব্র্যাডলি বারকোলারা যে কী ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন, তা আর নতুন করে বলে দিতে হয় না।
তাছাড়া লুকা এরনান্দেস ইনজুরিতে ছিটকে গেলেও জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার সামনে আশরাফ হাকিমি, মারকিনিয়োস ও নুনো মেন্দেসের মতো রক্ষণভাগও পিএসজি সমর্থকদের দুশ্চিন্তা কমাতে ভূমিকা রাখবে।
আবার কাউন্টার অ্যাটাক হোক কিংবা লং শট, সব ধরনের আক্রমণের সামর্থ্যই রয়েছে প্যারিসের দলটির। তার ওপর আবার নিজেদের ঘরের মাঠে ‘আল্ট্রা’র সামনে যে প্রাণশক্তি নিয়ে খেলবে পিএসজি, এগুলোই ম্যাচের ভাগ্য তাদের পক্ষে গড়ার জন্য যথেষ্ট।
তবে শক্তি, কৌশল, পরিবেশ- সব পিএসজির পক্ষে থাকলে দলগত খেলায় ডর্টমুন্ডকে পিছিয়ে রাখার সুযোগ নেই। প্রথম লেগে তুলনামূলক ভালো পারফর্ম করেও ডর্টমুন্ডের টিম ওয়ার্কের কাছে বারবার হতাশ হয়েছেন এমবাপ্পেরা।
ওই ম্যাচে মাট হুমেলসের নেতৃত্বে ইয়ান মাটসেন, নিকলাস জুলেরা যে সামর্থ্যের প্রমাণ দেখিয়েছেন, তাতে আজও পিএসজির আক্রমণভাগ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে ম্যাচ শেষে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। প্রথম লেগে ১৪টি শট নিয়েও গোলের দেখা পায়নি পিএসজি।
আরও পড়ুন: প্যালেসের মাঠে ধরাশায়ী ইউনাইটেড
আবার মাঝমাঠে এমরে চান, মার্সেল জাবিৎসারদের মতো অভিজ্ঞ অস্ত্র রয়েছে তেরজিকের হাতে। তাদের সঙ্গে বাড়তি পাওনা হিসেবে আছেন জেডন স্যানচো। গত ম্যাচের পুরোটা আলোই কেড়ে নিয়েছিলেন তিনি। সেদিন ম্যাচজুড়ে তিনি কী না করেছেন! গোলটাই কেবল পাননি। ওই ম্যাচে মোট ১৩টি সফল ড্রিবল করেন স্যানচো, ২০১৫ সালে নেইমারের (১৫) পর যা সর্বোচ্চ।
ধারণা করা হচ্ছে, আজকেও তাকে মাঝমাঠে খানিকটা স্বাধীনতা দেবেন কোচ। সেক্ষেত্রে মাঝমাঠে ৪ জন খেলাতে পারেন তেরজিক। আবার এনরিকের পজেশনাল ফুটবলের কারণে মূল লড়াইটা হবে মাঝমাঠেই। তাই বল দখলের লড়াইয়ে সমানে সমান টক্কর দিতে পারলে ওপরে থাকা ইউলিয়ান ব্রান্ডট ও স্যানচোর পায়ে বল বেশি যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। আর তাতে কারিম আদেয়ামি ও নিকলাস ফুলক্রুগরা গোলকিপারের ঠিকমতো পরীক্ষা নিতে পারবেন।
চরম বৈরী পরিবেশে স্নায়ু ধরে রেখে নিজেদের কতটা মেলে ধরতে পারবেন মার্কো রয়েসরা, তার ওপরই নির্ভর করবে ম্যাচে তাদের ভাগ্য। অন্যদিকে, মাঠের সব সুবিধা নিতে যদি ব্যর্থও হন, তারপরও শুধু কদাচিৎ আসা সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে ফল পাল্টে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন এমবাপ্পে-দেম্বেলেরা।
সবকিছুর ওপরে ম্যাচের কলকাঠি নাড়বেন ডাগআউটে থাকা দুই কোচ। রসদে ভরপুর দলের সঙ্গে এনরিকের কৌশলকে ভিন্ন কৌশল দিয়েই মাত করতে হবে তেরজিকের। তা না হলে বিশ্লেষকদের ধারণা সত্যি করে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠে যাবে পিএসজি।
সম্ভাব্য একাদশ
পিএসজি: দোন্নারুমা, হাকিমি, মার্কিনিয়োস, বেরালদো, নুনো মেন্দেস, ভিতিনিয়া, উগার্তে, ফ্যাবিয়ান রুইজ, দেম্বেলে, এমবাপ্পে, বারকোলা। (৪-৩-৩)
ডর্টমুন্ড: কোবেল, মাটসেন, জুলে, হুমেলস, ভল্ফ, চান, জাবিৎসার, আদেয়ামি, ব্রান্ডট, স্যানচো, ফুলক্রুগ। (৪-২-৩-১)
প্রেডিকশন: পিএসজি ৩-১ ডর্টমুন্ড।
আরও পড়ুন: শেষ লগ্নেও মায়া ছড়িয়ে চলেছেন মেসি রোনালদো
৬৬৮ দিন আগে
বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েও অসন্তুষ্ট নন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক
দুটি চমক রেখে গত বুধবার (১ মে) আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। ঘোষিত স্কোয়াডে নেই স্টিভেন স্মিথ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের উদীয়মান বিধ্বংসী ব্যাটার জেক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক।
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে স্মিথের না থাকাটা মেনে নিলেও ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের বাদ পড়াটা মানতে পারছেন না ক্রিকেট ভক্তদের অনেকে। এ নিয়ে গত কয়েকদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।
চলবে না কেন? আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার ক্যাপ এখনও মাথায় না উঠলেও ইতোমধ্যে ঘরোয়া এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে দানবীয় আবির্ভাব হয়েছে ফ্রেজার-মাকগার্কের।
গত অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টুর্নামেন্ট মার্শ কাপে ২৯ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। একদিনের ম্যাচের স্বীকৃত ক্রিকেটে এটিই দ্রুততম সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড। এরপর বিগ ব্যাশে ১৫৮.৬৪ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ২৫৭ রান। চলমান আইপিএলেও তাণ্ডব চালাচ্ছেন তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে মাঠে নেমে ২ ম্যাচে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি পার করেছেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, যার একটিতে করেন ২৭ বলে ৮৪ রান। আসরে এখনও পর্যন্ত ৬ ইনিংসে তিন ফিফটিতে ২৫৯ রানের সংগ্রাহক এই তরুণ। আইপিএলে তার স্ট্রাইক রেটের গড় ২৩৩.৩৩।
আরও পড়ুন: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপ দলে শামার জোসেফ
এত তাড়াতাড়ি ক্রিকেটে এতসব পরিসংখ্যান তৈরির পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তার ব্যাটিং ঝড় দেখতে মুখিয়ে ছিলেন ভক্তরা। অথচ দলেই তাকে না রাখায় মন ভেঙেছে অনেকের।
তবে এসবের মাঝেও নির্ভার রয়েছেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক। তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো দলে হুট করেই যে জায়গা আদায় করা কঠিন, সেটা ভালোভাবেই বোঝেন তিনি।
এ বিষয়ে ‘উইলো টক’ পডকাস্ট-এ তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না যে, আমি এমন অবস্থান তৈরি করেছি যার জন্য আমাকে (অন্য কারো জায়গায়) দলে নেওয়া হবে।
‘দেখুন বিশ্বকাপ ক্রিকেট আইপিএল বা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের চেয়ে একদম আলাদা।’
অস্ট্রেলিয়ার তারকায় ঠাসা ব্যাটিং লাইন আপের মধ্যে ফাঁকা জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না তিনি নিজেও। তার কথায়, ‘এটাও বুঝতে হবে যে দলে জায়গা বের করা সজহ নয়। ওপেনার হিসেবে সেখানে আছেন ডেভিড ওয়ার্নার। তিন সংস্করণেই তিনি আমাদের সর্বকালের সেরা ওপেনার। আছেন ট্র্যাভিস হেডও; আইপিএলে তিনি জ্বলে উঠেছেন। শুধু আইপিএল কেন, গত দেড় বছর ধরে তিনি কী করে চলেছেন, তা সবাই দেখেছে।
‘এরপর ধরুন মিচেল মার্শ। তিনি আমাদের অধিনায়ক। আবার ব্যাটিংয়েও সমানভাবে আলো ছড়িয়ে চলেছেন।’
তিনি বলেন, ‘পাঁচ ছয় নম্বরেও নিজেকে রাখতে পারছি না আমি। কারণ, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিনদের মতো খেলোয়াড়রা এই পজিশনে মোটামুটি থিতু হয়ে গেছেন।
‘আমি বিষয়টি এভাবে দেখছি। স্কোয়াড ঠিকই আছে। দলে জায়গা পেতে আমার হাতে সময়ও তো রয়েছে অনেক।’
আরও পড়ুন: আইপিএল থেকে মুস্তাফিজের শেখার কিছু নেই: বিসিবি’র জালাল ইউনুস
তবে যে কোনোভাবে বিশ্বকাপে দলের সঙ্গে থাকতে পারলে যে মন্দ হতো না, সেটিও অকপটে স্বীকার করলেন এই তরুণ।
তার ভাষ্য, ‘আমাকে যদি কোনোভাবে ট্রাভেলিং (রিজার্ভ) প্লেয়ার হিসেবেও দলের সঙ্গে রাখা হয়, তাহলে ব্যাপারটি আমার জন্য এক দারুণ সুযোগ হবে। অনেক কিছু শেখা হবে আমার।’
তবে বিশ্বকাপ স্কোয়াড নিয়ে একেবারেই হতাশ নন তিনি। বলেন, ‘বিষয়টি আমাকে একেবারেই ভাবাচ্ছে না। কারণ আমি সেটি এখনও অর্জন করেছি- তা আমার একেবারেই মনে হচ্ছে না।’
৬৬৮ দিন আগে
প্যালেসের মাঠে ধরাশায়ী ইউনাইটেড
ওল্ড ট্রাফোর্ডের সোনালী দিন ফেরাতে এরিক টেন হাগকে দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবটির মালিকপক্ষ। শুরুতে কিছুদিন নতুন দিনের স্বপ্ন দেখালেও দ্বিতীয় মৌসুমে এসেও উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না দলটির। বরং দিন দিন খেই হারিয়ে ফেলছেন টেন হাগ।
সোমবার রাতে লিগ টেবিলের ১৪তম অবস্থানে থাকা ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে ৪-০ গোলের ব্যবধানে হেরেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে প্যালেসের বিপক্ষে দুই লেগেই হারল তারা।
আরও পড়ুন: শেষ লগ্নেও মায়া ছড়িয়ে চলেছেন মেসি রোনালদো
২৫ হাজার দর্শকের সামনে ঘরের মাঠে যে উজ্জীবিত ফুটবল খেলেছে প্যালেস, তার সামনে কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেননি টেন হাগের শিষ্যরা। প্রথমার্ধে ২ গোল করে প্যালেস, দ্বিতীয়ার্ধেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি করে তারা।
ম্যাচের ১২তম মিনিটে বক্সের মধ্যে ঢুকে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে নেন প্যালেসের ফরাসি মিডফিল্ডার মিকেল ওলিস। এরপর ৪০তম মিনিটে আরেক ফরাসি জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতার গোলে ২-০তে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় প্যালেস।
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। ম্যাচ পুনরায় শুরু হওয়ার ১৩তম মিনিটে ডিফেন্ডার টাইরিক মিচেল ফের ব্যবধান বাড়ান। এর ৮ মিনিট পর অসাধারণ দক্ষতায় ইউনেইটেডের জয়ের সম্ভাবনার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ওলিস।
আরও পড়ুন: এবার লোপেতেগির দিকে নজর বায়ার্নের
এ নিয়ে সবশেষ ১০ ম্যাচের ৪টিতেই হারল ইউনাইটেড। এছাড়া চার ম্যাচে করেছে ড্র, জিতেছে মাত্র দুটিতে।
গতরাতের হারে আগামী মৌসুমে উয়েফা কনফারেন্স লিগে খেলার সম্ভাবনাও ফিকে হয়ে গেছে টেন হাগের দলের। ৩৫ ম্যাচে ১৬ জয় ও ৬ ড্রয়ে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ৮ নম্বরে আছে ইউনাইটেড। তাদের সমান পয়েন্ট নিয়ে ১৪ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সপ্তম অবস্থানে চেলসি।
ইউনাইটেডের এমন বিব্রতকর হারের রাতে দারুণ এক কীর্তি গড়েছে প্যালেস। প্রিমিয়ার লিগে এবারই প্রথম তারা ইউনাইটেডকে দুই লেগেই হারাল।
৬৬৮ দিন আগে
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ এগিয়ে থাকলেও জাতীয় দলের ব্যাটিং নিয়ে অসন্তুষ্ট বিসিবি সভাপতি
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ের পরও জাতীয় দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিসিবি সভাপতি ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান।
জয় নিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করলেও বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পারফরম্যান্স নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন তিনি।
মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেন, 'জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আমরা দুটি ম্যাচ জিতেছি এটা সত্যি, কিন্তু ব্যাটিং আমার ভালো লাগেনি।’
তুলনামূলকভাবে দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও প্রতিযোগিতামূলক লক্ষ্য ছুঁড়ে দিতে বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ব্যাটিং লাইনআপের সংগ্রাম করতে হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বিসিবি সভাপতি বলেন, 'টি-টোয়েন্টি ও আইপিএল নিয়ে আমাদের অ্যাপ্রোচের মধ্যে তফাত রয়েছে। এমনকি ২৫০-২৬০ রানও জয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, আবার ১৪০-১৪৫ রানের লক্ষ্যে পৌঁছাতেও কঠিন লড়াই করতে হচ্ছে।’
আরও পড়ুন: অভিষেকে তানজিদের ফিফটি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ
বোলারদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন নাজমুল হাসান। এ সময় মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের প্রত্যাবর্তন এবং মেহেদী হাসান ও তাসকিন আহমেদের অবদানের প্রশংসা করেন। এছাড়াও আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেরও প্রশংসা করেন তিনি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে নাজমুল হাসান বলেন, সিরিজটি বিশ্বকাপ প্রস্তুতির জন্য বিশেষভাবে খেলা হচ্ছে না। ‘আইসিসি ফিউচার ট্যুরস প্রোগ্রাম’- এর অংশ ছিল এটি।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় দিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন: ২০২৪ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
৬৬৯ দিন আগে
২০২৪ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
আগামী ৩ থেকে ২০ অক্টোবর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর এক আসর নিয়ে আসছে ১০টি দেশের নারী দলের ২৩টি ম্যাচের এই টুর্নামেন্টটি।
১৮ দিনের এই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ২০২৩ সালের রানার্সআপ দক্ষিণ আফ্রিকা।
স্বাগতিক বাংলাদেশ উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে কোয়ালিফায়ার-২ এর বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে।
দ্বিতীয় দিন ৪ অক্টোবর সিলেটে কোয়ালিফায়ার ১-এর বিপক্ষে এই বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া।
৬ অক্টোবর সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে বহুল কাঙ্ক্ষিত ভারত ও পাকিস্তান ম্যাচ।
ঢাকার শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এবারের আসর বসতে যাচ্ছে।
২০ অক্টোবর মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পর্দা নামবে এই আয়োজনের।
আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেন, 'নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’
এ সময় বাংলাদেশে নারী ক্রিকেটকে বদলে দিতে এবং বিশ্বব্যাপী নতুন প্রজন্মের ভক্তদের অনুপ্রাণিত করতে টুর্নামেন্টের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
এই আয়োজন করতে পেরে গর্ব প্রকাশ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'বাংলাদেশে আইসিসি বিশ্বকাপ ফিরিয়ে আনা সত্যিই রোমাঞ্চকর। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেশ ও দেশের বাইরে নারী ক্রিকেটকে এগিয়ে নেওয়ার একটি গৌরবময় সুযোগ এনে দিয়েছে।’
বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা এবং ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর উভয়ই আসন্ন টুর্নামেন্টের জন্য তাদের উত্তেজনা এবং দৃঢ়তা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি ভক্তদের কাছে সমর্থন চেয়েছেন তারা।
হরমনপ্রীত বলেন, 'এ বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আমি রোমাঞ্চিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নারী ক্রিকেটের উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে নারী বিশ্বকাপগুলো অবিশ্বাস্য। আমি নিশ্চিত প্রতিযোগিতামূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেটের মতো বিশ্বকে আনন্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে এই আসর আলাদা হবে না।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসর আয়োজন করতে পারাটা বাংলাদেশের জন্য সম্মানের বলে জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার।
তিনি বলেন, 'নবম আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণায় আমরা রোমাঞ্চিত। দেশের জন্য, এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ আসর আয়োজন করা সম্মানের, যেখানে আমাদের উৎসাহী ভক্তরা আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেটের সেরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।’
৬৭০ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটারদের একটি প্রতিনিধি দল। আসন্ন আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (আইসিসি) অংশ নিতে যাচ্ছেন তারা।
রবিবার গণভবনে এ সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধি দলে ছিলেন- যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জিওফ্রে জন অ্যালারডাইস, বাংলাদেশ নারী জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা এবং ভারতের জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর।
এ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব কে এম সাখাওয়াত মুন।
এ সময় নারী ক্রিকেটারদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আগামী ৩ থেকে ২০ অক্টোবর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাংলাদেশ, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারতসহ মোট ১০টি দেশ অংশ নেবে।
দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশ এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করছে।
এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবারের মতো আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ।
৬৭০ দিন আগে
শেষ লগ্নেও মায়া ছড়িয়ে চলেছেন মেসি রোনালদো
এক যুগ আগে শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করেছিলেন ফুটবলের দুই বরপুত্র লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের গোধুলি লগ্নে তা থেকে অনেকটাই বের হয়ে গেছেন তারা; দুজনের পথ গেছে দুদিকে বেঁকে। তারপরও জাদুকরি ফুটবল দক্ষতায় যেসব কাজ তারা প্রতিনিয়ত করে চলেছেন, তাতে সেই পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফের টেনে আনতে বাধ্য হন ভক্ত-সমর্থকরা।
শনিবার সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে ঘরের মাঠে আল ওয়েহদাকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেয় আল নাসর। এই ম্যাচে আরও একটি হ্যাটট্রিক নিজের ঝুলিতে পুরেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।
এ নিয়ে ৭ ম্যাচে তৃতীয়বার হ্যাটট্রিক করলেন রোনালদো। আল নাসরের হয়ে সব মিলিয়ে তার হ্যাটট্রিক হলো ৬টি। গোটা ক্যারিয়ারে ৬৬টি।
অসামান্য পারফর্ম্যান্স দিয়ে যখন মরুর সন্ধ্যা আলোকিত করছেন রোনালদো, তখন অন্যপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে মায়াবী ফুটবলের প্রদর্শনী চালাচ্ছেন ফুটবলের আর্জেন্টাইন মায়েস্ত্রো লিওনেল মেসি।
মায়াবীই বটে। টানা ছয় ম্যাচে অপরাজিত থাকা নিউ ইয়র্ক রেড বুলসকে গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দিল ইন্টার মায়ামি। একটি মাত্র গোল করেছেন মেসি। কিন্তু তার চেয়েও বেশি কিছু তার পারফর্ম্যান্স।
রেড বুলসকে ৬-২ গোলে হারানোর ম্যাচে পাঁচটি গোলই তৈরি করে দিয়েছেন মেসি। নিজে করেছেন বাকি গোলটি। বন্ধু সুয়ারেজকে দিয়ে করিয়েছেন হ্যাটট্রিক।
এক গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করা মায়ামিকে যখন আরও একটি হার চোখ রাঙাচ্ছিল, ঠিক তখনই জ্বলে ওঠেন এ ক্ষুদে জাদুকর। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক জাদুর ছোঁয়ায় দর্শকদের মোহাচ্ছন্ন করে রাখেন তিনি। অসাধারণ সব ড্রিবলিং, ওয়ান টু ওয়ান আর বক্সে মাপা পাস বাড়িয়ে যখন সতীর্থদের দিয়ে একেকটি অনিবার্য গোল করাচ্ছিলেন, তখন মন্ত্রমুগ্ধের মতো হাততালি দিচ্ছিল প্রতিপক্ষের দর্শকরাও।
এক ম্যাচে পাঁচ অ্যাসিস্টের ঘটনা মেজর সকার লিগে এটিই প্রথম। আর সেটা যেন ফুটবলের কাছ থেকে সবকিছু পাওয়ার পর মেসির কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি ভঙ্গি মাত্র।
এ নিয়ে চলতি মৌসুমে ১১ ম্যাচে ১২ গোলের পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট, অর্থাৎ ১১ ম্যাচে ২৩ গোলে অবদান রাখলেন মেসি।
অন্যদিকে, চলতি মৌসুমে ৫২ ম্যাচ খেলে ৫২ গোল ও ১৪টি অ্যাসিস্ট, অর্থাৎ ৬৬টি গোলে সরাসরি অবদান রোনালদোর।
ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে এসেও প্রদীপ্ত প্রদীপের মতো উজ্জ্বল অথচ মায়াবী আলো ছড়িয়ে চলেছেন ফুটবল ভক্তদের মাঝে আসা ঈশ্বরের দুই আশীর্বাদ।
৬৭০ দিন আগে