চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহনের দুটি বাসের সংঘর্ষে নিহতদের মধ্যে ঝিনাইদহের দুই যুবক রয়েছেন।
তারা হলেন— ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁদ আলী বকসের ছেলে নাইমুর রহমান জিহাদ (২১) ও একই উপজেলার পোতাহাটী গ্রামের আনোয়ার হোসেনের একমাত্র ছিলে নাঈম (২২)।
তাদের নিহতের খবর নিশ্চিত করে সদর উপজেলার মধুহাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন জানান, জিহাদ ও নাঈমসহ তারা ৮ জনের একটি গ্রুপ কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিল। তাদের বহন করা যাত্রীবাহী বাসটি শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে পৌঁছালে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাদের আরও ৪ বন্ধু গুরুতর আহত হন বলেও ইউপি চেয়ারম্যান জানান।
এদিকে, পোতাহাটী গ্রামের গিয়াস উদ্দীন সেতু জানান, নাঈম ছিলেন সদা হাস্যোজ্জ্বল এক যুবক। তার আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে, নাঈম তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন বলে জানান তিনি।
সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম জানান, যুবক নাইমুর রহমান জিহাদ বিজিবি সদস্য ছিলেন। তার চাকরির বয়সও বেশিদিন হয়নি। প্রশিক্ষণ চলাকালীন কষ্ট হয়ে যাওয়ায় জিহাদ তা ছেড়ে বাড়ি চলে আসেন। এরই মধ্যে এ দুর্ঘটনায় তার প্রাণ গেল। এমন মৃত্যুতে তার পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি নাইমুর রহমান জিহাদ ও নাঈম নামে দুই যুবকের মৃত্যুর তথ্য জানতে পেরেছেন। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পোতাহাটী ও বাজারগোপালপুর গ্রামে। তবে এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর বা চট্রগ্রাম পুলিশ থেকে বিস্তারিত কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি।