পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত অবস্থায় শিল-পাটার আঘাতে বাবা উত্তম দেবনাথকে (৬০) হত্যা করার অভিযোগে ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার দেউলি সুবিদখালী ইউনিয়নের পূর্ব সুবিদখালী (লঞ্চঘাট এলাকা) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় দিনমজুর ছিলেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাতে খাবার খেয়ে উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস নিজ ঘরে ও উত্তম দেবনাথের স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। আজ ভোর ৪টার দিকে তাপস ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে উত্তম দেবনাথের কপালের ডান পাশের ভ্রুর ওপর আঘাত করেন।
এ সময় উত্তম চিৎকার করলে তার স্ত্রী ঘরে গিয়ে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং চিৎকার দেন। পরে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দেখেন উত্তম তিনি সেখানে পড়ে রয়েছেন। এ সময় তারা উত্তমের কপালের ডান পাশে ভ্রুর ওপর রক্তাক্ত জখম দেখতে পান।
পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোশারেফ হোসেন থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ সকাল ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত তাপসকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশ।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপসকে আটক করা হয়েছে।