শিশু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।
শনিবার (৩০ মে) সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মৃত ২ শিশুর মধ্যে হুমায়রার বাড়ি সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় (বয়স ৬ মাস। সে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এবং অপর শিশু আব্দুল্লাহ আল মাহিনের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলায় (বয়স ৮ মাস। সে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (শনিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৩৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩৯ জন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১১৫ জন, মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ১১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন এবং সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ২২ জন চিকিৎসা নিচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য উপজেলা ও বেসরকারি হাসপাতালেও আরও রোগী ভর্তি রয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে ১৬৫ জনের শরীরে নমুনা পরীক্ষায় হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ ৮৬ জন, সিলেট জেলায় ৪২ জন, হবিগঞ্জে ২১ জন ও মৌলভীবাজারে ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৪৩ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ৩৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ১১৬ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ মাস ও সাড়ে ৩ মাস বয়সী দুই ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, ২২ মে কিশোরগঞ্জের পূর্ব ঝিনাইর থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ৪ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯মে সকালে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটি মারা যায়।
অন্যদিকে, ২৫ মে ময়মনসিংহ সদরের আকুয়া থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে সাড়ে তিন মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। এরই মধ্যে ২৯ মে সকালে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় তারও মৃত্যু হয়।
ডা. গোলাম মাওলা আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৭০৮ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৪৯ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৪৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এই হাসপাতালে মোট ৪১ শিশুর মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই সময়ে নতুন করে আরও ১৪ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে মোট ৪৭ শিশু। আইসোলেশন ওয়ার্ডে শয্যা সংকট থাকায় রোগীরা হাসপাতালের মেঝেতে ও বারান্দায় স্থান নিয়েছে।
হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১৭ মাস ও ৮ মাস বয়সী দুই ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
তিনি জানান, গত ২০ মে নেত্রকোনার পূর্বধলা থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ১৭ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৬ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় শিশুটি মারা যায়।
অন্যদিকে, ১৬ মে নেত্রকোনার কলমাকান্দা থেকে হামের লক্ষণ নিয়ে ৮ মাস বয়সী এক ছেলে শিশুকে হাসপাতালে করা ভর্তি হয়। তাকেও যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল। ২৬ মে রাতে হাম-পরবর্তী নিউমোনিয়া ও শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত ব্যর্থতায় তারও মৃত্যু হয় বলে জানান তিনি।
ডা. গোলাম মাওলা আরও জানান, গত ১৭ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ১ হাজার ৬২৩ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৩৫ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এবং ৪১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৮ শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
তিনি বলেন, সর্বনিম্ন ৩ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। তবে হাসপাতালে ৩ মাস থেকে ১ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা বেশি।
এ বিষয়ে মমেক হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সব রোগীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, এই হাসপাতালে লোকবল ও যন্ত্রপাতির অভাবে শিশুদের জন্য নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) এখনও চালু করা সম্ভব হয়নি । তবে বর্তমানে বাবল সিপ্যাপের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
৩ দিন আগে
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬ জনে।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
মারা যাওয়া শিশুটির নাম আব্দুল্লাহ আল জায়ান। ৫ মাস ৭ দিন বয়সী শিশুটি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার ওসমানীনগরের বাসিন্দা। শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৬৪ জন রোগী। যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি, তবে একই সময়ে ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এদিকে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৫৬ শিশুর মধ্যে ৪ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম রোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকীরা হাম উপসর্গে মারা যায়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ মে পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৪ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২১ জন (যার ২ জন রুবেলায় আক্রান্ত), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ৮৫ জন এবং সিলেট জেলায় ৪২ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
৩ দিন আগে
হবিগঞ্জে শিশুকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, প্রধান অভিযুক্তকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে মুখে গামছা বেঁধে নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণকাণ্ডে প্রধান অভিযুক্তকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৫ মে) রাতে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর বাজারে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটক ব্যক্তি ওই উপজেলার বড়চর গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে বড়চর গ্রামের ওই শিশু বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাওয়ার পথে আটক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগী মিলে শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যান এবং পাশবিক নির্যাতন চালান। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
পরদিন ভুক্তভোগী শিশুটিকে প্রথমে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এদিকে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা ওই ব্যক্তিকে গতকাল রাতে পাশের বাহুবল উপজেলার দিগম্বর বাজারে দেখতে পেয়ে ধরে ফেলেন স্থানীয় কয়েকজন যুবক। পরে তাকে বড়চর বাজারে নিয়ে আসার পর জনতা তাকে পিটুনি দেয়। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্তকে আটক করে হেফাজতে নেয়।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া প্রধান অভিযুক্তকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৩ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে আজ ১০ প্রাণহানি, শনাক্ত ১১৩৬
দেশে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৬টি শিশু।
মঙ্গলবার (২৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৯টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৬৭টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৮টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৫৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৫৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৮৩। এই সময়ে ৯৪৫টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৮১টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৬ হাজার ২৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫২ হাজার ৫৩০ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৮০০ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
হবিগঞ্জে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ
হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর গ্রামে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
সোমবার (২৫ মে) দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার (২৪ মে) বিকালে বড়চর সরকারী প্রাইমারী স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ৯ বছর বয়সী ওই শিশুটি গ্রামের দোকানে যাওয়ার পথে একই গ্রামের আফরোজ মিয়া (৩৫) তার সঙ্গী ওই শিশুকে জোরপূর্বক পাশের বাঁশঝাড়ের নির্জন স্থানে মুখে গামছা বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। স্থানীয়রা মেয়েটির চিৎকার শুনে ধর্ষণকারীদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। ওই ছাত্রীর বাবা ওইদিন বাড়িতে না থাকায় আজ (সোমবার) দুপুরে ভুক্তভোগীকে নবীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে আশঙ্কাকাজনক অবস্থায় তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ভুক্তভোগীর মায়ের দাবি, তার মেয়েটি খাবার কেনার জন্য স্থানীয় একটি দোকানে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে নির্জনস্থানে মেয়েটিকে মুখে গামছা বেঁধে ধর্ষণ করেছে একই গ্রামের কনর মিয়ার ছেলে আফরোজ মিয়া ও তার সহকর্মী অজ্ঞাত আরেকজন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ধর্ষকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া জানান, এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ভুক্তভোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব।
৪ দিন আগে
হাম ও উপসর্গে আজও সর্বোচ্চ ১৭ প্রাণহানি, শনাক্ত ১২২৪
দেশে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৪টি শিশু।
এটি হাম ও রোগটির উপসর্গ নিয়ে এক দিনে সর্বোচ্চ প্রাণহানির রেকর্ড। এর আগে গত ৪ মে প্রথম এই সংখ্যক প্রাণহানির তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
সোমবার (২৫ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও একটি শিশুর।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৫৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৭টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫৪৫টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ৯৭টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১২৭। এই সময়ে ১ হাজার ২৭টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৪০৫টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৪ হাজার ৯৪০, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭১৯। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫১ হাজার ৫৮৫ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ৬১৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৪ দিন আগে
সিলেটে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে বিভাগে হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে।
রবিবার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মৃত শিশুটির বাড়ি দক্ষিণ সুনামগঞ্জে। সিলেটের ডা. শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ মাস বয়সী ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ (রবিবার) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৭৩ জন ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৯৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় সিলেটে বিভাগে একজনের হাম রোগ শনাক্ত হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেট বিভাগে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং বাকিরা হামের উপসর্গে মারা গেছে ।
৫ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ মৃত্যু
দেশে আজ রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩৪টি শিশু।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪৪২টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮৬টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৫২৮টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৮টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩০৬। এই সময়ে ১ হাজার ১৬৯টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২০৩টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৬৩ হাজার ৮১৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৬২২। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৫০ হাজার ৫৫৮ রোগী, যাদের মধ্যে ৪৬ হাজার ২১৪ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
৫ দিন আগে