শিশু
ভোলায় শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর মো. ইসমাইল (৭) নামের এক শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার মো. রোকন (২২) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া-সংলগ্ন একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইসমাইল ওই এলাকার মো. আকবর হোসেনের ছেলে।
শিশুটির পরিবার জানায়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে খেলতে বের হয় শিশু ইসমাইল। পরে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও সে বাড়িতে না ফেরায় চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পাওয়ায় বাবা আকবর হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
নিখোঁজের তিন দিন পর আজ (মঙ্গলবার) সকালে স্থানীয় কয়েকজন বোরহানউদ্দিনের মুসলিমপাড়া-সংলগ্ন খালে একটি বস্তা ভাসতে দেখে সন্দেহ থেকে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করলে স্বজনরা ইসমাইলকে শনাক্ত করেন।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মোবাইল ফোন কেনাকে কেন্দ্র করে কিছুদিন আগে ইসমাইলের বাবা আকবর হোসেনের সঙ্গে রোকনের বিরোধ হয়েছিল এবং ওই সময় রোকন তাকে হুমকি দিয়েছিলেন।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফউদ্দিন জানান, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে থানায় আনা হয়েছে। তবে শিশুটির মৃত্যুর কারণ এবং তাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
৬ দিন আগে
২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন
আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, এ কর্মসূচিতে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যাম্পেইন চলবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে হামের বিশেষ ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফ, গ্যাভি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এপ্রিল থেকে মে মাসের ২০ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে হামের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়। ওই কর্মসূচিতে ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। লক্ষ্যমাত্রার ১০২ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত অর্জন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এরপর ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ দেওয়া হয়। তখন দেখা যায়, আগের টিকাদান কর্মসূচিতে প্রায় ৪৩ লাখ শিশু বাদ পড়েছে। পরে মপ-আপ ক্যাম্পেইন চালিয়ে এরই মধ্যে আরও ১৯ লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে বাকি রয়েছে ২৪ লাখ শিশু। এর সঙ্গে গত তিন মাসে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা আরও প্রায় ১০ লাখ শিশু যুক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ লাখ শিশু।
সাখাওয়াত হোসেন জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউনিসেফের কাছ থেকে আরও ৪৩ লাখ ডোজ হামের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর আগে মজুত ছিল ১৫ লাখ ডোজ। সব মিলিয়ে ৫৮ লাখ ডোজ টিকা রয়েছে। ১০ শতাংশ ওয়েস্টেজ বাদ দিলেও প্রায় ৫২ লাখ ডোজ টিকা থাকবে। ফলে ৩৪ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত টিকা থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আগামী ২৬ তারিখ সকাল ১০টা থেকে সারা দেশে ম্যাসিভ ক্যাম্পেইনে যাচ্ছি। যারা ছয় মাস বয়স অতিক্রম করেছে, তাদের থেকে শুরু করে ৫৯ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুদের এই টিকা দেওয়া হবে। এবার ক্যাম্পেইনে শুধু কেন্দ্রে বসে থাকব না, গ্রামের ভেতরেও লোকজনকে কাজে লাগাব, যাতে একটি শিশুও বাদ না থাকে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ক্যাম্পেইনের পরও নতুন করে ছয় মাস বয়স পূর্ণ করা শিশুদের টিকা দিতে মপ-আপ (অতিরিক্ত টিকাদান) কার্যক্রম চালু রাখা হবে। জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচালক, ইউএইচএফপিও, ইউএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কর্মসূচিতে যুক্ত থাকবেন।
হামে আক্রান্ত শিশুদের বড় অংশই টিকা নেয়নি দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমি হাসপাতাল ঘুরি, ৯৯ শতাংশ আনভ্যাক্সিনেটেড। যারা এখন হামে মারা যাচ্ছে, তারা ভ্যাকসিন পায়নি।’
ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের টিকা না দেওয়ার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী সাধারণত নয় মাসের আগে হামের টিকা দেওয়া হয় না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল ইমিউনাইজেশন টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি কমিটির (নাইট্যাক) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছয় মাস বয়স থেকে টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর কম বয়সী শিশুদের টিকা দিলে ক্ষতির ঝুঁকি থাকায় ছয় মাসের নিচে টিকা দেওয়ার ঝুঁকি নেওয়া হবে না।
পাঁচ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের টিকাদানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী এই মুহূর্তে আমরা পাঁচ বছরের বেশি বয়সীদের কাভার করতে পারছি না।’
হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, হামের পর নিউমোনিয়া হলে পরিস্থিতি জটিল হয়। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। এ ধরনের রোগীদের চিকিৎসায় সিপ্যাপসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসকদের সংগঠনগুলোর মাধ্যমে হামের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।
হাম ও ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়েও হাম ও ডেঙ্গুর প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। তবে অনেক রোগী সরাসরি ঢাকার তৃতীয় পর্যায়ের হাসপাতালে চলে আসছেন। পরিস্থিতি খারাপ হলে জেলা ও বড় শহরগুলোতে মোবাইল হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীকে এ কাজে প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কয়েক মাস ধরে প্রতি শুক্রবার জেলা সদর, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলছে। পাশাপাশি মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা থেকে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে প্রতি শনিবার দেশব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানও চলছে, যা ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
হাম নিয়ন্ত্রণে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ছোঁয়াচে রোগ। প্রতিদিন নতুন শিশু ছয় মাস বয়সে প্রবেশ করায় টিকাদানের বাইরে থাকা শিশুর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে তৈরি হচ্ছে। পাশাপাশি হামের রোগীকে নিয়ে পরিবারের অন্য শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসার কারণে সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ছে।
৮ দিন আগে
মাদকের টাকা জোগাড় করতে ২০ মাসের মেয়েকে বিক্রির চেষ্টা
চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে শিশুটিকে বিক্রি করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তার বাবা বাসা থেকে নিয়ে গেছেন—এমন অভিযোগ পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পায় পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ। তিনি জানান, ৯৯৯-এ ফোন করে সীমা (২৬) নামে এক নারী অভিযোগ করেন, তার স্বামী লোকমান হোসেন সাগর (২৭) মাদকাসক্ত। তিনি সদরঘাট থানাধীন পানির ট্যাংকি এলাকার বাচ্চু মিয়ার বাসায় বসবাস করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ওই রাতে লোকমান তার ২০ মাস বয়সী মেয়ে ফাতেমা আক্তারকে মাদক সেবনের টাকা জোগাড়ের উদ্দেশ্যে বিক্রি করে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে বের হন। খবর পেয়ে সদরঘাট থানার মোবাইল টহল ডিউটির স্পেশাল-২৪ (নৈশ) টিম অভিযান শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা অভিযান চালানোর পর রাতেই পশ্চিম মাদারবাড়ির যুগী চাঁদ মসজিদ লেইন এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধার করা শিশু ফাতেমা আক্তারকে তার মা সীমার কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি। ঘটনাটি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
৮ দিন আগে
কুমিল্লায় কুকুরের কামড়ে শিশুসহ আহত ৬
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় কুকুরের কামড়ে পাঁচ শিশুসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) উপজেলার সিদলাই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য সিদলাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— সিদলাই গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে মো. আলিফা ইসলাম (৫), কামরুল হাসানের ছেলে মো. হামিম (৫), শরিফুল ইসলামের ছেলে মো. তানভির (৪), একই গ্রামের হুজাইফা (৩), কুলসুম (১০) ও শিরিন (১৯)।
স্থানীয়রা জানান, আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টার দিকে নিজ বাড়ির আঙিনায় খেলাধুলার সময় একটি কুকুর এসে এলোপাতাড়ি কামড় দিতে থাকে। এতে ছয়জন আহত হন।
পরে আহতদের স্বজনরা তাদের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তাদের মধ্যে আলিফা ও তানভিরের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. হাসিবুর রেজা বলেন, কুকুরের কামড়ে আহত চারজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
১৭ দিন আগে
নেত্রকোণায় জেলের জালে উঠল শিশুর মরদেহ
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে খালের পানিতে ডুবে আলী (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। নিখোঁজের পর জেলেদের জালে তার মরদেহ উঠে আসে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পানুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত আলী ওই গ্রামের আশিকুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা-বাবা দুজনই জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকেন। আলী গ্রামে দাদা আবু তাহেরের কাছে থাকত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে মুখ ধোয়ার জন্য বাড়ির পাশে সাপমরা খালে যায় আলী। একপর্যায়ে সে পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে জেলেরা খালে জাল ফেললে সেই জালে আলীর মরদেহ উঠে আসে।
স্থানীয়রা জানান, আলীর মৃগীরোগ ছিল। খালে নামার পর হঠাৎ ওই রোগের কারণে সে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর মিয়া বলেন, আলীর মা-বাবা ঢাকায় থাকায় সে দাদার কাছে থাকত। মুখ ধোয়ার জন্য খালে গেলে মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়ে সে পানিতে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তাই পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৮ দিন আগে
নাটোরে শিশু ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
নাটোরের সিংড়ায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে আবু বকর সিদ্দিক (২১) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নাটোরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ শারমিন আখতার এ রায় দেন।
রায়ে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করে তা ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আব্দুল কাদের মিয়া জানান, গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সিংড়া উপজেলার বিজয়নগর গ্রামের তৃতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে রাস্তা থেকে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে একই এলাকার বখাটে যুবক আবু বকর সিদ্দিক।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পিতা ইমরান আলী বাদী হয়ে সিংড়া থানায় মামলা করলে তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ঘটনার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে নিম্ন আদালতে মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করা হয় বলে জানান বিশেষ পিপি।
২২ দিন আগে
প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের শিশু দেখানোয় ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
প্রাপ্তবয়স্ক চার আসামিকে শিশু হিসেবে দেখিয়ে জাল জন্মসনদ ও কাগজপত্র তৈরি করে জামিন নেওয়া, আদালতের অর্ডার শিটের আদেশ কাটাকাটি ও নথি গায়েবের অভিযোগে গাইবান্ধা জেলা বারের আইনজীবী, গোবিন্দগঞ্জ কোর্টের জিআরও ও মুহুরির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদেশটি গোবিন্দগঞ্জ থানায় পৌঁছালে এ ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ। এর আগে গতকাল (বুধবার) গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এর বিচারক ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলায় অভিযান চালিয়ে হ্যাকারসহ পলাশ রানা, সুমন মিয়া, শামীম চৌধুরী ও এনামুল হক নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের কারামুক্ত করতে আত্মীয়স্বজনরা জেলা বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের পরামর্শ নেন।
অভিযোগ রয়েছে, আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপন বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বিবাহিত যুবক এনামুল হককে নাবালক ও শিশু প্রমাণ করতে জাল জন্মসনদ তৈরি করেন। তিনটি মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে শিশু হিসেবে দেখিয়ে জামিন করানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এছাড়া আসামিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কোর্টের জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুর ও মুহুরি হাসান আলীর সহযোগিতায় আদালতের নথি গায়েব ও আদেশ কাটাকাটির অভিযোগ রয়েছে আইনজীবী শেফাউল ইসলামের বিরুদ্ধে। এভাবে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে সাবালক আসামিদের নাবালক দেখিয়ে তাদের জামিন নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিষয়টি নিয়ে আইনজীবী সারোয়ার হোসেন, মোত্তালিব হোসেনসহ কয়েকজন আইনজীবী আদালতে জামিনপ্রাপ্ত আসামিদের জামিন বাতিলের আবেদন করেন। শিশু আদালত-২-এর বিচারক বিষয়টি আমলে নিয়ে গোবিন্দগঞ্জ আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম গালিব হাসানকে তদন্তভার দেন। গত ১৯ আগস্ট শিশু আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে মূল অভিযুক্ত আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের সনদ বাতিল, মুহুরি হাসান আলীর নিবন্ধনপত্র বাতিল ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
সেই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনাকে দেশের সামগ্রিক বিচার বিভাগের জন্য ‘কালো অধ্যায়’ বলে পর্যবেক্ষণ দেন আদালত।
এছাড়া শিশু আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারীকে বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন।
বুধবার আদেশ দেওয়া হলেও আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সেটি থানায় পৌঁছায়। পরে তিন অভিযুক্ত আইনজীবী, মুহুরি ও কোর্ট জিআরওর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।
এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আদেশটি পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
২৫ দিন আগে
আইফোন কিনতে দেড় বছরের শিশুকে বিক্রি করলেন বাবা
সকালে দাদি মাহফুজা বেগমের কাছে গিয়ে বাবা বলেছিলেন, ‘মা, তোমার নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দাও। ওকে নিয়ে বাজারে একটু ঘুরতে যাব।’
দেড় বছরের শিশু মুসাকে সাজিয়ে দেওয়ার পর তাকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান বাবা মো. মারুফ। কিন্তু দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও বাবা-ছেলের কেউ আর বাড়িতে ফেরেননি।
উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যরা শুরু করেন খোঁজাখুঁজি। এরপর তাদের সামনে আসে আরও বিস্ময়কর এক অভিযোগ—আইফোন কেনার জন্য নিজের দেড় বছরের শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন মারুফ।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামের মুন্সিবাড়ি এলাকায় গতকাল শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত মারুফ ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি।
শিশুটির দাদি ও স্থানীয় সূত্রের দাবি, গতকাল সকাল ৮টার দিকে মারুফ মুসাকে নিয়ে বাজারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। দীর্ঘ সময়েও তাদের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে মারুফের মামা বাহাদুর মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রথমে তিনি শিশুটির বিষয়ে কিছু স্বীকার করেননি বলে পরিবারের দাবি।
তবে পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারুফ স্বীকার করেন যে, আইফোন কেনার জন্য তিনি তার ছেলে মুসাকে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের রোমানাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে এক লাখ টাকায় লিখিতভাবে বিক্রি করেছেন।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে বিক্রি করে পাওয়া টাকা নিয়ে ঢাকায় গিয়ে একটি পুরোনো আইফোন বদলে নতুন একটি আইফোনও কিনেছেন মারুফ।
শিশুটির দাদি মাহফুজা বেগম বলেন, প্রায় চার বছর আগে সাভার থেকে বৃষ্টি নামে এক তরুণীকে বিয়ে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন মারুফ। প্রায় তিন বছর পর তাদের ঘরে মুসার জন্ম হয়।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মারুফ ও তার স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হলে বৃষ্টি বাবার বাড়িতে চলে যান। এরপর কিছুদিন বাড়িতে থেকে মারুফ ঢাকায় চলে যান। গত শুক্রবার সন্ধ্যার আগে তিনি বাড়িতে ফেরেন।
মাহফুজা বেগম বলেন, ‘শনিবার সকালে মারুফ আমাকে বলে, মা, তোমার নাতিকে জামাকাপড় পরিয়ে দাও। আমি ওকে নিয়ে বাজারে একটু ঘুরতে যাব। এরপরে পরে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও ছেলে ও নাতির কোনো খোঁজ পাইনি।’
তিনি বলেন, খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারেন, আইফোন কেনার জন্য এক লাখ টাকার বিনিময়ে মুসাকে বিক্রি করেছেন বলে মারুফ স্বীকার করেছেন। এই বৃদ্ধা বলেন, ‘আমি আমার নাতিকে ফিরে পেতে চাই। প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।’
অন্যদিকে, শিশুটিকে কেনার অভিযোগ ওঠা ইমরান হোসেন মুঠোফোনে বলেন, মারুফ দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে শিশুটিকে দেওয়ার কথা বলে আসছিলেন।
তার শ্বশুরের পাঁচ মেয়ে থাকলেও কোনো ছেলে সন্তান নেই উল্লেখ করে ইমরান দাবি করেন, এ কারণেই মারুফের সঙ্গে আলোচনা করে এক লাখ টাকার বিনিময়ে লিখিতভাবে শিশুটিকে নিয়েছেন। পরে শিশুটিকে তার শ্বশুরবাড়িতে দিয়ে এসেছেন বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কয়েক বছর আগে মারুফ সাভার থেকে এক তরুণীকে বিয়ে করে বাড়িতে আনেন। পরে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তারা দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর শিশুটিকে উদ্ধারে পুলিশ সরেজমিনে কাজ করছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
২৯ দিন আগে
পদ্মায় ফুটবল খেলতে গিয়ে শিশু নিখোঁজ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীতে ফুটবল খেলতে গিয়ে মোস্তাকিম হোসেন (১২) নামে এক মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ হয়েছে। এ সময় স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া ইব্রাহিম হোসেন (১২) নামে আরেক শিক্ষার্থীকে জীবিত উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ মোস্তাকিম উপজেলার সোনাতলা গ্রামের হায়দারের চর এলাকার রতন জমাদারের ছেলে। উদ্ধার হওয়া ইব্রাহিম একই গ্রামের জিয়ারুল শাহের ছেলে। তারা দুজনই সোনাতলা দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (শুক্রবার) দুপুরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ছয়জন শিশু ভাগজোত ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর পানিতে ফুটবল খেলছিল। খেলার একপর্যায়ে তীব্র স্রোতের টানে মোস্তাকিম ও ইব্রাহিম গভীর পানির দিকে চলে যায়। তারা দুজনই পানিতে ডুবে যেতে থাকলে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে গিয়ে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। তবে প্রবল স্রোতের কারণে মোস্তাকিমকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ও ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
ঘটনাস্থলে মোস্তাকিমের মা শিউলি খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে। সকালে খাওয়াদাওয়া শেষে মাদ্রাসায় না গিয়ে ছুটির দিনে বন্ধুদের সঙ্গে নদীর পাড়ে খেলতে গিয়েছিল। পরে নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এখনও আমার ছেলের কোনো খোঁজ পাইনি।’
মাদ্রাসার শিক্ষক ওমর ফারুক বলেন, সকালে এক আত্মীয়ের বাড়িতে খাওয়া শেষে মোস্তাকিম বন্ধু ও স্থানীয় ছেলেদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে আসে। পরে অসাবধানতাবশত নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, শিশু নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে আমিসহ আমাদের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছি। নদীতে প্রবল স্রোত থাকায় শিশুটি ভেসে অন্যত্র চলে যেতে পারে।’
৩১ দিন আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে নদীতে ডুবে ৫ শিশু নিহত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নেমে ৫ শিশু নিহত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো— চর চাকলা এলাকার মাসুদ আলীর দুই মেয়ে সুমাইয়া (১০) ও আরিফা (৮), নেজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে সুরাইয়া (৯) ও সুমাইয়া (১১) এবং অপরজন হলো শরিফুল ইসলামের মেয়ে সরিফা (১১)।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার দেবীনগর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর চাকলা এলাকায় মরা পাগলা নদীতে গোসল করতে নামে বেশ কিছু শিশু। গোসলের এক পর্যায়ে পাঁচ শিশু পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা নদীতে তল্লাশী চালিয়ে একে এক ৫ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
৩১ দিন আগে