জানাজা
সৌদি আরবে আগুনে পুড়ে নওগাঁর নিহত ৭ জনের জানাজা সম্পন্ন
সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে পুড়ে নিহত নওগাঁর ৭ জনের মরদেহ দেশে আসার পর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০ টায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একসঙ্গে সাত জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল ৪টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের অগ্নিকাণ্ডে পরিচয় সনাক্ত হওয়া ৯ জনের মরদেহ দেশে আসে। এদের মধ্যে সাত জনের বাড়িই নওগাঁর আত্রাই উপজেলাতে। মরদেহগুলো বিমানবন্দর থেকে প্রশাসনের সহায়তায় রাত দেড়টার দিকে আত্রাই উপজেলাতে আসে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত মরদেহবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সগুলো আত্রাই থানা চত্বরে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়।
জানাজা নামাজে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.মনিরুজ্জামান, আত্রাই থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয়রা অংশগ্রহণ করেন৷
জানাজা নামাজ শেষে মরদেহগুলো নিহতদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে স্বজনরা মরদেহগুলো নিয়ে নিজ নিজ গ্রামের উদ্দেশে রওনা করেন।
নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, নিহতদের পরিবারগুলোকে ওয়েজ অর্নার্স কল্যাণ বোর্ড থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। তাদের ভবিষ্যতেও সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকায় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাতজন হলেন আত্রাই উপজেলার উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো: ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের গন্ডোগোলী গ্রামের ৪ জন, বিষা ইউনিয়নের ডুবাই গ্রামের একজন, সাহাগোলা ইউনিয়নের উদনপৈ গ্রামের একজন, পারকাসুন্দা গ্রামের একজনকে বিকেলে গ্রামে গ্রামে জানালা শেষে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
৬ দিন আগে
ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেনতারা এবং নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির ভাইয়েরা প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছেন। জানাজা অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার আহ্বান জানিয়ে স্লোগান দেওয়া হয়েছে, যা দুই দেশের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
খামেনির শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজধানী তেহরানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের প্রকাশ্যে দেখা যাবে—এটি শুরুতে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কারণ, যুদ্ধের শুরুতেই গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চালানো বিমান হামলায় ৮৬ বছর বয়সী খামেনি, তার পরিবারের সদস্য এবং আরও কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন। এর আগে যুদ্ধ চলাকালে যেসব নেতাদের প্রকাশ্যে দেখা গিয়েছেল, তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল।
তবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এখনও প্রকাশ্যে আসেননি। ধারণা করা হচ্ছে, যে বিমান হামলায় তার বাবাকে হত্যা করা হেয়েছিল, একই বিমান হামলায় তিনিও আহত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন। ইসরায়েল তাকেও হত্যারও হুমকি দিয়েছে।
এসবের মধ্যেই তিনি ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পাশাপাশি তার নেতৃত্বাধীন শীর্ষ কর্মকর্তারা যুদ্ধের স্থায়ী অবসান ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। কারণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
জানাজায় অংশ নেওয়া ৪২ বছর বয়সী নার্স জিবা নাদেরি জানান, দেশের বিষয়ে মোজতবা খামেনি যা নির্দেশ দেবেন, ইরানের সেটিই অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিশোধের আহ্বান শুনেছি। কিন্তু আমাদের করণীয় কী, তা আমাদের নেতাই ঠিক করে দেবেন। আমরা তার নির্দেশ মেনে চলতে বাধ্য।’
জানাজায় দোয়া ও প্রতিশোধের আহ্বান
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ৯৭ বছর বয়সী শিয়া আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি প্রয়াত খামেনি এবং তার পরিবারের নিহত সদস্যদের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন খামেনির ছেলে মাসউদ, মেইসাম ও মোস্তাফা। তাদের সবাইকে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম প্রকাশ্যে দেখা গেছে। এছাড়া, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জেনারেল আহমদ বাহিদিকেও জনতার মধ্যে দেখা যায়।
যুদ্ধ শুরুর পর বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো তার ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) সাংবাদিকরা তাকে কালো বেসবল ক্যাপ পরে সাধারণ পোশাকধারী নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দেখতে পান।
এছাড়া ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ এবং রেভল্যুশনারি গার্ডের কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানিও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতির মধ্যেই গ্র্যান্ড মোসাল্লাজুড়ে টাঙানো পোস্টার ও দেয়াললেখায় ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার আহ্বান জানানো হয়।
জানাজার অনুষ্ঠান শুরুর আগে সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকা কবি মোহাম্মদ রাসুলি জনতার মধ্যে স্লোগান তোলেন, ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ ও ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে রাসুলি ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনও কেন বেঁচে আছে?’ এ কথা শুনে উপস্থিত জনতা উল্লাসে ফেটে পড়ে। এরপর রাসুলি যখন বলেন, ‘পৃথিবী এখন আর ট্রাম্পের জন্য নিরাপদ জায়গা নয়’, তখন জনতা আরও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। খামেনির জানাজার এই আয়োজনেই ইরানে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে কেউ ট্রাম্পের প্রণনাশ নিয়ে সরাসরি হুমকি দিল।
৬০ দিন আগে
কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সিলেটের ৫ প্রবাসীর দাফন সম্পন্ন
কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার পাঁচ প্রবাসীর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ২টার দিকে স্থানীয় আকুনি মাদরাসা মাঠে হাজারও মানুষের উপস্থিতিতে সম্মিলিত জানাজা শেষে নিজ নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাদের সমাহিত করা হয়।
এর আগে, আজ (মঙ্গলবার) সকালে কফিনবন্দী পাঁচ প্রবাসীর মরদেহ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
এ সময় সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি মাওলানা আবুল হাসানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা জানান।
ওয়েজ অনার্স কল্যাণ বোর্ডের পক্ষ থেকে নিহতদের দাফনের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয় এবং ভবিষ্যতে আরও ৩ লাখ টাকা প্রদানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
মরদেহগুলো অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিজ গ্রামে পৌঁছালে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। প্রিয়জনদের হারিয়ে স্বজনদের বুকফাটা আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন— ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন, আগতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ এবং দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ী গ্রামের কাদির আহমদ।
গত ২১ জুন কাতারের শাহানিয়া এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় এই পাঁচ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় মোট ছয়জন প্রাণ হারিয়েছিলেন, যার মধ্যে পাঁচজনই ছিলেন কানাইঘাটের বাসিন্দা। রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এমন অকাল প্রয়াণে পুরো কানাইঘাট উপজেলাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
৬৫ দিন আগে
জামালপুর যাচ্ছে লিমনের মরদেহ, বাদ মাগরিব জানাজা
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ আজ সোমবার সকাল ৯টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আনুষ্ঠানিকতা শেষে জামালপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন তার বাবা মো. জহুরুল হক ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ।
নিহত লিমনের কাকা মো. আসাদুল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরও জানান, দুপুরের মধ্যে লিমনের মরদেহ মাদারগঞ্জ উপজেলার লালডোবা গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছাবে। তার জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব স্থানীয় লালডোবা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হবে। ইতোমধ্যেই কবর খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এলাকায় মাইকিং করে জানাজা নামাজের কথা প্রচার করা হচ্ছে। মরদেহের সঙ্গে লিমনের বাবা-মা, একমাত্র ভাই ও স্বজনরা রয়েছেন।
ফ্লোরিডায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের পক্ষে লিমনের মরদেহ গ্রহণ করেন তার খালা তাসলিমা বেগম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী। মরদেহের সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে আসছেন। তার ফ্লাইট আজ (সোমবার) দুপুর ১টার দিকে হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে বলে জানান মো. আসাদুল্লাহ।
জামিল আহমেদ লিমনের বাবা মো. জহুরুল হক, মা লুৎফুন্নেছা ও ছোট ভাই যোবায়ের আহমেদ দীর্ঘদিন থেকে ঢাকার হাসনাবাদ এলাকায় বসবাস করছেন। জহুরুল হক পেশায় টেক্সটাইল মিলের কর্মকর্তা ছিলেন, মা গৃহিনী এবং একমাত্র ছোট ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) স্নাতকে অধ্যয়নরত।
লিমনের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশাপাশি এলাকায় চলছে শোকের মাতম।
১২৩ দিন আগে
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমানের জানাজা আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পরে ইস্কাটনের সচিব নিবাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২৫ মিনিটে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জানাজায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী নেতারা, সর্বসাধারণ ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। জানাজা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে স্বল্পসময়ের কাজের স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘দুই মাসের মতো হলো বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। দাপ্তরিক কাজে তিনি দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তা ছিলেন। তার কাজের মধ্যে আমি নিষ্ঠা ও দেশপ্রেম দেখেছি।’
তিনি আরও বলেন, পৃথিবীতে আমাদের অবস্থান অল্প সময়ের। কে কখন কার জানাজা পড়বে কেউ জানে না। পরকালের জন্য যেন কিছু সঞ্চয় নিয়ে যেতে পারি, আমাদের সে কাজে মনোযোগী হওয়া উচিত।
প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতা বোধ করলে গত ১৩ এপ্রিল মাহবুবুর রহমানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সে সময় তার শরীরে রক্তের প্লাটিলেট আশঙ্কাজনক হারে কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাকালে পরীক্ষায় তার শরীরে ম্যালেরিয়া শনাক্ত হয়।
তার পারিবার জানায়, গাজীপুর জেলার গাছা এলাকায় তাকে দাফন করা হবে।
১৩৯ দিন আগে
স্পিকারের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সম্পন্ন
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী দিলারা হাফিজের জানাজা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টায় অনুষ্ঠিত জানাজায় ইমামতি করেন সংসদ সচিবালয়ের পেশ ইমাম মো. আবু রায়হান। এতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যরা।
জানাজার আগে মরহুমার সংক্ষিপ্ত জীবনী তুলে ধরেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানাজায় উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি তাদের ৫৬ বছরের দাম্পত্য জীবনের স্মৃতি চারণ করে বলেন, দিলারা হাফিজ পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তারা উভয়ই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, রাষ্ট্রপতির পক্ষে জনবিভাগের সচিব, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম ও অন্যান্য হুইপ এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা মরহুমার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় জানাজা শেষে দিলারা হাফিজকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানাজায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা, বিরোধীদলীয় নেতারা, সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং ভোলা-৩ নির্বাচনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
১৫৭ দিন আগে
কুষ্টিয়া জামায়াতের আমির হাশেমের জানাজা সম্পন্ন, সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা আমির অধ্যাপক আবুল হাশেমের জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে শহরের হাউজিং চাঁদাগাড়া ঈদগাহ মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় জমায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মী ছাড়াও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর উপজেলা ফুটবল মাঠে তৃতীয় জানাজা শেষে উপজেলার ওয়াপদা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে, গতকাল (সোমবার) রাতে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার গোলাপনগরে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে গতকাল (সোমবার) শহরে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয় জেলা জামায়াত। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তৃতা করছিলেন আবুল হাশেম। একপযার্য়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তৎক্ষণাৎ তাকে কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া এলাকায় বেসরকারি হাসপাতাল মান্নান হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবুল হাশেমের এমন মৃত্যুতে জামায়াতের নেতা-কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও। আবুল হাশেম এক ছেলে ও এক মেয়ের বাবা ছিলেন।
২২৭ দিন আগে
স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় খালেদা জিয়া
স্বামী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে, তারই কবরের পাশে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হয়।
এ সময় তার বড় ছেড়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, পরিবারের সদস্য এবং বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, আজ বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও প্লাজা-সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও।
জানাজায় তারেক রহমান, তার পরিবার ও স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্যমণ্ডলীসহ বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, এনসিপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং নানা শ্রেণিপেশার সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান হিসেবে বলছি, এখানে যারা উপস্থিত আছেন, আমার মা জীবীত থাকা অবস্থায় আপনাদের কারো কাছ থেকে যদি কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব।
তিনি বলেন, একইসঙ্গে উনার কোনো ব্যবহারে, কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন, তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দোয়া করবেন, আল্লাহ তাআলা যেন উনাকে বেহেশত দান করেন।
খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে আজ (বুধবার) সকাল থেকেই সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকা জনসমূদ্রে পরিণত হয়। রাজধানী ঢাকা, এর আশপাশের জেলা ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মানুষ ঢাকায় এসে জড়ো হন। এ সময় অনেককেই কালো ব্যাজ ধারণ করতে দেখা যায়। অনেকে প্রিয় নেত্রীর শোকবার্তা-সংবলিত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাজির হন।
খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পুলিশ, বিজিবি, র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এবং আশেপাশে এলাকাজুড়ে। সেনাবাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।
পুরো কার্যক্রম ঘিরে ১০ হাজারেরও বেশি পুলিশ, এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিজিবির ২৭ প্লাটুন সদস্যও মোতায়েন করা হয়েছে।
এর আগে, সকাল ৯টার একটু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে তার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার স্বজন ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন দেশের রাজনীতিতে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের এই প্রয়াণে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান।
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। সেই সঙ্গে দেশে আজ থেকে শুক্রবার পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।
২৪৬ দিন আগে
খালেদার জানাজা অনুষ্ঠিত, অশ্রু ও ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানাল লাখো মানুষ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এক বুক ভালোবাসায় অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রীকে বিদায় জানিয়েছেন লাখো মানুষ।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও প্লাজা-সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও।
জানাজায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার পরিবার ও স্বজন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্যমণ্ডলীসহ বিএনপির শীর্ষ ও তৃণমূলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতিনিধি, বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, এনসিপি, জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং নানা শ্রেণিপেশার সর্বস্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।
২৪৭ দিন আগে
খালেদা জিয়ার শেষকৃত্যে অংশ নিতে ঢাকায় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও শেষকৃত্যে অংশ নিতে বুধবার ঢাকায় পৌঁছেছেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা।
নেপাল সরকার ও দেশটির জনগণের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতেই ঢাকায় পৌঁছান তিনি।
রাত ১১টা ২৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম ও ঢাকায় নিযুক্ত নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।
নেপালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে খালেদা জিয়ার তিন মেয়াদে নেপাল–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে তার অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার বহির্প্রকাশ হিসেবেই নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফর।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে তার সঙ্গে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। আগামী ১ জানুয়ারি তিনি কাঠমান্ডু ফিরে যাবেন।
২৪৭ দিন আগে