এসআরবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল, গান পাউডার ও বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টার দিকে জেলার সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব টিকারা এলাকায় একটি আমবাগান থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়। আজ (শুক্রবার) সকালে এসআরবি-৫-এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোম্পানি কমান্ডার কার্যালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ কোম্পানি কমান্ডার কার্যালয়ের একটি দল রাজশাহীস্থ এসআরবি-৫-এর বোমা ডিসপোজাল ইউনিটের সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার রাতে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্ব টিকারা এলাকায় একটি আমবাগান অভিযান চালিয়ে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ৯২টি ককটেল, ১১ দশমিক ৮ কেজি গান পাউডার ও বিস্ফোরক তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করে। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে কাউকে পাওয়া যায়নি এবং এ ঘটনায় কেউ আটক হয়নি।
এসআরবির ধারণা, বিভিন্ন স্থানে নাশকতা সৃষ্টির লক্ষে দুষ্কৃতকারীরা বিস্ফোরকগুলো ওই স্থানে সংরক্ষণ করে রেখেছিল। উদ্ধার হওয়া মালামাল আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
২ দিন আগে
নীলফামারীর হত্যা মামলার ৩ আসামি সিলেটে গ্রেপ্তার
নীলফামারীর ডোমারে জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা মামলার পলাতক তিন আসামিকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-৯-এর মিডিয়া কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
এর আগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত রাতে সিলেটের জালালাবাদ থানার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন নীলফামারীর ডোমার থানার হংসরাজ গ্রামের মৃত চাঁদ মিয়ার ছেলে মো. আবুল হোসেন (৪০) ও তার স্ত্রী মোসা. আমেনা বেগম (৩৫) এবং তাদের ছেলে মো. হৃদয় ইসলাম (১৯)।
এসআরবি জানায়, ডোমারের হংসরাজ গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেনের (৪০) সঙ্গে তার ভাই-বোন ও ভাতিজাদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ৫ জুন সকালে দেলোয়ারের আবাদি জমির আইল কেটে নিজেদের সীমানায় নেওয়ার চেষ্টা করেন আসামিরা।
এ সময় তাদের বাধা দিলে এক নম্বর আসামি আবুল হোসেনের নির্দেশ ও নেতৃত্বে অন্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র ও কোদাল দিয়ে দেলোয়ারের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও হামলা চালানো হয়।
স্থানীয়রা দেলোয়ার হোসেন ও তার স্ত্রীকে প্রথমে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দেলোয়ারকে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে গত ১৪ জুন তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় দেলোয়ারের স্ত্রী বাদী হয়ে ডোমার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে ছিলেন।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেপ্তারদের ডোমার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৯।
৪ দিন আগে
সুন্দরবনে এসআরবির কাছে ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ
সুন্দরবনের দুটি জলদস্যু বাহিনীর ১৫ সদস্য স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) কাছে আত্মসপর্ণ করেছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) এসআরবি মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে গতকাল (শুক্রবার) সন্ধ্যায় এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন তারা।
আত্মসমর্পণ করা জলদস্যুদের মধ্যে আটজন আলিফ বাহিনীর অংশ আব্দুল্লাহ গ্রুপের ও সাতজন মজিদ গ্রুপের। প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে এসআরবি।
এ ঘটনা সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি জেলে, বাওয়ালি, মৌয়াল ও অন্য বনজীবীদের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ আরও সুদৃঢ় করবে বলে এসআরবি আশা প্রকাশ করেছে।
এসআরবি-৬ বলেছে, সুন্দরবনে জলদস্যুতা, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
৮ দিন আগে
রাজধানীতে এসআরবির নিরাপত্তা জোরদার
রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৩ (এসআরবি-৩)।
এসআরবি-৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম কর্মকর্তা মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, ঢাকা শহরসহ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বাধীন এলাকায় নিরাপত্তা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে জনসমাগমপূর্ণ এলাকা, কেপিআইসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা এবং প্রধান সড়কগুলোতে চেকপোস্ট ও তল্লাশি অভিযান, টহল এবং মোটরসাইকেল টহল জোরদার করা হয়েছে।
অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধ এবং নাশকতা ঠেকাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। তবে সাধারণ মানুষের চলাচল যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে এসআরবি-৩ দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের নির্দেশনা দিয়েছে।
বাড়তি টহল ও চেকপোস্টের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে। এসআরবি-৩-এর ফিল্ড ইন্টেলিজেন্স দলের সদস্যরা অপরাধী চক্রগুলোর ওপর নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন।
জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধীদের বিরুদ্ধে এসআরবি-৩-এর অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
২৯ দিন আগে
র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের বিধান রেখে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার সপ্তদশ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, বিদ্যমান র্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।
এছাড়া নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
পাশাপাশি, নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত র্যাব-সংক্রান্ত বিদ্যমান বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
৬১ দিন আগে