খেলাধুলা
‘বিবর্ণ’ এমবাপ্পেকে নিয়েই নেশন্স লিগে ফ্রান্স
লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে একেবারেই অপ্রত্যাশিত শুরু হয়েছে কিলিয়ান এমবোপ্পের। লিগের প্রথম তিন ম্যাচে গোলের দেখা পাননি এই স্ট্রাইকার, যার প্রভাব পড়েছে ক্লাবটির দলীয় পারফরম্যান্সেও। মাত্র তিন ম্যাচে খেলেই ৪ পয়েন্ট খুইয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। তবে ক্লাব ফুটবলে নিষ্প্রভ সময় কাটালেও জাতীয় দলের স্কোয়াডে প্রভাব ফেলতে পারেনি তার সাম্প্রতিক ফর্ম।
সেপ্টেম্বরে উয়েফা নেশন্স লিগের গ্রুপপর্বের দুই ম্যাচের জন্য ফ্রান্স জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই তারকা ফুটবলার।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) নেশন্স লিগের স্কোয়াড ঘোষণা করেন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম।
এমবাপ্পে ছাড়াও স্কোয়াডে ঠাঁই হয়েছে সদ্য বায়ার্ন মিউনিখে নাম লেখানো ইংলিশ বংশোদ্ভূত ফরাসি উইঙ্গার মাইকেল অলিজের। এছাড়া সদ্য অনুষ্ঠিত অলিম্পিক স্কোয়াড থেকে মূল দলে ডাক পেয়েছেন বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের তরুণ মিডফিল্ডার মানু কোনে।
এই দুই নতুন মুখ ছাড়াও ইউরোর বাছাইপর্বে অভিষিক্ত ওয়েসলে ফোফানাকেও দলে ফিরিয়েছেন দেশম। বাছাইপর্বে খেললেও ইউরোর মূল পর্বে ছিলেন না চেলসির এই ডিফেন্ডার।
আরও পড়ুন: রোনালদোকে নিয়ে নেশন্স লিগে পর্তুগালের স্কোয়াড ঘোষণা
তবে নেশন্স লিগের দল থেকে ছিটকে গেছেন ইউরোর স্কোয়াড থাকা ইন্টার মিলান ডিফেন্ডার বেঞ্জামিন পাভা, বায়ার্ন মিউনিখ উইঙ্গার কিংসলে কোমান ও সদ্য ইউভেন্তুসে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া আদ্রিয়েঁ রাবিও।
এছাড়া, ইউরোর সেমিফাইনালে হারের পর জাতীয় দলকে বিদায় বলে দেওয়ায় অলিভিয়ে জিরুকে পাচ্ছেন না দেশম।
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর ইতালির বিপক্ষে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করবে ফ্রান্স। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে ২০২০-২১ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নরা।
‘এ’ লিগের গ্রুপ-২ এ তাদের অন্য প্রতিপক্ষ ইসরায়েল। অক্টোবরের আন্তর্জাতিক বিরতির সময় তাদের মোকাবিলা করবে দিদিয়ের দেশমের দল।
আরও পড়ুন: অভিজ্ঞদের বাদ রেখে বেলজিয়ামের নেশন্স লিগের স্কোয়াড ঘোষণা
ফ্রান্স স্কোয়াড
গোলরক্ষক: আলফোন্স আরেওলা (ওয়েস্টহ্যাম), মাইক মেইনিয়ঁ (এসি মিলান), ব্রাইস সাম্বা (লঁস)।
ডিফেন্ডার: জনাথন ক্লোস (নিস), ওয়েসলে ফোফানা (চেলসি), থেয়ো এরনান্দেস (এসি মিলান), ইব্রাহিমা কোনাতে (লিভারপুল), জুল কুন্দে (বার্সেলোনা), ফেরলঁ মেন্দি (রিয়াল মাদ্রিদ), উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল), দায়োত উপামেকানো (বায়ার্ন মিউনিখ)।
মিডফিল্ডার: ইউসুফ ফোফানা (এসি মিলান), এন’গলো কন্তে (আল ইত্তিহাদ), মানু কোনে (বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ), অরেলিয়ঁন চুয়ামেনি (রিয়াল মাদ্রিদ), ওয়ারেন জাইরে-এমেরি (পিএসজি)।
ফরোয়ার্ড: ব্রাদলে বার্কোলা (পিএসজি), উসমান দেম্বেলে (পিএসজি), অন্তোয়ান গ্রিজমান (আতলেতিকো মাদ্রিদ), রান্দাল কোলো মুয়ানি (পিএসজি), কিলিয়ান এমবাপ্পে (রিয়াল মাদ্রিদ), মিকেল অলিজ (বায়ার্ন মিউনিখ), মার্কুস থুরাম (ইন্টার মিলান)।
৫৫৩ দিন আগে
নেশন্স লিগ চ্যাম্পিয়নদের স্কোয়াডে নতুন দুই মুখ
ফুটবল অঙ্গনে দারুণ সময় পার করছে স্পেন। পুরষ, নারী কিংবা বয়সভিত্তিক, যে দলই খেলতে নামছে দুর্দান্ত পারফর্ম করে শিরোপা জিতে চলেছে দেশটির ফুটবলাররা। মেয়েরা ২০২৩ বিশ্বকাপ জেতার পর সম্প্রতি ইউরো এবং অলিম্পিকের স্বর্ণ জিতেছে স্পেনের যুবারা। এরই মাঝে উয়েফা নেশন্স লিগের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্ত।
ইউরোরর শক্তিশালী স্কোয়াডকে প্রায় অপরিবর্তিত রেখেই নেশন্স লিগের শিরোপা ধরে রাখার মিশনের জন্য দল ঘোষণা করেছেন স্পেন কোচ।
চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন ফরোয়ার্ড আলভারো মোরাতা এবং এক নম্বর গোলরক্ষক উনাই সিমোন।
তবে ইউরোর স্কোয়াডে না থাকলেও নেশন্সে লিগের স্কোয়াডে ফিরেছেন আলেইক্স গার্সিয়া, পাউ তোরেস, ইয়েরেমি পিনো ও গোলরক্ষক রবের্ত সানচেজ।
এছাড়া নতুন দুই ফুটবলারকেও জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেকের সুযোগ দিতে চলেছেন দে লা ফুয়েন্তে। তারা হলেন- সেল্তা ভিগোর রাইট ব্যাক অস্কার মিঙ্গেসা এবং ভালেন্সিয়ার মিডফিল্ডার পেপেলু।
আরও পড়ুন: রেকর্ড চতুর্থবার শিরোপা জিতে নবযুগের সূচনা করল স্পেন
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সার্বিয়ার বিপক্ষে নেশন্স লিগ ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে তারা। ‘এ’ লিগের গ্রুপ-৪ এ তাদের অন্য প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক।
স্পেন স্কোয়াড
গোলরক্ষক: দাভিদ রায়া (আর্সেনাল), আলেক্স রেমিরো (রিয়াল সোসিয়েদাদ), রবের্ত সানচেজ (চেলসি)।
ডিফেন্ডার: মার্ক কুকুরেইয়া (চেলসি), দানি কারভাহাল (রিয়াল মাদ্রিদ), অস্কার মিঙ্গেসা (সেল্তা ভিগো), রবিন লে নরমান্দ (আতলেতিকো মাদ্রিদ), দানি ভিভিয়ান (আথলেতিক বিলবাও), আয়মেরিক লাপোর্ত (আল নাসর), পাউ তোরেস (অ্যাস্টন ভিলা), আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো (বায়ের লেভারকুজেন)।
মিডফিল্ডার: রদ্রি (ম্যানচেস্টার সিটি), মার্তিন জুবিমেন্দি (রিয়াল সোসিয়েদাদ), পেপেলু (ভালেন্সিয়া), ফাবিয়ান রুইস (পিএসজি), আলেইক্স গার্সিয়া (লেভারকুজেন), দানি অলমো (বার্সেলোনা), পেদ্রি (বার্সেলোনা)।
ফরোয়ার্ড: লামিন ইয়ামাল (বার্সেলোনা), ফেররান তোরেস (বার্সেলোনা), নিকো উইলিয়ামস (আথলেতিক বিলবাও), ইয়েরেমি পিনো (ভিয়ারিয়াল), আয়োসে পেরেস (ভিয়ারিয়াল), মিকেল ওইয়ারসাবাল (রিয়াল সোসিয়েদাদ), হোসেলু মাতো (আল গারাফা)।
৫৫৩ দিন আগে
অভিজ্ঞদের বাদ রেখে বেলজিয়ামের নেশন্স লিগের স্কোয়াড ঘোষণা
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে দলের ভবিষ্যৎ গঠনের কথা মাথায় রেখে নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের খেলার সুযোগ দিয়ে নেশন্স লিগের স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন বেলজিয়াম কোচ দমেনিকো তেদেস্কো। ঘোষিত স্কোয়াডে অধিনায়ক কেভিন ডি ব্রইনে ছাড়া অভিজ্ঞ ফুটবলারদের কেউ নেই বললেই চলে।
পুরনোদের রেখে নতুনদের সুযোগ দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়ে তেদেস্কো বলেন, নতুন এই পরিকল্পনায় ডি ব্রুইনের থাকাটা অপরিহার্য।
আগামী ৬ সেপ্টেম্বর নেশন্স লিগের গ্রুপপর্বে ইসরায়েলের বিপক্ষে মাঠে নামবে ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা। ‘এ’ লিগের গ্রুপ-২ এ তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ ফ্রান্স ও ইতালি। প্রথম ম্যাচের তিন দিন পর দ্বিতীয় ম্যাচে ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে রবের্ত মার্তিনেসের শিষ্যরা।
আরও পড়ুন: রোনালদোকে নিয়ে নেশন্স লিগে পর্তুগালের স্কোয়াড ঘোষণা
স্কোয়াড ঘোষণার পর সংবাদ সম্মেলনে তেদেস্কো বলেন, ‘বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের খেলা শুরু হতে আরও প্রায় ছয় মাস রয়েছে। এর আগেই আমরা নতুন ফুটবলারদের খেলিয়ে দেখতে চাই। তারা যদি প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে, তবে অবশ্যই তাদের (বড় মঞ্চে) সুযোগ দেওয়া হবে।’
এই পরিকল্পনার কারণে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ ইয়ানিক কারাসকো, লিয়ান্দ্রো ত্রোসা ও আক্সেল ভিতসেলের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের বাদ দিয়েই স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে।
তেদেস্কো বলেন, ‘আমি ওদের সঙ্গে কথা বলে আমার পরিকল্পনার বিষয়ে ব্যাখ্যা করেছি। তবে যদি প্রয়োজন হয়, তবে ভবিষ্যতে তাদের ডাকা হবে।’
কেভিন ডি ব্রুইনেকে দলে রাখার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘কেভিন ব্যতিক্রম। সে আমাদের অধিনায়ক। আমি মনে করি, তার সাহচার্যে তরুণ ফুটবলাররা বেড়ে ওঠার ভালো সুযোগ পাবে।’
স্কোয়াড থেকে আরও বাদ পড়েছেন সম্প্রতি চেলসি থেকে নাপোলিতে পাড়ি জমানো ফরোয়ার্ড রোমেলু লুকাকু। তবে দলদবলের পর লুকাকু নিজেই ছুটি চেয়েছিলেন কলে জানিয়েছেন কোচ।
আরও পড়ুন: চেলসি ছেড়ে নাপোলিতে লুকাকু
এছাড়া তেদেস্কোর কোচিংয়ে খেলবেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। ফলে অভিজ্ঞ এই গোলরক্ষককেও পাচ্ছেন না বেলজিয়াম কোচ।
তবে স্কোয়াডে নতুন করে ডাক পেয়েছেন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের ১৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জুলিয়েন দুরানভিল।
বেলজিয়াম স্কোয়াড
গোলরক্ষক: কোয়েন কাস্তিলস (আল কাদসিয়া), থমাস কামিনস্কি (লুটন টাউন), মাটস সেলস (নটিংহ্যাম ফরেস্ট)।
ডিফেন্ডার: তিমোথি কাস্তানিয়া (ফুলহ্যাম), জেনো দেবাস্ত (স্পোর্তিং লিসবন), মাক্সিম দে কুইপার (ক্লাব ব্রুজ), কোনি দে ভিন্তার (জেনোয়া), ভাউট ফায়েস (লেস্টার সিটি), থমাস ময়নিয়ের (লিল), আর্থুর থিয়াতে (ফ্রাঙ্কফুর্ট)।
মিডফিল্ডার: কেভিন ডি ব্রুইনে (ম্যানচেস্টার সিটি), জুলিয়েন দুরানভিল (ডর্টমুন্ড), আর্নে এঞ্জেলস (আউগসবুর্গ), ওরেল মাঙ্গালা (অলিম্পিক লিওঁ) আমাদু ওনানা (অ্যাস্টন ভিলা), আলেক্সিস সায়লেমায়কার্স (এসি মিলান), ইউরি তিলেমানস (অ্যাস্ট ভিলা), আর্থুর ভেরমিরেন (লাইপসিগ)।
ফরোয়ার্ড: ইয়োহান বাকায়োকো (পিএসভি আইন্দহোভেন), চার্লস দে কেতেলায়রে (আতালান্তা), জেরেমি দোকু (ম্যানচেস্টার সিটি), দদি লুকেবাকিয়ো (সেভিয়া), লইস ওপেন্দা (লাইপসিগ)।
৫৫৩ দিন আগে
রোনালদোকে নিয়ে নেশন্স লিগে পর্তুগালের স্কোয়াড ঘোষণা
গত ইউরো আসরে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলেও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে নিয়েই আসন্ন নেশন্স লিগের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন পর্তুগালের কোচ রবের্ত মার্তিনেস।
আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল। এই ম্যাচের আগে শুক্রবার (৩০ আগস্ট) স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। দ্বিতীয় ম্যাচে ৮ সেপ্টেম্বর স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা।
গত জুন-জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত ইউরো আসরে হতাশাজনক পারফর্ম করেন রোনালদো। পাঁচ ম্যাচে একবারও জালের দেখা পাননি তিনি। এমনকি একটি পেনাল্টি শট নিয়েও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা।
কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে পর্তুগাল বিদায় নিলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন রোনালদো। এরপর তাকে নেশন্স লিগের দলে রাখা হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়। তবে সব অনিশ্চয়তার অবসান করে ফুটবলের বহু রেকর্ডধারী এই তারকাকে নিয়েই দল ঘোষণা করেছেন কোচ।
স্কোয়াড ঘোষণার সময় রবের্ত মার্তিনেস বলেন, ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য দল গঠনের ‘নতুন চক্র’ শুরু করতে যাচ্ছে তার দল।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ-ইউরো-নেশন্স লিগ জেতা একমাত্র ফটুবলার অবসরে
২০০৩ সালের ২০ আগস্ট কাজাখস্তানের বিপক্ষে পর্তুগালের জার্সি পরে প্রথমবার মাঠে নামার পর শুধু পর্তুগালের নয়, ১৩০ গোল করে আন্তর্জাতিক ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন তিনিই। জাতীয় দলের জার্সি পরে এখন পর্যন্ত ২১২ ম্যাচ খেলেছেন আল নাসরের এই ফরোয়ার্ড।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ হ্যাটট্রিকের (১০টি) মালিকও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও ইউভেন্তুসের সাবেক এই ফুটবলার।
নেশন্স লিগের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে নতুন তিন মুখ রেখেছেন মার্তিনেস। স্পোর্তিং লিসবনের ১৭ বয়র বয়সী উইঙ্গার জেওভানি কেন্দাকে দলে টেনেছেন তিনি। এছাড়া চেলসির লেফট ব্যাক রেনাতো ভেইগা এবং লিল ডিফেন্ডার তিয়াগো সান্তোসও প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন।
পর্তুগাল স্কোয়াড
গোলরক্ষক: দিয়োগো কস্তা (পোর্তো), হোসে সা (উলভারহ্যাম্পটন), রুই সিলভা (রিয়াল বেতিস)।
ডিফেন্ডার: রুবেন দিয়াস (ম্যানচেস্টার সিটি), আন্তনিও সিলভা (বেনফিকা), রেনাতো ভেইগা (চেলসি), গনসালো ইনাসিও (স্পোর্তিং লিসবন), তিয়াগো সান্তোস (লিল), দিয়োগো দালো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), নুনো মেন্দেস (পিএসজি), নেলসন সেমেদো (উলভারহ্যাম্পটন)।
মিডফিল্ডার: জোইয়াও পালিনিয়া (বায়ার্ন মিউনিখ), জোইয়াও নেভেস (পিএসজি), ভিতিনিয়া (পিএসজি), ব্রুনো ফের্নান্দেস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), বের্নার্দো সিলভা (ম্যানচেস্টার সিটি), রুবেন নেভেস (আল-হিলাল), জোইয়াও ফেলিক্স (চেলসি), ফ্রান্সিস্কো ত্রিনসিয়াও (স্পোর্তিং লিসবন), পেদ্রো গনসালভেস (স্পোর্তিং লিসবন)।
ফরোয়ার্ড: রাফায়েল লিয়াও (এসি মিলান), জেওভানি কেন্দা (স্পোর্তিং লিসবন), পেদ্রো নেতো (চেলসি), দিয়োগো জোতা (লিভারপুল), ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো (আল নাসর)।
৫৫৩ দিন আগে
বৃষ্টিতে ভেসে গেল দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন
বিরূপ আবহাওয়ায় রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার কিছুক্ষণ পর এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বাংলাদেশ সময় (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টায় টস এবং ১১টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু টানা বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে টসই করা সম্ভব হয়নি। ফলে ম্যাচটি এখন চার দিনের খেলায় রূপ নিল।
গত দুদিন ধরে রাওয়ালপিন্ডিতে টানা বৃষ্টি ঝরে চলেছে। শুক্রবারও যে আবহাওয়া ভালো থাকবে না, তা আগেই জানিয়েছিল দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।
এদিন বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে শুরুতে টস পিছিয়ে যায়। এর মাঝে আম্পায়াররা একবার মাঠ পর্যবেক্ষণের সময় নির্ধারণ করেন, তবে বৃষ্টি না থামায় মাঠেই নামা হয়নি তাদের।
এর ফলে বাকি দিনগুলোতে ৩০ মিনিট করে অতিরিক্ত সময় খেলিয়ে প্রথম দিনের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া হতে পারে।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় টেস্ট স্কোয়াডে শক্তি বাড়াল পাকিস্তান
প্রসঙ্গত, প্রথম টেস্টের প্রথম দিনও বৃষ্টির বাগড়ায় টস হতে দেরি হয়। তবে সেদিন অল্প সময়ের মধ্যেই বৃষ্টি শেষ হয়ে যাওয়ায় ৪১ ওভার খেলা হয়েছিল।
প্রথম টেস্ট ১০ উইকেটে জিতে ইতোমধ্যে ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে তাই শুধু হার এড়াতে পারলেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয় নিশ্চিত করবে টাইগাররা।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ডের মতো দলগুলোর বিপক্ষে ম্যাচ জিতলেও সিরিজ জেতা হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশের। টেস্টে তাদের সিরিজ জয়ের রেকর্ড আছে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পাকিস্তানের বিপক্ষে তাই দ্বিতীয় টেস্টে হার এড়াতে পারলেই সিরিজ জয়ের তালিকাটি আরেকটু লম্বা করতে পারবে টাইগাররা।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক জয় টাইগারদের
৫৫৩ দিন আগে
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ড্র: আবারও বায়ার্নের সামনে বার্সা, লিভারপুলকে পেল রিয়াল
নতুন আঙ্গিকের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপপর্বের ড্র কেমন হয়, তা দেখতে মুখিয়ে ছিলেন ফুটবলপ্রেমীরা। তবে ড্রয়ের পর নিশ্চয়ই হাসি লেগে আছে সবার মুখে।
নতুন পদ্ধতিতে গ্রুপপর্বেই এবার দেখা মিলবে নকআউট পর্বের উত্তেজনা। বড় বড় দলগুলোর প্রত্যেকেরই একাধিক কঠিন প্রতিপক্ষের মোকাবিলা করে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তাই ক্লাবগুলোর দুশ্চিন্তা বাড়লেও সমর্থকদের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই উপভোগ করার সুযোগ মিলবে এবার।
নতুন আঙ্গিকের গ্রুপপর্বে এবার দেখা মিলবে গতবারের দুই ফাইনালিস্টের লড়াই। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ছাড়াও ২০১৮ ও ২০২২ সালের ফাইনালের প্রতিপক্ষ লিভারপুলকেও মোকাবিলা করতে হবে রেকর্ড ১৪ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের।
অন্যদিকে, বার্সেলোনার বায়ার্ন মিউনিখ দুঃস্বপ্ন যেন শেষই হচ্ছে না। গত বেশ কয়েক মৌসুম ধরেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জার্মান ক্লাবটির সঙ্গে নিয়মিত দেখা হয়, আর হতাশাজনক পরাজয় স্বীকার করে বারবার মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
২০২০ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মান জায়ান্টদের বিপক্ষে ৮-২ ব্যবধানের হার এখনও পোড়ায় ব্লাউগ্রানা সমর্থকদের। বায়ার্ন ছাড়াও এবার তাদের প্রতিপক্ষের মধ্যে রয়েছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড ও ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন আতালান্তার মতো দল।
প্রসঙ্গত, গত মৌসুমের নিয়ম ভেঙে, চারটি দল বাড়িয়ে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শুরু করতে যাচ্ছে উয়েফা।
নতুন ফরমেটে গ্রুপপর্ব হবে অন্যরকম, কম্পিউটার দিয়ে দ্বৈবচয়ন করে প্রত্যেক দলের প্রতিপক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন ফরমেট: যা জানা প্রয়োজন
লিগ পর্বে প্রতিটি দল খেলবে আটটি করে ম্যাচ। এই আট ম্যাচের চারটি তারা খেলবে ঘরের মাঠে এবং বাকি চারটি প্রতিপক্ষের মাঠে।
চলুন দেখে নেই পাত্র-১ এ রাখা ইউরোপীয় ফুটবলের বড় দলগুলোর গ্রুপপর্ব কেমন হলো‑
রিয়াল মাদ্রিদ: বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, লিভারপুল, এসি মিলান, আতালান্তা, জালসবুর্গ, লিল, স্টুটগার্ট ও ব্রেস্ত।
ম্যানচেস্টার সিটি: ইন্টার মিলান, পিএসজি, ক্লাব ব্রুজ, ইউভেন্তুস, ফেয়েনুর্ড, স্পোর্তিং লিসবন, স্পার্তা প্রাহা ও স্লোভান ব্রাতিস্লাভা।
বায়ার্ন মিউনিখ: পিএসজি, বার্সেলোনা, বেনফিকা, শাখতার দোনেৎস্ক, দিনামো জাগরেব, ফেয়েনুর্ড, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা ও অ্যাস্টন ভিলা।
পিএসজি: ম্যানচেস্টার সিটি, বায়ার্ন মিউনিখ, আতলেতিকো মাদ্রিদ, আর্সেনাল, পিএসভি আইন্দহোভেন, জালসবুর্গ, জিরোনা ও স্টুটগার্ট।
লিভারপুল: রিয়াল মাদ্রিদ, লাইপসিগ, বায়ের লেভারকুজেন, এসি মিলান, লিল, পিএসভি আইন্দহোভেন, বোলোনিয়া ও জিরোনা।
ইন্টার মিলান: লাইপসিগ, ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল, বায়ের লেভারকুজেন, রেড স্টার বেলগ্রেড, ইয়াং বয়েজ, মোনাকো ও স্পার্তা প্রাহা।
বরুশিয়া ডর্টমুন্ড: বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, শাখতার দোনেৎস্ক, ক্লাব ব্রুজ, সেল্টিক, দিনামো জাগরেব, স্ট্রাম গ্রাজ ও বোলোনিয়া।
লাইপসিগ: লিভারপুল, ইন্টার মিলান, ইউভেন্তুস, আতলেতিকো মাদ্রিদ, স্পোর্তিং লিসবন, সেল্টিক, অ্যাস্টন ভিলা ও স্ট্রাম গ্রাজ।
বার্সেলোনা: বায়ার্ন মিউনিখ, বরুশিয়া ডর্টমুন্ড, আতালান্তা, বেনফিকা, ইয়াং বয়েজ, রেড স্টার বেলগ্রেড, ব্রেস্ত ও মোনাকো।
উল্লেখ্য, প্রতিটি দল বিজোড় সংখ্যার দলগুলোর সঙ্গে ঘরের মাঠে এবং জোড় সংখ্যায় অবস্থান করা প্রতিপক্ষের সঙ্গে তাদের মাঠে গিয়ে খেলবে।
গ্রুপপর্বের পর শেষ ষোলো থেকে ফাইনাল পর্যন্ত ফরমেটে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগে যেভাবে নকআউট পর্ব হতো, সেভাবেই প্রতিটি ধাপের খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে গ্রুপপর্বের খেলা। এর মধ্যে শেষ দিন সবগুলো দল একযোগে একই সময় মাঠে নামবে।
৫৫৩ দিন আগে
দ্বিতীয়ার্ধের জমজমাট লড়াইয়ের পরও ফের পয়েন্ট খোয়াল রিয়াল মাাদ্রিদ
নতুন মৌসুমে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে গিয়েই বারবার নিজেদের হারিয়ে ফেলছে বর্তমান লা লিগা চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। প্রথম ম্যাচে মায়োর্কার মাঠ থেকে জয় আনতে ব্যর্থ হওয়া দলটি তৃতীয় ম্যাচেও একইরকমভাবে হতাশ হয়েছে।
বুধবার রাতে স্পেনের কানারি দ্বীপের গ্রান কানেরিয়া স্টেডিয়ামে তারকায় ঠাসা রিয়াল মাদ্রিদকে ১-১ গোলের ড্রয়ে রুখে দিয়েছে পুঁচকে লাস পালমাস।
ম্যাচজুড়ে বল দখলের লড়াইয়ে রিয়ালকে সমানে চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেছে স্বাগতিকরা। তাছাড়া আক্রমণাত্মক রক্ষণ গড়ে চ্যাম্পিয়নদের আক্রমণগুলোও একের পর এক প্রতিহত করে গেছে তারা। শেষ মুহূর্তে গোল পেয়ে ম্যাচটি জিতে নেওয়ারও ভালো সম্ভাবনা জাগায় তারা, তবে ভাগ্য রিয়ালের পক্ষে থাকায় ১ পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে লুইস মিগেল কারিয়নের শিষ্যদের।
এদিন ম্যাচ শুরুর পর পঞ্চম মিনিটেই এগিয়ে যায় লাস পালমাস। হঠাৎ আক্রমণে উঠে অরেলিয়েঁ চুয়ামেনিকে পরাস্ত করে আলবার্তো মলেইরোকে পাস দেন অলিভার ম্যাকবার্নি। পাস ধরে প্রথম শটেই লক্ষ্যভেদ করেন ২০ বছর বয়সী এই তরুণ উইঙ্গার।
গোল খেয়ে আক্রমণাত্মক ফুটবলে লাস পালমাসকে চেপে ধরার চেষ্টা করে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সম্মিলিত প্রচেষ্টা, কাউন্টার প্রেসিং ও জমাট রক্ষণে রিয়ালের সেসব প্রচেষ্টা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করে দিতে থাকে স্বাগতিকরা। শুধু তা-ই নয়, প্রতিপক্ষের পা থেকে বল ছিনিয়ে নিয়ে পজেশনাল ফুটবলে বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করে লাস পালমাস, পাশাপাশি আক্রমণ তৈরির চেষ্টা করে রিয়ালকেও অস্বস্তিতে রাখে তারা।
২৫তম মিনিটে প্রথম গোলে শট নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে ফাউল আদায় করেন ভিনিসিউস। সেখান থেকে ফেদেরিকো ভালভার্সে দারুণ একটি ফ্রি কিক নিলেও অসাধারণ দক্ষতায় শটটি প্রতিহত করে ব্যবধান ধরে রাখেন লাস পালমাস গোলরক্ষক জ্যাসপার সিলিসেন।
২৮তম মিনিটে আক্রমণে উঠে বক্সের বাইরে থেকে শট নেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তবে শটে জোর না থাকায় সহজেই বলটি লুফে নেন সিলিসেন।
মিনিট দশেক পর বক্সের বেশ বাইরে থেকে দূরপাল্লার শট হানেন আন্টোনিও রুয়েডিগার, তবে বাঁ পাশের পোস্টঘেঁষে বল গোলের ঢোকার মুখে ঝাঁপিয়ে হাত প্রসারিত করে সেটি বাইরে বের করে দেন সিলিসেন।
আরও পড়ুন: এমবাপ্পে না পারলেও অভিষেকে গোল এন্দ্রিকের, জয়ে ফিরল রিয়াল
এরপর ৪১তম মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদের আরও একটি পাল্টা আক্রমণ সঠিক সময়ে এগিয়ে এসে শেষ পর্যন্ত নিস্ফল করে দেন ৩৫ বছর বয়সী এই সাবেক বার্সা গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধের ত্রিশ মিনিটের পর থেকে একের পর এক গেম ডেভেলপ করে সমতায় ফেরার চেষ্টায় ব্রতী হয় রিয়াল মাদ্রিদ। তবে জমাট রক্ষণ ও সিলিসেনের নৈপুণ্যে তাদের সব প্রচেষ্টা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই নিস্ক্রিয় হয়ে যায়। ফলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় লাস পালমাস।
প্রথমার্ধে রিয়ালের ছয়টি শটের তিনটি ছিল লক্ষ্যে, অন্যদিকে লাস পালমাস দুটি শটের একটি লক্ষ্যে রাখতে পারে, যেটি থেকে গোল আদায় করে তারা।
তবে বল দখলের লড়াইয়ে একদমই পিছিয়ে ছিল না লাস পালমাস। রিয়ালের ৫২ শতাংশ সময় বলের ওপর নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ৪৮ শতাংশ সময় বল দখলে রেখে লা লিগা চ্যাম্পিয়নদের সমানে টক্কর দেয় তারা।
৫৫৪ দিন আগে
বিশ্বকাপ-ইউরো-নেশন্স লিগ জেতা একমাত্র ফটুবলার অবসরে
১৫ বছর, চারটি শিরোপা আর অসংখ্য অসাধারণ মুহূর্তের সাক্ষী হওয়ার পর অবশেষে স্পেনের জাতীয় দলকে বিদায় বলে দিলেন সেভিয়ার কিংবদন্তি ফুটবলার হেসুস নাভাস। চলতি মৌসুম শেষে ক্লাব ফুটবল থেকেও তিনি বিদায় নিতে পারেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
২০০৯ সালে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষিক্ত হন নাভাস। এরপর দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন এই ফুলব্যাক।
স্পেনের হয়ে তিনি পরের বছরই জেতেন বিশ্বকাপ, এরপর ২০১২ সালের ইউরো। সবশেষ ২০২৪ সালের ইউরো অভিযানের অংশ ছিলেন ৩৮ বছর বয়সী এই রাইট ব্যাক। টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে খেলা ম্যাচটিই হয়ে থাকল রা রোহার জার্সিতে তার শেষ ম্যাচ। আর দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপ সেরার ট্রফি উঁচিয়ে ধরার পর বিদায় আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বললেন তিনি।
বিদায় বার্তায় কোচ, স্টাফ, সতীর্থ ও ভক্তদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন নাভাস। এছাড়া জাতীয় দলকে আরও এগিয়ে যেতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফুটবলার।
নাভাস বলেন, ‘আমি বহুবার এটি বলেছি, আবারও বলছি- দেশের হয়ে রক্ষণ সামলানোই আমার জীবনের শ্রেষ্ঠতম অভিজ্ঞতা। স্পেনের হয়ে খেলার স্বপ্নপূরণের স্মৃতি যেমন আমার হৃদয়ে অটুট থাকবে, তেমনি অসংখ্য মানুষকে আনন্দ দিতে পেরেছি, এই গৌরবও আজীবন ধারণ করব।’
বিশ্বকাপ, ইউরো ও নেশন্স লিগ জয়ী বিশ্বের একমাত্র ফুটবলার নাভাস।
আরও পড়ুন: এবার বিদায় বলে দিলেন নয়ার
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন সুইস গোলরক্ষক জমের
৫৫৪ দিন আগে
বার্সেলোনার জন্য অপেক্ষা করে লিভারপুলে গেলেন কিয়েসা
ইউভেন্তুসে গত দুই মৌসুম একপ্রকার ব্রাত্য থাকার পর অবশেষে নিয়মিত খেলার সুযোগ করে নিলেন ইতালির তরুণ ফরোয়ার্ড ফেদেরিকো কিয়েসা। ইতালি থেকে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি।
মাত্র ১৫ মিলিয়ন (১২+৩) ইউরোরর বিনিময়ে প্রতিভাবান এই ফরোয়ার্ডকে দলে ভিড়েয়েছেন লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট। চার বছরের জন্য অ্যানফিল্ডে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দুই ক্লাবের পক্ষ থেকেই কিয়েসার দলবদলের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২০ সালে ফিওরেন্তিনা থেকে ধারে তুরিনের ক্লাবটিতে নাম লেখান কিয়েসা। এরপর দুর্দান্ত পারফর্ম করে ইউভেন্তুসের শুরুর একাদশে নিজের জায়গা পাকাপাকি করে ফেলেন তিনি, স্থায়ী দলবদলের মাধ্যমে সঙ্গে তুরিনেই থেকে যান ২৬ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। শুধু তাই নয়, প্রথম মৌসুমে দারুণ পারফর্ম করে সেরি আর মৌসুম সেরা দলে জায়গা করে নেন তিনি।
আরও পড়ুন: চেলসি ছেড়ে নাপোলিতে লুকাকু
তবে ২০২২ সালে হাঁটুতে গুরুতর চোট পেয়ে দশ মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। এরপর মাঠে ফিরলেও নিজেকেই খুঁজে চলেছেন কিয়েসা। গত মৌসুমে ৩৭ ম্যাচে মাত্র ১০ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করেন তিনি। এরপর নতুন মৌসুমে কোচ থিয়াতো মোত্তার অধীনে অনিশ্চিত হয়ে যায় তার মাঠে নামা। মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচে তাকে মাঠে নামাননি এই কোচ।
তবে কিয়েসা যে পরিকল্পনায় নেই, তার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিলেন মোত্তা। সে সময় থেকেই নতুন গন্তব্য খুঁজতে থাকে তার এজেন্ট। এক পর্যায়ে বার্সেলোনায় এই ফরোয়ার্ডকে অফার করা হয়। নিকো উইলিয়ামসকে দলে টানতে না পারায় স্বল্প খরচে এই ফরোয়ার্ডকে দলে টানার ভালো সম্ভাবনাও তৈরি হয় কাতালুনিয়ার ক্লাবটির। ব্লাউগ্রানার হয়ে খেলতে অপেক্ষাও করেছিলেন তিনি। তবে আর্থিক জটিলতার সমাধান করতে না পারায় অপেক্ষার প্রহর আর লম্বা করতে চাননি তিনি। লিভারপুলের প্রস্তাবেই রাজি হয়ে যান।
ইউভেন্তুসের জার্সিতে ১৩১ ম্যাচে ৩২ গোল করা কিয়েসা ইতালির জাতীয় দলের হয়ে এখন পর্যন্ত ৫১ ম্যাচ খেলেছেন, গোল করেছেন ৭টি। ২০২০ সালে ইতালির ইউরো জয়ে বড় অবদান ছিল এই তরুণের।
আরও পড়ুন: লা লিগায় ফিরলেন হামেস রদ্রিগেস
৫৫৪ দিন আগে
চেলসি ছেড়ে নাপোলিতে লুকাকু
চেলসিতে অনেক টানাপোড়েন শেষে অবশেষে ইতালিতে পাড়ি জমালেন বেলিজিয়ামের ৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু্। ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর, ৩০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছে নাপোলি।
বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) লুকাকুকে দিয়েগো আরমান্দো মারাদোনা স্টেডিয়ামে নে যাওয়ার কথা ঘোষণা করে নাপোলি।
মূলত লুকাকুর সাবেক গুরু আন্তোনিও কন্তে নাপোলির ডাগআউটের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তাকে পাওয়ার ইচ্ছাপোষণ করে আসছিলেন। এবার সেই স্বপ্ন সত্যি হলো।
কন্তের কোচিংয়ে ক্যারিয়ারে ফর্মের চূড়ায় চড়েন লুকাকু। ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এসি মিলানে তার তত্ত্বাবধায়নে খেলেন এই বেলজিয়ান। ২০২০-২১ মৌসুমে ২৪ গোল করে এসি মিলানকে স্কুদেত্তো জেতাতেও বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। এরপরই তার দিকে নজর দেয় চেলসি।
আরও পড়ুন: ম্যানচেস্টার সিটি ছেড়ে সৌদি প্রো লিগে কান্সেলো
২০২১ সালের গ্রীষ্মকালীন দলবদলে ১১৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ করে তাকে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে নিয়ে যায় লন্ডনের ক্লাবটি। তবে ইনজুরি-ফর্মহীনতাসহ নানা কারণে ২০২২ সালের মের পর আর চেলসির হয়ে খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এর মাঝে গত দুই মৌসুম ইতালির ইন্তার মিলান ও রোমায় ধারে খেলেন এই ফরোয়ার্ড।
এর আগে, ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চেলসিতে খেলেন লুকাকু। তবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে তার দ্বিতীয় অধ্যায় মোটেও ভালো কাটেনি।
গুঞ্জন রয়েছে, নাপোলির স্ট্রাইকার ভিক্তর অশিমিয়েনকে বিক্রি করে দেওয়ার চেষ্টা করছে ক্লাবটি। এ উদ্দেশ্যে সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল-আহলির সঙ্গে আলোচনাও করছে তারা। এখন লুকাকু নাপোলিতে যোগ দেওয়ায় সেই সম্ভাবনার আগুনে আরও একটু ঘি ঢালা হলো।
আরও পড়ুন: চেলসি থেকে আতলেতিকো মাদ্রিদে গ্যালাগার
৫৫৪ দিন আগে